ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুক্তিযুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়ে মারা গেলেন ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি


মুক্তিযুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়ে মারা গেলেন ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ‘বীরাঙ্গনা’ রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি না ফেরার দেশে চলে গেছেন। বার্ধক্য এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স ছিল ৮৪ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার বিকেলে প্রশাসনের তরফ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হবে।

ফুলমতির ছেলে মনিরাজ কুমার বলেন, তার মা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করেন, যার ফলে তার ডান হাত ও পা অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজ ঘরেই মারা যান।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে মাদক সেবনের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড

লেখক ও গবেষক জহুরুল কাইয়ুম সম্পাদিত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক প্রকাশনা ‘হৃদয়ে একাত্তর’-এ ফুলমতির জীবনের কিছু তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তাকে ‘ফুলমতি রানী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ফুলমতির পিতার নাম অর্জুন রবিদাস এবং মাতার নাম ফু রানী রবিদাস। তিনি সাদুল্লাপুর থানার জামালপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার সংসারে এক মেয়ে সপ্তমী এবং চার ছেলে রয়েছে।

ফুলমতির বাড়ি ছিল সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের উত্তরপাড়ায়। তার স্বামী প্রয়াত কুশিরাম সরকার ফসিয়ার। স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে তিনি অত্যন্ত দারিদ্র্যের মধ্যে জীবন কাটিয়েছেন। ১৯৮৮ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে তাকে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন একদিন পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা ফুলমতিদের বাড়িতে এসে তাকে ঘর থেকে বের করে নির্মম নির্যাতন করে।

আরও পড়ুন: বরিশাল সদরে ৯৫ গ্রাম পুলিশের হাতে বাইসাইকেল-ইউনিফর্ম তুলে দিলেন এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার

স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফুলমতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। পরে ২০১৬ সালের মার্চে তিনি বীরাঙ্গনা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন। তবে এর জন্য তাকে সরকারি দপ্তর ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ধরনা দিতে হয়েছে। তাকে ৪৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে।

২০১০ সালে ঢাকার স্টেপস্ টুয়ার্ডস্ ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য জেনেসিস ও উপজেলা সামাজিক উদ্যোক্তা দল তাকে সম্মাননা প্রদান করে এবং কিছু উপহার দেয়।

সাদুল্লাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ আজমী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ফুলমতির ত্যাগ ও নির্যাতনের ইতিহাস অত্যন্ত বেদনাদায়ক। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন তিনি স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অনেক চেষ্টা ও আবেদনের পর ২০১৬ সালে তা মেলে।

আজমী আরও বলেন, শয্যাশায়ী অবস্থায় ফুলমতির চিকিৎসায় সরকারি পর্যায় থেকে আরও সহযোগিতা প্রয়োজন ছিল। তবে তিনি কিংবা তার পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতেননি। শেষ দিন পর্যন্ত আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেছেন এই সংগ্রামী নারী।

আরও পড়ুন: সিম খেতে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোর দিনমজুরের

তিনি বলেন, তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন অসম সাহসী নারীকে হারালাম।

স্থানীয়রা বলছেন, ফুলমতি শুধু একজন নারী ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত ইতিহাস। তার নির্যাতন, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আত্মমর্যাদার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। তার স্মৃতি সংরক্ষণে সমাধিস্থলে একটি স্মৃতিফলক বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির ১১ মেট্রো স্টেশন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


দিল্লির ১১ মেট্রো স্টেশন বন্ধ

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আম আদমি পার্টি (এএপি) এবং কিছু ছাত্র সংগঠন শুক্রবার বিক্ষোভের আয়োজন করার পর দিল্লি মেট্রোর ১১টি স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই স্টেশনগুলোর মধ্যে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং জন্তর মন্তর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, সেবা তীর্থ, মণ্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ, আইএনএ, চাওরি বাজার, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ এবং নয়াদিল্লি স্টেশনের গেট বন্ধ থাকবে। ডিএমআরসি তাদের এক্সে দেওয়া পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে রাজীব চক, মণ্ডি হাউস, নয়াদিল্লি এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে মেট্রো পরিবর্তনের সুবিধা চালু থাকবে।

বিক্ষোভের ডাক দেওয়া সংগঠনগুলোর অভিযোগ, নির্বাচনী তালিকার বিশেষভাবে নিবিড় সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এএপির পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসও এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের সূচি বদলে গেছে ২ অঘটনেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


