ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ফেসবুক পোস্টে দাবি এনসিপি নেতার

ঢাবির সূর্যসেন হলের রাশেদ খাঁন ছাত্রশিবিরের শপথবদ্ধ সাথী: তারেক রেজা


ঢাবির সূর্যসেন হলের রাশেদ খাঁন ছাত্রশিবিরের শপথবদ্ধ সাথী: তারেক রেজা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক রেজা দাবি করেছেন যে, গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ছাত্রশিবিরের শপথবদ্ধ সাথী ছিলেন।

তিনি এই দাবি করেন রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে।

তারেক রেজা লেখেন, রাশেদ খাঁন এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রশিবিরের শপথবদ্ধ সাথী ছিলেন। ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দাঁড়ানোর পর শিবির তাকে অন্য একজনের জন্য সরে দাঁড়াতে বললে তিনি সংগঠনটি (শিবির) ত্যাগ করেন। এরপর তিনি হয়ে ওঠেন মোর ক্যাথলিক দ্যান দ্য পোপ, যা সাবেক শিবিরদের জন্য একটি পরিচিত সিন্ড্রোম।

আরও পড়ুন: কুবি ছাত্রদলের সদস্যসচিবের দাবি, আমজনতা ছিলেন তারেক রহমান

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি ঘটনা বললে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। যেদিন ভোরে আবরার ফাহাদ হত্যার খবর প্রকাশ পায়, সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অধিকারের নেতারা রাশেদ খাঁন ও নুরুল হক নুরকে ফোন করে কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান।

তারেক রেজা লিখেছেন, রাশেদের পরামর্শ উপেক্ষা করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে তিনি এক নেতাকে ফোন করে বলেন, ‘কথা না শুনলে তোমাদের ছাত্র অধিকার পরিষদ করার প্রয়োজন নেই, কাল থেকে আমাদের সঙ্গে আসবা না।’ অথচ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে সেই রাশেদ খাঁনই শেষ পর্যন্ত উপস্থিত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব: নাহিদ ইসলাম

একশো বিশ বছর আগে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া বাঙ্গালি মুসলমানের ভূ-রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস আজও অসমাপ্ত রয়েছে, যা ব্রহ্মপুত্রের চর থেকে শিলচরের রেলস্টেশন পেরিয়ে চলেছে। এই ইতিহাস ও স্বজাতির সংগ্রামকে ধারণ করে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা বর্তমানে আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা তুলে ধরেন।

নাহিদ ইসলাম তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “একশো বছর আগে আসামের নগাঁওতে একটি ‘লাইন’ টানা হয়েছিল, যা বাঙ্গালি মুসলমান কৃষকদের জন্য নির্ধারণ করেছিল কোথায় থাকতে পারবে এবং কোথায় পারবে না। আজ ১০০ বছর পর সেই নগাঁওতেই আবার বুলডোজার চলছে। শাসক বদলেছে, ভাষা বদলেছে, কিন্তু আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু একই রয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৭ ও ১৮ অক্টোবরের মধ্যে মাত্র দুই দিনে আসামে বাংলাভাষী মুসলমানদের ১,১০০-রও বেশি বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ১০টিরও বেশি মসজিদও ধ্বংস করা হয়েছে। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ৩৩টি অভিযানে ২২ হাজারের বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। সরকারের বুলডোজার বারবার একই সম্প্রদায়ের দরজায় কেন গিয়ে থামে, তা প্রশ্নবিদ্ধ।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মার হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির মধ্যে এর উত্তর স্পষ্ট। আসামের ঐতিহাসিক বিতর্ক ছিল ‘অসমীয়া বনাম বাঙালি’। কিন্তু বর্তমানে বিজেপি সেই জাতিগত রাজনীতিকে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের ফ্রেমে আটকে ফেলেছে, যার মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছে বাংলাভাষী মুসলমান।

