ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাজারো কৃষকের ভালোবাসায় বিদায় নিলেন নানা পাটেকর


হাজারো কৃষকের ভালোবাসায় বিদায় নিলেন নানা পাটেকর

বলিউডের তারকাদের উপস্থিতির তুলনায় কৃষকদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকরের শেষবিদায়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। যদিও তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন না, সেখানে হাজির ছিলেন কয়েক হাজার কৃষক। এই বিষয়টি মারাঠি চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রবীণ তার্ডেকে আবেগাপ্লুত করেছে।

৮ অক্টোবর গোয়ায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। পরে পুনের কাছে তাঁর গ্রামের বাড়িতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। জ্যাকি শ্রফ, সুরেশ ওয়াড়কর, আনিস বাজমি ও সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার মতো কিছু পরিচিত মুখ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, তবে বলিউডের অনেক তারকার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্মাতা প্রবীণ তার্ডে এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, যারা নানা পাটেকরকে বন্ধু বলে পরিচয় দিতেন, তাঁদের অন্তত শেষবিদায়ের সময়ে পাশে থাকা উচিত ছিল। তবে তিনি উল্লেখ করেন, তারকাদের অনুপস্থিতি দিয়ে এই অভিনেতার জীবনের মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ব্যবহার রুখতে আদালতে কৃতি, মন্তব্য দিল্লির হাইকোর্ট

প্রবীণ তার্ডে বলেন, "বলিউডের মানুষজন উপস্থিত না থাকলেও নানার মহানুভবতা কমে যায় না।" তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কৃষকদের উপস্থিতি উল্লেখ করে নির্মাতা বলেন, "মাটির সঙ্গে মিশে থাকা এই মানুষদের ভালোবাসা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।" তিনি আরও বলেন, পর্দার খ্যাতির চেয়ে মানুষের জন্য কাজ করা এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

অভিনয়ের পাশাপাশি কৃষকদের কল্যাণে নানা পাটেকরের ভূমিকা তাঁকে বহু মানুষের শ্রদ্ধা অর্জনে সহায়তা করেছে। কৃষকদের দুর্দশা, ঋণের বোঝা ও আত্মহত্যার ঘটনা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। এ কারণে অসহায় কৃষক পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

নানা পাটেকরের শেষবিদায়ে কৃষকদের উপস্থিতি আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় কেবল তাঁর অভিনয় কিংবা তারকাখ্যাতিতে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের জীবনে তাঁর অবদান ও ভালোবাসার বন্ধনও তাঁকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: ইনানীর আগুনে শোকের ছায়া, অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৌসিফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ এশিয়াকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হবে—নাহিদের সমর্থন ভারতীয় জেন-জি আন্দোলনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


দক্ষিণ এশিয়াকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হবে—নাহিদের সমর্থন ভারতীয় জেন-জি আন্দোলনে

ভারতের ‘জেন-জি’ বা তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জুলাই প্রজন্ম ভারতীয় তরুণদের পাশে রয়েছে। পাশাপাশি, তিনি সাম্প্রদায়িক ঘৃণা প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়াকে বিভাজন ও ফ্যাসিবাদ থেকে রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনরত ভারতের তরুণদের প্রতি তাঁরা দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছেন। ইন্টারনেট বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ও নেতাদের আটক করা মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্র-নাগরিকদের ওপর এ ধরনের দমন-পীড়ন চলতে পারে না।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই লড়াই আপনাদের একার নয়। ঢাকা থেকে আমরাও আপনাদের পাশে আছি।’ তিনি মন্তব্য করেন, ক্ষমতার জবাবদিহি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক মর্যাদার অভিন্ন দাবিতে সবাই ঐক্যবদ্ধ।

ভারতের সাম্প্রতিক আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মিল তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। জবাবে তৎকালীন সরকারের বাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালায়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ওই সময়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারান।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের সময় ভারতের শিক্ষার্থী, লেখক ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিরা যে সংহতি জানিয়েছিলেন, তা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ ও সম্মান করে বাংলাদেশ।

ভারতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সমৃদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শাহীনবাগের নারী সমাজ এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চলা সংগ্রাম তাঁদের অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের মতো ভারতেও নারীরা আন্দোলনের সম্মুখসারিতে উঠে এসেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন, ফ্যাসিবাদ কিংবা যেকোনো ধরনের ধর্মীয় আধিপত্যবাদ দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। কর্তৃত্ববাদ, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতাকে এ অঞ্চলের জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ কিংবা শ্রেণির ভিত্তিতে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, যে সমাজ সংখ্যালঘুদের অধিকার হরণ করে, ভিন্নমতকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব নির্ধারণ করে, সে সমাজ কখনো গণতান্ত্রিক হতে পারে না।

