ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপের সূচি বদলে গেছে ২ অঘটনেই


বিশ্বকাপের সূচি বদলে গেছে ২ অঘটনেই

ক্রিকেট বিশ্বকাপ এখন বড় দলের জন্য নিশ্চিত কিছু ম্যাচের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ করে ভারত এবং পাকিস্তান, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল একই গ্রুপে থাকাটা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু দুই দশক আগে বিশ্বকাপের দৃশ্যপট ছিল ভিন্ন। গ্রুপ পর্বে অঘটনের সম্ভাবনা ছিল অনেক বেশি, সহযোগী দেশগুলোর জন্যও ছিল বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ।

বিশ্বকাপের চেহারা পরিবর্তনে ২০০৭ সালের দুটি ম্যাচের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ধাক্কাটি দিয়েছিল বাংলাদেশ। হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন দলটি ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল। এরপর পাকিস্তান প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিল আয়ারল্যান্ডের কাছে। দুই এশীয় পরাশক্তির এমন আগেভাগে বিদায় বিশ্বকাপের মাঠের ফলের পাশাপাশি ক্রিকেট বাণিজ্যকেও প্রভাবিত করেছিল।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হকি দলের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিশন শুরু

পাকিস্তানের সেই হারের পরদিন আসে আরো বড় দুঃসংবাদ। পাকিস্তান দলের কোচ বব উলমারকে হোটেলকক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যু নিয়ে শুরুতে নানা জল্পনা তৈরি হলেও পরে পুলিশ জানায়, সেটি ছিল স্বাভাবিক মৃত্যু।

যেভাবে শুরু হয়েছিল

২০০৭ বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে ভারত ছিল বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে। ১৭ মার্চ ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশ ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেয়। মাশরাফি, রফিক ও রাজ্জাকের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। বড় দলকে হারিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অঘটন সৃষ্টি করে।

সেদিনই জ্যামাইকার কিংস্টনে আয়ারল্যান্ডের কাছে পাকিস্তান হেরে যায়। দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে পাকিস্তানের সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে খেলতে আজারবাইজানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল

আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের পরদিন পাকিস্তানের কোচ বব উলমারের মৃতদেহ তার কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

পরদিন ১৮ মার্চ কিংস্টনের হোটেল কক্ষে অচেতন অবস্থায় ৫৮ বছর বয়সী উলমারকে পাওয়া যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অঘটনের ধাক্কা মাঠের বাইরেও

ভারত ও পাকিস্তানের বিদায় শুধুমাত্র ক্রিকেটীয় আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক দিকেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। ভারতীয় দর্শকদের আগ্রহ কমে যাওয়ায় টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর টেলিভিশন দর্শকসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আরও পড়ুন: হ্যারির অনন্য রেকর্ড, ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি

সমসাময়িক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সুপার এইট পর্বে ম্যাচগুলোর গড় টেলিভিশন রেটিং ভারতের প্রথম পর্বের ম্যাচগুলোর তুলনায় অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল।

পৃষ্ঠপোষক ও বিজ্ঞাপনদাতারাও সমস্যায় পড়ে। ভারত ও পাকিস্তান দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে। এমনকি আইসিসির অন্যতম বড় অংশীদার এলজি বিশ্বকাপে আর স্পন্সরশিপ রাখবে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করেছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ দুটি অঘটনের ফল মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশ্বকাপের দর্শক, সম্প্রচার, পর্যটন ও বাণিজ্যিক বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়েছিল আইসিসিকে।

এর পরই বদলাতে থাকে বিশ্বকাপের কাঠামো

আরও পড়ুন: স্যাম কারানের বাজে রেকর্ডে পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় সিরিজে হারল ইংল্যান্ড

আগে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বড় দলের বিদায়ের ঝুঁকি ছিল। ২০০৭ সালে সেটিই বাস্তবে পরিণত হয়। ভারত ও পাকিস্তান—দুই জনপ্রিয় দলের বিদায়ে টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক আকর্ষণেও ধাক্কা লাগে।

২০১১ সালে পরবর্তী বিশ্বকাপ ১৪ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে আয়োজন করা হয়। প্রতিটি গ্রুপে সাতটি করে দল ছিল এবং সবাই নিজেদের গ্রুপের অন্য ছয় দলের বিপক্ষে খেলেছে। এরপর প্রতি গ্রুপের শীর্ষ চার দল কোয়ার্টার ফাইনালে যায়। অর্থাৎ বড় দলগুলোকে গ্রুপ পর্বে আগের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই আসরে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল।