উচ্ছেদের এই প্যাটার্ন গভীরভাবে খেয়াল করলে দেখা যায়, উচ্ছেদ হওয়া হাজার হাজার মানুষের নাম হুট করে ভোটার তালিকা থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে। ১৮ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য নতুন আধার কার্ড বন্ধ করা হয়েছে, তবে সেখানে অনেককে ছাড় দেওয়া হলেও, বাংলাভাষী মুসলমানদের জন্য কোনো ছাড় নেই।

এনআরসি (NRC) থেকে বাদ পড়েছেন ১৯ লাখ মানুষ, আর সিএএ (CAA) এনে অমুসলিমদের জন্য নাগরিকত্বের পথ খোলা রাখা হয়েছে। এর ওপর যুক্ত হয়েছে অবৈধ ‘পুশব্যাক’। ট্রাইব্যুনালকে পাশ কাটিয়ে জেলা প্রশাসকদের হাতে বিতাড়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, যেখানে রাতে বিজিবির টহল থাকে না, সীমান্ত দিয়ে সেখান দিয়েই মানুষকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আসাম আসলে হিন্দুত্ববাদের একটি ল্যাবরেটরি। পুরো ভারত জুড়ে বাংলাভাষী মুসলমানদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। শত বছর ধরে বংশ পরক্রমায় বসবাস করেও বাংলাভাষী মুসলমান হওয়ায় নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে।

আসামের করিমগঞ্জের গল্পটি আমাদের কাছে আরো বেশি প্রাসঙ্গিক। ১৮৭৪ সালে করিমগঞ্জসহ সিলেটকে বাংলা থেকে কেটে আসামের সাথে যুক্ত করা হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে তখনই মানুষ ভাইসরয়ের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। ১৯৪৭ সালের গণভোটে ৫৭% ভোটে সিলেট পূর্ববঙ্গে যুক্ত হলেও করিমগঞ্জসহ কিছু অংশ আসামে থেকে যায়। ফলে সিলেটের মানুষের কাছে বরাক আর আসাম কোনো বিদেশের খবর নয়, বরং আত্মীয়ের খবর।

এনআরসি-র বড় ধাক্কাগুলো বরাকের তিন জেলায় পড়েছে, যার একটি করিমগঞ্জ, যা একসময় সিলেট জেলার অংশ ছিল। সুরমার এপারে কান্না, ওপারেও কান্না। বাংলা ভাষা আন্দোলন কেবল ঢাকায় সীমাবদ্ধ ছিল না; ১৯৬১ সালের ১৯ মে শিলচর রেলস্টেশনে বাংলা ভাষার দাবিতে পুলিশের গুলিতে ১১ জন বাঙ্গালি শহীদ হন এবং পরবর্তীতে ১৯৭২ ও ১৯৮৬ সালেও রক্ত ঝরেছে।

তাদের রক্তের বিনিময়ে বরাক উপত্যকায় বাংলা দাপ্তরিক মর্যাদা পেয়েছে। শিলচরের শহীদদের বড় অংশই বাঙ্গালি হিন্দু পরিবারের সন্তান হওয়ায় এটি প্রমাণ করে যে ভাষার প্রশ্নে বাঙ্গালি হিন্দু-মুসলমান এক কাতারে দাঁড়িয়েছিল, আর তাই বরাকের ভাষা শহীদরাও আমাদের যৌথ উত্তরাধিকার।

অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙ্গালি মুসলমানের ত্যাগ ছিল আরো নীরব ও ভিন্ন। টিকে থাকার জন্য তারা নিজেদের মাতৃভাষা ছেড়ে অসমীয়া ভাষা ও আন্দোলনকে গ্রহণ করেছিলেন, যাতে আসাম তাদের আপন করে নেয়। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। আজও তাদের ‘বাংলাদেশি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয় এবং ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়।

আসামে এই বাঙ্গালি মুসলমানদের ওপর এখন দুদিক থেকে আঘাত আসছে, যেখানে বাঙ্গালি হিসেবে মারছে অসমীয়া উগ্র জাতীয়তাবাদ আর মুসলমান হিসেবে মারছে উগ্র হিন্দুত্ববাদ। বর্তমানে এই দুই ধারা এক হয়ে বাঙ্গালি মুসলমানকে কোণঠাসা করে ফেলছে, যার প্রমাণ মিলছে গত কয়েক বছরে হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায়।

