শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৭ পি.এম
জার্মানির কোলন বন বিমানবন্দরে ৯০টির বেশি সাপ ও টিকটিকি পাচারের অভিযোগে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা। আটককৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ এবং ৫৫টি টিকটিকি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, আটক ব্যক্তির বয়স ৪৫ বছর এবং তিনি মেক্সিকোর একজন দমকলকর্মী। বিমানবন্দরের ‘ঘোষণা করার মতো কিছু নেই’ লেখা সবুজ সংকেতযুক্ত পথ ধরে যাওয়ার সময় তার উদ্বেগ প্রকাশ পায়। সন্দেহজনক মনে হলে কাস্টমস কর্মকর্তারা ওই যাত্রীর মাদক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও পরে তার কাছ থেকে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি।
পরে ওই ব্যক্তির স্যুটকেস তল্লাশি করে শ্যাম্পু ও ক্রিমের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্র এবং মোজার ভেতরে লুকানো বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও টিকটিকি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সাপগুলোর মধ্যে ভাইপার ও র্যাটলস্নেক ছিল, পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির টিকটিকিও ছিল।
কোলন কাস্টমস বিভাগের মুখপাত্র ইয়েন্স আলান্ড জানান, ‘স্যুটকেসে আনা বিভিন্ন স্মৃতিসামগ্রী দেখতে বিমানবন্দরে আমার সহকর্মীরা অভ্যস্ত। কিন্তু মেক্সিকো থেকে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি আনার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।’
তিনি আরও বলেন, প্রাণীগুলোর মধ্যে কয়েকটি অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছিল এবং মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে জার্মানিতে আনার পথে কিছু প্রাণী মারা যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি কর্মকর্তাদের জানান, ব্রাজিলের এক পরিচিত ব্যক্তির অনুরোধে তিনি প্রাণীগুলো নিয়ে এসেছিলেন, তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। পরে তাকে জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়। বেঁচে থাকা প্রাণীগুলো বর্তমানে জার্মানির একটি সাপের খামারে রাখা হয়েছে, যেখানে সেগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছে।
ছয় বছর আগে একই বিমানবন্দরে মেক্সিকো থেকে খেলনা ও মিষ্টির প্যাকেটের মধ্যে লুকিয়ে পাঠানো ২৬টি বিরল সরীসৃপ উদ্ধার করেছিলেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। সেগুলোর মধ্যে ১০টি ছিল মৃত।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান মন্তব্য করেছেন যে, ‘আমার দৃষ্টিতে যেটা বুঝি, সেটা হচ্ছে—এই নতুন জালেম সরকার বা বিএনপি যদি তেলের দাম, গ্যাসের দাম, সিলিন্ডার, সার সংকট নিয়ে সিন্ডিকেট ও দলীয়করণের অপকর্মগুলো করতে থাকে এবং পাঁচ বছর বাংলাদেশকে শাসন করে, তবে আমরা দুর্ভিক্ষে মারা যাবো। আমরা দুর্ভিক্ষে মরার জন্য আসিনি।’
শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জেলা শাখা আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি লাইন তিনি ধারণ করেন এবং বলেন, "ওরাও বলে, ওদের সঙ্গে সঙ্গে আমিও বলি। আমরা তো সেই শহীদী তামান্না নিয়ে এসেছি। আমাদের চোখ রাঙিয়ে লাভ নাই। বাংলার মাটি আর ভারতের অঙ্গরাজ্য হবে না। বাংলার মাটিতে আর কোনো নতুন স্বৈরতন্ত্রকে আমরা কায়েম হতে দেবো না।"
