ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভোলার লালমোহনে কাভার্ডভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ


ভোলার লালমোহনে কাভার্ডভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ

ভোলার লালমোহনে পুলিশ একটি কাভার্ডভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার (৫০ ব্যারেল) অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ করেছে; যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল মিনা চানাচুর ফ্যাক্টরির মালিক হেলাল উদ্দিনের গোডাউনে অভিযান চালায়। সেখানে ২৮ ব্যারেল তেল এবং ফ্যাক্টরির সামনে একটি কাভার্ডভ্যান থেকে আরও ২২ ব্যারেল অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে হেলাল উদ্দিন ও নাজিম উদ্দিনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের পাশে ফায়ার সার্ভিস এলাকার খান সাহেব রোডে মিনা চানাচুর ফ্যাক্টরির সামনে ২২ ব্যারেল তেলসহ একটি কাভার্ডভ্যান রেখে পালিয়ে যান চালক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল, যারা কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে লালমোহন থানায় নিয়ে আসে। কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায় এবং সেটিও জব্দ করে পুলিশ। পরে তল্লাশি চালিয়ে মিনা চানাচুর ফ্যাক্টরির গোডাউনে আরও ২৮ ব্যারেল অপরিশোধিত সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: নড়াইলে গা ঘেষে মসজিদ-মন্দিরের অবস্থান, সম্প্রীতির বন্ধনে প্রায় ৪৫ বছর ধরে চলছে দুর্গোৎসব

ওই এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মিনা চানাচুর ফ্যাক্টরির মালিক হেলাল উদ্দিন অপরিশোধিত ও ভেজাল সয়াবিন তেল ব্যবহার করে চানাচুর তৈরি করে বাজারজাত করে আসছেন। এসব চানাচুর খেয়ে মানুষ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে বারবার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ভোলা জেলা পুলিশের ফেসবুকে এ ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভোলা জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভোলা জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের পাশে থাকবে।

আরও পড়ুন: ভালুকায় বিরুনীয়া ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামিনে বের হয়েই সাংবাদিককে মামলা প্রত্যাহারে চাপ, মেলা আসলামের বিরুদ্ধে হ-ত্যা-র হু-ম-কি-র অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


জামিনে বের হয়েই সাংবাদিককে মামলা প্রত্যাহারে চাপ, মেলা আসলামের বিরুদ্ধে হ-ত্যা-র হু-ম-কি-র অভিযোগ

বরিশালে প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে করা মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মেলা আসলাম ওরফে ‘সন্ত্রাসী আসলাম’। ২২ দিন কারাভোগের পর শর্তসাপেক্ষে জামিনে বের হয়েই সংবাদকর্মী মাছুদুর রহমান আসলামকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।


সংবাদকর্মী মাছুদুর রহমান আসলাম ‘তালাশ বিডি’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তাঁর অভিযোগ, *৭ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৩টা ৪১ মিনিটের দিকে বান্দ রোডের হোটেল চারু আবাসিকের নিচতলার হলরুমে* মেলা আসলাম তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে নিয়ে তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ ও হুমকি দেন।

অভিযোগকারী সংবাদকর্মীর দাবি, হোটেল চারু আবাসিকের নিচতলার হলরুমে সংঘটিত ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাঁর দাবি, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ হয়ে থাকতে পারে, যা ঘটনার সময়, স্থান ও সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় মেলা আসলাম ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে মামলা তুলে নিতে বলেন। মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন মাছুদুর রহমান আসলাম।

এ সময় তাঁর সন্তানের পড়াশোনা করা স্কুলের তথ্যও তাদের জানা রয়েছে বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। সন্তানের কোনো ক্ষতি না চাইলে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে পরে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ।

মাছুদুর রহমান আসলামের দাবি, আগের মামলায় প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের পর এবার জামিনে বের হয়ে একইভাবে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ ও হত্যার হুমকি দেওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

বিশেষ করে সন্তানের স্কুলের তথ্য উল্লেখ করে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি তাঁকে উদ্বিগ্ন করেছে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে করা মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মেলা আসলাম। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। ২২ দিন কারাভোগের পর আদালত তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন।

জামিনে মুক্তির পর সাংবাদিককে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি এবং তাঁর সন্তানের স্কুলের তথ্য উল্লেখ করার অভিযোগে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মনিরুজ্জামানের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা হলে তিনি থানায় এসে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) অথবা লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মেলা আসলাম বা তাঁর পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুখ খুলে একাধিক প্রশ্ন মোনায়েম মুন্নার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ইসলাম উদ্দিন তালুকদার

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুখ খুলে একাধিক প্রশ্ন মোনায়েম মুন্নার