এই প্রেক্ষাপটে মওলানা ভাসানীর সংগ্রাম অনুসরণীয় ও ঐতিহাসিক। এক শতাব্দী আগে আসামের চরাঞ্চলের শোষিত মানুষের অধিকার রক্ষায় লড়েছিলেন মাওলানা ভাসানী। ১৯২৪ সালে ব্রহ্মপুত্রের ভাসান চরে কৃষক সমাবেশের পর থেকেই তিনি ‘ভাসানী’ নামে পরিচিত হন।

আসামের মাটিতে বাঙ্গালি মুসলমানকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ‘লাইন প্রথা’ ও ‘বাঙাল খেদাও’ রাজনীতির বিরুদ্ধে ভাসানীর আন্দোলন ছিল এই জনগোষ্ঠীর নাগরিক মর্যাদা রক্ষার প্রধান ভিত্তি। আটবার কারাবরণ এবং আসাম থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কারের মূল্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করে গেছেন যে, এই অঞ্চলে বাঙ্গালি মুসলমানের অস্তিত্ব কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং তা রক্ত ও ঘামে অর্জিত এক ঐতিহাসিক বাস্তবতা।

আজ আসামের নগাঁও ও চরাঞ্চলে যে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল কিছু পরিবারের ওপর হামলা নয়। এটি আসাম ও সীমান্ত এলাকায় বাঙ্গালি মুসলমানের ঐতিহাসিক জাতিগত উপস্থিতি ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র।

এই সংকট নিরসনে বাঙ্গালি মুসলমানের আত্মপরিচয় ও ঐতিহাসিক সত্যকে সামনে রেখে আমাদের শক্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে। আসামের বাঙ্গালি মুসলমানরা সে দেশের অধিবাসী ও নাগরিক, ভারতের সংবিধানের ভেতরেই তাদের আইনি মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের চাওয়া স্পষ্ট। ইতিহাসের স্বীকৃতি এবং একটি ভৌগোলিক জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা।

তবে বাংলাদেশের জন্য এটি কেবল পাশের দেশের খবর নয়; এটি সরাসরি আমাদের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। যাদের ওপারে ‘রাষ্ট্রহীন’ করে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, তারা দুটি দেশের মাঝখানে আটকা পড়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিজিবি সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে এবং ভারতকে বেশ কিছু চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেবল কূটনৈতিক চিঠি দিয়ে কি এই বুলডোজার থামানো সম্ভব? নগাঁওয়ের উচ্ছেদ নিয়ে দৃঢ় ও স্পষ্ট কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় কূটনৈতিক অবস্থান এখনো দৃশ্যমান নয়। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি কি কেবল সীমান্তে পাহারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

সীমান্তে পুশইন ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি সরকারের উচিত একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা। একই সাথে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাষ্ট্রহীনতার এই অমানবিক ঝুঁকি নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। কোনো পুশইন বা প্রত্যাবাসন মেনে না নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে হবে সরকারকে।

অন্যদিকে আসামের পরিস্থিতির জের ধরে বাংলাদেশে যেন কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে; কারণ সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা উল্টো আসামের বাঙ্গালি মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের পথকেই প্রশস্ত করবে। বাংলাদেশ যে আলাদা সেই প্রকৃত সত্য সামনে রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরিনিওর লক্ষ্য শিরোপা, এল ক্লাসিকোর জয় নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


মরিনিওর লক্ষ্য শিরোপা, এল ক্লাসিকোর জয় নয়

এল ক্লাসিকোয় বার্সেলোনাকে পরাজিত করে উচ্ছ্বসিত হোসে মরিনিও। তবে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ একটি জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চান না। তার মূল লক্ষ্য লা লিগার শিরোপা জয়। তাই ক্যাম্প ন্যুতে ২-১ গোলের জয় পাওয়ার পরও তিনি শিষ্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন পর্তুগিজ কোচ।