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার এই উত্তরবঙ্গ শুরু থেকেই অবহেলিত। রংপুর বিভাগ আর রাজশাহী বিভাগ—আমি তো রাজশাহী শহরটা ব্যতিরেকে রাজশাহী বিভাগ এবং পুরো রংপুর বিভাগে কোনো উন্নয়ন দেখতে পাই না। হাইওয়ের কিছু রাস্তা পাকা হলেই বলে দেওয়া যায় না যে ওই জেলা উন্নত হয়ে গেছে। আমি কোনো উন্নয়নের ছিটেফোঁটা দেখতে পাই না। এই উন্নতিটা তো আমাদের ঘটাতে হবে। আমরা এই অঞ্চলের মানুষ হিসেবে যেটা বলতে পারি, ওই সময়েও আমাদের বিবেককে জাগিয়ে তুলেছিল—এই উত্তরবঙ্গ থেকেই তো আবু সাঈদ। আমরা তো যুগে যুগেই প্রস্তুত আছি শহীদ হওয়ার জন্য, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা নতুন করে নামার জন্য প্রস্তুত আছি, শহীদী তামান্না নিয়ে তৈরি আছি। জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা করতে আবার নামতে হলে আমরা আবার নামবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি একটা জিনিস স্পষ্ট করতে চাই, এই যুদ্ধটা ১১ দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধটা জামায়াতকে ক্ষমতায় নেওয়ার যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধটা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধটাতে আমাদের জয়যুক্ত হতেই হবে। আমার সামনে ক্ষমতা কোনো ফ্যাক্টর না। ওপরে আল্লাহ আছেন, আল্লাহর কসম করে বলতেছি, আমি খালি মরার আগে এইটুকু দেখতে চাই—এই দেশটা পরিপূর্ণ স্বাধীন এবং সার্বভৌম। এই দেশের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ ভারতীয় আধিপত্য নাই, দেশবাসীর মধ্যে মানবিকতা আছে, ইনসাফ আছে। আমি এটা চাই, আমি ক্ষমতা চাই না। আমি সেই মানুষ।’
নব্য জালেমদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নাই। আমার বাসায় যখন হামলা করা হয়েছে, আমি তখনও ভয় পাই নাই। আমাকে ভয় দেখানো এত সহজ না। আমার মৃত্যু যেই সেকেন্ডে লেখা আছে, আমি সেই সেকেন্ডেই মৃত্যুবরণ করব। কেউ আমাকে রক্ষা করতে পারবে না। আর ওই সেকেন্ডের এক সেকেন্ড আগেও ভারতীয় চর কিংবা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কেউ আমাকে মারতে পারবে না, আমি এটা জানি। আর মরব তো একবারই।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন— নওগাঁ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আ স ম সায়েম, খেলাফত মজলিস নওগাঁর সভাপতি রেজাউর রহমান ও এবি পার্টি নওগাঁর আহ্বায়ক কাজী আতিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির পর এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে একটি সম্পূর্ণ নতুন এবং ব্যতিক্রমী ফরম্যাট—‘টেস্ট টোয়েন্টি’। এই ফরম্যাটটি তৈরি হয়েছে ক্রিকেটের দীর্ঘতম এবং ক্ষুদ্রতম সংস্করণের সমন্বয়ে, যার মূল আকর্ষণ হলো—একই দলের হয়ে মাঠে খেলবেন ছেলে ও মেয়ে, এবং দুই দলের সম্মিলিত রান স্কোরই নির্ধারণ করবে ম্যাচের ফলাফল।
এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হবে আগামী ১৪ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার কলম্বোর সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) মাঠে। উদ্বোধনী আসরটি শেষ হবে ২৯ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে। এতে অংশগ্রহণ করবেন ১৩ থেকে ২১ বছর বয়সী মোট ১৬০ জন উদীয়মান ক্রিকেটার।
প্রতিটি মহাদেশীয় দলে ৪০ জন করে খেলোয়াড় থাকবেন, যার মধ্যে ২০ জন ছেলে এবং ২০ জন মেয়ে আলাদা স্কোয়াডে বিভক্ত থাকবেন।
