আরাফাত হোসাইন বাকৃবি প্রতিনিধি
০৪:১৮ পি.এম
কৃষিতে অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের সরকারি-বেসরকারি চাকরি, গবেষণা, শিক্ষকতা ও উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যারিয়ার গঠনে স্নাতক পর্যায় থেকেই পরিকল্পিত প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের সংগঠন বিএইউ অ্যাডমিশন টেস্ট হেল্পলাইন কর্তৃক (বিএইউএটিএইচ) আয়োজিত এক লাইভ সেশনে। এতে প্রচলিত চাকরির বাইরেও কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে নারীদের পেশাগত সম্ভাবনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মজীবনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) তিনি নিজের ফেসবুকে একটি পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন, "একটি কনফারেন্স করেই কি মুছে ফেলা যায় রক্তমাখা অতীত?" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "পলাতকদের রক্তমাখা অতীত মুছে ফেলা যাবে না।"
পাঠকদের জন্য নিচে মুশফিকুল ফজল আনসারীর ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো :
আজ ওয়াশিংটন ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের এক সিনিয়র আমেরিকান সাংবাদিক জানালেন, গতকাল প্রেস ক্লাবের ১৩ তলায় ভাড়া করা একটি কক্ষে অনুষ্ঠান চলতে দেখে তিনি ঢুকে পড়েছিলেন, আমার কোনো অনুষ্ঠান ভেবে। পরে তিনি দেখতে পান, সেটি বাংলাদেশের পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অনলাইন অংশগ্রহণে ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ’-এর আয়োজনে তার পুত্র জয়ের একটি অনুষ্ঠান।
এই অনুষ্ঠান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কিছু উৎসাহীকে বগল বাজাতে দেখে তিনি ভাবেন, যে প্রেস ক্লাবে তারা কোনো অনুষ্ঠান করলেই ‘ষড়যন্ত্র’ তকমা দিয়ে দলীয় কর্মীবাহিনী আর দূতাবাসের কর্মকর্তাদের লেলিয়ে দেওয়া হতো, সেই প্রেস ক্লাবের ভাড়া করা কক্ষই এখন তাদের আশ্রয়!
প্রেস ক্লাবে কক্ষ ভাড়া করে অনুষ্ঠান করা যায়, তবে তাতে প্রেস ক্লাবের সমর্থন বা ওয়াশিংটনের স্বীকৃতি ভাড়া পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের বেশির ভাগ অনুষ্ঠান সদস্যদের জন্য নির্ধারিত কমপ্লিমেন্টারি কক্ষে—ম্যাকক্লেন্ডার বা কসগ্রোভ লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হত। প্রাইভেট ইভেন্ট হলে তারা জানতে পারত না। কিন্তু পাবলিক হলেই দল বেঁধে হাজির হতো। দূতাবাসের অতিউৎসাহী কর্মকর্তারা এসে ছবি তুলতেন। কারা এসেছেন, কারা কথা বলেছেন, এসব নথিবদ্ধ করাও যেন তাদের কূটনৈতিক দায়িত্বের অংশ ছিল! তাদের কেউ কেউ এখনো বহাল তবিয়তে।
একবার উইলসন সেন্টারে আয়োজিত প্রফেসর আলী রীয়াজের একটি বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের তৎকালীন উপমিশনপ্রধান মাহবুব সালেহর নেতৃত্বে যুবলীগের একদল লোক জোর করে ঢুকে পড়ে। মাহবুব আলী রীয়াজকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তৃতা দিতে শুরু করেন এবং টেবিল চাপড়ান। একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীদের ডাকতে হয়। যাওয়ার সময় বাইরে রাখা কয়েকটি বইও চুরি করে নিয়ে যায় সঙ্গে আসা ওয়াশিংটন যুবলীগের নেতারা।
এখন কোনো চেঁচামেচি বা দূতাবাসের চোখরাঙানি ছাড়াই সেই গুম-খুনের হোতারা সাফাই গাইতে শুরু করেছেন। আর সবাই এখন ‘নিরপেক্ষ’! কার কখন বিবেক জাগে, আর কখন নিরপেক্ষতার প্রয়োজন পড়ে, সেই হিসাবও কম চমকপ্রদ নয়।
পলাতকদের অবশ্য মাত্র শুরু। ওয়াশিংটনে টাকা ছিটালে মুড়িমুড়কির মতো লবিস্ট ফার্ম পাওয়া যায়। লুটপাটের টাকা থাকলে খরচ করতেও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবে যোগাযোগ (Connection) আর বিশ্বাসযোগ্যতা (Credibility) টাকা দিয়ে কেনা যায় না। সেগুলো অর্জন করতে হয়। এই বেল্টওয়েতে তা তারা তিলে তিলে গড়ে তুলেছে। তাদের অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ এখন কাজে লাগানোর সুযোগ অবারিত না হলেও, অর্জনের ক্ষয় নেই। সরকারের চারপাশে এখন অবশ্য দুধের মাছির সংখ্যাও নেহাত কম নয়।
ওয়াশিংটন প্রেস ক্লাবে ভুঁইফোড় অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের বিগত দিনের অপশাসন, হত্যা, গুম-খুনের মুখোশ উন্মোচনে অন্তত টানা ১৫ বছর কসরত করতে হয়েছে। শতাধিক প্রাইভেট-পাবলিক ইভেন্ট, পরিস্থিতি বিশ্লেষণমূলক অধিবেশন, ওয়েবিনার, গোলটেবিল আর প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন ছাড়াও দিনের পর দিন দরজায় কড়া নাড়তে হয়েছে, সঠিক তথ্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে আস্থা অর্জন করতে হয়েছে। আজকের এই অবস্থান কোনো ভাড়া করা কক্ষের এক বিকেলের ফসল নয়।
বারুদের গন্ধ আর রক্তমাখা অতীত নিয়ে একটি কনফারেন্স করেই যারা সব পাল্টে দেওয়ার স্বপ্নে বিভোর, তাদের বলি, হল ভাড়া নেওয়া যায়, কিন্তু অতীত মুছে ফেলা যায় না।
