বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৮ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে বিশ্বের সেরা গবেষকদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে ১৬ জন গবেষক। গত বছর এই তালিকায় বাকৃবির ১২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে এই তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
গতবছরের মতো এবারও বাকৃবি দেশের শীর্ষ তিনে অবস্থান করছে। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা হলেন- ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো শাহজাহান, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. এহসানুল কবীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রান বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো আব্দুল হান্নান, একোয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো ফজলে রোহানী, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম লুৎফুল কবির, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম গোলাম দস্তগীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রান বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তাহজিব-উল-আরিফ, একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো আক্তারুজ্জামান খান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মজিদ, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. টুম্পা রানী সরকার, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির, সিড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এবং প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের শীর্ষে অবস্থান করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ঢাবির ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ, যেখানে ২০ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাকৃবি, যেখানে ১৬ জন গবেষক এ বছরের তালিকায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : তৃতীয় কোনো আফ্রিকান দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের নির্বাসনের নীতি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এ নীতি মানবিক দুর্ভোগকে কাজে লাগিয়ে অভিবাসন ঠেকানোর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।
লিব্রেভিল থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থা জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে পুনরায় ফিরে আসার পর তার প্রশাসন ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কিছু দেশের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আওতায়, যেসব বিদেশিদের নিজ দেশে আইনগতভাবে বহিষ্কার করা সম্ভব নয়, সেসব ব্যক্তিদের গ্রহণে দেশগুলো সম্মত হয়।
এইচআরডব্লিউ-এর উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) থেকে জানা যায়, এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসীকে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নির্বাসনে পাঠিয়েছে।
‘ফরবিডেন স্টোরিজ’ কনসোর্টিয়ামের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এইচআরডব্লিউ বলছে, এ নীতি ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে এবং মানবিক দুর্ভোগকে ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
মানবাধিকার সংস্থাটি একটি মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যও তুলে ধরেছে। নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা এক সিনেট শুনানিতে বলেন, ‘পালাউ বা ইসওয়াতিনির মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টি হলো, প্রশাসন মানুষকে হুমকি দিতে পারে যে তাদের আক্ষরিক অর্থেই কোথাও মাঝখানে ফেলে দেওয়া হবে। মানুষকে ভয় দেখানোই উদ্দেশ্য।’
এইচআরডব্লিউ জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকার ছয়টি দেশে পাঠানো ২৪ জন তৃতীয় দেশের নাগরিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। দেশগুলো হলো—ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি, ইসওয়াতিনি ও দক্ষিণ সুদান।
তারা জানায়, ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এমন ফ্লাইটে তাদের শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল। কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি।
২০২৬ সালের শুরুতে এএফপির এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, আফ্রিকার দেশগুলোকে বহিষ্কৃতদের গ্রহণে রাজি করাতে ওয়াশিংটন চাপ প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি, ভিসা প্রদান স্থগিত করা এবং সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপের হুমকিও ছিল।
বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ বুরুন্ডি চলতি মাসের শুরুতে জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃতদের গ্রহণে সম্মত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটি এমন চুক্তি করা ১৫তম আফ্রিকান রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বইয়ের দশকের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নতুন সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’তে অভিনয়ের পর, চলতি মাসের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে আসছে চিত্রনায়িকা মৌ খানের আরেকটি সিনেমা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে কামরুজ্জামান পরিচালিত সামাজিক ও পারিবারিক গল্পের সিনেমা ‘স্নেহের বন্ধন’।
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’তে মৌ খান গুরুত্বপূর্ণ অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মাধ্যমে চলতি মাসেই তিনি বড় পর্দায় উপস্থিত হয়েছেন। এবার পূজার উৎসবকে সামনে রেখে মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত ‘স্নেহের বন্ধন’। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি ভিন্ন স্বাদের সিনেমায় দর্শকরা এই অভিনেত্রীকে দেখতে পাবেন।
‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমাটি নিয়ে মৌ খান বেশ আশাবাদী। নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একজন অভিনয়শিল্পীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে ভেঙে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা। এ মাসে আমার যে দুটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে দর্শক পাচ্ছে, দুটিতেই দর্শকরা আমাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি রূপে দেখতে পাবেন।’
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমা প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘আমি একটি বিশেষ অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটির ব্যাপ্তি হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে এর গুরুত্ব অনেক। নব্বইয়ের দশকের সেই কালজয়ী আবহের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারাটাই আমার জন্য অন্যরকম এক ভালো লাগার ছিল।’
‘স্নেহের বন্ধন’ নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘পূজায় মুক্তি পেতে যাওয়া ‘স্নেহের বন্ধন’ আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম একটি আবেগের জায়গা। এই সিনেমায় আমার চরিত্রটি ভীষণ চ্যালেঞ্জিং, স্ট্রাগলিং এবং একই সঙ্গে মায়াবী। এটি এমন এক নারীর গল্প, যে পারিবারিক মূল্যবোধ ও ভালোবাসার জন্য যেকোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। আশা করি, দুটি চরিত্রই দর্শকদের হৃদয়ে আলাদাভাবে দাগ কেটে যাবে।’
২০১৯ সালে ‘প্রতিশোধের আগুন’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ক্যারিয়ার শুরু করেন মৌ খান। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে আসছেন।
এদিকে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে মৌ খানের অভিনীত থ্রিলার ও অ্যাকশন ঘরানার ওয়েব ফিল্ম ‘শিকারি’। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বয়সের কাঁটা এগিয়ে চললেও, চেহারায় তার ছাপ যেন একেবারেই নেই। বরং সময়ের সঙ্গে আরও তরুণী হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। রুপালি পর্দার চাকচিক্য পেরিয়ে, এবার নীলের মায়ায় ধরা দিলেন এই অভিনেত্রী। তার নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পরই ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
জয়া আহসানের রয়েছে নিজের মতো এক স্বতন্ত্র জগৎ, যা রুপালি পর্দার আভিজাত্যের বাইরে। সেখানে তিনি সাধারণ, প্রকৃতিপ্রেমী এবং নিজের মতো করে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা না হলেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে নিজের নানা মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন জয়া আহসান। নীলের আবেশে তোলা এসব ছবিতে অভিনেত্রীর চোখের চাহনি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবি প্রকাশের পর থেকেই তার সৌন্দর্য ও বয়স নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অনেকের মন্তব্য, সময় যতই গড়াচ্ছে, জয়ার বয়স যেন ততই কমছে! ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘নীল রং আমাতেই সাজে, আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।’
ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই কমেন্ট বক্সে জয়া আহসানের রূপের প্রশংসায় মেতেছেন ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘আমি ছোটবেলা যেমন দেখছি, এখনো ঐরকম দেখি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’
অন্য এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নীল রং দেখলে মনটা জানি কেমন হয়ে যায়। সুন্দর, অনেক সুন্দর।’
সব মিলিয়ে জয়া আহসানের নতুন ছবিগুলো আবারও প্রমাণ করল—বয়স শুধু একটি সংখ্যা, সৌন্দর্যের আবেদন সময়ের সঙ্গে বরং আরও গভীর হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