ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেষ ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন করলেন চার্লস


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেষ ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন করলেন চার্লস

১৯৫৫ সালে নিজের সঙ্গীকে হত্যার দায়ে মৃত্যু দণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রিটেনের শেষ নারী রুথ এলিসের সাজা প্রতীকীভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। বুধবার, রাজা তৃতীয় চার্লস সরকারের পরামর্শে তার মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপ দেন।

ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, রুথ এলিস 'ঐতিহাসিক অবিচারের' শিকার হয়েছিলেন। তার মামলার নতুন পর্যালোচনায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে, যা দেখায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের শিকার ছিলেন। সরকারের মতে, বর্তমান সময়ে এই ধরনের প্রমাণ আদালতে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হতো।

এক বিবৃতিতে বিচারমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, ৭০ বছর আগে যা ঘটেছে, তা আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে এখন অন্তত এটুকু স্বীকার করা যায় যে, রুথ এলিসের ঘটনা ছিল ব্যতিক্রমী এবং তার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা মানবিকতার একটি পদক্ষেপ। এতে রুথ এলিসের পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি পাবেন বলে সরকার আশা করছে।

আরও পড়ুন: ভোটার নিবন্ধন কড়াকড়ি, নাগরিকত্ব প্রত্যাশীদের জন্য জরুরি নিয়ম

রুথ এলিসের চার নাতি-নাতনি তার সাজা পরিবর্তনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। এর আগে ২০ বছরেরও বেশি সময় আগে তার বোন মুরিয়েল ইয়াকুবাইটও আদালতে চেষ্টা করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, রুথ এলিসের বিরুদ্ধে দেওয়া হত্যার রায় পরিবর্তন করে সেটিকে উসকানির কারণে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তবে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। ব্রিটেনে রাজা বা রানি বিশেষ রাজকীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা করতে বা তার সাজা পরিবর্তন করতে পারেন। তবে এই ক্ষমতা সাধারণত সরকারের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রয়োগ করা হয়।

ব্রিটেনে মৃত্যুদণ্ডের আইন ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল। তবে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ১৯৬৫ সালেই বাতিল করা হয়। এরপর আর হত্যার মামলায় কাউকে ফাঁসি দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ১৯৬৪ সালে হত্যার দায়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। রুথ এলিস ব্রিটেনের ইতিহাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া শেষ নারী। প্রায় সাত দশক পর তার সাজা পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার স্বীকার করল, সে সময় তার মামলায় বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ৯০ লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


ইরানের ৯০ লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর নতুন দফা হামলায় ৯০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।

এই পাল্টাপাল্টি হামলায় চলমান যুদ্ধ থামানোর জন্য যে কূটনৈতিক উদ্যোগ চলছিল তা বর্তমানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হামলায় ইরানের প্রায় ৯০টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম, নৌঘাঁটি এবং সামরিক রসদ সংরক্ষণাগার। সেন্টকম আরো জানায়, আগের রাতে ইরানে তাদের সফল হামলার ধারাবাহিকতায় এই নতুন অভিযান চালানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে। মধ্য জুনে যুদ্ধবিরতির সমঝোতার পর এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া।

এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দায় স্বীকার করেছিল। তাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, তারা ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানে হামলা চালিয়েছে।

তাদের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা। এর পরেই বাহরাইন ও কুয়েতের ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায় তেহরান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্স ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা মরক্কো শিবিরে, খেলছেন না সাইবারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


ফ্রান্স ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা মরক্কো শিবিরে, খেলছেন না সাইবারি

ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার পূর্বে মরক্কো একটি বড় ধাক্কা পেয়েছে। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং চলমান টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মিডফিল্ডার-ফরোয়ার্ড ইসমাইল সাইবারি চোটের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। তিনি শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডার বিরুদ্ধে হ্যামস্ট্রিংয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তখন থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারেননি।

বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মরক্কোর প্রধান কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি নিশ্চিত করেছেন যে, সাইবারি ছাড়া দলের বাকি সকল ফুটবলার পুরোপুরি ফিট রয়েছেন। এসত্ত্বেও, তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মরক্কো সেমিফাইনালে যেতে সক্ষম হলে সাইবারি আবারো মাঠে ফিরতে পারবেন।

চলতি বিশ্বকাপে সাইবারির ফর্ম ছিল অসাধারণ। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন। এছাড়া, শেষ বত্রিশে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে জয়সূচক পেনাল্টিও তাঁর দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল। সম্প্রতি ডাচ ক্লাব পিএসভি আইন্দহোভেন থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়া এই তারকার অনুপস্থিতি মরক্কোর জন্য একটি বড় ক্ষতির কারণ।