ম্যাচে, ছেলেদের একাদশ খেলবে ছেলেদের বিপক্ষে এবং মেয়েদের একাদশ খেলবে মেয়েদের বিপক্ষে। তবে ফলাফল আলাদাভাবে নির্ধারিত হবে না। দুই ইনিংসে ছেলে ও মেয়েদের রান যোগ করে একটি সম্মিলিত স্কোর তৈরি হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি মেয়েরা ২০ ওভারে ১২০ এবং ছেলেরা ২০ ওভারে ১৮০ রান করে, তবে সম্মিলিত স্কোর হবে ৩০০।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এক দিনে এবং মোট ৮০ ওভারের। খেলাটি দুই পর্বে বিভক্ত থাকবে—প্রথম ৪০ ওভার দিনের আলোতে, লাল বলে এবং সনাতন সাদা পোশাকে খেলা হবে। পরের ৪০ ওভার ফ্লাডলাইটের আলোয়, সাদা বলে এবং রঙিন পোশাকে অনুষ্ঠিত হবে। তবে দুপর্বের রানই দলের চূড়ান্ত স্কোরের সঙ্গে যুক্ত হবে।
ছেলে ও মেয়েদের ইনিংস হবে ২০ ওভারের। প্রতিটি একাদশে সর্বাধিক পাঁচজন বোলার ব্যবহার করা যাবে, যার মধ্যে একজন বোলার সর্বাধিক ছয় ওভার করতে পারবেন। এছাড়া টসের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কে আগে ব্যাটিং করবে এবং ছেলেদের না মেয়েদের একাদশ আগে মাঠে নামবে।
আয়োজকদের মতে, ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটকে একই প্রতিযোগিতার এবং একই স্কোরবোর্ডের অংশ করার মাধ্যমে ক্রিকেটে সমান অংশগ্রহণ ও গুরুত্ব নিশ্চিত করাই এই নতুন ফরম্যাটের মূল লক্ষ্য। টুর্নামেন্টের প্রতিষ্ঠাতা গৌরব বাহিরওয়ানি জানিয়েছেন, ছেলে ও মেয়েদের পারফরম্যান্স যেন যৌথভাবে ম্যাচের ফল নির্ধারণে সমান ভূমিকা রাখে, সেই চিন্তা থেকেই এটি তৈরি করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টের গ্লোবাল সিলেকশন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভারতের কোচ রাজকুমার শর্মা। এছাড়া এর উপদেষ্টা বোর্ডে রয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, ম্যাথু হেইডেন এবং স্যার ক্লাইভ লয়েডের মতো বিশ্ব ক্রিকেটের কিংবদন্তিরা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১৬ অক্টোবর ২০২৬ শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ উপলক্ষে জামালপুর পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক দুর্গোৎসবের সার্বিক আয়োজন, পূজামণ্ডপের পরিবেশ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি উৎসবের সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এ উৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ অটুট রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসকের এ পরিদর্শন উৎসবের সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ড সরকার কৃষি ও নির্মাণ খাতের তীব্র শ্রমিক সংকট মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এটি প্রথমবারের মতো ঘটছে।
যদি থাই সরকারের নতুন এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে কর্মসংস্থানের একটি বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
গত ১৩ অক্টোবর, থাইল্যান্ডের শ্রম নীতিবিষয়ক একটি হালনাগাদ তথ্যে জানানো হয়েছে যে, নতুন এই তিনটি দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে গিয়ে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে কৃষি ও নির্মাণ শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম, তবে দীর্ঘদিনের শ্রমিক সংকটের কারণে এই দুই খাতের উৎপাদন ও উন্নয়ন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে এবং নিয়োগের উৎসকে বহুমুখী করার উদ্দেশ্যে থাই সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার জন্য এখনও নির্দিষ্ট কোনো নিয়োগ কোটা বা কর্মীর সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়নি, তবে নিয়োগের প্রাথমিক প্রস্তুতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