ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজনৈতিক বিবেচনায় ১,৪১৩টি প্লট বরাদ্দে অনিয়মের তদন্তে আইনি ব্যবস্থা


রাজনৈতিক বিবেচনায় ১,৪১৩টি প্লট বরাদ্দে অনিয়মের তদন্তে আইনি ব্যবস্থা

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পে রাজনৈতিক কারণে বরাদ্দকৃত ১ হাজার ৪১৩টি প্লটের মধ্যে পূর্বাচল ও ঝিলমিলের ১ হাজার ৭৪টি প্লটের অনিয়মের বিষয়ে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।

এই প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

আজ রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা এমপি।

আরও পড়ুন: ঢাকার উন্নয়নে সবার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চাইলেন সড়কমন্ত্রী

বৈঠকে জানানো হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গুলশান, বনানী, উত্তরা, পূর্বাচল নতুন শহর ও ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় রাজনৈতিক বিবেচনায় মোট ১ হাজার ৪১৩টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সর্বাধিক ৯৪৪টি প্লট বরাদ্দ হয়েছে।

রাজউকের বিভিন্ন প্রকল্পে এই প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কার্যক্রম হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশনের রুলের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত কমিটি নথিপত্র পরীক্ষা করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ৮৭৪টি এবং ঝিলমিল আবাসিক এলাকার ২০০টি প্লটের অনিয়ম সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এসব প্লটের নথি-সংক্রান্ত কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ এবং অনিয়মের অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত করে বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরস্থানের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং সংলগ্ন উদ্যান ও প্রাঙ্গণের অসমাপ্ত সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতার কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানানো হয়। আশা করা হচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কবরস্থানের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: যশোরে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় মা ও ছেলে নিহত

সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের লক্ষ্যে ‘এনহ্যান্সিং ক্লিন এনার্জি অ্যাকসেস থ্রু রুফটপ সোলার পিভি ইন পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ শীর্ষক প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোতে ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

জাতীয় সংসদ ভবনকেন্দ্রিক গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৬ সালে সম্পন্ন করা বিভিন্ন পূর্তকাজের অগ্রগতিও বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সংসদ ভবনের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সংসদের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া আগামী ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে আলোচ্যসূচি অনুযায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। পরে প্রথম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আজ

বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, এম মঞ্জুরুল করিম রনি, মো. রুহুল আমিন ও মো. তাজউদ্দীন খানসহ সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাচ্ছেন আমজনতার মো. তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাচ্ছেন আমজনতার মো. তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের সরকারি সফরের উদ্দেশ্যে জাপান যাচ্ছেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

তিনি রবিবার (২৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’ পোস্টের সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটি’-এর চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার তিন সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করেনি : নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার তিন সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করেনি : নাহিদ ইসলাম

এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার তিন সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করেনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবরের বিক্ষোভ সফল করতে মিরপুরে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের পথসভা ও লিফলেট বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘গতকাল আমরা আমাদের বক্তব্যে বলেছি যে বর্তমান সরকার অবৈধ সরকার। কারণ এই সরকার জনগণের ৭০ শতাংশ রায়ের সঙ্গে অবমাননা করেছে। বিএনপি শেখ হাসিনার তিনটি সংসদকে অবৈধ বলে। আমরাও মনে করি অবৈধ। কিন্তু আইনগতভাবে এটা বলার সুযোগ নেই। কারণ বিএনপি সরকার ওই তিনটি সংসদকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেনি। এখনো সুযোগ রয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সেই অবৈধ সংসদের ধারাবাহিকতা এবং সংবিধানের ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে আমরা নতুনভাবে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং নতুনভাবে বাংলাদেশকে গঠন করার।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুরোনো ধারাবাহিকতা রক্ষা হলে একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি যদি সবচাইতে ভালো সংশোধনীটাও আনেন, ভবিষ্যতে এমন হতে পারে সে সংশোধনী বাতিল করে বর্তমান সরকার এবং অন্তর্বর্তী সময়টাকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হবে।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি কীভাবে পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে জিয়াউর রহমানকে একজন ক্ষমতা দখলদার হিসেবে আওয়ামী লীগ ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছিল। ফলে এটা যে তারেক রহমানের সঙ্গে হবে না এটার কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে নিশ্চয়তা হবে এবং তারেক রহমানের ভালোর জন্যই আমরা বলছি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে পুরোনো সংসদ, পুরোনো অবৈধ সরকার এবং যে পুরোনো ফ্যাসিস্ট সংবিধান সেই সাংবিধানিক কাঠামো ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশের নতুনভাবে গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করুন।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সমতল থেকে পাহাড়ে গিয়ে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, পাহাড় অশান্ত কেন এটার সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে তারা কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, সরকার পাহাড়কে শান্ত রাখতে, স্থিতিশীল রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। পাহাড়ে কারা অস্থিতিশীলতা করছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কীভাবে তৎপরতা এবং ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে, তা জনগণের সামনে সুস্পষ্টভাবে বলতে হবে। কারণ এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সরকার গোপন আঁতাত করছে ভারতের সঙ্গে। এই গোপন আঁতাতের ফলেই পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে নানাভাবে।’

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। পথসভায় এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সারোয়ার তুষার, সালেহ উদ্দিন সিফাত, নুসরাত তাবাসসুম এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের ভারত গোপন আঁতাতের অভিযোগ : নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


সরকারের ভারত গোপন আঁতাতের অভিযোগ : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, বিএনপি শেখ হাসিনার তিনটি সংসদকে অবৈধ বলে মনে করে। তিনি বলেন, "আমরাও মনে করি অবৈধ। কিন্তু আইনগতভাবে এটা বলার সুযোগ নেই, কারণ বিএনপি সরকার ওই তিনটি সংসদকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেনি।" তিনি অভিযোগ করেছেন যে সরকার ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে।

রোববার রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবরের বিক্ষোভ মিছিল সফল করতে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা এই সংক্ষিপ্ত পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, "বিগত তিনটি সংসদ অবৈধ ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে এখনো সুযোগ রয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সেই অবৈধ সংসদের ধারাবাহিকতা এবং সংবিধানের ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে আমরা নতুনভাবে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং নতুনভাবে বাংলাদেশকে গঠন করার।"

তিনি আরও বলেন, "পুরোনো ধারাবাহিকতা রক্ষা হলে একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি যদি সবচেয়ে ভালো সংশোধনীটাও আনে, ভবিষ্যতে এমন হতে পারে, সে সংশোধনী বাতিল করে বর্তমান সরকার এবং অন্তর্বর্তী সময়টাকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা দেখেছি কীভাবে পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে জিয়াউর রহমানকে একজন অবৈধ দখলদার, ক্ষমতা দখলদার হিসেবে আওয়ামী লীগ ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছিল।"

নাহিদ ইসলাম বলেন, "সমতল থেকে পাহাড়—সর্বত্রই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত।" তিনি বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সমতল থেকে পাহাড়ে গিয়ে পৌঁছেছে।" তিনি দাবি করেন, "পাহাড় অশান্ত কেন, এটার সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে।" স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে তিনি কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাচ্ছেন না বলেও জানান।

তিনি বলেন, "সরকার পাহাড়কে শান্ত রাখতে, স্থিতিশীল রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "পাহাড়ে কারা অস্থিতিশীলতা করছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কীভাবে তৎপরতা ও ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে, এটা জনগণের সামনে সুস্পষ্টভাবে বলতে হবে।" কারণ, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, "সরকার ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে।" তিনি বলেন, "এই গোপন আঁতাতের ফলেই পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে নানাভাবে।" তিনি বলেন, "আমরা জানি, পাহাড়ে কারা অস্ত্র দেয়, পাহাড়ে কারা অশান্তি তৈরি করে।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ, কথিত বন্ধুরাষ্ট্র, বাংলাদেশকে চাপ দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা পাহাড়ে অশান্তি তৈরি করে।"

পথসভায় এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, "সরকার কোনোভাবেই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারছে না।" তিনি অভিযোগ করেন, "এরই মধ্যে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে একধরনের ষড়যন্ত্র তৈরি হয়েছে।"

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে আখতার বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য বিএনপি অতীতে আন্দোলন করেছে।" তিনি বলেন, "অথচ এখন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে তারা নাটক শুরু করেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "নিজেদের পছন্দের লোককে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার জন্য অতীতে বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়ানো হয়েছিল।"

আখতার বলেন, "এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এক-এগারোর মতো ঘটনা ঘটেছে।" তিনি বলেন, "সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্যই জাতীয় নাগরিক পার্টি নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের একটি কাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছিল।" তিনি বলেন, "ঐকমত্য কমিশনে আমরা আলোচনা করেছি।"

তিনি বলেন, "‘র‍্যাঙ্কড টাইপ ভোটিং সিস্টেমের’ মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।" তিনি জানান, "এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব গণভোটে পাসও হয়েছে।" কিন্তু এখন বিএনপি সরকার নিজেদের মতো করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বেছে নেওয়ার পথ তৈরি করেছে।

আখতার বলেন, "তারা বলছে, স্পিকারকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা হবে।" তিনি প্রশ্ন করেন, "তাহলে সেই সরকার নির্দলীয় হবে কীভাবে?"

তিনি বলেন, "স্পিকারের অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকে।" তিনি বলেন, "তিনি হয়তো দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ও পদবি ছেড়ে দিতে পারেন।" কিন্তু তিনি বলেন, "কিন্তু একজন স্পিকার অবশ্যই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।"

আখতার বলেন, "তাঁকে কেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করতে হবে, এই দুরভিসন্ধি আমরা বুঝতে পারছি না।"

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন অভিযোগ করে আখতার হোসেন বলেন, "এখন তিনি সংবিধান রক্ষার নামে তৎপরতা চালাচ্ছেন।" তিনি বলেন, "আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ফ্যাসিবাদী সংবিধান রক্ষা করতেও ব্যর্থ হবেন।"

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মিরপুরের পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, "নির্বাচনের পর মিরপুর আর আগের মিরপুর নেই।" তিনি বলেন, "এলাকাটি বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও মাফিয়া গোষ্ঠীর দখলে চলে গেছে।" তিনি অভিযোগ করেন, "এসব গোষ্ঠীর তৎপরতায় সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।"

তিনি জানান, "একটি ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও এর উদাহরণ।" তিনি বলেন, "ওই ঘটনায় একজন সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হলেও হামলায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়নি।" তিনি বলেন, "এর মধ্য দিয়ে মিরপুরের মাফিয়াদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "একসময় চাঁদাবাজি নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা মার্কেটে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা গ্রামগঞ্জের অলিগলি, পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।" তিনি বলেন, "এমনকি মহিষকে ঘাস খাওয়ানো ও পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার মতো বিষয়েও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে।" তিনি দাবি করেন, "চাঁদাবাজির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে।"

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "সরকারের একাংশ লুটপাটে ব্যস্ত, আরেক অংশ ক্যামেরার সামনে অভিযান চালালেও পরে অভিযুক্তদের সঙ্গে সমঝোতা করছে।" তিনি বলেন, "বিভিন্ন বার ও প্রতিষ্ঠানে অভিযানকে স্বাগত জানালেও অভিযানের পর সেখানে আবার লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।" তিনি প্রধানমন্ত্রী একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সারোয়ার তুষার বলেন, "বর্তমান সরকার মিরপুরকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে।" তিনি বলেন, "বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতায় এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।"

