ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ সিনেমা থেকে বাদ ১০০ মিনিটের দৃশ্য


রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ সিনেমা থেকে বাদ ১০০ মিনিটের দৃশ্য

রজনীকান্তের জনপ্রিয় চরিত্র ‘টাইগার’ মুথুভেল পান্ডিয়ান আবারও পর্দায় ফিরছেন। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জেলার ২’ ইতোমধ্যে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র লাভ করেছে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জেলার’-এর সাফল্যের পর, দর্শকদের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে চরম আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মুক্তির দিন নির্ধারিত হয়েছে।

এদিকে, সিনেমাটির দৈর্ঘ্য নিয়ে সামনে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। জানা গেছে, বর্তমানে ‘জেলার ২’-এর দৈর্ঘ্য ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট বা ১৬৫ মিনিট। তবে, সিনেমাটির প্রাথমিক দৈর্ঘ্য ছিল আরও বেশি।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক মুভিজ সিঙ্গাপুরের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পিঙ্কভিলা জানাচ্ছে, ‘জেলার ২’-এর প্রাথমিক দৈর্ঘ্য ছিল ৪ ঘণ্টা ২৫ মিনিট, অর্থাৎ ২৬৫ মিনিট। পরে সিনেমাটির থেকে ১০০ মিনিটেরও বেশি দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ফলে, বর্তমানে সিনেমাটির দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ১৬৫ মিনিটে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল গল্প থেকে বিচ্যুতি এড়াতে সিনেমাটির দৈর্ঘ্য কমানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, কোন কোন দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

‘জেলার ২’-এ অবসরপ্রাপ্ত কারারক্ষী ‘টাইগার’ মুথুভেল পান্ডিয়ান চরিত্রে আবারও রজনীকান্তকে দেখা যাবে। প্রথম সিনেমার ঘটনার পর, তিনি অতীতের সহিংস জীবন থেকে দূরে সরে শান্তিতে থাকার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু একটি বিপজ্জনক সাম্রাজ্য তার পরিবার ও উত্তরাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ালে, ‘টাইগার’ আবারও পুরোনো জীবনে ফিরতে বাধ্য হন।

সিনেমাটিতে রজনীকান্তের সঙ্গে প্রথম কিস্তির রাম্যা কৃষ্ণন, যোগী বাবু, জ্যাকি শ্রফ ও মির্নাকেও দেখা যাবে। নতুন করে এস জে সূর্য, সুরজ, বিদ্যা বালান ও মিঠুন চক্রবর্তীর মতো তারকারা যুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া মোহনলাল, শিব রাজকুমার, বিজয় সেতুপতি ও হৃতিক রোশনকে সিনেমাটিতে ক্যামিও চরিত্রে দেখা যেতে পারে বলেও জানা গেছে।

মুক্তির আগে ‘জেলার ২’-এর প্রি-রিলিজ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সান নেক্সটে অনুষ্ঠিতব্য সেই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: মেঘনা আলমের খালেদা জিয়ার সাজে প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষাৎ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃণমূলের আস্থা-বিশ্বাসের আরেক নাম মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


তৃণমূলের আস্থা-বিশ্বাসের আরেক নাম মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক

মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক
১ম যুগ্ম আহ্বায়ক, দিরাই উপজেলা বিএনপি
দিরাই উপজেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুককে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের কথা উঠে আসছে।
দলীয় কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রসঙ্গে মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক বলেন—
“১৭ বছর নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম বলেই কর্মীরা আমাকে ভালোবাসেন। আমিও তাদের ভালোবাসি এবং সবসময় তাদের সেবা করতে চাই। নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই একটি রাজনৈতিক দলের মূল শক্তি। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি কাজ করে যেতে চান।
দিরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগের বিষয়টিও তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের সময় তাঁর স্বাক্ষরের বিষয়টি সংবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি: এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি: এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ শিশু অধিকার সুরক্ষা, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিশুদের জন্য শুধুমাত্র নীতি ও প্রকল্প গ্রহণ করলেই হবে না, বরং এসব উদ্যোগকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, "ডাটা বলছে, এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।" তিনি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘চাইল্ড ম্যারিজ চ্যাম্পিয়ন’ তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, যারা বাল্যবিবাহ ঠেকাতে ভূমিকা রেখেছে, তাদের কাজকে সমাজে মডেল হিসেবে তুলে ধরতে হবে। কারণ দেশে বাল্যবিবাহের পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বুধবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মিলনায়তনে ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে সম্মানিত আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’ স্লোগান সামনে রেখে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান।

দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক ঝুঁকির চিত্র তুলে ধরে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার এখনো উদ্বেগজনক। দেশের ২৪ শতাংশ শিশু ভয়ানক অপুষ্টির শিকার। বস্তি ও উপকূলীয় এলাকার শিশুদের মধ্যে এই হার ৩৬ থেকে ৪৫ শতাংশ। দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু সীসার দূষণে আক্রান্ত। কিছু শহরাঞ্চলে এ হার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহারও এখনো ৩৩ শতাংশ।

শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহের চিত্র তুলে ধরে এই উন্নয়ন গবেষক বলেন, জাতীয়ভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হার ৮০ শতাংশ হলেও শহুরে বস্তিতে তা কমে ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং উপকূলীয় এলাকায় ৭৮ থেকে ৮২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হার প্রায় ৩৪ শতাংশ। শহুরে বস্তি ও উপকূলীয় অঞ্চলে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্নের হার ৩০ শতাংশের নিচে বা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

শিশুশ্রমের চিত্র তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী কর্মরত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৩৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। শিশু শ্রমের হার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৭০ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করছে। শহুরে বস্তিতে কর্মরত শিশুদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হওয়ার হার ৬০ শতাংশের বেশি।

বাল্যবিবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে ৪৭ থেকে ৫০ শতাংশ মেয়ের ১৮ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকায় এ হার ৫৮ শতাংশের বেশি। দেশের প্রতি দুটি শিশুর মধ্যে একটি বাল্যবিবাহের শিকার। এতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ৮৬ শতাংশ শিশু বাড়ি বা বিদ্যালয়ে সহিংসতার শিকার হচ্ছে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, শিশুদের সুরক্ষায় রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখাতে গিয়ে গত রাজনৈতিক সরকারের সময়ে এই পরিস্থিতি বেশি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নিতে হবে। কারণ এসব সমস্যা কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্র—সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিশুদের নিয়ে দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় নেটওয়ার্ক কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করে ড. আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৫০০ অধিভুক্ত কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশুশ্রম বন্ধ এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতে দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। এ কাজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যদেরও শিশু একাডেমির সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদ বলেন, একটি শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য শুধু খাবার, পোশাক ও নিরাপত্তাই যথেষ্ট নয়। তার প্রয়োজন ভালোবাসা, যত্ন, সঠিক শিক্ষা, সুস্থ বিনোদন এবং নিজের কথা বলার সুযোগ। শিশুর অধিকারকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোও সমানভাবে জড়িত।

সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার এবং ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট অধ্যাপক ড. কামাল আহমেদ চৌধুরী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছা. আরজু আরা বেগম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরিরামপুরে ডা. নুরুল সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শ নে নবাগত ওসি মাহফুজ আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

খায়রুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


হরিরামপুরে ডা. নুরুল সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শ নে নবাগত ওসি মাহফুজ আলম

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের ডা. নুরুল সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজ আলম (পিপিএম)।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং, ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকারী বখাটে এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ঘোষণা দেন।
ওসি মাহফুজ আলম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করে এমন কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাংসহ যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মাদক, নেশা, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াল প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের বিষয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার মীর কায়েস, ডা. নুরুল সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক শহিদুল ইসলাম লিটনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তারিখটি পূর্ণাঙ্গভাবে লিখে দিন
বিদ্যালয় ও কলেজ দুটিই উল্লেখ করুন
পুলিশের বক্তব্যকে নিরপেক্ষ করুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নয়: ডিসি ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নয়: ডিসি ফরিদা খানম

ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম জানিয়েছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "পূজামণ্ডপে বিশৃঙ্খলা, উসকানি, মাদক, ইভটিজিং, নারী ও শিশু হয়রানি কিংবা দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।"

