ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নিরাপদ রাজশাহী গড়তে কাজ চলছে: ভূমিমন্ত্রী


পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নিরাপদ রাজশাহী গড়তে কাজ চলছে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীকে দেশের সবচেয়ে সুন্দর, বসবাসযোগ্য এবং নিরাপদ মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর সিটি হাট চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাসিকের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের পাঁচটি পুনঃস্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাজশাহীর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চলমান কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরবাসী ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র প্রত্যক্ষ করবেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে নগরীর ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হবে। পানির লাইন বসানোর ফলে যেসব রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে। এছাড়া, বন্ধ থাকা সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ পুনরায় চালু করে দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাদীঘি মসজিদের কাজ ও বাঁধের উন্নয়ন অন্যতম। নগরীকে আরও সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন করতে জোরদার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন: বাগাতিপাড়ায় শেয়ালের কামড়ে ১১ জন আহত, আতঙ্ক ছড়িয়েছে

যোগাযোগব্যবস্থার যুগান্তকারী উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক-সংলগ্ন একটি রাস্তার পুনরুদ্বোধন করা হয়েছে, যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’ এ ছাড়া জামিরা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘রাজশাহী বাইপাস’ নির্মাণের ঘোষণা দেন তিনি। ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন লেনের এই অত্যাধুনিক বাইপাস সড়কে ডিভাইডার, দুই পাশে বৃক্ষরোপণ, ড্রেন এবং ফুটপাত থাকবে। পাশাপাশি বিমানবন্দর থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি বিশ্বমানের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে ‘রিভার ড্রাইভ’ এবং বারনই নদীর পাশ দিয়ে নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সবার জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ রাজশাহী গড়ে তোলা।’ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক এবং স্থানীয় নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে ফলক উন্মোচন শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ প্রমুখ।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় বিএনপির এমপি চাঁদের নাম, বিতর্কের সৃষ্টি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বায়তুল মোকাররমে এসির তার চুরি, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


বায়তুল মোকাররমে এসির তার চুরি, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এসির সংযোগ তার চুরির কারণে আটটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার জুমার নামাজে অংশ নিতে আসা হাজারো মুসল্লি চরম গরম ও অস্বস্তির সম্মুখীন হয়েছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, দায়িত্বে অবহেলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মসজিদের নিরাপত্তাকর্মী ওবায়দুর রহমান, আলী ও মহসিন এবং প্রধান খাদেম নাসিরুল্লাহ ও খাদেম বিল্লালকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ছাদের তালা ভাঙা বা কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ফলে নিরাপদে চাবি ব্যবহার করে ছাদে প্রবেশ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৪ সালে একই কায়দায় এই মসজিদ থেকে একসঙ্গে ৪০টি এসির সংযোগ তার চুরির ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সে সময় দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই সময়ও মসজিদের ওই অংশের চাবি কেবল সীমিতসংখ্যক ব্যক্তির জিম্মায় ছিল। ওই চুরির পর এসির সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। সর্বশেষ চুরি যাওয়া তারের সংযোগ ঠিক করতে এবারও প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে।

বায়তুল মোকাররমে বারবার একই ধরনের চুরির ঘটনা ঘটায় এর সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং দায়িত্বশীলদের জবাবদিহি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল। মুসল্লি ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মসজিদের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন সচিব শেখ মুশিদুল ইসলামের দায়িত্বে চরম উদাসীনতা রয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কিংবা এর অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তাঁর অনীহা সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এছাড়াও, মসজিদের উপ-পরিচালক পদে মো. আবু তালহা নামের এক অদক্ষ কর্মকর্তাকে পদায়ন করা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধায় নিয়োগ দিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরিবিধি ১৯৯৮ (সংশোধিত ২০০৯) উপেক্ষা করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী নবম গ্রেডে চাকরির অভিজ্ঞতা ছাড়া সরাসরি ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগের সুযোগ নেই, তবে কেবল নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুযোগ দিতে ১৩তম গ্রেড থেকে সরাসরি ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। সে সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তৎকালীন মহাপরিচালক ড. মুশফিকুর রহমান এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

মসজিদ মার্কেট ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক ও উপ-পরিচালকদের এহেন উদাসীনতা ও অদক্ষতার কারণে বায়তুল মোকাররম মুসল্লি পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সচেতন মহলে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়তেই সিলেটে দেখা দিয়েছে সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট প্রতিনিধি

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়তেই সিলেটে দেখা দিয়েছে সংকট

এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়তেই সিলেটে দেখা দিয়েছে সংকট দেখা দিয়েছে। সিলেট শহর কিংবা গ্রাম পর্যায়ে এলপিজির চাহিদা থাকাতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে দিয়েছে ওই ধরণের গ্যাস সিলিন্ডারের। সরকার নির্ধারিত মূল্য কার্যকর না হওয়ায় সিলেটে ১২ কেজির একটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ২২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। অথচ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। ফলে প্রতিটি সিলিন্ডারে গ্রাহককে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩৬৩  থেকে ৬৬৩ টাকা পর্যন্ত বেশি দিতে হচ্ছে। দাম বাড়ানোর পরও বাজারে সরবরাহ সংকট না কাটায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
জানা গেছে, সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি ব্যবহারকারী পরিবার গুলোকে বাড়তি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি ভয়াবহ। সিলেট নগরীর কিছু দোকানে ২০০০ টাকায় সিলিন্ডার মিললেও গ্রামে ২৫০০ টাকার নিচে সিলিন্ডার মিলছেনা।
এদিকে রান্নার কাজে গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবারের মাসিক ব্যয় এতে বেড়ে যাচ্ছে। একদিকে নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, অন্য দিকে চাহিদামতো সরবরাহ না থাকায় বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতিও ফিরছে না। ফলে সরকার দাম নির্ধারণ করলেও তার সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ গ্রাহকেরা।
এলপিজি পরিবেশকদের দাবি, কোম্পানি থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করে সিলেটে আনতে পরিবহন খরচ বেশি পড়ে। এর সঙ্গে সিলিন্ডার ওঠানো-নামানো, গুদামভাড়া, কর্মচারীদের মজুরি ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় যুক্ত হয়। এসব খরচ বিবেচনায় নিয়ে সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করলে তাঁদের লোকসান গুনতে হয়। একারণে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি তাঁদের। তবে পরিবহন ও পরিচালন ব্যয়ের এই যুক্তির মধ্যেও বাড়তি দাম দিয়ে এলপিজি কিনতে হচ্ছে  ভোক্তাদের।
সিলেট নগরীর সুবিদবাজারের খুচরা বিক্রেতা জানান, সরকারী মূল্যে পাইকারী কিনে সেই দামে বিক্রি করলে আমাদের মুনাফা থাকে না। এর উপর আবার বাসায় ডেলিভারী দিতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা অতিরিক্ত নিতে হচ্ছে।
এক মাসে দাম বাড়ল ২৫২ টাকা:
গত ৪ অক্টোবর অক্টোবর মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২৫২ টাকা। তবে নতুন দাম ঘোষণার পরও সিলেটে বাজার মূল্য নির্ধারিত দামের ধারেকাছে আসেনি।
বর্তমানে সিলেটে ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের তুলনায় গ্রাহককে ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে। দাম সমন্বয়ের উদ্দেশ্য থাকলেও সরবরাহ ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধানের কারণে গ্রাহকদের দুর্ভোগ কমছে না।
কমিশন বাড়ানোর দাবি পরিবেশকদের:
এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি পরিবেশক পর্যায়ের কমিশন ও পরিচালন ব্যয় সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ২০২১ সালে পরিবেশকদের জন্য সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পাঁচ বছরে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে। বর্তমান কমিশনে এসব খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংগঠনটির হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানি থেকে পরিবেশকের গুদাম পর্যন্ত সিলিন্ডার পরিবহনে খরচ হয় ৫০ টাকা। ট্রাকে ওঠানো-নামানো এবং খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ব্যয় হয় আরও ৩৫ টাকা। এ ছাড়া কর্মচারীদের মজুরি, গুদাম ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য খাতে খরচ হয় ২৫ টাকা। সব মিলিয়ে এসব খাতে ব্যয় ১১০ টাকা। এর সঙ্গে সিলিন্ডার প্রতি ৪০ টাকা মুনাফা যোগ করলে পরিবেশক পর্যায়ে মোট ১৫০ টাকা প্রয়োজন বলে দাবি সংগঠনটির। অথচ কমিশন নির্ধারিত রয়েছে ৫০ টাকা। ফলে তাঁদের হিসাবে সিলিন্ডার প্রতি ১০০ টাকা ঘাটতি থাকছে।
গত ৬ অক্টোবর এ বিষয়ে বিইআরসিকে চিঠি দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি। চিঠিতে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও কমিশন সমন্বয়ের পাশাপাশি বাজারে মূল্যসংক্রান্ত অস্থিতিশীলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন কোম্পানির মূল্যতালিকায় পার্থক্য থাকায় বাজারে একই পণ্যের দামে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। এতে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা যেমন সমস্যায় পড়ছেন, তেমনি ভোক্তাদেরও বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।
এদিকে সিলেটেও এলপিজির মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ভোক্তাদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। পরিবেশকদের পরিবহন ব্যয় ও কমিশন সংক্রান্ত দাবি, কোম্পানিগুলোর সরবরাহ পরিস্থিতি এবং সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নের বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের ব্যয় সমন্বয়ের দাবি ও ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্যে গ্যাস পাওয়ার অধিকার দুই দিক বিবেচনায় কার্যকর উদ্যোগ না এলে সিলিন্ডারের বাড়তি দাম ও সরবরাহ সংকটের চাপ সাধারণ মানুষের ওপরই থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজউকের আবাসন প্রকল্প মাদকের আখড়া ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


