শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৮ পি.এম
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : অস্ট্রেলিয়া উত্তর কোরিয়ার দুই ব্যক্তি ও কিছু প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা ভুয়া পরিচয়ে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে কাজ এবং সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগে দেওয়া হয়েছে, যা পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়াকে অর্থ জোগাতে সহায়তা করে। শুক্রবার এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়া হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি বিদেশে উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত বিপুল অর্থ উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা উত্তর কোরিয়ার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ভুয়া পরিচয়ে আইটি কর্মী নিয়োগ ও কাজ করানোর মাধ্যমে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য অর্থ সংগ্রহে সহায়তা করে।’
পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব নিষেধাজ্ঞা এড়াতে উত্তর কোরিয়া হাজার হাজার আইটি কর্মীকে অন্য দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করাচ্ছে। অভিযোগ করা হচ্ছে যে, এসব কর্মী ভুয়া পরিচয়ে কাজ করে অর্জিত অর্থ সরকারি সংস্থাগুলোর কাছে পাঠান।
তবে উত্তর কোরিয়া এসব অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। দেশটির দাবি, এসব অভিযোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে।
গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো সতর্ক করে বলেছিল, নিজেদের প্রকৃত পরিচয় আরও ভালোভাবে গোপন রাখতে উত্তর কোরিয়ার কর্মীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন।
এর আগে গত মাসে নিউজিল্যান্ডের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা জানায়, উত্তর কোরিয়ার এক আইটি কর্মী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে দেশটির একটি প্রতিষ্ঠানে দূরবর্তীভাবে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরে তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়লে তিনি প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করার হুমকি দেন।
শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা দুই ব্যক্তি হলেন ইউ পু উং এবং সিম হিয়ন সপ। তাদের নাম আগেই প্রকাশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় চীনভিত্তিক ইউকে উত্তর কোরিয়ার অবৈধ অর্থ উপার্জন কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে বর্ণনা করেছিল। মন্ত্রণালয়টি সতর্ক করে বলেছিল, শনাক্ত হওয়া এড়াতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহারে তিনি দক্ষ।
অন্যদিকে, সিমকে উত্তর কোরিয়ার সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ‘ছায়া ব্যাংকার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ায় অর্থ স্থানান্তর এবং দেশটির বাইরে অর্থ পাঠানো ও সেখান থেকে অর্থ আনার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) তাকে খুঁজছে।
তার গ্রেফতারে সহায়ক তথ্যের জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ জন ইতালি, ১০ জন গ্রিস এবং ৬ জন সাইপ্রাস থেকে দেশে ফিরছেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইট (পিভিজি ৯৪৪৫) তাদের ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ফেরত আসা বাংলাদেশিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে একটি বিশেষ বিমানে করে ৩৫ বাংলাদেশি ঢাকায় এসেছেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন ইতালি, ১০ জন গ্রিস এবং ৬ জন সাইপ্রাস থেকে দেশে ফিরছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্পের আওতায় বিমানবন্দরে তাদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণের পর সবাইকে অর্থনৈতিক সহায়তা করা হবে।
বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সালে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নথিপত্রহীন বা অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। সাইপ্রাস, ইতালি, রুমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ফেরত এসেছে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোক ইতালি, গ্রীস ও জার্মানি থেকে এসেছে। যারা ফেরত এসেছেন, তাদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও পরে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয় যাতে তারা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। পাশাপাশি ঝুঁকি নিয়ে যেন লোকজন ইউরোপে না যায়, সে জন্য সারা দেশে সচেতনতা তৈরির কাজ চলছে। ইউরোপ বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে পিরোজপুরের কাউখালীতে হাট-বাজারে অভিযান চালিয়ে ২৫ কেজি লবণ মাখা ইলিশ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বাজার হাটে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় একটি এতিমখানায় দান করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান। এ সময় কাউখালী থানা পুলিশের প্রতিনিধি ও মৎস্য বিভাগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাজারে ইলিশ বিক্রির চেষ্টা প্রতিরোধে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে।
অভিযান শেষে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকার নির্ধারিত নিষিদ্ধ সময়ে নদীতে ইলিশ ধরা এবং বাজারে বা গোপনে ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ করা নিষিদ্ধ। আজ হাটের দিনে অভিযান চালিয়ে ২৫ কেজি লবণ মাখা ইলিশ জব্দ করে এতিমখানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে। মা ইলিশ রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ইলিশের প্রজননক্ষেত্র সুরক্ষা এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কাউখালীর নদীপথ ও স্থলাঞ্চলের হাট-বাজারে দিন-রাত নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় অবাধ নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিরোধীরা প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো একযোগে দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী আটক করার ফলে দেশটিতে নির্বাচনের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। তবে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভেনেজুেলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু মাদুরোর উত্তরসূরি বেছে নিতে ভোট কবে হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে মাদুরো আটক হওয়ার পর দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন দেখা দেয়।
বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেছেন, "২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।" বিতর্কিত ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর প্রায় এক বছর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এরপর তিনি দেশ ছেড়ে বাইরে অবস্থান করছেন। তার রাজনৈতিক আন্দোলন ভেনেজুয়েলায় এই বিক্ষোভের আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার রাজধানী কারাকাস ছাড়াও ভ্যালেন্সিয়া, মারাকাই, সান ক্রিস্তোবাল ও মারাকাইবোসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মারাকাই শহরের উত্তরাঞ্চলে শত শত মানুষের সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন ১৮ বছর বয়সি প্রসাধনবিদ্যার শিক্ষার্থী লিওসমারি হার্নান্দেজ। তিনি বলেন, "এ দৃশ্য দেখে আমার ভালো লাগছে। কারণ, আমি জানি পরিবর্তন সম্ভব।"
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ডলারের কারণে সৃষ্ট নানা সমস্যা এবং পড়াশোনার ক্ষেত্রে অসুবিধাসহ অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তবুও দেশের ভবিষ্যৎ এবং পরবর্তী নেতা ও প্রেসিডেন্ট মারিয়া কোরিনার বিষয়ে তাঁর অনেক আশা রয়েছে।
হার্নান্দেজ আরো বলেন, "আগেও আমি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছি। তখন পরিস্থিতি আরো কঠিন ছিল। এখন আমার ভয় আরো কম, কারণ আমি চাই আমার কণ্ঠস্বর শোনা হোক।"
ক্ষমতায় বহাল মাদুরোর দল
গত ৩ জানুয়ারি থেকে ভেনেজুেলার নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা ভেনেজুয়েলার ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টির (পিএসইউভি) নেতা।
রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যথেচ্ছ গ্রেপ্তার, কারাবন্দি করা ও নির্যাতন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে কারাগারে পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালানোর পরও পিএসইউভি ক্ষমতায় রয়েছে। হোয়াইট হাউসের সমর্থন নিয়ে দলটি ক্ষমতা ধরে রেখেছে। মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রদ্রিগেজের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ভেনেজুয়েলায় এখনো সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রদ্রিগেজ সরকারের ওপর সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
বিক্ষোভস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি কম ছিল।
১৯৯৯ সাল থেকে ভেনেজুয়েলায় সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের শাসন চলছে। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজের পর ক্ষমতায় আসেন মাদুরো। অতীতে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। তবে বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভস্থলগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল সীমিত। ছোট অনেক শহরে অন্ধকার নামার আগেই বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক দলও বৃহস্পতিবার নিজ সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের আয়োজন করে। স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত ওই মিছিলের শুরু হয় রাজধানী কারাকাসের প্লাজা ভেনেজুয়েলা থেকে। একই স্থানে বিরোধীদের বিক্ষোভ হওয়ার কথা ছিল দুই ঘণ্টা পর। ক্ষমতাসীন দলের মিছিলটি সেখান থেকে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের কাছাকাছি একটি স্থানের দিকে যায়।
নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য পরিচিত দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওই মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়। এদিকে বিরোধী সমর্থকেরা তাদের বিক্ষোভের স্থান পরিবর্তন করে কাছাকাছি অন্য একটি জায়গায় সমবেত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে আলোচনা চলছে
ভবিষ্যতে নির্বাচন আয়োজনের আগে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত ও নির্বাচন কাউন্সিলে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বিরোধীদের একটি অংশের মধ্যে আলোচনা চলছে। চলতি মাসে এ আলোচনার সর্বশেষ বৈঠক হয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন আনতে উল্লেখযোগ্য সময় লাগতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে চলা এই আলোচনায় মাচাদোর রাজনৈতিক আন্দোলন অংশ নিচ্ছে না। তবে আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার পথে তিনি বাধা হবেন না বলে জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে মাচাদোর সমর্থিত প্রার্থী এদমুন্দো গনসালেস উররুতিয়া জয়ী হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। বিরোধীদের প্রকাশ করা ভোটের হিসাবের ভিত্তিতে তিনি এ দাবি করেছেন। তবে সরকার কখনো পূর্ণাঙ্গ ভোটের হিসাব প্রকাশ করেনি। দেশটির সরকার, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মাদুরোর পক্ষ নিয়েছিল।
বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছেন মাচাদো। ট্রাম্প প্রশাসনের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার অবস্থানের মিল রয়েছে। ওই কর্মকর্তাদের যুক্তি ছিল, মাদক চক্রের সঙ্গে মাদুরোর কথিত সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।
মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা চলছে। তারা দুজনই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কর্তৃপক্ষ একটি জরুরি সতর্কতামূলক বার্তা জারি করেছে। এই সময়ে বাসিন্দাদের জরুরি নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাসিন্দাদের ভবনের ভিতরে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা, জানালা থেকে দূরে থাকা এবং খোলা স্থানে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, যারা বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের দ্রুত নিকটবর্তী কোনো ভবনে আশ্রয় নেওয়া অথবা শক্তিশালী আড়ালের পেছনে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার জন্য বলা হয়েছে।
তবে, রিয়াদে এই জরুরি সতর্কতা জারি করার পেছনে কী ধরনের হুমকি বা পরিস্থিতি রয়েছে, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