শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৯ পি.এম
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেটের একটি নতুন টুর্নামেন্ট চালু করার পরিকল্পনা করেছে, যা প্রথম শ্রেণি, লিস্ট 'এ' এবং টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে।
নতুন এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের জন্য আগামীকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।
৩ অক্টোবর ‘জাতীয় ক্রিকেট লিগ’ (এনসিএল)-এর চার দিনের ম্যাচ দিয়ে ঘরোয়া মৌসুমের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ওয়ানডে ফরম্যাটের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে এবং সর্বশেষে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে, যা ‘বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ’ (বিপিএল)-এর আদলে পরিচালিত হবে।
এই প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় তিনটি ফরম্যাটকে একক ব্যবস্থার অধীনে নিয়ে আসা হবে এবং মালিকানা স্বত্ব করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিসিবি প্রাথমিকভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে তিন বছরের জন্য মালিকানা স্বত্ব প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এর মাধ্যমে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ডের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনায় সরাসরি সম্পৃক্ত হতে পারবে।
ডিসেম্বরে বরিশাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সম্ভাব্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ফরচুন গ্রুপ, ব্লু স্টার লিমিটেড, সিটিজেনস ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, একমি ল্যাবরেটরিজ এবং নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ছয় নির্বাচক- হাবিবুল বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, সাজ্জাদ শিপন, নাদিফ চৌধুরী, নাঈম ইসলাম ও শামসুর রহমান- ছয়টি দলের সাথে যুক্ত থাকবেন। তারা মূলত দলের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অটিজম ও প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বসবাসকারী ব্যক্তিদের শুধুমাত্র সহায়তার গ্রহীতা হিসেবে নয়, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সমাজের সক্রিয় অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের সাইডলাইনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অটিজম বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি ও সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রমাণভিত্তিক সমাধান গ্রহণ, দক্ষ জনবল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ টেকসই জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে হবে। পাশাপাশি, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, আন্তর্জাতিক মানের এই ধরনের আয়োজন শিশু-কিশোরদের মধ্যে কোরআনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে ইসলামি মূল্যবোধ চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, কোরআন শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হবে। "পবিত্র কোরআন শুধু ধর্মীয় জ্ঞানের উৎস নয়, এটি মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।" ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত করা হলে তারা নৈতিক ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের হাফেজদের মেধা ও দক্ষতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান হাফেজরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করছেন। এ ধরনের প্রতিযোগিতা তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সৌদি রাজকীয় দূতাবাস কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করে বলেন, "এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের হাফেজদের বিশ্ব দরবারে পরিচিত করার পাশাপাশি তাদের প্রতিভাকে বিকশিত করবে।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স হলরুমে সৌদি রাজকীয় দূতাবাস আয়োজিত জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেট বিভাগীয় বাছাই পর্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
রাজকীয় সৌদি দূতাবাস ঢাকা বাংলাদেশ এর দা'ঈ, শায়েখ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানীর সভাপতিত্বে এবং এস এম সাইফুল্লাহ ও আসাদুল্লাহ'র যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সৌদি দূতাবাসের দা'ঈ শায়েখ বদর বিন ইসহাক আল মাদানী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর, বাংলাদেশ ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির উপ-পরিচালক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, প্রফেসর মাওলানা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সিলেট জেলার মহাসচিব ও সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, হাসান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো: আজিজুল করিম। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হাফিজ রশিদ আহমদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিয়াউল হক নাসেহ। প্রতিযোগিতায় মোট ৬০ জন অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে তিনটি গ্রুপে যথাক্রমে ৩০ পারা ছেলে ৫ জন, ১৫ পারা ছেলে ৫ জন ও মেয়ে ১৫ পারা ৪ জন মোট ১৪ জনকে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার জন্য বাছাই করা হয়েছে।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের ৪টি জেলার মাদরাসা থেকে আগত ৬০ জন কৃতী হাফেজগণ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীরা মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও নিখুঁত মুখস্থ শৈলী প্রদর্শন করেন। অভিজ্ঞ ও প্রখ্যাত ক্বারী এবং আলেমদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলীর মধ্যে ছিলেন শায়েখ মামুনুর রশিদ আল মাদানী ও হাফিজ মাওলানা গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ বিজয়ী হাফেজদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। উত্তীর্ণ হাফেজগণ ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করবেন। উক্ত বাছাই পর্বের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট অঞ্চলের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ওলামায়ে কেরাম, মাদরাসা শিক্ষক এবং আমন্ত্রিত অভিভাবকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেন থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা কিলোমিটার পর কিলোমিটার হেঁটে যাচ্ছে, শুধুমাত্র পরনের কাপড় নিয়ে।
এ পরিস্থিতিতে, দেশটিতে বর্তমানে ‘ভয়াবহ সংকট’ চলছে বলে সতর্ক করেছেন নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের (এনআরসি) একজন মানবিক সহায়তাকর্মী। আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এনআরসির কর্মী অ্যালিসন বটমলি উল্লেখ করেন, পরিস্থিতির অবনতি শুরু হওয়ার পর অনেকেই কোনো সম্পদ ছাড়াই তাদের ঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, বহু পরিবার গভীর রাতে, শুধুমাত্র পরনের কাপড় নিয়ে, বাড়ি থেকে বের হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার হেঁটে যাচ্ছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুতির কারণে প্রয়োজনীয় সহায়তার সংকটও দেখা দিয়েছে।
বটমলি বলেন, অনেক পরিবার রাতের বেলায় গাছের নিচে ঘুমাচ্ছে। স্থানীয় জনগণ সহযোগিতার চেষ্টা করলেও, বাস্তুচ্যুত প্রত্যেক মানুষের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আশ্রয়, পানি ও খাবারের প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা আসিয়ান কাপে গ্রুপ 'বি'-এর একটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন মুখোমুখি হয়। জমজমাট লড়াইয়ে ভিয়েতনাম ফিলিপাইনকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩০ মিনিট পর খেলা শুরু হলেও মাঠের উত্তাপ একটুও কমেনি।
ম্যাচটি ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এর ঐতিহাসিক সি জালাক হারুপাত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। খেলার ২৩তম মিনিটে ফিলিপাইনের স্নাইডারের একটি শক্তিশালী শট ভিয়েতনামের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। গোলবারের কল্যাণে ভিয়েতনাম নিশ্চিত গোলের হাত থেকে রক্ষা পায়।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ভিয়েতনামের উইঙ্গার নগুয়েন দিনহ বাক কোন ভুল করেননি। তিনি একটি চমৎকার শটে গোল করে দলের জন্য লিড এনে দেন। প্রথমার্ধে ফিলিপাইন বল দখলে এগিয়ে থাকলেও ভিয়েতনামের রক্ষণভাগ এবং কার্যকর আক্রমণ তাদের লিড ধরে রাখতে সহায়তা করে।
পিচ ভেজা ও কিছুটা অনুপযোগী থাকায় বলের স্বাভাবিক মুভমেন্ট কিছুটা ব্যাহত হয়। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য ছোট ছোট পাসে আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি ফিলিপাইন। ফলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয় হার নিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