রাজউকের আবাসন প্রকল্প মাদকের আখড়া ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে (রুয়াপ) বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেখানে অবৈধ দখল, মাদক ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। তারা জানাচ্ছেন, রাজউক প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই সমাপ্তির নোটিশ জারি করেছে, ফলে আবাসিক এলাকা কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় একটি চক্র আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখল, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে, রুয়াপের ৬ নম্বর প্রবেশপথের বিপরীতে মানববন্ধন আয়োজন করেন বাসিন্দারা। সেখানে শতাধিক বাসিন্দা অংশ নিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

তারা জানান, সন্ধ্যার পর আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ও বহিরাগত তরুণদের আড্ডা বসে। এসব স্থানে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক সেবন চলে। তারা অভিযোগ করেন, ‘একটি চক্রের’ সহায়তায় সেখানে মাদক ব্যবসা বিস্তৃত হচ্ছে।

এ সময়, মো. জাহাঙ্গীর আলম, যিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, বলেন, ‘তারা আমাদের হাঁটার জায়গা দখল করতে চায়, এখানকার ময়লা পরিশোধনাগার দখল করে বাজার বসাতে চায়। আমরা এটি হতে দিতে পারি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে রুয়াপের ভেতরের এবং বাইরের কয়েকজন মিলে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করতে চায়, আমরা এগুলো চাই না। কোনো প্রকার অবৈধ স্থাপনা ও দখল আমরা এখানে চাই না।’

মানববন্ধন থেকে বাসিন্দারা এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা আবাসিক এলাকার খেলার মাঠ, সবুজায়নের স্থান, সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দখল বন্ধ করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি উচ্ছেদের দাবি জানান।

এদিকে, এক বিজ্ঞপ্তিতে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাজউক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১০ বছর অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেও শেষ হয়নি। আবাসিক এলাকার বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স, কমিউনিটি সেন্টার, পার্কিং ভবন, সুইমিং পুল ও ব্যায়ামাগার কমপ্লেক্সের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। তারা দাবি করেছেন, বিভিন্ন ভবনে এখনো বরাদ্দ না দেওয়া ফ্ল্যাট রয়েছে।

মানববন্ধনে রুয়াপের জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সংগঠন ‘নিসর্গ নীলিমা’র উদ্যোক্তা নিলোফার জাহান ববি বলেন, ‘আমরা একটি সরকারি আবাসিক এলাকায় থাকি। এখানে অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি হচ্ছে। আমরা এসব চাই না। আমরা বসবাসের উপযোগী একটি রুয়াপ চাই।’

রুয়াপের বাসিন্দা কৃষিবিদ শাহীন আনোয়ার মানববন্ধনে বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এখানে দাঁড়িয়েছি। আমরা কোনো অন্যায় মেনে নেব না।’

রুয়াপের আরেক বাসিন্দা মানিক মানবিক বলেন, ‘এখানে কতিপয় লোক, যারা রুয়াপে বাসিন্দা, তারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রুয়াপের বিভিন্ন জায়গা ও রাস্তা দখল করতে চায়। সকালে বাজার বসে, বিকেলে বাজার বসে। জনসমাগমের আশপাশে মাদকের আড্ডা বসে। এসব চলতে দেওয়া যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোটের কারণে ভারত সিরিজ থেকে বাদ পড়লেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ওরুকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


চোটের কারণে ভারত সিরিজ থেকে বাদ পড়লেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ওরুকি

সিরিজের শুরুতে শেষ হয়ে গেল উইলিয়াম ও রুকির। চোটের কারণে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বাদ পড়লেন নিউজিল্যান্ডের পেসার। বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফের চোট থেকে তিনি এখনও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি।

ঝুঁকি না নিয়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ওরুকিকে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজে খেলার কথা ছিল তার। ডিসেম্বরের অস্ট্রেলিয়া সফরের চার টেস্টের সিরিজে তাকে পাওয়ার আশা করছে নিউজিল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম টেস্ট আগামী ৯ ডিসেম্বর পার্থে শুরু হবে।

ওরুকির চোট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের কোচ রব ওয়াল্টার মন্তব্য করেছেন, ‘ঘরের মাঠে ভারতের মতো দলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে ওরুকিকে না পাওয়া হতাশার। তবে আলোচনা শেষে আমরা একমত হয়েছি, দুই চোট থেকে সেরে উঠতে তার আরো সময় প্রয়োজন।’

২০২৫ সালের এপ্রিলে পিঠের চোটে পড়েছিলেন ওরুকি। স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের কারণে গত গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিতে পারেননি তিনি। সাত মাস পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের মাধ্যমে মাঠে ফিরেছিলেন ২৫ বছর বয়সী পেসার। এরপর জুনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন টেস্টেও খেলেছেন। তবে নটিংহ্যামে শেষ টেস্টের শেষ দিনে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি। আগস্টের শেষ দিকে অনুশীলনে আবারও কাফের চোটে আক্রান্ত হন।

ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ শুরু করবে নিউজিল্যান্ড। তবে ২২ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ওরুকি ছিলেন না। অন্যদিকে ১ নভেম্বর শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এবং দুই টেস্টের সিরিজ শুরু হবে ১৯ নভেম্বর থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%