ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোদির বিরুদ্ধের এবার ককরোচদের পর নামছে ‘মাছি জনতা পার্টি’


মোদির বিরুদ্ধের এবার ককরোচদের পর নামছে ‘মাছি জনতা পার্টি’

ভারতের চলমান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের সঙ্গে এবার রাজপথে যুক্ত হয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘মাছি জনতা পার্টি’। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দলের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। তাদের আগমন মোদিবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, সৃষ্টি করেছে নতুন আলোচনা ও কৌতূহল।

ভারতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছে একটি নতুন রাজনৈতিক স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ— মাছি জনতা পার্টি (Makhi Janta Party - MJP)। প্রধান বিচারপতির ‘মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার করা যায় না’ (hammer to kill a fly) মন্তব্য থেকেই এই প্ল্যাটফর্মটির জন্ম হয়েছে। আত্মপ্রকাশের মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্টটিতে ৪০ লক্ষেরও বেশি ভিউ এবং ৩.৩ লক্ষের বেশি অনুগামী (Followers) যুক্ত হয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে মাছি জনতা পার্টি জানায়, তারা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথভাবে কর্মসূচি পালনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। সম্প্রতি যন্তর মন্তরে প্রতিবাদী আন্দোলনকারী নেহা বোরাকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি সিজেপি-র দুই শীর্ষ নেতার পুলিশি আটকের কড়া সমালোচনা করে দুটি পৃথক বিবৃতি জারি করেছে এমজেপি।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে চীনা নাগরিকের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ৪ পুলিশ গ্রেপ্তার

মাছি জনতা পার্টি কী?

মক্ষি বা মাছি জনতা পার্টি — এমজেপি হলো ইনস্টাগ্রাম কেন্দ্রিক একটি ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল রেকর্ড অনুযায়ী, অ্যাকাউন্টটি ২০২১ সালের জুনে তৈরি হলেও অন্তত ৮ বার নাম পরিবর্তনের পর বর্তমানে ‘makhijantaparty.ig’ ইউজারনেম নিয়ে সক্রিয় হয়েছে। আর্যন (Aaryan) নামের এক ছাত্র নিজেকে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দাবি করেছেন। সম্প্রতি এক পোস্টে সংগঠনের তরফে মুখপাত্র খোঁজার বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও এমজেপির বার্তা

গত ৯ অক্টোবর সিজেপির ১০ অক্টোবরের প্রস্তাবিত দিল্লি স্তব্ধ করার কর্মসূচির আগে রাজধানীতে ইন্টারনেট, মেট্রো ও ট্রেন চলাচলে ঢালাও নিষেধাজ্ঞা জারির বিরুদ্ধে এক পিটিশনের শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ কড়া পর্যবেক্ষণ জানিয়ে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনে গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু পুরো ব্যবস্থা স্তব্ধ করা যায় না। একটা মাছি মারতে তো আর হাতুড়ি ব্যবহার করা চলে না।’ সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আরও পড়ুন: লিবিয়া ও তুরস্কের মধ্যে নতুন সামুদ্রিক চুক্তি অনুমোদন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান ভারতীয় বিমানের ওপর আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ এম


পাকিস্তান ভারতীয় বিমানের ওপর আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো

পাকিস্তান ভারতীয় নিবন্ধিত বিমান এবং ভারতীয় এয়ারলাইনসের পরিচালিত, মালিকানাধীন বা লিজ নেওয়া বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করেছে। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৪ নভেম্বর ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সামরিক বিমানও এ বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ) নতুন ‘নোটিশ টু এয়ারমেন’ (নোটাম) জারির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি জানায়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ ও ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে পাকিস্তান ভারতীয় বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ভারত ওই হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানায়। পরে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ভারতও ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে পাকিস্তানি বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।

এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ২০২৫ সালের ৬ ও ৭ মে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় ভারত। এর জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’ নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে এবং ভারতের কয়েকটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করে। ওই সংঘাতের সময় পাকিস্তান তিনটি রাফাল জেটসহ আটটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে।

টানা প্রায় ৮৭ ঘণ্টা সংঘাতের পর ২০২৫ সালের ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে এরপরও ভারতীয় বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে এবং একাধিকবার এর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে বিকল্প ও দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। ফলে ফ্লাইট পরিচালনার সময় ও জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে পাকিস্তানের বিমান পরিবহন খাতে এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সীমিত বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৯৯৯ সালের কারগিল সংঘাত এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা সংকটের সময়ও পাকিস্তান ভারতীয় বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করেছিল। এসব ঘটনায়ও ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে বিকল্প পথে চলাচলের কারণে অতিরিক্ত পরিচালনগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ এম


হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিকভাবে চলবে।

শনিবার রাতে দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন একটি চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত করেছে।

দিনাজপুর হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম শাহীন বলেন, ১৭ অক্টোবর থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হওয়ায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বন্দরের ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে উভয় দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৭ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটিসহ ৭ দিন বন্ধ থাকবে। আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার থেকে পুনরায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে যথানিয়মে পণ্য আমদানি রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে বলে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কর্মকর্তা ওসি মো. জাকারিয়া হোসেন নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত কার্যক্রম করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ এম


২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হামলার প্রেক্ষাপটে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধি-নিষেধের কারণে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী এবং সৌদি আরব হয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৫০টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৬৪টি। এই অবস্থায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে।