তিনি অভিযোগ করেন, "সাম্প্রতিক ভাঙচুরের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত ব্যক্তিদের আড়াল করার অভিযোগও করেন।" তিনি দাবি করেন, "এ ঘটনায় একজন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে হলেও অভিযুক্ত একজন প্রতিমন্ত্রী, একজন উপদেষ্টা ও আরেক নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।"

সারোয়ার তুষার অভিযোগ করেন, "সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে কারসাজি এবং নির্বাচন প্রভাবিত করার পরিকল্পনা করছে সরকার।" তিনি বলেন, "বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটা একদলীয় বাকশালী সংবিধান সংশোধন কমিটি করার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং করার পরিকল্পনা করছেন।"

তিনি বলেন, "আগামী নির্বাচন তিনি কারচুপি করার নীলনকশা এখন থেকেই করে যাচ্ছেন।"

সামনে উপনির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন রয়েছে উল্লেখ করে সারোয়ার তুষার সরকারকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, "মাগুরার উপনির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান।"

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দেশের মানুষ আবারও রাজপথে নেমে আসবে।" তিনি বলেন, "তখন সংবিধান সংশোধন কিংবা অন্য কোনো উদ্যোগ নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না।"

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, নুসরাত তাবাসসুম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবারণা পূর্ণিমার শিক্ষা মানবসমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : রুহুল কবির রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


প্রবারণা পূর্ণিমার শিক্ষা মানবসমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : রুহুল কবির রিজভী

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, মহামতি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার বাণী অনুসরণ ও নিজেদের জীবনে ধারণের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বাসাবোর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের আয়োজনে ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা-২০২৬’ উপলক্ষে ‘মানবিক মূল্যবোধের দৃষ্টিতে প্রবারণার গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, প্রবারণা পূর্ণিমা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উৎসব নয়; এর তাৎপর্য অত্যন্ত ব্যাপক। ‘প্রবারণা’ শব্দের বিভিন্ন অর্থের মধ্যে চিত্তের পরিশুদ্ধির বিষয়টি তাকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, বর্ষাবাস শেষে ভিক্ষুদের নিজেদের কোনো ভুল, অন্যায় বা বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তা স্বীকার করার চর্চার মধ্যে গভীর মানবিক শিক্ষা নিহিত রয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রদায়ের গণ্ডি অতিক্রম করে একজন মানুষ হিসেবে এ শিক্ষার তাৎপর্য উপলব্ধি করা প্রয়োজন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মন্তব্য করেন যে, মানুষ যদি নিজের ভুল ও অন্যায় উপলব্ধি করে তা অন্যের কাছে স্বীকার করতে পারে, তবে অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার সচেতনতাও তৈরি হয়। প্রত্যেক মানুষ যদি নিজের জীবনের ভুলগুলো নিয়ে আত্মসমালোচনা করে এবং অনুতাপের বিষয়টি অন্যের কাছে প্রকাশ করে, তবে নিজেকে সংশোধনের সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধের জীবন ও কর্মের মধ্যে সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে সমানভাবে গ্রহণ করার শিক্ষা রয়েছে। সমাজ যাকে ঘৃণার চোখে দেখে, তিনিও নিজের ভুল উপলব্ধি করে নিজেকে সংশোধন করতে পারেন। ছোট-বড় কিংবা শ্রেণিভেদ না করে সবাইকে সমাজের অন্তর্ভুক্ত করার মধ্য দিয়ে মানবকল্যাণ নিশ্চিত করার শিক্ষা দিয়েছেন মহামানবরা।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, যদি সব ধর্মের মানুষ গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা চর্চা করে, তবে সমাজে পারস্পরিক আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এর মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও পারস্পরিক বন্ধনে আবদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য ঐতিহ্যের দেশ। এ দেশের প্রতিটি ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ ধারণ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করবেন— এটাই প্রত্যাশা।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সব নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবেন। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও বিশ্ববৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘের (থাইল্যান্ড) সহসভাপতি শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%