এত সোজা না রে! আপাতত হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়ার ভাষায়, ‘হনুজ দিল্লি দূর-অস্ত’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট-২ আসনের এমপি তাহসিনা রুশদীর মন্তব্য করেছেন যে, ইমামরা সমাজের মানুষের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাঁদের বক্তব্য ও পরামর্শ মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক আচরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম। তাই ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজের মানুষের মধ্যে সততা, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করার জন্য ইমামদের এগিয়ে আসতে হবে। মসজিদে ইসলামী আলোচনা হবে, তবে মসজিদে রাজনীতি আলোচনা করা উচিত নয়।
আজ বুধবার দুপুরে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা মডেল মসজিদ হল রুমে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি আরও উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি বিশ্বনাথে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েকটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, "মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা ঘোষণা দেয়া যাবে না।" তিনি আরও বলেন, যদি মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা ঘোষণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করতে হবে। এতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। এমপি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আহবান জানান যে, যদি কেউ জোরপূর্বক মসজিদের মাইকে মারামারির ঘোষণা দিতে চায়, তাহলে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ প্রসঙ্গে এমপি জানান, দুর্ঘটনা, পঙ্গুত্ব, দুরারোগ্য ব্যাধি ও বার্ধক্যজনিত অক্ষমতার কারণে আর্থিক সংকটে পড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামাদের সহযোগিতার লক্ষ্যে বেগম খালেদা জিয়া ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "এ ধরনের উদ্যোগ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" এমপি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতোমধ্যে পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মুফতি মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মাওলানা ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইমাম সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা এহসান উদ্দিন, বিশ^নাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গৌছ আলী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা জিয়াউল হক আনছারী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমামবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ সাতটি জটিল ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এককালীন এক লাখ টাকা করে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬৫ হাজার রোগীকে এই সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সহায়তা প্রদান করা এবং তাদের পরিবারের আর্থিক চাপ কমানো।
যে সাত রোগে মিলবে আর্থিক সহায়তা
সরকারের এই কর্মসূচির আওতায় সাতটি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। রোগগুলো হলো-
১. ক্যান্সার
২. কিডনি রোগ
৩. লিভার সিরোসিস
৪. প্যারালাইসিস
৫. হৃদরোগ
৬. লিউকেমিয়া
৭. থ্যালাসেমিয়া
কারা পাবেন অগ্রাধিকার
আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। রোগী নির্বাচনের সময় দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এজন্য পরিবারের আয়-ব্যয় ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করা হবে।
এছাড়া, যেসব রোগীর জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এবং যাঁদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তাঁদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু, নারী ও প্রবীণ রোগীরাও এই অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
তবে আবেদনে যদি ভুল তথ্য দেওয়া হয়, জাল কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়, একই বিষয়ে সরকারের অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা হয় অথবা তালিকাভুক্ত হওয়ার পর সহায়তা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কমিটি আবেদন বাতিল করতে পারবে।
নিয়ম অনুযায়ী, একজন আবেদনকারী একই অর্থবছরে একবার এবং সারা জীবনে সর্বোচ্চ তিনবার এই সহায়তা পেতে পারবেন।
আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি দিতে হবে।