বার্সেলোনার মাঠে জয় পাওয়ার ফলে লিগের শীর্ষ দলের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান তিনে নেমে এসেছে রিয়ালের। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তাদের টানা পঞ্চম জয়। তবে মরিনিও এই সাফল্যে আত্মতুষ্টিতে ভোগার পক্ষপাতী নন।

ম্যাচ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটা দুর্দান্ত জয়, কিন্তু আমরা যখন কাজে ফিরব, তখন আমি কাউকে আকাশকুসুম ভাবতে দিব না। আজ আমরা জিতলাম, কিন্তু এল সারদিনেরোতে (রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে পরের ম্যাচ) যদি হেরে যাই। রিয়াল মাদ্রিদ ন্যু ক্যাম্পে জেতার জন্য খেলে না, বরং লিগ জেতার জন্য খেলে। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

ম্যাচের পারফরম্যান্সে তিনি সন্তুষ্ট। তার মতে, ‘আমি মনে করি এটা দারুণ খেলা। উচ্চ পর্যায়ের একটি খেলা, যে খেলা দেখার জন্য বিশ্ববাসী থমকে যায়। তারা হতাশ হয়নি। আমাদের ছেলেরা অসাধারণ খেলেছে, সুসংগঠিত, মনোযোগী ও অনেক সাহস নিয়ে খেলেছে। আমার কাছে এটা ছেলেদের জন্য দুর্দান্ত জয়, একটি সেরা দলের বিপক্ষে। ছেলেদের এটা প্রাপ্য।’

অসুস্থতার কারণে নিয়মিত গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া খেলতে পারেননি। তার জায়গায় সুযোগ পাওয়া আন্দ্রে লুনিনের ওপর মরিনিওর আস্থা ছিল। রিয়ালের পর্তুগিজ কোচ বলেন, ‘আমি লুনিনকে খেলার আগে শুধু এটুকুই বলেছিলাম যে তুমি খেলার জন্য অনুশীলন করেছ, বেঞ্চে থাকার জন্য নয়। আমাদের বিশ্বের সেরা গোলকিপার আছে, কিন্তু থিবো না খেলার জন্য আমরা ম্যাচের আগে কাঁদছিলাম না। দল শক্তিশালী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে

বঙ্গোপসাগরে উদ্ভূত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বর্তমানে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বুধবার দুপুরের দিকে এটি অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। যখন ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে প্রবেশ করবে, তখন অন্ধ্র উপকূলে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে।

ঝড়টি বর্তমানে আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, বিশাখাপত্তনম থেকে ৬৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে, কাকিনাড়া থেকে ৭৩০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে, মছিলিপত্তনম থেকে ৮৩০ কিলোমিটার পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৯১০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থান করছে।

আবহবিদদের মতে, সোমবার মধ্যরাতের মধ্যে ‘অর্ণব’ একটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। মঙ্গলবার এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে ‘অতি তীব্র’ আকার ধারণ করবে। এরপর এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলে বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী অংশ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে।

আঘাত হানার সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের সংশ্লিষ্ট অংশে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হচ্ছে। উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঝড়ের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড়ের কিছু প্রভাব পড়তে পারে এবং একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরের শ্রীপুরে ছেলের হাতে বাবার হত্যা, পুলিশ তদন্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


গাজীপুরের শ্রীপুরে ছেলের হাতে বাবার হত্যা, পুলিশ তদন্তে

গাজীপুরের শ্রীপুরে আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যক্তিকে মাথায় ও বুকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যার অভিযোগ আনোয়ার হোসেন নামে তার ছেলের বিরুদ্ধে উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার সাইটালিয়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে বাসায় ফিরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আনোয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাবা আব্দুস সামাদ তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে আনোয়ার তার বাবার ওপর আক্রমণ করেন। প্রথমে তার মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করতে বুকে উপর্যুপরি আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে আনোয়ার দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রস্তুত করে এবং আলামত সংগ্রহ করে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অভিযুক্ত আনোয়ারকে গ্রেফতারে ইতিমধ্যে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%