০৯:৫৭ এম
তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫০ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। সম্প্রতি, ভারত সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতির আওতায়, তামিলনাড়ুর জোসেফ বিজয়ের সরকার সে পথেই হাঁটছে। আটককৃত ৫০ বাংলাদেশিকে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, তাদের উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল-হরিদাসপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে বিএসএফ এই ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করবে। তামিলনাড়ু পুলিশের বরাত দিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা ৫০ জনকে সালেম জেলার আট্টুর মহকুমা কমপ্লেক্সের বিশেষ শিবিরে রাখা হয়েছিল। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে তাদের ডিপোর্টের নির্দেশ জারি করা হয়। গত ৩ জুলাই, তীব্র নিরাপত্তার মধ্যে তিনটি বিশেষ পুলিশ ভ্যানে সড়কপথে তাদের তিরুচিরাপল্লি রেলস্টেশনে নেওয়া হয়েছে। ঐ সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পুলিশ ভ্যানে তিরুচিরাপল্লি স্টেশন থেকে হাওড়া এক্সপ্রেসে তুলতে হবে আটক ৫০ বাংলাদেশিকে। এরপর তাদের কড়া নিরাপত্তায় নির্ধারিত কোচে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হচ্ছে। আটক ৫০ জনের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ এবং ৬ জন মহিলা। তামিলনাড়ু পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছানোর পর, তাদের পেট্রাপোল-হরিদাসপুর সীমান্তে নিয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরবর্তীতে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, ভারতের রাজ্য সরকার নির্বাচনের পর থেকেই অনুপ্রবেশের বিষয়ে কড়া বার্তা প্রদান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি করা হবে এবং সে অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় এই কেন্দ্রগুলি তৈরি হয়েছে। সেখানেই আটক অনুপ্রবেশকারীদের রাখা হচ্ছে এবং পরে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন