শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
বান্দরবানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্যে উদযাপিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় বান্দরবান রাজার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রা বের করা হয়।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন এবং মহাশোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করতে বেলুন উড়িয়ে দেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সজীব কান্তি রুদ্র, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন তুষার, সদস্য চনুমং মারমা, বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বিপ্লব কান্তি দাশ রাজেশ্বর, বান্দরবান কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিটল কান্তি বিশ্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক অলক ধরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, জেলার বিভিন্ন মন্দিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সনাতনী সমাজের নেতৃবৃন্দও এতে অংশ নেন।
মহাশোভাযাত্রাটি রাজার মাঠ থেকে শুরু হয়ে বান্দরবান শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উৎসব প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বী শিশু-কিশোর ও বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ দেব-দেবীর নানারূপ প্রতিকৃতিতে সেজে অংশগ্রহণ করেন। রঙ-বেরঙের পোশাক ও সাজসজ্জায় পুরো শহর উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো হামলা চালানোর সাহস করে, তাহলে তা হবে দেশটির শাসনব্যবস্থার অন্যতম ‘শেষ সিদ্ধান্ত’—এমন সতর্কতা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বুধবার, সদেরোত এলাকার আফিকি দাত হেজদের ইয়েশিভা পরিদর্শনের সময় তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ এবং তেহরানের সম্ভাব্য হুমকি সম্পর্কে কথা বলেন।
নেতানিয়াহু উল্লেখ করেন, ইরান পুরো অঞ্চলে এবং আশপাশের সব দেশকে আক্রমণ ও হুমকি দিচ্ছে, তবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পরিণাম সম্পর্কে তারা সচেতন হওয়ায় এখানে কোনো উসকানি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে না।
সদেরোতের ওই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিবর্তনের দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, গাজাজুড়ে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুমকি সৃষ্টি করছে তাদের বেছে বেছে নির্মূল করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের দিন গাজায় হামাসের শিন বেত প্রধানকে হত্যা করা হয়েছে এবং এখন গাজায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। এ সময় ৭ অক্টোবরের গণহত্যার পর থেকে নিহত হামাস ও হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতাদের একটি তালিকা তুলে ধরেন তিনি। তালিকায় ইয়াহিয়া সিনওয়ার, মোহাম্মদ দেইফ, ইসমাইল হানিয়াহ, মোহাম্মদ সিনওয়ার, হাসান নাসরুল্লাহ এবং ইজ্জ আল-দ্বীন আল-হাদ্দাদের নাম উল্লেখ করে বলেন, ইসরায়েল তার চারপাশের বাস্তবতা বদলে দিচ্ছে এবং রাষ্ট্রটির প্রতি তৈরি হওয়া প্রতিটি হুমকিকে একে একে উপড়ে ফেলছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে হেজদের ইয়েশিভার শিক্ষার্থীদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং সাহসিকতার প্রশংসা করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তারা তোরাহ শিক্ষা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে এবং যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই ইসরায়েলি জনগণের সুরক্ষায় সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে, হিব্রু সংবাদমাধ্যম এন১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদেরোতের মেয়র আলোন দাবিদির উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান চলাকালে শিক্ষার্থীদের একাংশকে নেতানিয়াহুর সামনে ফিলিস্তিনবিরোধী চরমপন্থী গান গাইতে দেখা যায়। তারা ১৯৯৬ সালে ফিলিস্তিনিদের হামলায় নিহত এক ইসরায়েলি দম্পতির স্মরণে তৈরি ডোভ শুরিনের বিতর্কিত গান রিমেক করে প্রতিশোধের ডাক দেয় এবং ফিলিস্তিনের নাম মুছে ফেলার মতো উগ্র স্লোগান সংগীতে তুলে ধরে।
