০৭:৪৫ পি.এম
মিসর সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, সম্পদ এবং ইসলামী পবিত্র স্থানগুলো রক্ষায় কায়রো সম্পূর্ণরূপে সৌদির পাশে রয়েছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংঘাতের সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হবে।
ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর, সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে ইরান-সমর্থিত হুথিদের লড়াই আবার শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে, বিদ্রোহীরা সম্প্রতি রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ‘সৌদি আরামকো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সৌদি রাজা সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট এল-সিসি। তাছাড়া, সৌদি আরবের যেকোনো প্রতিরক্ষা সহায়তার অনুরোধ অনুমোদনের জন্য প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ক্ষমতা দিতে একটি জরুরি সংসদীয় অধিবেশন ডাকা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার প্রশ্নে হারলেও টিকে থাকতে পারে আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন
বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরের নৌপথ ও নিজেদের নিরাপত্তা সুরক্ষায় রিয়াদ মিত্রের সন্ধান করছে। মিসরের সুয়েজ খালের রাজস্ব আয় সরাসরি এই সামুদ্রিক ট্রাফিকের ওপর নির্ভরশীল। লোহিত সাগরে ইরান বা তাদের মিত্রদের যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে মিসর সবসময় তৎপর রয়েছে।
গত মাসের বৈঠকে কায়রো সৌদি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে মিসরের জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে অভিহিত করেছিল। এদিকে, সৌদি আরব হুথিদের হামলায় উসকানি দেওয়ার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও, তেহরান সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আরও পড়ুন: গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রাণ গেল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন