বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৪১ এম
ভারতের সামনে এখন আর কোনো লক্ষ্য নিরাপদ মনে হচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই অবিশ্বাস্য রান তাড়া দেখে এমন মন্তব্য করতে শুরু করেছেন।
গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে ব্যাটিং করে ৪০৫ রান সংগ্রহ করে। তবে পাল্টা জবাবে ভারত বিশাল লক্ষ্যকে সহজেই অতিক্রম করে। শুবমান গিলের নেতৃত্বে ভারত মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়, তাও ৩৯ বল বাকি রেখে।
রান উৎসবের দিনে রেকর্ড বই নতুন করে লেখা হয়েছে। সেগুলো তুলে ধরা হলো—
৪০৫
এটি ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ রান। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ রান ছিল ৩৮৯।
৪০৬
এটি ওয়ানডেতে ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০১৩ সালে তারা অস্ট্রেলিয়ার ৩৬০ রানের লক্ষ্য সফলভাবে অতিক্রম করেছিল।
৫
দুই দলের মধ্যে ৫ ব্যাটার সেঞ্চুরি করেছেন, যা ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটল। এর আগে এক ওয়ানডেতে চার ব্যাটারের সেঞ্চুরি দেখা গেছে তিনবার।
১১৭ বলে ২০০*
আজ শুবমান গিল ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন, যা ওয়ানডেতে দ্রুততম। এর আগে ভারতের ঈশান কিষানের ২০২২ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১২৬ বলে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল।
২২৩*
ওয়ানডেতে রান তাড়া করতে নেমে এটি কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান। আগের সর্বোচ্চ ছিল অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ২০১*, যা ২০২৩ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ছিল।
২২৩*
শুবমান গিলের ২২৩ রানের ইনিংস ওয়ানডেতে কোনো অধিনায়কের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। এর আগে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ রান ছিল ভারতের বীরেন্দর শেবাগের, ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
১৪
ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৪ বার ওয়ানডে সিরিজ জয় করেছে, যা এক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ বার পাকিস্তান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে।
৮১১
আজ ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ মিলে ৮১১ রান করেছে। ওয়ানডেতে এটি চতুর্থবারের মতো দুই দলের মধ্যে ৮০০ বা তার বেশি রান হলো।
৯
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ৯ বার ৪০০ বা তার বেশি রান করেছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ বার এই কীর্তি অর্জন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ডিবির (গোয়েন্দা পুলিশ) বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি তুহিন রেজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুইজন হলেন— স্থানীয় ইয়াফাত ফিলিং স্টেশনের মালিক ও আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক সোহাগ এবং নলডাঙ্গা গ্রামের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন।
ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল জেলার বিভিন্ন স্থানে এই বিশেষ অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার করার পর তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং পরে কালীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আরো জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই নাশকতা ও সন্ত্রাস দমন আইনে কালীগঞ্জ থানায় মামলা বিচারাধীন ছিল। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার এলাকায় ভিমরুলের কামড়ে আক্রান্ত দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তারা ভিমরুলের কামড়ে আহত হয়েছিল।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন হলো উপজেলার আতাইকুলা থানার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গয়েশবাড়ী গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং অপরজন একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪)।
স্থানীয়রা ও পরিবারের সূত্রে ওসি মজিবর রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে খেলতে বের হয় ওই দুই শিশু। খেলাধুলার এক পর্যায়ে তারা একটি ভিমরুলের বাসা দেখতে পেয়ে পাটখড়ি দিয়ে খোঁচা দেয়। এসময় ভিমরুলের দল তাদের কামড় দিলে তারা গুরুতর আহত হয়।
তাদের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে দুই শিশুকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে আহত দুই শিশু মারা যায়। দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ সম্পর্কে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য করার অভিযোগে আটক শিক্ষককে পুলিশ মুক্তি দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে এক স্কুল শিক্ষকের কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অধিবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের বিক্ষোভের পর পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানতে পেরে সংক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন, শিক্ষককে সসম্মানে ছেড়ে দিয়ে নিরাপদে তার বাসায় পৌঁছে দিতে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুলিশ তাকে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দেয়।
মাহদী আমিন লেখেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে এবং প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত তার নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে একমত না হলেও তার মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা উচিত। ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি এই সম্মান গণতন্ত্রের শক্তি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি সমাজকে শক্তিশালী করবে।
উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারা-প্রাগপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রাগপুর এলাকা থেকে গোলাম কিবরিয়া লালনকে পুলিশ আটক করে। তিনি দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার বিকালে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাসে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সাম্প্রতিক বাংলা ভাষণের প্রসঙ্গ ওঠে। এ সময় শিক্ষক লালন প্রধানমন্ত্রী তার বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন—এমন অভিযোগও ওঠে।
বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েকজন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা জড়ো হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক লালনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল জানান, তিনি মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানতে পারেন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের সামনে ওই শিক্ষককে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালন কটূক্তির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার কারণে বাংলা ভাষার উচ্চারণ কিছুটা অস্পষ্ট হয়েছে, এমন বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, জাতীয় দলের কোচের সংবাদ সম্মেলন শেষে এবং পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করার পর তিনি ক্যাম্প ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রোনালদো তবে ক্যাম্প ত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানাননি। বরং তিনি ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, "সময় হলে আমি সব পর্তুগিজকে জাতীয় দল ছাড়ার পেছনের কারণগুলো সম্পর্কে সত্যটা বলব। এই দলের জন্য আমি সবসময় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি।"
রোনালদোর ক্যাম্প ত্যাগের ঘটনা ডেনমার্কের বিপক্ষে পর্তুগালের ম্যাচের ঠিক আগে সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে তার নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। নরওয়ের বিপক্ষে পূর্ববর্তী ম্যাচে তিনি মাঠে নামেননি। এরপর ডেনমার্ক ম্যাচের প্রস্তুতির সময় তার অনুশীলনে অংশগ্রহণ নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়।
ক্যাম্প ত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সতীর্থদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, "এখন পর্তুগাল ও আমার সব সতীর্থকে শুভকামনা জানানোর সময়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