এদিকে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের যেকোনো হামলা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক নিরাপত্তা সূত্র নিশ্চিত করেছে। আল-মনিটরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক উচ্চপদস্থ ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, তারা যেকোনো মুহূর্তে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের নোটিশে তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা ও প্রস্তুতি রাখে। গত ১৩ এপ্রিল মার্কিন নৌবাহিনী কর্তৃক প্রবর্তিত অর্থনৈতিক অবরোধ শুরুর পর থেকে তেহরান কেবল উপসাগরীয় অঞ্চল ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে আসছে, কিন্তু ইসরায়েলে হামলা করা থেকে বিরত রয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, ইরান হয়তো ইসরায়েলকে পরবর্তী কোনো কৌশলী সময় ব্যবহারের জন্য রেখে দিয়েছে, নয়তো ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পাল্টা জবাবের তীব্রতাকে ভয় পাচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে পুনরায় সংঘাত শুরু হলে ইসরায়েল মূলত দেশটির অবশিষ্ট পরমাণু প্রকল্পগুলোকে একবারে ধূলিসাৎ করাকে প্রাধান্য দেবে। বিগত জুন মাসে এবং চলতি বছরের বিভিন্ন অভিযানে ইরানের অস্ত্র-মানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যেটুকু অবশিষ্ট রয়েছে, তা ধ্বংস করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। তেহরানের মূল শাসনব্যবস্থা বা সাধারণ অবকাঠামোতে হামলা চালানোকে তারা দ্বিতীয় সারির লক্ষ্য হিসেবে দেখছে। এমনকি হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর গৃহীত সামরিক পদক্ষেপ কিংবা মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার কাজগুলোকেও নিজেদের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে না জেরুজালেম।
নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ একটি কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি গুরুত্বপূর্ণ হলেও ইসরায়েলের মূল মনোযোগের কেন্দ্রে তা নেই। তাদের কৌশলগত হিসেব অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় কোনো সামরিক অভিযানে যাবেন না, বরং বর্তমান অর্থনৈতিক অবরোধের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যগুলোকে ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। কারণ, এই অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে ইরান ইতিমধ্যেই মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের একটি ডিপো থেকে চোরেরা দুইটি লরি ব্যবহার করে ৮০০ ব্যারেলেরও বেশি গিনেস বিয়ার চুরি করেছে। চুরি হওয়া বিয়ারের মোট পরিমাণ প্রায় ৭০ হাজার পাইন্ট, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ১৫ হাজার পাউন্ড।
চেশায়ার পুলিশ জানায়, সোমবার চেশায়ারের রানকোর্নের অ্যাস্টন লেনের হোয়াইটহাউস ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট থেকে এই বিয়ারগুলো চুরি করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম লরিটি সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে এবং দ্বিতীয় লরিটি রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিয়ে যায় চোরেরা। প্রতিটি ব্যারেলে গিনেস বিয়ার ছিল প্রায় ৮৮ পাইন্ট। এসব বিয়ার বিভিন্ন পানশালায় সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে ছিল।
চেশায়ার পুলিশের ডিটেকটিভ সার্জেন্ট ম্যাকক্ল্যাচি মন্তব্য করেন, "একটি বিখ্যাত কথা আছে, গিনেস আপনার জন্য উপকারী। তবে সেটি কেবল তখনই প্রযোজ্য, যখন তা অর্থ দিয়ে যথাযথভাবে কেনা হয়।"
পুলিশ জানায়, প্রথম লরিটিকে মার্সি গেটওয়ে সেতুর দিকে যেতে দেখা গেছে। দ্বিতীয় লরিটি রেইনহিল ও ওয়াটকিনসন ওয়ের দিকে গিয়েছিল।
পুলিশের ধারণা, দুটি লরির চালকই পুরুষ ছিলেন। প্রথম চালকের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি শ্বেতাঙ্গ, ছোট কালো দাড়ি ছিল এবং মাথায় বিনি টুপি পরা ছিলেন। দ্বিতীয় চালকের মাথায় একটি ক্যাপ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চুরি হওয়া গিনেস বিয়ার ও দুটি ট্রেইলারসহ মোট চুরি হওয়া পণ্যের মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার পাউন্ড, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