তবে বিকল্প হিসেবেও সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাচ্ছেন কোচ ওয়াহবি। কানাডার বিরুদ্ধে সাইবারির পরিবর্ত হিসেবে নামানো স্ট্রাইকার সুফিয়ান রহিমি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করেছিলেন এবং কোচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁর ওপর আস্থা রাখতে চান।

২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কো ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হারিয়ে বিদায় নিয়েছিল। এবার সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেখতে পাচ্ছে আটলাস লায়ন্স। তবে কোচ ওয়াহবি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানোকে তিনি সাফল্য বলে মনে করেন না।

ওয়াহবির কথায়, 'আমরা শুধু ভালো খেলতে আসিনি, জিততে এসেছি। যদি কেউ বলে এখানেই বিদায় হয়ে যাবে, তাহলে সেটি আমি মানি না। আমাদের লক্ষ্য হল সেমিফাইনাল।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশব্যাক হওয়া ৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো ভারতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশব্যাক হওয়া ৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো ভারতে

চার ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল, যারা বাংলাদেশি তকমা দিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছিল। অবশেষে, দীর্ঘ আইনি জটিলতা কাটিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে ভারতে ফিরে এসেছেন। বিএসএফের অবৈধ পুশইনের শিকার হওয়া সেই চার ভারতীয় নাগরিক দেশের কাছে ফিরেছেন। ভারতের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে, এক বছরের অপেক্ষার পর তারা বাংলাদেশে কারাগার থেকে দেশে ফিরলেন। সুইটি বিবি, তার দুই নাবালক সন্তানসহ মোট চারজন ফিরেছেন। বুধবার, বাংলাদেশের সোনামসজিদ সীমান্ত পার করে পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার মাহাদিপুর এলাকার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সীমান্তের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের পাইকরের বাসিন্দা হলেও, গত এক দশক ধরে দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করছিল সুইটির পরিবার। অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশি সন্দেহে ২০২৫ সালের জুন মাসে সুইটি ও তার দুই সন্তান এবং প্রতিবেশী দানিশ শেখ, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনালী বিবি ও তাদের এক সন্তানকে (মোট ৬ জন) গ্রেফতার করে দিল্লির কে.এন. কাটজু মার্গ থানার পুলিশ। পরে বিএসএফের মাধ্যমে তাদেরকে আসামের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশে প্রবেশের পর তারা স্থানীয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ দ্বারা অনুপ্রবেশের মামলায় গ্রেফতার হন। এরপর, আদালতের আদেশে তারা স্থানীয় কারাগারে বন্দি হয়ে ছিলেন। যদিও মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অভিযোগ ছিল, তাদের নাগরিকত্বের তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই ৬ জনকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়। সোনালীসহ তাদের পুশব্যাকের ঘটনায় ভারতজুড়ে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সুইটি বিবি এবং সোনালী বিবির পরিবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেই মামলা পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পরবর্তীতে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে দেশে ফেরার সুযোগ পান অন্তঃসত্ত্বা নারী সোনালী বিবি ও তার পুত্রসন্তান সাবির। মূলত মানবিকতার খাতিরেই তাদের মুক্তি দেয় বাংলাদেশের আদালত। কিন্তু তার স্বামী দানেশ শেখ এবং সুইটি ও তার দুই সন্তান তখনও বাংলাদেশের কারাগারে ছিলেন। গত ২২ মে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানায়, তথ্য যাচাই-বাছাই করার পর তারা পুশব্যাক করা ওই চার ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। সেক্ষেত্রে, প্রায় এক বছর পর বুধবার মালদহের মাহাদিপুর স্থলসীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরেন সুইটিসহ মোট চারজন ভারতীয় নাগরিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বর্ষণে কালিয়াকৈরে জনজীবন বিপর্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ এম


ভারী বর্ষণে কালিয়াকৈরে জনজীবন বিপর্যস্ত

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পাওয়ার পরও নাগরিকরা এখনও জলাবদ্ধতার সংকটে রয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক, আবাসিক এলাকায় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি জমে যাওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বহু এলাকায় বৃষ্টি শেষ হলেও পানি নামতে সমস্যা হওয়ার কারণে হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে আছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এর এই চিত্র দেখা যায়।

সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর পৌরসভা ২০২১ সালে গঠন করা হয় কিন্তু অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা, এবং পানি নিষ্কাশনের অভাবে সামান্য ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

এই পৌরসভায় প্রায় তিনশতাধিক শিল্প কারখানা অবস্থিত।রিকর্সের কারণে এ সকল শিল্প কারখানার শ্রমিকরা জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ এখনও সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ ভোগ করছেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

কালিকাপুর পৌরসভার পর্ষদ এবং নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল হোসাইন জানান, পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থার জন্য ড্রেন পরিষ্কারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এটি সাময়িক সমাধান নয়, বরং জলাবদ্ধতা নিরসন করতে দীর্ঘমেয়াদি এবং কার্যকর পরিকল্পনা কার্যকরী করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%