ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালের বটতলায় কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ স্ট্যালিনসহ আটক ২


বরিশালের বটতলায় কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ স্ট্যালিনসহ আটক ২

চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ

বরিশাল নগরীর বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ স্ট্যালিন কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান মো. স্ট্যালিন (২২) ও মো. সোহেলকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বটতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার অলক কান্তি শর্মা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।


আটক মো. স্ট্যালিন (২২)। তার বাবার নাম মো. সোহেল।

অপর আটক ব্যক্তি মো. সোহেল। তার বাবার নাম মৃত আবুল হোসেন।

পুলিশের প্রেস নোট অনুযায়ী, আটক দুজনই বরিশাল নগরীর বটতলা ১ নম্বর গলি, দুদক কার্যালয়ের বিপরীতে, বিসিসি ১৫ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালি থানা, বরিশাল এলাকার বাসিন্দা।


বিএমপি মিডিয়া সেলের প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় আটক দুজনের কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন


পুলিশের প্রেস নোটে স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, স্ট্যালিন বটতলা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না জানান প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না জানান প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানেই অনিয়ম দেখছে, সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না। যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা পুলিশ টাঙ্গাইল আয়োজিত ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, মাদককে কীভাবে সমাজ থেকে দূর করা যায় এসব বিষয়ে কাজ চলছে। সবাই যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে এবং কোনোভাবেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত না হয়, সেজন্য খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “কমিউনিটি পুলিশিংয়ে ইতোমধ্যে কমিটি করা হয়েছে। সকলে মিলে সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করতে চাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকলের অবস্থান থাকবে।”
এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছে। মাদক সেবন করলে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, “মাদক আমাদের দেশে উৎপাদিত হয় না। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে এগুলো ঢুকিয়ে দিয়ে দেশের যুবসমাজকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোনো তদবির চলবে না। নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পুলিশ বাহিনীও তাদের সদস্যদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে, যাতে কেউ মাদক-সম্পর্কিত কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে।
তিনি বলেন, “আমরাও আমাদের দিক থেকে খোঁজখবর নিচ্ছি। সামাজিকভাবে এটিকে আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সেলিম মিঞা, পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ. এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, সহকারী পুলিশ সুপার এবিএম সিদ্দিক, সরকারি পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দিনসহ সদর, দেলদুয়ার, মির্জাপুর, গোপালপুর, বাসাইল ও ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জরা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
খেলা পরিচালনা করেন প্রধান রেফারি আজগর আলী। সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শওকত, মোস্তফা কামালসহ পাঁচজন।
কাবাডি প্রতিযোগিতা শেষে পুলিশ লাইনস্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোহেল,বেরোবি প্রতিনিধি

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর -এর ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর, ২০২৬) একাডেমিক ভবন ০৩ এর মার্কেটিং বিভাগের ২০১ নং কক্ষে (গ্যালারি রুম) শুরু হয়েছে। এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত সেখানে গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স ঝঃধঃরংঃরপং রহ জবংবধৎপয (ওজঊ ১০১) এর কোর্সশিক্ষক বেরোবি পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান সকালে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন। অপরদিকে ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেকটি কোর্স জবংবধৎপয গবঃযড়ফড়ষড়মু (ওজঊ ১০২) এর কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান বিকেলে দ্বিতীয় সেশনে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।

এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স এর পরিচালক (দায়িত্বে) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট কোর্সওয়ার্ক কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাঁরা তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন। ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২০২৬) গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চসিক-সিভাসু যৌথভাবে প্রাণীর কল্যাণে কাজ করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


চসিক-সিভাসু যৌথভাবে প্রাণীর কল্যাণে কাজ করবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, প্রাণীর কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) একত্রে কাজ করবে।

শনিবার ‘বিশ্ব প্রাণিকল্যাণ দিবস’ উপলক্ষে সিভাসু’তে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী।

চসিক মেয়র উল্লেখ করেন, প্রাণীর কল্যাণে সিভাসু কর্তৃপক্ষের যেকোনো উদ্যোগে সিটি করপোরেশন পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি সিটি করপোরেশনের প্রাণিবান্ধব পদক্ষেপগুলোর জন্যও সিভাসু’র সহযোগিতা কামনা করেন।

সিভাসু উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী মন্তব্য করেন, বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার একত্রে কাজ করলে প্রাণীর অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ কে এম. সাইফুদ্দীন এবং পরিচালক (ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট) প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক। সভাপতিত্ব করেন ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. আমির হোসেন সৈকত।

এদিন সকাল ৯টায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর ক্রমান্বয়ে পোস্টার গ্যালারি উদ্বোধন এবং সিভাসু অডিটোরিয়ামে বিভাগের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ‘প্রাণিকল্যাণ : বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটিয়া হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ ঘোষণায় আশার বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


পটিয়া হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ ঘোষণায় আশার বার্তা

হাসপাতালের ওয়ার্ডে জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। রোগীরা শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মানুষ বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসছেন, এবং ভর্তি হচ্ছেন ১২০ থেকে ১৫০ জন। এই পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে আকস্মিকভাবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের দুর্ভোগ সরেজমিনে দেখেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তিনি হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার, নতুন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের, ডায়ালাইসিস সেবা চালুর, মাতৃ ও নবজাতকের জন্য শয্যা বাড়ানোর এবং ফিজিওথেরাপি ও উন্নত প্যাথলজি সেবা চালুর ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী পরিদর্শনকালে বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। আমি খালি হাতে আসিনি।’ তিনি হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার টেন্ডার কার্যক্রম শুরু হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সেবাকেন্দ্র ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার খোঁজ নেন। শয্যার সংকটে মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা নিতে দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে একাধিক সেবা ও জনবল দেওয়ার ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী কিডনি রোগীদের জন্য পটিয়া হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর কথাও জানান। এ জন্য ১০টি শয্যা ও ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এ সেবা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে প্রতিদিন প্রায় ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিসের সুযোগ পাবেন।

মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণের জন্য প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০টি এবং নবজাতকদের জন্য ২০টি শয্যা রাখার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে নতুন জনবল দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পাঁচজন মেডিকেল কর্মকর্তা, চারজন নার্স, একজন মিডওয়াইফ, একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট, একজন রেডিওগ্রাফার, একজন বাবুর্চি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন।

এ ছাড়া উন্নতমানের প্যাথলজি সেবা চালুর পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী নারী ও পুরুষ চিকিৎসক দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

পটিয়া হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের দাবির বিষয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু অর্থ ব্যয় করলেই আইসিইউ চালু করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সব প্রস্তুতি নিশ্চিত করেই ভবিষ্যতে আইসিইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী পটিয়ার পাঁচুরিয়া উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির জরাজীর্ণ অবস্থা দেখে পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এইচইডি) নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ সময় পটিয়া হাসপাতালের জন্য ৫০টি রেবিস ভ্যাকসিন, ৫০টি রেবিস আইজি, ১৫০টি ডায়রিয়ার স্যালাইন ও ২০টি অ্যান্টিভেনম দেওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, পটিয়া একসময় মহকুমা সদর ছিল। বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা বিবেচনায় তখন এখানকার স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে পটিয়াসহ আশপাশের পাঁচ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেছেন। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ভর্তি রোগীর সংখ্যা দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জনের মতো। পটিয়াসহ আশপাশের পাঁচ উপজেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা হওয়ায় হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ দিন দিন বাড়ছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পিএস এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%