এদিকে আগামী ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দাম্মাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হবে। অনুমতি এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গতকাল শনিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রিয়াদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাত্রীদের যথাসময়ে এ বিষয়ে জানানো হবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক কাউসার মাহমুদ জানিয়েছেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে পরিচালনাগত বিধি-নিষেধের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি সরাসরি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের সাতটি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার পাঁচটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানায়, সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট যথারীতি চালু রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা এ দুটি বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় মদিনা রুটে অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থা ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চালু থাকবে। ১৯ অক্টোবর থেকে এই রুটে আগের মতো বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

বিমান জানিয়েছে, আগামী ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে দাম্মাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হবে। অনুমতি ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শয়তান যেভাবে নামাজে সন্দেহ সৃষ্টি করে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ এম


শয়তান যেভাবে নামাজে সন্দেহ সৃষ্টি করে

সালাত হলো মুমিনের চোখের শীতলতা, এটি ইসলামের প্রধান স্তম্ভ এবং জান্নাতের চাবি। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘জান্নাতের চাবি হচ্ছে নামাজ।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৪)

এ কারণে নামাজের বরকত বিনষ্টকারী বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। শয়তান মানুষের নামাজের উপকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়, আর এর জন্য তার প্রধান হাতিয়ার হলো ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহ সৃষ্টি।

অজু নিয়ে সন্দেহ তৈরি : শয়তান এই প্রচেষ্টা শুরু করে পবিত্রতা থেকে। অজুর সময় সে মনে সন্দেহ জাগায় যে বায়ু বের হয়েছে কিংবা পেশাবের ফোঁটা পড়েছে। অনেকের মধ্যে এই ওয়াসওয়াসার (সন্দেহ) মাত্রা অনেক বেশি। তাদের উচিত, এই বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়া। কারণ হাদিস শরিফে এসেছে, ‘আব্বাদ ইবনে তামীম (রহ.)-এর চাচা হতে বর্ণিত : একদা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হলো যে তার মনে হয়েছিল যেন নামাজের মধ্যে কিছু হয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেন, সে যেন ফিরে না যায়, যতক্ষণ না শব্দ শোনে বা গন্ধ পায়।’ (বুখারি, হাদিস : ১৩৭)

নামাজের ভেতরে শয়তানের বিভ্রান্তি : অনেক সময় শয়তান নামাজির অন্তরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। সে রুকু করেছে কি না, সিজদা কি একটি করেছে নাকি দুটি করেছে—এ রকম দ্বিধায় পড়ে যায়। মহানবী (সা.) তাঁর সাহাবিদের এই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। উসমান ইবনে আবুল আস (রা.) মহানবী (সা.)-এর কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ করলে নবীজি জানান যে এটি ‘খিনযাব’ নামের শয়তান। তার উপস্থিতি অনুভব করলে তখন আউজুবিল্লাহ পড়ে বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলবে। (মুসলিম, হাদিস : ৫৬৩১)

রাকাতের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ : এটি শয়তানের আরেকটি কৌশল। এর প্রতিকার সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নামাজের মধ্যে যদি কারো সন্দেহ হয় যে তিন রাকাত আদায় করা হয়েছে, না চার রাকাত আদায় করা হয়েছে, তবে সে যে কয় রাকাত আদায় করেছে বলে নিশ্চিত হবে (তিন রাকাত), সে কয় রাকাতকে ভিত্তি ধরে অবশিষ্ট করণীয় করবে। এরপর সালাম ফেরানোর পূর্বে দুটি সিজদা করবে। এখন যদি সে পাঁচ রাকাত আদায় করে থাকে, তাহলে এই দুটি সিজদা দ্বারা তার নামাজের জোড়া পূর্ণ হয়ে যাবে। আর যদি তার নামাজ চার রাকাত হয়ে থাকে, তাহলে (এই) সিজদা দুটি শয়তানের মুখে মাটি নিক্ষেপের শামিল হবে। (মুসলিম, হাদিস : ১১৫৯)

তাড়াহুড়া করে সালাত পড়া : এটিও শয়তানের ফাঁদ। নবীজি এমন নামাজকে মোনাফিকের নামাজ বলেছেন, যেখানে মানুষ সূর্যের দিকে তাকিয়ে সময় কাটায়, তারপর দ্রুত কয়েকটি ঠোকর মেরে নামাজ শেষ করে। (মুসলিম, হাদিস : ৬২২)

এই হাদিসটি মূলত ইচ্ছাকৃত আসরের শেষ ওয়াক্তে তাড়াহুড়া করে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে। নামাজ যে তাড়াহুড়া করে পড়া উচিত নয়, সেটাও প্রমাণ হয়ে যায়। নামাজে স্থিরতা বজায় রাখার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নিশ্চয় মুমিনরা সফল, যারা তাদের নামাজে বিনয়ী।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১-২)

প্রয়োজন ছাড়া এদিক-ওদিক তাকানো : এই কাজকে নবীজি (সা.) শয়তানের ছিনতাই বলেছেন। যার মাধ্যমে শয়তান বান্দার নামাজের কিছু অংশ ছিনিয়ে নেয়। (বুখারি, হাদিস : ৭৫১)

অন্যদিকে নিজের ওপর অতিরিক্ত কঠোরতা আরোপ করে বারবার একই হরফ পড়া বা অহেতুক সংশয়ে ভোগানোও শয়তানের কৌশল। এতে মানুষ ইবাদতের আনন্দ হারায়।

সুতরাং প্রতিটি মুমিনের উচিত, শয়তানের কুমন্ত্রণা ও সন্দেহে সাড়া না দিয়ে আল্লাহর জিকিরে মনোযোগ দেওয়া উচিত। মহান আল্লাহর কাছে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় চাওয়া। সন্দেহের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। কারণ বর্তমানে বহু মানুষ মানসিক রোগে ভোগে, যা তারা জানেও না।

মহান আল্লাহ সবাইকে খুশুখুজুর সহিত ইবাদত-বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%