বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
ময়মনসিংহের নান্দাইলে ৩৬টি অসহায় পরিবার নতুন আধাপাকা ঘর পাচ্ছে। আগামীকাল শুক্রবার তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে উপজেলায় ৩৬টি আধুনিক আধাপাকা ঘরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘরগুলোর নামকরণ করা হয়েছে ‘স্বপ্ন বাড়ি’। চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরো ৯৮টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ঘর অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে পর্যায়ক্রমে হস্তান্তর করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ‘নান্দাইলের মানুষের কাছে আমার অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, এলাকায় কোনো জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর থাকবে না। কাউকে গৃহহীন ও অনাহারে দিন কাটাতে হবে না। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে গৃহহীন সব পরিবারকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারের দেওয়া প্রতিটি বরাদ্দ অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে সমানভাবে বণ্টন করা হবে।
আগামীকাল নতুন ঘরের চাবি পাবেন এমন একজন হলেন মোয়াজ্জেমপুর গ্রামের বাসিন্দা সবুজ মিয়া (৩৪)। তিনি প্রতিমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, ‘ভাবতেও পারি নাই মরার আগে বউ-বাচ্চা নিয়ে একটা ভালো ঘরে থাকতে পারবাম।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুগন্ধা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রাম। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বহু বসতভিটা। এবার ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক, সেতু, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
ভাঙন থেকে গ্রাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙনকবলিত এলাকায় মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। এতে কেদারপুর সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, আছিয়া ওয়াজেদ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দক্ষিণ ভূতেরদিয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে কেদারপুর সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারিয়া আক্তার ইতি বলেন, আমাদের ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে ভাঙনে নদীতে চলে গেছে। এখন আমাদের স্কুলটিও ভাঙনের ঝুঁকিতে। স্কুলটি সুগন্ধার ভাঙন থেকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করতে হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মঞ্জুর রহমান টুটুল বিশ্বাস বলেন, স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা এলেই প্রতিবছর মানুষ বসতভিটা হারাচ্ছেন। দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানুষের বসতভিটা রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অন্য বক্তারা দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণ ও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রকল্প গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় মানুষের বসবাস ও স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনা রক্ষায় পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সজীব ও সোনালী বিড়ি তৈরি ও বাজারজাতের অভিযোগে একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দুই লক্ষাধিক টাকার নকল বিড়ি ও বিড়ি তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা বিড়ি ও কাঁচামাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার মালিক আবু সাইদের স্ত্রী শাকিরা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের শংকরপাশা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া সুলতানা লিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শংকরপাশা এলাকার একটি গোডাউনে দীর্ঘদিন ধরে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। এর মাধ্যমে সরকারের শুল্ক ও কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই গোডাউনে অভিযান চালায়। এ সময় দুই লক্ষাধিক টাকার নকল বিড়ি ও বিড়ি তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে নকল বিড়ি তৈরি ও ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের অভিযোগে শাকিরা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে জব্দ করা নকল বিড়ি ও কাঁচামাল ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া সুলতানা লিজা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি তৈরি করে বাজারজাত করে আসছে। পরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে কারখানার মালিকের স্ত্রীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। নকল বিড়ি তৈরি ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যেপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ইউরোপে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বা সেনা মোতায়েনের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পূরণে ন্যাটো মিত্ররা কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করার জন্য পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাদের তাগিদ দিয়েছেন।
জুলাইয়ে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত ছয় মাসব্যাপী পর্যালোচনা শুরুর পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপে মার্কিন সেনা সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে পারে, এমন আশঙ্কা মিত্র দেশগুলোর মধ্যে তৈরি হয়েছে। ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দপ্তরে আলোচনার জন্য সফরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি বলেন, আমরা এখানে এসেছি মূলত আলোচনা ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার মনোভাব নিয়ে। আমরা আমাদের মিত্রদের মতামত জানতে চাই।
সামরিক বাজেট ব্যাপকভাবে বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হওয়ার পর ইউরোপীয় দেশগুলো কীভাবে নিজেদের মহাদেশের সুরক্ষার মূল দায়িত্ব গ্রহণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তা জানতে চেয়ে ওয়াশিংটন তাদের কাছে একটি প্রশ্নাবলী পাঠিয়েছে।
কোলবি বলেন, আমরা আসলে কাজের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আলোচনা করছি, কীভাবে আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাব। এমন এক বিশ্বে যেখানে ইউরোপ তার নিজস্ব প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে এবং তা করছেও।
তিনি জানান, ওয়াশিংটন চলমান প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে ও ত্বরান্বিত করতে এবং সেই সঙ্গে ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর কৌশলগত অবস্থানকে উচ্চপর্যায় থেকে পর্যালোচনা করতে জোর দিচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটি ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র জুন মাসে পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ এই সেনা পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
কোলবি বলেন, আসুন আমরা ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ, ঘাঁটি স্থাপন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের মতো বিষয়গুলো দেখি; এসব ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক দিক থাকলেও কিছু বিষয় রয়েছে যা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের জন্য সঠিক পথ নির্ধারণ করা যায়।
ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটে জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের মিত্ররা এক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করছে। এই প্রক্রিয়া এখনো চলছে। তবে এখনো অনেক কাজ বাকি। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাব।
চীন কেন্দ্রিক অন্যান্য চ্যালেঞ্জের ওপর মনোযোগ দিতে ওয়াশিংটন যখন ইউরোপ থেকে নিজেদের কিছুটা সরিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তখন থেকেই ট্রাম্প ইউরোপের ওপর প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছেন। ইউরোপে প্রায় ৮০ হাজার সেনা মোতায়েন রাখা পেন্টাগন ইতোমধ্যেই মিত্রদের জানিয়েছে, তারা ন্যাটোর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার জন্য বরাদ্দকৃত সম্পদের পরিমাণ কমিয়ে আনছে।
মে মাসে ওয়াশিংটন জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। যদিও পরবর্তীতে ট্রাম্প জানান, তিনি সমসংখ্যক সেনাকে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডে পাঠাচ্ছেন। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের সামরিক বাজেট ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে জিডিপির ৫ শতাংশ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত খাতে ব্যয়ের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে।
সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ), তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানা এবং তানজীন ওহাব বৃষ্টিসহ ৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ অগাস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ দেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক (পর্যবেক্ষণ ও বিচারণ) এবং অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুবুর রহমান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ) তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এই অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।
অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ যাত্রা বন্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