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও স্টুডিও নির্মাণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন; তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসাও যুবদল সভাপতির

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তাকে নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। নিজের ফেসবুক পোস্টে সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত অবস্থান, পারিবারিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে তার ভূমিকা এবং মিরপুরে স্টুডিও নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

পোস্টের শুরুতেই মোনায়েম মুন্না বলেন, সালমান মুক্তাদিরকে নিয়ে দেশে অনেক আলোচনা হচ্ছে। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে চাননি। তবে সালমান মুক্তাদিরকে নিয়ে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড দেখার পর নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে বাধ্য হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সালমান মুক্তাদিরের ধূমপান, মদ্যপান ও মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন মোনায়েম মুন্না। তিনি জানতে চান, নিজেকে ভিন্নধর্মী ও ‘সুফি প্রকৃতির’ মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে কেন এত বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

শ্বশুরবাড়ির সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলামকে নিয়েও বিভিন্ন দাবি করেন মোনায়েম মুন্না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোর বয়স থেকেই তিনি শেখ নুরুল ইসলামকে চেনেন এবং সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় তাকে ‘মাস্তান’ হিসেবে চিনতেন।

এ ছাড়া শেখ নুরুল ইসলামের পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্ক নিয়েও পোস্টে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন তিনি। সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে কথিতভাবে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন মোনায়েম মুন্না।

তবে এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং মোনায়েম মুন্নার পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে অভিযোগ

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গেও সালমান মুক্তাদিরের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যুবদল সভাপতি।

মোনায়েম মুন্নার দাবি, ওই নির্বাচনে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার সুমনের নির্বাচনী প্রচারণায় সালমান মুক্তাদির অংশ নিয়েছিলেন। এ কারণে তিনি সালমান মুক্তাদিরের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়েও প্রশ্ন

২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সালমান মুক্তাদিরের ভূমিকা নিয়েও বিস্তর প্রশ্ন তোলেন মোনায়েম মুন্না।

তার দাবি, ওই সময়ের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে দুর্বল বা ব্যর্থ করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের ‘প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী’ সালমান মুক্তাদির তিনটি কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন। এসব কনটেন্টের মাধ্যমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তৌফিক জোয়ারদারের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের উল্লেখ করেন মোনায়েম মুন্না। তার দাবি, ওই স্ট্যাটাসে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

স্টুডিও নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও নির্মাণের স্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন যুবদল সভাপতি। তার দাবি, যে জায়গায় স্টুডিও নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জায়গার মালিকানা ও ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে।

একজন পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটরের স্টুডিও সাধারণত শহরের ভালো ও সুবিধাজনক এলাকায় হওয়ার কথা—এমন যুক্তি তুলে ধরে মোনায়েম মুন্না প্রশ্ন করেন, মিরপুরের কথিত ‘সমস্যা সংকুল’ এলাকায় কেন স্টুডিও নির্মাণ করা হলো।

তিনি আরও দাবি করেন, ওই এলাকার জমি নিয়ে একজন কথিত ‘ভূমিদস্যু’ নাজিমুদ্দিনের সঙ্গে একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেলের বিরোধ ছিল। এ বিরোধের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।

বিএনপিকে জড়ানোর অভিযোগ

মোনায়েম মুন্না অভিযোগ করেন, সালমান মুক্তাদির উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপিকে একটি বিতর্কের সঙ্গে জড়িয়েছেন। তার ভাষ্য, ব্যক্তিগত বা স্থানীয় কোনো বিরোধের সঙ্গে বিএনপির নাম যুক্ত করে দলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে আসছে। তার বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেন তিনি।

মোনায়েম মুন্নার ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপি ব্যক্তির স্বার্থের চেয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয় এবং দলের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।

সালমান মুক্তাদিরের প্রতি একাধিক প্রশ্ন

পোস্টের একপর্যায়ে সালমান মুক্তাদিরের উদ্দেশে সরাসরি কয়েকটি প্রশ্ন রাখেন মোনায়েম মুন্না।

প্রথমত, নিজের শ্বশুরের বিরুদ্ধে থাকা কথিত অভিযোগ সম্পর্কে সালমান মুক্তাদির কতটা অবগত ছিলেন—তা জানতে চান তিনি। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এসব বিষয় জানা সত্ত্বেও কেন ওই পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে যুক্ত হয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, স্টুডিও নির্মাণের জায়গা নির্বাচন নিয়েও ব্যাখ্যা চান তিনি। জায়গাটির মালিকানা ও কথিত ভূমি বিরোধ সম্পর্কে সালমান মুক্তাদির জানতেন কি না—সে প্রশ্নও তোলেন যুবদল সভাপতি।

তৃতীয়ত, কথিত ভূমি বিরোধের সঙ্গে বিএনপিকে কেন সম্পৃক্ত করা হলো—এ বিষয়েও সালমান মুক্তাদিরের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি।

সবশেষে মোনায়েম মুন্না সতর্ক করে বলেন, দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা জনপ্রিয়তার আড়ালে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড থাকলে জনগণ তা চিহ্নিত করতে সক্ষম।

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘অতএব সাধু সাবধান! বাংলাদেশের মানুষ এই সমস্ত ছদ্মবেশী দুষ্ট লোকদের অবশ্যই চিহ্নিত করতে পেরেছে।’

তবে মোনায়েম মুন্নার এসব বক্তব্য ও অভিযোগের বিষয়ে সালমান মুক্তাদিরের কোনো প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোটি টাকার ব্রিজে কাঠের সাটারিং! কাঠালিয়ায় তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা ও হুমকির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


কোটি টাকার ব্রিজে কাঠের সাটারিং! কাঠালিয়ায় তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা ও হুমকির অভিযোগ

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় সরকারি বিধিমালা ও চুক্তি লঙ্ঘন করে কোটি টাকা ব্যয়ের একটি নির্মাণাধীন ব্রিজে স্টিলের পরিবর্তে মানহীন কাঠ ও বাঁশের সাটারিং ব্যবহারের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, এই অনিয়মের তথ্য ও ভিডিও চিত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কথিত সাইট ম্যানেজারের হাতে সাংবাদিকরা বাধা ও হুমকির শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১ নম্বর চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চেচরি গ্রামের বান্দাকাটা-কৈখালী সংযোগ সড়কে একটি ছোট নালার ওপর প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে এই ব্রিজটি নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি)। সরকারি নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী, ব্রিজের শতভাগ কাজে লোহার (স্টিল) সাটারিং ব্যবহার বাধ্যতামূলক। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাত্র ২০ শতাংশ স্টিল সাটারিং ব্যবহার করে বাকি পুরো অংশে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে। সদ্য ঢালাই হওয়া এই ব্রিজে দুর্বল ও মানহীন কাঠের সাটারিং ব্যবহারের ফলে ব্রিজটির দীর্ঘস্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ব্রিজের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।                                                                                                             
  এদিকে, সরকারি তদারককারী প্রতিষ্ঠান সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঢালাইয়ের সময় সাইটে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা কিছু জায়গায় কাঠ ব্যবহারের কথা অকপটে স্বীকার করলেও, চুক্তির বাইরে গিয়ে কেন কাঠের সাটারিং মেনে নেওয়া হলো—সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ও সদুত্তর দিতে পারেননি।

অন্যদিকে, এই কাঠামোগত অনিয়মের খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি দল ঘটনাস্থলে অনুসন্ধানে গেলে তারা বাধার মুখে পড়েন। অভি নামের এক ব্যক্তি নিজেকে সাইট ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহে সরাসরি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। উল্টো সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখাতে তিনি নিজের মোবাইল দিয়ে সাংবাদিকদের ভিডিও চিত্র ধারণ করেন এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করেন।

কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পে এমন ভয়াবহ জালিয়াতি এবং সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিজের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতি রুখতে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরনদীতে এসিল্যান্ডের উদ্যোগে দুই ভিক্ষুকের পুনর্বাসন, সরকারি জায়গায় দোকান পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


গৌরনদীতে এসিল্যান্ডের উদ্যোগে দুই ভিক্ষুকের পুনর্বাসন, সরকারি জায়গায় দোকান পেলেন

‘ভূমি সেবার শুদ্ধতাই কমাতে পারে সামাজিক বিরোধ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের গৌরনদীতে হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পুনর্বাসনে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান। তাঁর উদ্যোগের ফলে দুই ভিক্ষুক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে ফিরে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পিঙ্গলাকাঠী বাজারে সরকারি খাসজমির চান্দিনা ভিটিতে নির্মিত দোকানঘর দুই ভিক্ষুকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তাঁদের ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক ও কর্মমুখী জীবনে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

পুনর্বাসনের জন্য নির্বাচিত দুই ব্যক্তি হলেন পিঙ্গলাকাঠী এলাকার মোঃ মনির সরদার এবং কুতুপুর এলাকার মোঃ মজিবর সরদার। স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের নির্বাচন করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক জনাব মোঃ ইব্রাহিম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ জামাল ফকির, মোঃ ফুয়াত হোসেন এ্যনি এবং বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি থেকে তাঁদের ফিরিয়ে এনে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%