মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৩৪ পি.এম
মেহেরপুর, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : মেহেরপুরে শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কিছু কৃষক আগাম সবজি চাষ করে বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন। অন্যদিকে, কেউ জমিতে চারা রোপণ করছেন, আবার কেউ রোপিত চারার পরিচর্যা ও জমি প্রস্তুতের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতকাল জুড়ে বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃষকরা পর্যায়ক্রমে চারা রোপণ করছেন। এর ফলে মৌসুমের বিভিন্ন সময়ে সবজি বাজারজাত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, মুলা, শিমসহ নানা ধরনের শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আগাম সবজি চাষের পাশাপাশি, শীতের পুরো মৌসুমের উৎপাদন ধরে রাখতে জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণে মনোযোগ দিচ্ছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, অনুকূল আবহাওয়া ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ ও সেচের কাজে কৃষক পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি দিন মজুররাও কাজ করছেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে শ্রমিকের সংকট, মজুরি বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সার সংকট কৃষকদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
সরেজমিনে মেহেরপুর জেলার চকশ্যামনগর, গোভিপুর, বুড়িপোতা, শোলমারি, কাথুলি ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের সবজি চাষের ব্যস্ততা। প্রতিদিন সকাল থেকে মাঠে কৃষকরা তাদের জমিতে সবজি চাষের জন্য বিভিন্ন কাজ করছেন। কেউ হাল-মই দিচ্ছে, কেউ জমির আগাছা পরিষ্কার করছে, আবার কেউ বেড তৈরির কাজ করছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জমি প্রস্তুতের জন্য এসব কাজ অব্যাহত থাকে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ বীজ বপন করছে এবং কাউকে সবজিতে পোকা নাশক ওষুধ স্প্রে করতে দেখা গেছে।
জেলায় এখন পর্যন্ত আগাম শাক-সবজি রোপণ করা হয়েছে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে যে সকল শাক-সবজি রোপণ করা হয়েছে, তার মধ্যে শীতকালীন আগাম সবজি আলু, শিম, করলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, বেগুন, লাল শাক, পুঁই শাক, পালংশাকসহ খরিপ দুই মৌসুমের আগাম শীতকালীন শাক-সবজি চাষাবাদ করা হয়েছে।
সদর উপজেলার শোলমারি গ্রামের সবজি চাষী সানোয়ার হোসেন বাসস’কে জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৩ বিঘা জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি কপি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, আগাম জাতের এসব সবজি চাষ করতে প্রতি বিঘাতে হাল-মই, চারা রোপণ, বেড তৈরি, জমি নিড়ানি, পানি সেচ, সার এবং কীটনাশক বাবদ খরচ হয় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এবছর বৃষ্টির কারণে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ খরচ কমেছে প্রায় ১ হাজার ৫শ’ টাকা। আগাম এই শাক-সবজি চাষে খরচ কিছুটা কম হয়। তবে দাম ভালো পেলে ভালো লাভের আশা করছেন এই কৃষক।
মনোহরপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা জানান, অতিবৃষ্টির কারণে এবার দুইবার বীজতলা নষ্ট হয়েছে। তৃতীয়বারের মতো তৈরি বীজতলার চারা রোপণের উপযোগী হয়েছে। তিনি ৫ বিঘা জমিতে ফুলকপি, পাতাকপি ও ওলকপি রোপণ করবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কাজী শাহনেওয়াজ বাসস’কে বলেন, দিনে রোদ আর রাতে ঠান্ডার এই আবহাওয়া আগাম সবজি চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকরা আগাম ফসল বাজারে তুলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তাদের চাষাবাদে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন সকলের সঙ্গে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকবে।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীরে অনুষ্ঠিত এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা যেদিন থেকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছি, সেদিন থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। সে জন্যই আপনারা দেখেছেন যে কৃষকদের কৃষির ঋণ—আমরা দশক ধরে পর্যন্ত কৃষির ঋণ মওকুফ করেছি সঙ্গে সঙ্গে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি, আমরা কৃষক কার্ড ইনশাআল্লাহ চালু করব। আমরা ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মীয় গুরু আছেন, তাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা আমরা করেছি। এভাবে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি, খেটে খাওয়া মানুষ যারা আছে, প্রতিটি পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আমরা চেষ্টা করছি।’
এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী রংপুরের পাগলাপীরে উপস্থিত হন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য সৈয়দপুর থেকে রংপুরের সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে দেখা যায় উৎসুক জনতার উপস্থিতি। এ সময় হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান তারা। