মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:১৩ পি.এম
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নায়েকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ওই তরুণীর মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
তরুণীর বাবার অভিযোগ, একই গ্রামের এক যুবক তাঁর মেয়েকে ভয়ভীতি দেখাতেন ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তাঁর মেয়ে মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন। এসব ঘটনার জেরেই তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তিনি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তরুণীর বাবা।
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য বাড়িতে নেই বলে জানা গেছে। তাঁদের বাড়ির দরজায় তালা ঝুলতে দেখা গেছে।
অভিযুক্ত যুবকের বড় ভাবি তানিয়া আক্তার বলেন, ওই তরুণীকে নিয়ে তাঁর দেবরের ঘুরতে যাওয়ার বিষয়টি তাঁরা সোমবার রাতে প্রথম জানতে পারেন। পরদিন সকালে তরুণীর মৃত্যুর খবর পান। এরপর থেকে তাঁর দেবরসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁরা কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মদন থানা-পুলিশ। এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর মৃত্যুর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানিয়ারচর জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা এবং সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দ্বিমুখ্যাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রদানে উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা করেন।
১৩ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার) ১১ ঘটিকার সময় নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এর নির্দেশনায়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নানিয়ারচর জোনের মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম এবং লেফটেন্যান্ট শোয়াইব রহমান সাবিল উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত, লেখাপড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অধ্যবসায় এর মাধ্যমে নিজেদের মানসিকভাবে দৃঢ় এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চর্চাই একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে আদর্শ মানুষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করে। এই জোন সবসময় তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবে।
এছাড়াও, তিনি শিক্ষকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, শিক্ষকরাই জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ সৌজন্য উপহার গ্রহণ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নানিয়ারচর জোনের এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিকট ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য ও আয়োজকদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বরিশাল রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায় পাশাপাশি বসবাস করছি। আমাদের আবহমানকালের সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি কেউ যাতে নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এই সম্প্রীতি বিনষ্টের কোনো ষড়যন্ত্র বা অপচেষ্টা সফল হবে না।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের মেদিরাবাদ তারাবুনিয়া স্বর্গীয় শ্রীনাথ মৃধা সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গামন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে গত এক সপ্তাহ ধরেই দুর্গাপূজা ঘিরে প্রস্তুতি, চলাচল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা সম্ভব, যদি আপনারা নিজেরাও সজাগ থাকেন। আপনাদের চোখ-কান খোলা রেখে নজরদারি করতে হবে, যাতে দুষ্কৃতকারীরা কোনো সুযোগ না পায়। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় অপরিচিত ব্যক্তিদের চলাফেরা এবং সন্দেহজনক আচরণের ওপর নজর রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহজনক মনে হলে দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানাতে হবে।
তিনি বলেন, পূজামণ্ডপে ভিড়ের মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি মানুষের গায়ে হাত দেওয়া, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া ও মানিব্যাগ চুরির মতো অপরাধ করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে আয়োজক কমিটিকে ভিড়ের মধ্যে সতর্কতামূলক নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিমা নির্মাণের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও ভাণ্ডারিয়ায় এখন পর্যন্ত এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ জন্য তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজক কমিটিগুলোর উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
আরো বক্তব্য রাখেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান, পিরোজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহান, মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী, ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান, পূজামণ্ডপের সভাপতি রমনী মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিত হালদার পমূখ। এ সময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মেদিরাবাদ তারাবুনীয় সার্বজননীন দূর্গাপূজা মণ্ডপের সভাপতি রমনী মৃধা বলেন, প্রবিছরের ন্যায় আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ৬দিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ দুর্গা মণ্ডপে শত বছর ধরে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার প্রশাসনের সার্বিক সহায়তায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পূজা আয়োজনে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। তবে আন্দোলনকারীদের নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজার মন্তব্য, ‘যাঁরা মিছিল করেছেন, তাঁরা না বুঝে করেছেন।’ তাঁর এ বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নাগেশ্বরী কলেজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা ও সদস্যসচিব আলহাজ মোখলেছুর রহমানের অনিয়মের কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ সময় তাঁরা এসব নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আতিকুর রহমান লেবু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম আল আমিন, সাবেক সভাপতি নুরনবী দুলাল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হক, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব নুরুজ্জামান এবং পৌর যুবদলের সহসভাপতি মিজানুর রহমান মিজানসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ভুলে যাননি। অর্থের বিনিময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, নাগেশ্বরী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১৫ জন সার ডিলারের মধ্যে ১০ জনকে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোখলেছুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজার অনিয়মের কারণে এসব নিয়োগ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজা বলেন, ‘যাঁরা মিছিল করেছেন, তাঁরা না বুঝে করেছেন। যাঁরা যোগ্য, তাঁরাই ডিলারশিপ পেয়েছেন। এখানে বিএনপির কোনো হাত নেই। বিএনপি কোথাও হস্তক্ষেপও করেনি।’
একই দলের নেতাকর্মীদের সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন এবং দলের আহ্বায়কের ‘না বুঝে করেছেন’ মন্তব্যের মধ্য দিয়ে নাগেশ্বরীর সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও বাস্তবভিত্তিক অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার আয়োজন করা হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। উপজেলা পরিষদের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মকবুল হোসেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম জামাল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগপ্রবণ দেশ। কেবল সরকারি উদ্যোগেই দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রতিটি পরিবারকে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। ঘর থেকেই সচেতনতার অভ্যাস শুরু করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, সময়মতো নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ-পরবর্তী দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ যোবায়ের হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু নাছের রায়হান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে এম জামান এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ আমিনুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন নিজাম মিরবহর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন কবির হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মোঃ হাছিব ভুট্টো আকন এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মোঃ খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল বাস্তবভিত্তিক উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও উপস্থিত দর্শকদের দুর্যোগকালীন ও অগ্নিকাণ্ডের সময়ে তাৎক্ষণিক করণীয় সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