বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বইয়ের দশকের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নতুন সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’তে অভিনয়ের পর, চলতি মাসের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে আসছে চিত্রনায়িকা মৌ খানের আরেকটি সিনেমা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে কামরুজ্জামান পরিচালিত সামাজিক ও পারিবারিক গল্পের সিনেমা ‘স্নেহের বন্ধন’।
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’তে মৌ খান গুরুত্বপূর্ণ অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মাধ্যমে চলতি মাসেই তিনি বড় পর্দায় উপস্থিত হয়েছেন। এবার পূজার উৎসবকে সামনে রেখে মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত ‘স্নেহের বন্ধন’। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি ভিন্ন স্বাদের সিনেমায় দর্শকরা এই অভিনেত্রীকে দেখতে পাবেন।
‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমাটি নিয়ে মৌ খান বেশ আশাবাদী। নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একজন অভিনয়শিল্পীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে ভেঙে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা। এ মাসে আমার যে দুটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে দর্শক পাচ্ছে, দুটিতেই দর্শকরা আমাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি রূপে দেখতে পাবেন।’
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমা প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘আমি একটি বিশেষ অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটির ব্যাপ্তি হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে এর গুরুত্ব অনেক। নব্বইয়ের দশকের সেই কালজয়ী আবহের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারাটাই আমার জন্য অন্যরকম এক ভালো লাগার ছিল।’
‘স্নেহের বন্ধন’ নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘পূজায় মুক্তি পেতে যাওয়া ‘স্নেহের বন্ধন’ আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম একটি আবেগের জায়গা। এই সিনেমায় আমার চরিত্রটি ভীষণ চ্যালেঞ্জিং, স্ট্রাগলিং এবং একই সঙ্গে মায়াবী। এটি এমন এক নারীর গল্প, যে পারিবারিক মূল্যবোধ ও ভালোবাসার জন্য যেকোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। আশা করি, দুটি চরিত্রই দর্শকদের হৃদয়ে আলাদাভাবে দাগ কেটে যাবে।’
২০১৯ সালে ‘প্রতিশোধের আগুন’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ক্যারিয়ার শুরু করেন মৌ খান। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে আসছেন।
এদিকে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে মৌ খানের অভিনীত থ্রিলার ও অ্যাকশন ঘরানার ওয়েব ফিল্ম ‘শিকারি’। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বয়সের কাঁটা এগিয়ে চললেও, চেহারায় তার ছাপ যেন একেবারেই নেই। বরং সময়ের সঙ্গে আরও তরুণী হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। রুপালি পর্দার চাকচিক্য পেরিয়ে, এবার নীলের মায়ায় ধরা দিলেন এই অভিনেত্রী। তার নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পরই ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
জয়া আহসানের রয়েছে নিজের মতো এক স্বতন্ত্র জগৎ, যা রুপালি পর্দার আভিজাত্যের বাইরে। সেখানে তিনি সাধারণ, প্রকৃতিপ্রেমী এবং নিজের মতো করে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা না হলেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে নিজের নানা মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন জয়া আহসান। নীলের আবেশে তোলা এসব ছবিতে অভিনেত্রীর চোখের চাহনি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবি প্রকাশের পর থেকেই তার সৌন্দর্য ও বয়স নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অনেকের মন্তব্য, সময় যতই গড়াচ্ছে, জয়ার বয়স যেন ততই কমছে! ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘নীল রং আমাতেই সাজে, আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।’
ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই কমেন্ট বক্সে জয়া আহসানের রূপের প্রশংসায় মেতেছেন ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘আমি ছোটবেলা যেমন দেখছি, এখনো ঐরকম দেখি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’
অন্য এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নীল রং দেখলে মনটা জানি কেমন হয়ে যায়। সুন্দর, অনেক সুন্দর।’
সব মিলিয়ে জয়া আহসানের নতুন ছবিগুলো আবারও প্রমাণ করল—বয়স শুধু একটি সংখ্যা, সৌন্দর্যের আবেদন সময়ের সঙ্গে বরং আরও গভীর হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন সামরিক হামলা চালানোর নির্দেশনা দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সংক্রান্ত সামরিক পরিকল্পনার বিকল্প তৈরি করতে পেন্টাগনকে হোয়াইট হাউস থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘দি আটলান্টিক’-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পূর্বে এই হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও গৃহীত হয়নি। হামলার পরিধি, লক্ষ্যবস্তু এবং এই মুহূর্তে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যৌক্তিক হবে কি না—তা নিয়ে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সম্প্রতি পেন্টাগন ট্রাম্পের সামনে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পুনরায় জোরদারের বেশ কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেছে, যার মধ্যে ইরানের জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট মূলত দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমানো এবং নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের অগ্রগতি তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে চান।