এছাড়া, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি, নমিনির তথ্য, রোগী বা আবেদনকারী কিংবা অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং ব্যাংকের চেকবইয়ের কভার পাতার ফটোকপি জমা দিতে হবে।
আবেদনের সঙ্গে চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্রের ফটোকপি এবং রোগ শনাক্তকরণ-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্টের সত্যায়িত কপিও জমা দিতে হবে।
রোগভেদে যেসব পরীক্ষার রিপোর্ট প্রয়োজন তা হলো ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের টিস্যু ডায়াগনস্টিক, হিস্টোপ্যাথলজি, সাইটোপ্যাথলজি, বোন ম্যারো বা বায়োপসি রিপোর্টসহ প্রযোজ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে।
কিডনি রোগীদের রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয়ের রিপোর্ট এবং ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা সেবাকেন্দ্রের চিকিৎসকের সনদও প্রয়োজন হবে।
লিভার সিরোসিসে আক্রান্তদের লিভারের আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ফাইব্রোস্ক্যান রিপোর্টসহ প্রাসঙ্গিক পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে। প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট কিংবা রোগের প্রমাণযোগ্য ছবি জমা দেওয়া যাবে।
হৃদরোগীদের এনজিওগ্রাম বা ইকোকার্ডিওগ্রামের রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে। অন্যদিকে, থ্যালাসেমিয়া ও লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস বা প্রযোজ্য অন্যান্য পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, রোগ শনাক্তকরণ-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সাধারণত এক বছরের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না। প্রয়োজনীয় রিপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে; মূল কপি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
যেভাবে আবেদন করবেন
আর্থিক সহায়তা পেতে প্রথমে নির্ধারিত অনলাইন লিংকে প্রবেশ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্রের স্বাক্ষরিত প্রিন্টকপি, চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্রের ফটোকপি এবং পরীক্ষার রিপোর্টের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আবেদন ফরম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রত্যয়নপত্র পূরণ করে দুই কপি সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
তাহলে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সর্বশেষ নির্দেশনা, নির্ধারিত অনলাইন আবেদনের লিংক এবং কাগজপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।
আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন .
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম গুরুতর অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে পুনর্বাসন করছে, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে পাশ কাটিয়ে। বুধবার তিনি গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠান যেখানে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
সাদিক কায়েম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের উল্লেখ করে দাবি করেন, দেশে পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও ভাগাভাগির সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে দুই দলের মধ্যে এই সমঝোতা গড়ে উঠেছে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে দুটি দলের সমঝোতা নিয়ে গোয়েন্দা তথ্যের কথা উল্লেখ করেছেন, বাস্তবে সেই দুটি দল আর কেউ নয়—বিএনপি ও আওয়ামী লীগ।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, সহস্র শহীদের রক্তে রঞ্জিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত কার্যকর কী পদক্ষেপ নিয়েছে? রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে দেওয়া গণভোটের রায় উপেক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে ডাকসু ভিপি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে গণহত্যাকারীদের যথাযথ জবাবদিহির আওতায় আনার বদলে তাদের প্রকাশ্য আদালতে নির্লজ্জ আচরণ করতে দেখা গেছে। বিদেশে পলাতক অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে গণহারে পদায়ন করা হচ্ছে এবং দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে বড় বড় মেগা প্রকল্পের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগের হাত থেকে বিএনপির কাছে হস্তান্তরিত হচ্ছে। রাজধানী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতি ও প্রটোকল দেওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব চিত্র প্রমাণ করে যে সরকার কার্যত দলটির রাজনৈতিক পুনর্বাসনে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