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৮৬ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ডিএমপি জানায়, আটকদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩৩ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৫ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫০ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৩৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৯৬ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৬৭ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ২৪ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪২ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ১টি বিদেশি পিস্তল, ১০ কেজি গাঁজা, ১৭ হাজার ২১৬ পিস ইয়াবা, ১০টি মোবাইল ফোন, ১৩ হাজার ৭৭০ টাকা এবং ২ জন ভুক্তভোগী উদ্ধার করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় ডিএমপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলীয় মডেল, ফ্যাশন ডিজাইনার ও ইনফ্লুয়েন্সার সাহারা রে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন। গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে। মার্কিন বিনোদনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড গতকাল সোমবার তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।
সাহারার পরিবার সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছে, মৃত্যুর সময় তার পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘শেষ মুহূর্তে পরিবারের সবাই তার পাশে ছিলেন। সবাই তাকে খুব ভালোবাসতেন।’
বছরের শুরুতে সাহারা মা হয়েছেন। তার কন্যার নাম রাখা হয়েছে স্নো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সর্বশেষ পোস্টটিও ছিল ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার পুরো হৃদয়জুড়ে ছোট্ট স্নো।’ সেই পোস্টের মাত্র তিন মাস পর তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।
সাহারার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরিবার শুরুতে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ফেন্টানিল নামের একটি শক্তিশালী ব্যথানাশক ওষুধের অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। রবিবার পরিবারের সদস্যরা জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে সাহারার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পরিবার কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি। ওষুধের অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণের ঘটনা দুর্ঘটনাবশত ঘটেছিল কি না, তা-ও এখনো স্পষ্ট নয়।
সাহারা জানুয়ারিতে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন এবং মেয়ের নাম রাখেন স্নো। মা হওয়ার আনন্দ তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন। সন্তান জন্মের আগে ২৫ জানুয়ারি এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, সেদিন রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। মাতৃত্বের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নিজের উদ্বেগও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
গত ১৯ জুলাই ইনস্টাগ্রামে মেয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভালোবাসার কথা জানিয়েছিলেন সাহারা। সেটিই তার ইনস্টাগ্রাম পাতায় সর্বশেষ পোস্ট। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেই ছবিগুলো ঘিরে আবেগঘন মন্তব্য করছেন অনুসারীরা। ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে তার শেষ বার্তাটি এখন ভক্তদের কাছে হয়ে উঠেছে স্মৃতিময় এক মুহূর্ত।
মৃত্যুর পূর্ববর্তী কয়েক বছর শারীরিক নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সাহারাকে। ২০২৪ সালে তিনি জানিয়েছিলেন, গিয়াঁ-বারে সিনড্রোম নামের বিরল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বছরের এপ্রিলে একটি গাড়ি দুর্ঘটনার পর থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। মদ্যপ এক গাড়িচালক তাকে ধাক্কা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।
দুর্ঘটনার পর একপর্যায়ে ঊরুর ওপরের অংশ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত অনুভূতি ও চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন সাহারা। চলাফেরার জন্য তাকে হুইলচেয়ার ও হাঁটার সহায়ক সরঞ্জামের ওপর নির্ভর করতে হতো।
শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের সংকট নিয়েও সাহারা খোলামেলা ছিলেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি জানিয়েছিলেন, মাদক ও অ্যালকোহলনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এজন্য ৩০ দিনের একটি পুনর্বাসন কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মানসিক স্বাস্থ্য ও আসক্তির চিকিৎসা নেওয়ার অভিজ্ঞতা অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন এই মডেল।
তবে অতীতে আসক্তির চিকিৎসা নেওয়ার সঙ্গে তার সাম্প্রতিক মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।
অস্ট্রেলিয়ার পরিচিত সার্ফার টনি রের মেয়ে সাহারার শৈশবের বড় একটি সময় কেটেছে অস্ট্রেলিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া ও হাওয়াইয়ে। বাবার সূত্রে ছোটবেলা থেকেই সমুদ্র ও সার্ফিংয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তার। তবে কৈশোর পেরিয়ে মডেলিং ও ফ্যাশন ডিজাইনের জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি।
২০১৪ সালে নিজের সাঁতারের পোশাকের ব্র্যান্ড ‘সাহারা রে সুইম’ চালু করেন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন ব্যবসা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়তার কারণে ধীরে ধীরে পরিচিতি বাড়তে থাকে তার। ২০১৬ সালে হাওয়াইয়ে জাস্টিন বিবারের সঙ্গে ছুটি কাটানোর ছবি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজরে আসেন সাহারা। তাদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা হলেও কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করেননি। এর আগে অস্ট্রেলীয় সংগীতশিল্পী কোডি সিম্পসনের সঙ্গেও তার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