বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৮ এম
বরেণ্য রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি আজ ৮১তম জন্মদিন পালন করছেন। তিনি ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, তিনি একজন প্রথিতযশা ভূ-বিজ্ঞানী, গবেষক, লেখক এবং কলামিষ্ট হিসাবেও পরিচিত।
ড. মোশাররফের রাজনৈতিক ও কর্মজীবনে অর্জনের সংখ্যা অসংখ্য। তিন মেয়াদে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। দাউদকান্দি পৌরসভা ও নতুন উপজেলা তিতাস প্রতিষ্ঠা, ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২টি ডিগ্রী কলেজ, ৩টি হাইস্কুল, ১টি দাখিল মাদরাসা, ১টি নূরানী মাদরাসা এবং এতিমখানা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ওই এলাকার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য তিনি প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, প্রচুরসংখ্যক গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণ, দাউদকান্দিতে বিশাল পৌরভবন নির্মাণ, শহীদনগরে ট্রমা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, নবগঠিত মেঘনা উপজেলা বাস্তবায়ন এবং দাউদকান্দি সদরে ২০ শয্যার হাসপাতালসহ আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। ড. মোশাররফ ৩ সহস্রাধিক শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯৭৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষক অধ্যাপক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি’র রাজনীতিতে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তিনি কুমিল্লা- ১ ও ২ আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্প মেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার হটানোর এক দফা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার প্রতিটি আন্দোলনে বীরোচিত ভূমিকা রেখেছেন। ড. মোশাররফ বিভিন্ন সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলায় ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ৫ বছর কারাভোগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালার, নবুয়তি ধারার আন্দোলনের দিক নির্দেশক এবং ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)-এর ৩৯ তম ওফাত বার্ষিকী আজ পালিত হচ্ছে। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তিনি ইন্তিকাল করেন।
ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের উদ্যোগে মরহুম মওলানার স্মরণে আগামীকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে তৃতীয় তলায় আব্দুস সালাম হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মওলানার শতাধিক মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো পরিবার ও পারিবারিক জীবন, ইসলামে অর্থনীতি, ইসলামে জিহাদ, সুন্নাত ও বিদআত, আল কুরআনের আলোকে উন্নত জীবনের আদর্শ, আল কুরআনে শিরক ও তাওহীদ, আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার, হাদীস সংকলনের ইতিহাস, ইসলামে হালাল হারামের বিধান, যাকাত বিধান, আহকামুল কুরআন।
মরহুমের বর্নাঢ্য জীবনী : ১৯১৮ সালে ইংরেজী ২ মার্চ পিরোজপুরের কাউখালিস্থ শিয়ালকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৮ সালে শর্ষিণা আলীয়া মাদরাসা হতে আলিম পাস করেন।
১৯৪০ সালে কোলকাতা আলীয়া মাদরাসা থেকে ফাযিল পাশ করেন। ১৯৪২ সালে উক্ত মাদরাসা হতে প্রথম শ্রেণিতে টাইটেল পাশ করেন।
১৯৪৩-৪৫ সালে কোলকাতা মাদরাসায় কুরআন ও হাদীস সম্পর্কে গবেষণার কাজ সম্পাদন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে সব খেলা দেখা সম্ভব নয়। তাই আপনার সময় ও পছন্দ অনুযায়ী কিছু খেলা বেছে নিতে হবে। লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখার প্রতি আপনার আগ্রহ নিশ্চয়ই অন্যদের মতোই বেশি। কোথায় কী খেলা হচ্ছে, তা জানার জন্য সময় নষ্ট না করে এই শিডিউলটি দেখে নিন। এর মাধ্যমে আপনি ঠিক করতে পারবেন কখন কোন খেলায় নজর দেবেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) কোন কোন স্যাটেলাইট চ্যানেল কোন খেলা সম্প্রচার করবে, তা একনজরে দেখে নিন।
এশিয়ান গেমস
বিভিন্ন খেলা
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫
এশিয়ান গেমস: ক্রিকেট
বাংলাদেশ-পাকিস্তান
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ১
ভারত-শ্রীলঙ্কা
বেলা ১১টা, সনি স্পোর্টস ১
ফিফা আসিয়ান কাপ
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া
সন্ধ্যা ৬-৩০ মি., টি স্পোর্টস
উয়েফা নেশনস লিগ
আজারবাইজান-লিখটেনস্টাইন
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ১
জার্মানি-সার্বিয়া
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
ডেনমার্ক-পর্তুগাল
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
গ্রিস-নেদারল্যান্ডস
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং সাংগঠনিক মাসের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহিলা পরিষদের নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি সুনন্দ সমাদ্দার।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নারী নেত্রী কুমকুম ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, হোগলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিরণ চন্দ্র হালদার, কেউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুর রহমান মিজান, কাঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আব্দুর রহমান, কাউখালী মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাহিদা হক এবং নারী নেত্রী মৌমিতা সাহা।
বক্তারা নারী অধিকার রক্ষা, সমাজে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ এবং বাল্যবিয়ে রোধে মহিলা পরিষদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে অতিথিবৃন্দ পুরস্কার তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ধরনের ঘটনা। উদ্ভাবন ও উন্মোচনের পাশাপাশি অনেকের জন্ম ও মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে বিশেষভাবে স্থান করে নেয়। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান পায়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১১৮৯ সালে গেরার্ড ডে রাইডফোর্ট, যিনি নাইট টেম্পলার-এর গ্রান্ডমাস্টার ছিলেন ১১৮৪ সাল থেকে, তিনি অ্যাকর অবরোধকালে নিহত হন।