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেনটকম) সতর্ক করে জানিয়েছে, সীমিত আকারের সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করা কিংবা হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। এমনকি ভোটের আগে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ক্ষেত্রে এই কৌশল কার্যকর নাও হতে পারে।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছেন, ইরানে সরাসরি হামলা চালালে ট্রাম্পের দৃঢ় নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ফুটে উঠবে, যা নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। তাদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বড় ধরনের সামরিক অভিযানের এটি সূচনা হতে পারে। তবে ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে সামরিক অভিযানে না গিয়ে ভোটের পরপরই হামলা চালানো বেশি কৌশলগত হবে।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ সতর্ক করেছেন যে, নির্বাচনের ঠিক আগে ইরানে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এবং পারস্য উপসাগরের মিত্রদেশগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অস্ত্রাগারও খালি হতে পারে। অনেক সাধারণ আমেরিকান মার্কিনদের যুদ্ধ থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানাচ্ছেন। মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন সামরিক হামলা শুরু করলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাই বেশি। সূত্র: দ্য আটলান্টিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বুধবারের নোবেল রসায়ন পুরস্কার একটি ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা উনিশ শতকে শুরু হয়েছিল এবং আধুনিক ওষুধ উৎপাদনে যুগান্তকারী সাফল্যের পথ তৈরি করেছে।
বিজ্ঞানীরা এই গবেষণার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু অণুর কাঙ্ক্ষিত রূপ কীভাবে তৈরি করা যায়, তা আবিষ্কার করেছেন।
স্টকহোম থেকে এএফপি জানায়, রয়্যাল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রির সাময়িকী ‘কেমিস্ট্রি ওয়ার্ল্ড’-এর সম্পাদক ফিলিপ ব্রডউইথ মন্তব্য করেন, ‘ওষুধ, এমনকি স্বাদ ও সুগন্ধির মতো জিনিস তৈরির ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
নোবেল কমিটির মতে, ফ্রান্সের অঁরি কাগান এবং জাপানের কেনসো সোয়াই কীভাবে একটি ‘রাসায়নিক রহস্যের’ সমাধান করেছিলেন, সেই পথের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো হলো:
লুই পাস্তুর
১৮৪৮ সালে ফরাসি রসায়নবিদ লুই পাস্তুর টারটারিক অ্যাসিডের ওপর পোলারাইজড আলো ফেলেন। তিনি লক্ষ্য করেন, কিছু অণু আলোকে বাম দিকে বাঁকিয়ে দেয়, অন্যগুলো ডান দিকে।
এই দুই ধরনের বিপরীতমুখী বৈশিষ্ট্যকে ‘কাইরালিটি’ বলা হয় এবং একে অপরের দর্পণ-প্রতিচ্ছবি এই দুটি বিপরীত রূপকে ‘এনান্টিওমার’ বলা হয়।
পরবর্তী গবেষণায় দেখা যায়, জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে অ্যামিনো অ্যাসিড ও শর্করা এই দুই দর্পণ-প্রতিচ্ছবির মাত্র একটিমাত্র রূপে বিদ্যমান থাকে। তবে পরীক্ষাগারে তৈরি করলে উভয় রূপই পাওয়া যায়।
ব্রডউইথ বলেন, ‘অবিশ্বাস্য বিষয় হলো, পরস্পরের দর্পণ-প্রতিচ্ছবি হওয়া অণুগুলো জৈবিক ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।’
নোবেল কমিটি উল্লেখ করেছে, অনেক ওষুধের অণুর ক্ষেত্রে ‘একটি চিকিৎসাগত প্রভাব সৃষ্টি করে, অন্যটি অপ্রয়োজনীয় এবং কখনো কখনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।’
‘অপ্রতিসম’ বিক্রিয়া
পাস্তুরের আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে জার্মান রসায়নবিদ ভিলি মার্কভাল্ড ১৯০৪ সালে প্রথম ‘‘অপ্রতিসম’ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান।
তিনি একটি একমুখী অণুকে অনুঘটক হিসেবে ব্যবহার করে দেখতে পান, এর ফলে অন্যটির তুলনায় একটি এনান্টিওমার সামান্য বেশি উৎপন্ন হয়।
এই প্রভাবকে যদি বাড়ানো সম্ভব হয়, তাহলে কৃত্রিম রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দর্পণ-প্রতিচ্ছবির মাত্র একটি রূপই উৎপন্ন করা সম্ভব হতে পারে—যেভাবে জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে তা ঘটে।
গাণিতিক ভিত্তি
এরপর ১৯৫৩ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিদ চার্লস ফ্র্যাঙ্ক সমমুখী কাইরালিটির একটি গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন।
তার মডেল অনুযায়ী, একটি ‘দিকের’ সামান্য প্রাথমিক ভারসাম্যহীনতা নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সেই রূপটির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
এখন চ্যালেঞ্জ ছিল এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো, যা তার প্রস্তাবিত সব শর্ত পূরণ করবে।
কাগানের আবির্ভাব
১৯৮০-এর দশকে কাগাঁ একটি ‘কাইরাল’ অনুঘটকের গঠন পরিবর্তনের মাধ্যমে অণুগুলোর একটির উৎপাদন কীভাবে ব্যাপকভাবে বাড়ানো যায়, তা আবিষ্কার করেন।
তার উদ্ভাবিত ‘নন-লিনিয়ার’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও বিশুদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন সম্ভব হয়।
২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী উইলিয়াম নোলস ও ব্যারি শার্পলেস এবং জাপানের রিয়োজি নোরি ‘অ্যাসিমেট্রিক ক্যাটালাইসিস’ নিয়ে কাজের জন্য রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান।
তবে ওই পুরস্কারে কাগাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
সোয়াই : ‘স্ব-অনুঘটন’
কাগাঁর গবেষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে কেনসো সোয়াই ১৯৯৫ সালে এই প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করেন।
তিনি এমন একটি অণু শনাক্ত করেন, যা অনুঘটককে নিজেই পুনরুৎপাদনে সহায়তা করতে পারে এবং ‘অটোক্যাটালাইসিস’ বা স্ব-অনুঘটন নামের একটি প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অণুটির আরও বেশি উৎপাদন ঘটাতে পারে।
২০০৩ সালে সোয়াই এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া উদ্ভাবন করেন, যাতে উৎপন্ন রাসায়নিক পদার্থের ৯৯.৯৯ শতাংশই ছিল একটি মাত্র এনান্টিওমার।
নোবেল কমিটি বলেছে, ‘জীবন নিজেকে বাদ দিলে এর আগে কেউ কখনো এমন কৃতিত্ব অর্জন করেনি।’
‘সোয়াই বিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পরিচালিত সবচেয়ে দর্শনীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