চুরি হওয়া ট্রেইলার দুটি সাদা রঙের এবং তিন অ্যাক্সেলবিশিষ্ট। এগুলোতে পর্দা রয়েছে এবং পাশের পর্দা ও পেছনের দরজায় লজিস্টিকস কোম্পানি জিএক্সওর ব্র্যান্ডিং রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ট্রেইলারগুলোর পেছনের দরজার ওপরের বাম পাশে স্বতন্ত্র নম্বর রয়েছে। চুরি হওয়া ট্রেইলার দুটির নম্বর DL736 অথবা DL542।
চেশায়ার পুলিশ চুরি হওয়া বিয়ার ও ট্রেইলার উদ্ধারে তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে দুই লরির চালকদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন জানিয়েছেন, ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা খুরা রোগের কারণে কৃষকদের গবাদিপশুর মৃত্যু হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, এসব রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশে যথেষ্ট ভ্যাকসিন উৎপাদিত হচ্ছে। কুমিল্লায় অবস্থিত ভ্যাকসিন কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে কয়েক মাসের জন্য সার মজুদ রয়েছে। কিন্তু একটি বিশেষ শ্রেণি সরকারকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করছে এবং সারের সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে।
শুক্রবার কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার রায়ঁচু ঈদগাহ মাঠে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) উদ্ভাবিত ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ও গোটপক্স ভ্যাকসিনের টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, গত বছর পাঁচ লাখ ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হয়েছিল এবং এ বছর প্রায় ২০ লাখ ভ্যাকসিন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্বে আমদানি করা ভ্যাকসিনের মূল্য ছিল প্রায় ২৫০ টাকা, কিন্তু এখন দেশীয় উৎপাদনের ফলে প্রতিটি ভ্যাকসিনের দাম মাত্র ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে কৃষক ও গৃহস্থরা কম খরচে গবাদিপশুকে টিকা দিতে পারবেন।
তিনি বলেন, ল্যাম্পি স্কিন ও খুরা রোগ নিয়ে কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তিনি আবারও উল্লেখ করেন, দেশের জন্য কয়েক মাসের জন্য যথেষ্ট সার মজুদ রয়েছে। তবে একটি শ্রেণি সরকারকে বিব্রত করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে এবং সারের সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে।
ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান তুহিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ট্রাফিক মোড় এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকার ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চালককে আটক করেছে।
আজ শুক্রবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় একটি প্রাইভেটকারের তল্লাশি করে গাড়ির সিটের গোপন স্থানে লুকানো ১৩টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব প্যাকেটের মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা রয়েছে। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক, যিনি কুমিল্লার বাসিন্দা জাকির হোসেন, তাকে আটক করা হয়েছে।
আটক জাকির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি গাড়িতে ইয়াবা থাকার বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তিনি জানান, ভোরে কক্সবাজার থেকে গাড়ি নিয়ে রওনা দেন।
কেরানীহাটে একজন যাত্রী নেমে যান। এরপর বান্দরবান সদরে পৌঁছানোর পর গাড়িতে থাকা আরও দুইজন যাত্রী নেমে যান। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
তিনি আরও জানান, মাত্র কয়েকদিন আগে থেকে তিনি ওই প্রাইভেটকারটি চালানো শুরু করেছেন।
পুলিশ জানায়, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালানটি প্রাইভেটকারে করে বান্দরবান সদরে আনা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাড়ির সিটের গোপন স্থানে লুকানো ১৩টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে প্যাকেটগুলো খুলে ইয়াবার সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ প্রাইভেটকারের চালককে আটক করা হয়েছে।
উদ্ধার করা ইয়াবার সঠিক সংখ্যা নির্ধারণের কাজ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