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে সাভার উপজেলার মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক সভায় বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সাভার উপজেলা পরিষদ হলরুমে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ফরিদা খানম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে গুজব ছড়ানোর আগেই তা শনাক্ত ও প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বাবু) উপস্থিত ছিলেন। সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাবের মো. সোয়াইব, সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, সাভার ও আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, সাভার উপজেলায় মোট ২৩৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সাভার পৌরসভা এলাকায় ৪৫টি, শিমুলিয়া ইউনিয়নে ৪০টি, ধামসোনা ইউনিয়নে ১৩টি, আশুলিয়া ইউনিয়নে ১১টি, ইয়ারপুর ইউনিয়নে ১০টি, পাথালিয়া ইউনিয়নে ৩০টি, বিরুলিয়া ইউনিয়নে ১৪টি, সাভার ইউনিয়নে ৩টি, বনগাঁও ইউনিয়নে ১২টি, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে ২৬টি, কাউন্দিয়া ইউনিয়নে ১২টি এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নে ২২টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। আমিনবাজার ইউনিয়নে এবার কোনো মণ্ডপ নেই।

ডিসি ফরিদা খানম বলেন, "পূজামণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের সময় থেকে শুরু করে পূজা উদযাপন ও প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি, পুলিশ-আনসার-সিআরবি/এসআরবি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত দায়িত্ব পালন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।

তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে আইপি ক্যামেরা স্থাপন, ভিডিও ধারণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জেবল আইপি ক্যামেরা স্থাপন করে সেগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বেচ্ছাসেবকদের পরিচয়পত্র ও বাহুবন্ধনী নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক নারী স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশ দেন তিনি। জেলা প্রশাসক পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, উসকানি, মাদক, ইভটিজিং, নারী ও শিশু হয়রানি কিংবা দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতার বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতিতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, "পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের যোগাযোগ নম্বর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সংরক্ষণ এবং তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সক্রিয় রাখতে হবে।"

ফায়ার সেফটির বিষয়ে ডিসি বলেন, প্রতিটি মণ্ডপে কমপক্ষে ৫ কেজি ধারণক্ষমতার অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, চার্জার লাইট ও প্রয়োজন অনুযায়ী জেনারেটর রাখতে হবে। বৈদ্যুতিক সংযোগে কোনো ধরনের ত্রুটি রাখা যাবে না।

তিনি পূজা শুরুর আগেই ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের মাধ্যমে মণ্ডপগুলোর বৈদ্যুতিক ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের নির্দেশ দেন।

প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নির্ধারিত স্থান ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বিসর্জনস্থলে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখতে হবে। আলোকসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন চলাচল ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসর্জন কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

গুজব প্রতিরোধের বিষয়ে ডিসি ফরিদা বলেন, "কোনো তথ্য যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা যাবে না।" তিনি আরও বলেন, গুজবের উৎস শনাক্ত করে তা ছড়িয়ে পড়ার আগেই প্রতিরোধ করতে হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে কেউ অপতৎপরতা চালালে দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার"—এই চেতনাকে ধারণ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আজান ও নামাজের সময় পূজামণ্ডপে মাইক বা বাদ্যযন্ত্রের শব্দ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্য ধর্মের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

ডেঙ্গু ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও সতর্ক করে তিনি বলেন, পূজামণ্ডপ ও আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। পূজা শেষে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপ ঘিরে কোনো ধরনের মেলা, মাদক, জুয়া, হাউজি কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না।

ডিসি জানান, পূজার নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুধু পূজার দিন থেকে নয়, মহালয়া থেকেই শুরু করতে হবে। আগামী ১০ অক্টোবর সকাল ৫টা থেকে মহালয়া উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিমা বিসর্জনের পর পূজামণ্ডপ, মন্দির বা আশপাশের কোনো স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না।

সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বা অনুপ্রবেশের কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না। কোনো ঘটনা ঘটার পর নয়, সম্ভাব্য কোনো সমস্যা বা ঝুঁকির আশঙ্কা দেখা দিলেই প্রশাসনকে জানাতে হবে।

ডিসি ফরিদা খানম বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নয়; এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক দায়িত্বশীলতারও পরীক্ষা। ঢাকা জেলা প্রশাসন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, নির্বিঘ্ন চলাচল এবং শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে।

তিনি সাভারের সব পূজামণ্ডপে সমন্বিত প্রস্তুতি, সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সম্প্রীতিময় দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%