১৭৮০ সালে কলকাতা শহরের বৈঠকখানা রোডের বাড়িতে আলিয়া মাদরাসা শিক্ষাধারার প্রতিষ্ঠা হয়।
১৭৮৭ সালে সুভোরোভ-এর নেতৃত্বে রাশিয়া কিনবার্নে তুর্কিদের পরাস্ত করে।
১৭৯১ সালে ফ্রান্সের আইনসভার প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
১৭৯২ সালে ব্রিটেনে প্রথম মানি অর্ডার প্রথা চালু হয়।
১৭৯৬ সালে বেলজিয়াম ফ্রান্স জয় করে।
১৮৩৮ সালে প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৫৪ সালে ভারতবর্ষে সরকারিভাবে ডাকটিকিট ব্যবস্থা চালু হয়।
১৮৬৪ সালে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মানিঅর্ডার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
১৮৬৯ সালে অস্ট্রিয়ায় প্রথম পোস্টকার্ড চালু হয়।
১৮৮৭ সালে ব্রিটিশরা পাকিস্তানের বেলুচিস্তান দখল করে নেয়।
১৯০৯ সালে ভাগলপুরে বেগম রোকেয়া কর্তৃক ভাগলপুর সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯২৭ সালে রাশিয়া-পারস্য অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
১৯২৭ সালে খোরাসান প্রদেশের পুলিশ প্রধান মোহাম্মাদ তাকি খান পেসিয়ান তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের অনুচরদের হাতে নিহত হন।
১৯৪৬ সালে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে নাৎসি জার্মান নেতারা দোষী সাব্যস্ত হন।
১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৫৫ সালে প্রেসিডেন্ট মাওসেতুংয়ের নেতৃত্বে গণচীন প্রজাতন্ত্র তার অস্তিত্ব ঘোষণা করে।
১৯৬০ সালে নাইজেরিয়া ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারির বিচার শুরু হয়।
১৯৮৫ সালে ইসরায়েলের জঙ্গি বিমানগুলো তিউনিসিয়ায় ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও’র দপ্তরে হামলা চালায়।
১৯৮৮ সালে ভিয়েতনামের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ক্রয়ং চিনের মৃত্যু হয়।
১৯৮৮ সালে মিখাইল গর্বাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
১৯৮৯ সালে বিশ্বে সর্বপ্রথম ডেনমার্কে সমকামীদের বিয়ের অনুমতি প্রদান করা হয়।
১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সহায়তায় পালাউ স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯৯ সালে বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ পথচলা শুরু করে।
২০০১ সালে কাশ্মীরের রাজ্যসভায় জঙ্গি হামলায় ৪০ জনকে হত্যা করা হয়।
২০০১ সালে বাংলাদেশে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোটের বিপুল বিজয় ঘটে।
২০০৫ সালে বোমা হামলায় ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ২৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।
জন্ম
১৭৯১ সালে সের্গেই আক্সাকভ, যিনি রাশিয়ান লেখক ছিলেন।
১৮৬১ সালে চিকিৎসক স্যার নীলরতন সরকার।
১৮৬৫ সালে পল ডুকাস, ফরাসি সুরকার, পণ্ডিত ও সমালোচক।
১৮৮১ সালে বোয়িং বিমান কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম এডওয়ার্ড বোয়িং।
১৮৯৫ সালে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খাঁ।
১৯০৬ সালে শচীন দেব বর্মন, যিনি ভারতীয় বাংলা গানের কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ছিলেন।
১৯২২ সালে চেন নিং ইয়াং, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন চীনা বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন।
১৯২৪ সালে আবদুল মালেক উকিল, যিনি একজন বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
১৯২৪ সালে জিমি কার্টার, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
১৯৩৬ সালে ডানকান এডওয়ার্ডস, যিনি একজন ইংরেজ আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন।
১৯৪০ সালে কবি, প্রাবন্ধিক মনজুরে মাওলা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ সালে ছড়াকার সিরাজুল ফরিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৭ সালে আরন চিয়েচানভের, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরায়েলি জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক ছিলেন।
১৯৫৬ সালে এন্ডরুল আনসিপ, যিনি এস্তোনীয় ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ ও ১৫তম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
১৯৬৬ সালে জর্জ উইয়াহ, যিনি সাবেক লাইবেরিয়ার ফুটবলার ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
১৯৭২ সালে লায়লা হাটামি, যিনি ইরানি অভিনেত্রী ছিলেন।
১৯৮০ সালে টেনিস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিস।
১৯৮১ সালে হুলিও বাপতিস্তা, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ছিলেন।
মৃত্যু
১৪৯৯ সালে মারসিলিও ফিচিনো, যিনি ইতালিয়ান জ্যোতিষী ও দার্শনিক ছিলেন।
১৯২৯ সালে আন্টইনে বউরডেলে, যিনি ফরাসি ভাস্কর ও পেইন্টার ছিলেন।
১৯৪৭ সালে স্পেনের কবি ও নাট্যকার গ্রেগোরিও মার্তিনেজ সিয়েরা।
১৯৫৯ সালে এনরিকো ডে নিকোলা, যিনি ইতালীয় সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ইতালির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
১৯৮৫ সালে ই বি হোয়াইট, যিনি আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন।
১৯৮৭ সালে মাওলানা আবদুর রহিম।
১৯৯০ সালে জন স্টুয়ার্ট বেল, যিনি আয়ারল্যান্ডীয় পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন।
১৯৯৫ সালে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি আদিত্য বিক্রম বিড়লা।
২০০০ সালে চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।
২০১২ সালে ডির্ক ব্যাচ, যিনি জার্মান অভিনেতা, গায়ক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ছিলেন।
২০১৩ সালে টম ক্ল্যানসি, যিনি মার্কিন লেখক ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