বিবৃতিতে শারজিল ইমাম ও উমর খালিদের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ভারত সরকার তাঁদের বছরের পর বছর বিনাবিচারে আটক রেখেছে। তরুণ নেতৃত্বসহ আরও কয়েক হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ভারতের আন্দোলনকারী তরুণ ও রাজনৈতিক বন্দিদের সহযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আটক নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।

বিবৃতির শেষে দক্ষিণ এশিয়ায় পারস্পরিক মর্যাদা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টন, পরিবেশ রক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা তাঁদের অঙ্গীকার। তাঁরা এমন একটি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে চান, যেখানে রাষ্ট্রগুলো একে অপরকে সমান মর্যাদা দেবে, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে এবং সব দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৫২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৫২ জন

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের ফলস্বরূপ গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে ৩২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২৫ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৫৩ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৬৬ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৫৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৬০ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১১৪ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১ টি অবিস্ফোরিত ককটেল, ১ টি অবিস্ফোরিত ককটেলের অংশ, ৯০ গ্রাম গাঁজা, ৫৯৩১ পিস ইয়াবা, ১৪৪ বোতল দেশী মদ, ১ টি ক্যার্ভাডভ্যান, ২ টি লাইটার, ২ টি কাঁচি, ৬ টি মোবাইল ফোন, ১ টি মোটরসাইকেল, ১ টি চাপাতি, ১ টি সিএনজি, ১ টি ট্রাবল ব্যাগ এবং একজন ভিকটিম।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল আলম খুন, ৩০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল আলম খুন, ৩০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক যুবনেতা বদরুল আলম (৩২) নিহত হয়েছেন দুর্বৃত্তদের ধারালো দেশীয় অস্ত্রের হামলায়। এই ঘটনায় তাঁর সঙ্গী সাদেক মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত সাদেক অভিযোগ করেছেন যে তাঁদের সঙ্গে থাকা ৩০ লাখ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে, উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের গোরাগ্রামে সোনা মিয়ার বাড়ির সামনে সড়কে।

বদরুল আলম ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের হাদারপার গ্রামের মৃত মাওলানা তজম্মুল আলীর ছেলে। তিনি রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং বর্তমানে ইউনিয়ন যুবদলের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়া, তিনি বালুর ব্যবসা ও গরুর খামার পরিচালনা করতেন। বদরুল দুই ছেলের জনক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে মনরতল বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন বদরুল ও সাদেক। গোরাগ্রামে পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের স্বজনেরা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সোনা মিয়া জানিয়েছেন, সাদেকের চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তুহিন ও শাহিন নামে দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বদরুলকে আঘাত করতে দেখেন। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা তা উপেক্ষা করে। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত দুজনকে উদ্ধার করেন।

নিহতের বড় ভাই আখলাকুল আম্বিয়া অভিযোগ করেছেন, ব্যবসায়িক কাজ শেষে মনরতল বাজার থেকে ফেরার পথে তাঁর ভাইয়ের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন গোরাগ্রামের শাহিন, তুহিন, মামুনসহ কয়েকজন। এরপর তাঁরা বদরুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে হত্যা করেন।

আহত সাদেক মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা দুজন ৩০ লাখ টাকা নিয়ে হাদারপারের বাড়িতে ফিরছিলেন। গোরাগ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় মুহিবুর রহমানের ছেলে শাহীনুর রহমান ও তাঁর ভাইসহ কয়েকজন সড়ক অবরোধ করে তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীদের হাতে দা, চাকু, ছুলফিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। এতে বদরুল নিহত হন এবং তিনি প্রাণে বেঁচে যান। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে বদরুল ও সাদেকের ব্যবহৃত টিভিএস ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ করেছে পুলিশ।

ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে বদরুল ও সাদেকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় বদরুল নিহত হয়েছেন এবং সাদেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রত্যক্ষদর্শীরা কয়েকজনের নাম জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

এদিকে, নিহত বদরুল আলমের লাশ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বাদ এশা হাদারপাড় শাহী ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ কামরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ কামরুল ইসলাম

২২ বছর নাছির উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে রাজনীতি করেছি, দলের দুঃসময়েও নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাইনি — মোঃ কামরুল ইসলাম

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭ নম্বর জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন দিরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জগদল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার দাবি করেছেন।

মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, “আমি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে জননেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে রাজনীতি করে আসছি। নেতা আমাকে যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, আমি সেভাবেই দলের জন্য কাজ করেছি। রাজনৈতিক জীবনে দলের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা মেনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলা, হামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তারপরও আমি থেমে থাকিনি, রাজনীতি থেকে পিছিয়ে আসিনি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার জীবনের দীর্ঘ ২২টি বছর দলের পেছনে ব্যয় করেছি। যে সময়টা আমি আমার পরিবার ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করতে পারত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%