বিশ্বকাপের সূচি বদলে গেছে ২ অঘটনেই

ক্রিকেট বিশ্বকাপ এখন বড় দলের জন্য নিশ্চিত কিছু ম্যাচের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ করে ভারত এবং পাকিস্তান, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল একই গ্রুপে থাকাটা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু দুই দশক আগে বিশ্বকাপের দৃশ্যপট ছিল ভিন্ন। গ্রুপ পর্বে অঘটনের সম্ভাবনা ছিল অনেক বেশি, সহযোগী দেশগুলোর জন্যও ছিল বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ।

বিশ্বকাপের চেহারা পরিবর্তনে ২০০৭ সালের দুটি ম্যাচের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ধাক্কাটি দিয়েছিল বাংলাদেশ। হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন দলটি ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল। এরপর পাকিস্তান প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিল আয়ারল্যান্ডের কাছে। দুই এশীয় পরাশক্তির এমন আগেভাগে বিদায় বিশ্বকাপের মাঠের ফলের পাশাপাশি ক্রিকেট বাণিজ্যকেও প্রভাবিত করেছিল।

পাকিস্তানের সেই হারের পরদিন আসে আরো বড় দুঃসংবাদ। পাকিস্তান দলের কোচ বব উলমারকে হোটেলকক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যু নিয়ে শুরুতে নানা জল্পনা তৈরি হলেও পরে পুলিশ জানায়, সেটি ছিল স্বাভাবিক মৃত্যু।

যেভাবে শুরু হয়েছিল

২০০৭ বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে ভারত ছিল বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে। ১৭ মার্চ ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশ ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেয়। মাশরাফি, রফিক ও রাজ্জাকের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। বড় দলকে হারিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অঘটন সৃষ্টি করে।

সেদিনই জ্যামাইকার কিংস্টনে আয়ারল্যান্ডের কাছে পাকিস্তান হেরে যায়। দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে পাকিস্তানের সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।

আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের পরদিন পাকিস্তানের কোচ বব উলমারের মৃতদেহ তার কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

পরদিন ১৮ মার্চ কিংস্টনের হোটেল কক্ষে অচেতন অবস্থায় ৫৮ বছর বয়সী উলমারকে পাওয়া যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অঘটনের ধাক্কা মাঠের বাইরেও

ভারত ও পাকিস্তানের বিদায় শুধুমাত্র ক্রিকেটীয় আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক দিকেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। ভারতীয় দর্শকদের আগ্রহ কমে যাওয়ায় টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর টেলিভিশন দর্শকসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

সমসাময়িক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সুপার এইট পর্বে ম্যাচগুলোর গড় টেলিভিশন রেটিং ভারতের প্রথম পর্বের ম্যাচগুলোর তুলনায় অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল।

পৃষ্ঠপোষক ও বিজ্ঞাপনদাতারাও সমস্যায় পড়ে। ভারত ও পাকিস্তান দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে। এমনকি আইসিসির অন্যতম বড় অংশীদার এলজি বিশ্বকাপে আর স্পন্সরশিপ রাখবে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করেছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ দুটি অঘটনের ফল মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশ্বকাপের দর্শক, সম্প্রচার, পর্যটন ও বাণিজ্যিক বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়েছিল আইসিসিকে।

এর পরই বদলাতে থাকে বিশ্বকাপের কাঠামো

আগে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বড় দলের বিদায়ের ঝুঁকি ছিল। ২০০৭ সালে সেটিই বাস্তবে পরিণত হয়। ভারত ও পাকিস্তান—দুই জনপ্রিয় দলের বিদায়ে টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক আকর্ষণেও ধাক্কা লাগে।

২০১১ সালে পরবর্তী বিশ্বকাপ ১৪ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে আয়োজন করা হয়। প্রতিটি গ্রুপে সাতটি করে দল ছিল এবং সবাই নিজেদের গ্রুপের অন্য ছয় দলের বিপক্ষে খেলেছে। এরপর প্রতি গ্রুপের শীর্ষ চার দল কোয়ার্টার ফাইনালে যায়। অর্থাৎ বড় দলগুলোকে গ্রুপ পর্বে আগের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই আসরে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল।

২০১৫ বিশ্বকাপেও ১৪ দল ছিল। দুটি গ্রুপে সাতটি করে দল ভাগ করা হয়েছিল। এবার ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে ছিল এবং টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই মহারণ।

সহযোগী দেশগুলো ক্রমেই পিছিয়ে পড়ে

২০১৯ বিশ্বকাপ থেকে কাঠামো আরো বদলে যায়। মাত্র ১০ দল নিয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপ। প্রতিটি দল অন্য ৯টি দলের বিপক্ষে খেলে—অর্থাৎ পুরো টুর্নামেন্টই চলে পূর্ণ রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে।

এর ফলে বিশ্বকাপের মূল পর্বে সহযোগী দেশগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ আগের তুলনায় আরো সীমিত হয়ে যায়। যোগ্যতা অর্জনের পথ অবশ্য খোলা ছিল; ২০১৯ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে বিশ্বের বিভিন্ন সহযোগী সদস্য দেশের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। কিন্তু সহযোগী কোনো সদস্য মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি। বরং আইসিসির দুই পূর্ণ সদস্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানকেই বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বের টিকিট পেতে হয়েছিল।

সর্বশেষ বিশ্বকাপে সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে শুধু নেদারল্যান্ডস খেলার সুযোগ পায়। ছবি: আইসিসি

২০২৩ বিশ্বকাপে তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাছাইয়ের গণ্ডিই টপকাতে পারেনি। এমনকি শ্রীলঙ্কাকেও বাছাইয়ে বাধা টপকে আসতে হয়েছিল। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে শুধু নেদারল্যান্ডস মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

২০২৭-এ আবার নতুন কাঠামো

২০২৭ বিশ্বকাপে আবার নতুন ধরনের কাঠামো। ১৪ দলের টুর্নামেন্টে বাছাই পেরোনো তিন দলের সুপার সিরিজ, ১২ দল নিয়ে গ্রুপ পর্বের পর সাত দল নিয়ে হবে সুপার সেভেন পর্ব।

ফলে বড় দলগুলোর মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার সুযোগ থাকছে, আবার ছোট দলগুলোর জন্য মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পথও কঠিন হচ্ছে।

টুর্নামেন্টে ভারত, পাকিস্তান ও বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে একই গ্রুপে রাখা হয়েছে। এতে দর্শক ও সম্প্রচারমূল্যের বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে।

একসময় বিশ্বকাপের সৌন্দর্য ছিল—একটি ম্যাচই বদলে দিতে পারে পুরো হিসাব। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ যেমন ভারতকে হারিয়েছিল, তেমনি আয়ারল্যান্ড হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। দুটি অঘটন শুধু দুই পরাশক্তিকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করেনি, টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক বাস্তবতারও কঠিন পরীক্ষা নিয়েছিল।

এর পর থেকে বিশ্বকাপের কাঠামো বারবার বদলেছে। বড় দলগুলোর বেশি ম্যাচ, বড় ম্যাচের নিশ্চয়তা এবং সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক আকর্ষণ—সব কিছুর ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

কিন্তু সেই পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখনো রয়ে গেছে—বিশ্বকাপ কি শুধু সবচেয়ে বেশি দর্শক টানা দলগুলোর মঞ্চ নাকি ছোট দলগুলোর অঘটন ঘটিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় যোগ দিলেন মৌসুমী খানম, নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


মানিকগঞ্জ পৌরসভায় যোগ দিলেন মৌসুমী খানম, নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ

মানিকগঞ্জ পৌরসভার নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) মৌসুমী খানম।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এ দায়িত্ব গ্রহণের উপলক্ষে মানিকগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। একই অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হাসান খানকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) মো. অহিদুল মিয়াসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নবনিযুক্ত প্রশাসক মৌসুমী খানম দায়িত্ব গ্রহণের পর পৌরবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করা, সেবা সহজীকরণ এবং সেবার গুণগত মান আরও উন্নত করার বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন যে, মৌসুমী খানমের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আরও গতি আসবে এবং পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অক্টোবর মাসে বঙ্গোপসাগরে তিনটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। চলতি মাসে ভারি বৃষ্টিপাত হলে, উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় নদীর পানি সাময়িকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি (এক মাসের) পূর্বাভাসে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মোমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই পূর্বাভাসটি প্রকাশিত হয়।

অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে বিদায় নিতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, অক্টোবর মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এ মাসে ৩-৪ দিন বজ্রঝড় হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

অক্টোবরের তাপমাত্রার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে।

নদ-নদীর অবস্থা

অক্টোবর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের কিছু কিছু স্থানে পানি সমতল সাময়িকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%