২০১৫ বিশ্বকাপেও ১৪ দল ছিল। দুটি গ্রুপে সাতটি করে দল ভাগ করা হয়েছিল। এবার ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে ছিল এবং টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই মহারণ।

সহযোগী দেশগুলো ক্রমেই পিছিয়ে পড়ে

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ

২০১৯ বিশ্বকাপ থেকে কাঠামো আরো বদলে যায়। মাত্র ১০ দল নিয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপ। প্রতিটি দল অন্য ৯টি দলের বিপক্ষে খেলে—অর্থাৎ পুরো টুর্নামেন্টই চলে পূর্ণ রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে।

এর ফলে বিশ্বকাপের মূল পর্বে সহযোগী দেশগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ আগের তুলনায় আরো সীমিত হয়ে যায়। যোগ্যতা অর্জনের পথ অবশ্য খোলা ছিল; ২০১৯ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে বিশ্বের বিভিন্ন সহযোগী সদস্য দেশের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। কিন্তু সহযোগী কোনো সদস্য মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি। বরং আইসিসির দুই পূর্ণ সদস্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানকেই বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বের টিকিট পেতে হয়েছিল।

সর্বশেষ বিশ্বকাপে সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে শুধু নেদারল্যান্ডস খেলার সুযোগ পায়। ছবি: আইসিসি

২০২৩ বিশ্বকাপে তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাছাইয়ের গণ্ডিই টপকাতে পারেনি। এমনকি শ্রীলঙ্কাকেও বাছাইয়ে বাধা টপকে আসতে হয়েছিল। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে শুধু নেদারল্যান্ডস মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে হারিয়ে আইএইচএফ নেশন্স ট্রফির চ্যাম্পিয়ন ভারত

২০২৭-এ আবার নতুন কাঠামো

২০২৭ বিশ্বকাপে আবার নতুন ধরনের কাঠামো। ১৪ দলের টুর্নামেন্টে বাছাই পেরোনো তিন দলের সুপার সিরিজ, ১২ দল নিয়ে গ্রুপ পর্বের পর সাত দল নিয়ে হবে সুপার সেভেন পর্ব।

ফলে বড় দলগুলোর মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার সুযোগ থাকছে, আবার ছোট দলগুলোর জন্য মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পথও কঠিন হচ্ছে।

টুর্নামেন্টে ভারত, পাকিস্তান ও বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে একই গ্রুপে রাখা হয়েছে। এতে দর্শক ও সম্প্রচারমূল্যের বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে।

একসময় বিশ্বকাপের সৌন্দর্য ছিল—একটি ম্যাচই বদলে দিতে পারে পুরো হিসাব। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ যেমন ভারতকে হারিয়েছিল, তেমনি আয়ারল্যান্ড হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। দুটি অঘটন শুধু দুই পরাশক্তিকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করেনি, টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক বাস্তবতারও কঠিন পরীক্ষা নিয়েছিল।

এর পর থেকে বিশ্বকাপের কাঠামো বারবার বদলেছে। বড় দলগুলোর বেশি ম্যাচ, বড় ম্যাচের নিশ্চয়তা এবং সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক আকর্ষণ—সব কিছুর ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

কিন্তু সেই পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখনো রয়ে গেছে—বিশ্বকাপ কি শুধু সবচেয়ে বেশি দর্শক টানা দলগুলোর মঞ্চ নাকি ছোট দলগুলোর অঘটন ঘটিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় যোগ দিলেন মৌসুমী খানম, নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


মানিকগঞ্জ পৌরসভায় যোগ দিলেন মৌসুমী খানম, নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ

মানিকগঞ্জ পৌরসভার নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) মৌসুমী খানম।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এ দায়িত্ব গ্রহণের উপলক্ষে মানিকগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। একই অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হাসান খানকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) মো. অহিদুল মিয়াসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নবনিযুক্ত প্রশাসক মৌসুমী খানম দায়িত্ব গ্রহণের পর পৌরবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করা, সেবা সহজীকরণ এবং সেবার গুণগত মান আরও উন্নত করার বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন যে, মৌসুমী খানমের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আরও গতি আসবে এবং পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অক্টোবর মাসে বঙ্গোপসাগরে তিনটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। চলতি মাসে ভারি বৃষ্টিপাত হলে, উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় নদীর পানি সাময়িকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি (এক মাসের) পূর্বাভাসে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মোমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই পূর্বাভাসটি প্রকাশিত হয়।

অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে বিদায় নিতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, অক্টোবর মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এ মাসে ৩-৪ দিন বজ্রঝড় হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

অক্টোবরের তাপমাত্রার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে।

নদ-নদীর অবস্থা

অক্টোবর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের কিছু কিছু স্থানে পানি সমতল সাময়িকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান নিয়ে ‘নাটক’ সাজান নেতানিয়াহু : রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


বিমান নিয়ে ‘নাটক’ সাজান নেতানিয়াহু : রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এক যুদ্ধে টেনে আনার উদ্দেশ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিমান ছিনতাইয়ের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ নাটক তৈরি করেছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি তুলে ধরেছে।

প্রেস টিভি বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদনে জানায়, এক ‘সুপরিচিত আঞ্চলিক সূত্রের’ উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করা হয়, গত বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই’-এর ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি মূলত এই সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবারের বিমান দুর্ঘটনার তিন দিন আগে আমিরাতে নেতানিয়াহুর একটি গোপন সফর অনুষ্ঠিত হয়। এই সফরের সময়েই সাজানো অভিযানের মূল রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, প্রেস টিভির বরাতে নেতানিয়াহুর সাথে একাধিক জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এবং কয়েকটি আরব দেশের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এমন একটি সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়, যার দায় পরবর্তীতে ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

প্রেস টিভির সূত্রের দাবি, পুরো ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন একটি সামরিক সংঘাতে জড়াতে প্ররোচিত করা। এছাড়া, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনে নিজের জোটের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় নেতানিয়াহু এই পথ বেছে নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে প্রেস টিভি তাদের প্রতিবেদনে এই সূত্রের পরিচয় প্রকাশ করেনি এবং দাবির সমর্থনে কোনো জোরালো প্রমাণও উপস্থাপন করতে পারেনি।

এদিকে, প্রেস টিভির এই অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বুধবার ১৭৪ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই’-এর এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। ফ্লাইদুবাই পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে জানায়, উড্ডয়ন চলাকালে বিমানে ‘ককপিটের ভেতর হাতাহাতি ও সংঘাতের’ ঘটনা ঘটে। তবে ক্রু সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বিমানটি নিরাপদে সৌদি আরবে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ককপিটে সংঘর্ষের ঘটনায় বিমানের ক্যাপ্টেন ও ফার্স্ট অফিসার উভয়েই আহত হন এবং তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে যাত্রী ও বাকী ক্রুরা সুরক্ষিত ছিলেন।

এই ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সৌদি আরবের ‘ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার’। একই সাথে তদন্ত চলাকালীন ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলে তাদের সকল ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড্ডা–সারাইগাছি আঞ্চলিক সড়কে দুই পাশে ঝোপঝাড়, বাড়ছে ডাকাতির শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


আড্ডা–সারাইগাছি আঞ্চলিক সড়কে দুই পাশে ঝোপঝাড়, বাড়ছে ডাকাতির শঙ্কা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক আড্ডা–সারাইগাছি সড়কের বিভিন্ন অংশে রাস্তার দুই পাশে ঘন ঝোপঝাড় ও আগাছা বেড়ে উঠেছে। এতে সড়কের পাশের অনেক জায়গা আড়াল হয়ে যাওয়ায় রাতের বেলায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে ওঠা বিভিন্ন ধরনের ঝোপঝাড়, লতাগুল্ম ও আগাছা সড়কের একাংশ ঢেকে ফেলেছে। কোথাও কোথাও ঝোপঝাড় এতটাই ঘন যে, সড়কের পাশের অংশ থেকে দূরত্ব বুঝে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় বিষয়টি তেমন সমস্যা মনে না হলেও সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি ভিন্ন হয়ে যায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে একাকী চলাচলকারী মানুষ এসব ঝোপঝাড়কে নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় দ্রুত পরিষ্কার করা হলে চালক ও পথচারীদের দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিও কিছুটা কমবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদারেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে পথচারী ও যানবাহন চলাচলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%