ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে ডাকাতি, ভয়ংকর তথ্য দিল গোয়েন্দারা


শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে ডাকাতি, ভয়ংকর তথ্য দিল গোয়েন্দারা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে ডাকাত চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব অপরাধে প্রভাবশালী মাফিয়ারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাড়াটে ডাকাতদের ব্যবহার করছে। যদিও অপরাধে জড়িত ভাড়াটেরা ধরা পড়ে, কিন্তু নেপথ্যে থাকা মাফিয়ারা ধরা পড়ছে না।

বিমানবন্দর ও উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধীরা দ্রুত ঢাকার বাইরে চলে যায়। তাদের গ্রেফতার করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে বের হয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত করার জন্য এক শ্রেণির আইনজীবীর সঙ্গে তাদের চুক্তি রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে ওই আইনজীবীরা বাকিতে আইনি সহায়তা দেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পেশাদার ডাকাতদের ভাড়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: পাবনার জয়কালী বাড়ি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণ

চাঁদপুরের দক্ষিণ বালিয়া থানার সামাদ গাজী বাড়ির মো. খোরশেদ ৬ জুলাই দুবাই প্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। শাহবাগ পৌঁছাতেই ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে একটি কালো গাড়িতে তুলে নেয় ডাকাতের একটি দল। এরপর চোখ ও হাত-পা বেঁধে ৩৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে তাকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ফেলে দেয়।

শুধু খোরশেদ নয়, বিমানবন্দর ও এর আশপাশের সড়কগুলোতে প্রবাসফেরত যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত টার্গেট করছে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে এসব অপরাধে অংশ নিচ্ছে চুক্তিতে ভাড়ায় খাটা দুর্ধর্ষ ডাকাতরা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা, এমনকি বিদেশ থেকে উড়ে আসা ব্যক্তিরা ডাকাতি শেষে ফের চলে যাচ্ছে। তাদের নিখুঁত ছকে ফেঁসে গিয়ে অনেকে সর্বস্ব হারাচ্ছেন। সম্প্রতি একাধিক চাঞ্চল্যকর ডাকাতির মামলার তদন্তে ভয়ংকর এসব চক্রের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সূত্র জানাচ্ছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাফিয়া চক্র ভাড়াটে ডাকাতদের ব্যবহার করছে। কিন্তু ওই মাফিয়ারা বরাবরই অধরা থেকে যাচ্ছে। ডাকাত দল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গাড়ি থেকে নামিয়ে হাতকড়া পরিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। পরে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে নির্জন স্থানে তাকে ফেলে দিচ্ছে। মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দিলেই নগদে পাচ্ছে চুক্তির টাকা। ডাকাতির পর চক্রের সদস্যরা দ্রুত ঢাকা ছেড়ে চলে যায় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। গ্রেফতারের পর জামিনে বের করার জন্যও এক শ্রেণির আইনজীবীদের সঙ্গে তাদের চুক্তি রয়েছে। অনেক সময় বাকিতে কাজ করেন ওইসব আইনজীবী। গোয়েন্দারা বলছেন, পেশাদার ডাকাতরাই এখন ভাড়ায় খাটছে। তাদের অনেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবির বলেন, বিমানবন্দরসহ উত্তরা এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করেই অপরাধীরা দ্রুত ঢাকার বাইরে চলে যায়। অনেক কষ্টে তাদের গ্রেফতার করলে অল্প সময়ে তারা জামিনে বের হয়ে ফের অপরাধে জড়াচ্ছে। তবে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকায় ডাকাতি অনেকাংশে কমেছে।

আরও পড়ুন: সন্দ্বীপে রোকেয়া মুজিবুল স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা ও পুরস্কার বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের বিরোধিতা উপেক্ষা করে হেলিকপ্টারে উড়ল তাইওয়ানের বিশাল পতাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


চীনের বিরোধিতা উপেক্ষা করে হেলিকপ্টারে উড়ল তাইওয়ানের বিশাল পতাকা

বিশ্বের অনেক স্থানে চীনের আপত্তির কারণে প্রকাশ্যে তাইওয়ানের পতাকা প্রদর্শন করা সম্ভব নয়। কিন্তু তাইওয়ানের সেনাবাহিনী রাজধানী তাইপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি চিনুক হেলিকপ্টারের নিচে বিশাল জাতীয় পতাকা উড়িয়েছে। ১০ অক্টোবর জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এটি ছিল একটি আকর্ষণীয় দৃশ্য।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর এই আয়োজন করে আসছে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী। চীনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে জাতীয় ঐক্য জোরদার করাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে চিনুক সিএইচ-৪৭এসডি মডেলের একটি হেলিকপ্টার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। হেলিকপ্টারের নিচে ঝোলানো ছিল ১৮ মিটার লম্বা ও ১২ মিটার চওড়া জাতীয় পতাকা। এ সময় জাতীয় সংগীতও পরিবেশিত হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন, যেখানে তিনি সরকারের নীতিগত লক্ষ্য এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন।

গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। তাইওয়ানের সঙ্গে অন্য দেশগুলোর যোগাযোগ সীমিত করতে বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের চেষ্টা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে তাইওয়ানের জাতীয় পতাকা প্রদর্শন বন্ধের চেষ্টাও এর অংশ।

অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তাইওয়ান ‘চীনা তাইপে’ নামে অংশগ্রহণ করে। সেখানে নিজেদের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে আলাদা নকশার একটি প্রতীক ব্যবহার করতে হয়। তাইওয়ান ও চীন—কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে অন্য পক্ষের সরকারকে স্বীকৃতি দেয় না।

তাইওয়ানের জাতীয় দিবসের আয়োজন সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চেয়ে চীনের তাইওয়ানবিষয়ক দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে দপ্তরটি কোনো জবাব দেয়নি। গত বছর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের ভাষণের পর চীন তাকে ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ ও ‘যুদ্ধবাজ’ বলে আখ্যা দিয়েছিল।

জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানের মহড়ায় অংশ নেওয়া হেলিকপ্টারের একজন চালক ৪০ বছর বয়সী লিন চ্যাং-চেং রয়টার্সকে বলেন, "জাতীয় পতাকা দেশের সার্বভৌমত্বের বাস্তব প্রতীক।" তাইপের সোংশান বিমানবন্দরে তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাইওয়ানকে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়। তাই জাতীয় পতাকা উড়তে দেখলে মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে।"

তবে তাইওয়ানের ভেতরেও জাতীয় পতাকা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বিশেষ করে যারা চীন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা পরিচয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে, তারা এই পতাকার প্রতীকী অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারপরও অনেকের কাছে আকাশে বিশাল পতাকা উড়তে দেখা একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। তাইপের উপকণ্ঠে মহড়া দেখছিলেন ৪৪ বছর বয়সী সিয়াও শাও-চুন। তিনি বলেন, "তাইওয়ানের পতাকা তার কাছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক।"

পতাকাটি হেলিকপ্টারের নিচে লম্বা ও ভারী একটি তারের সাহায্যে ঝোলানো হয়। এটি তৈরি করা হয়েছে প্যারাশুট তৈরিতে ব্যবহৃত একই ধরনের মজবুত ও হালকা উপাদান দিয়ে।

১৯১১ সালের এক বিদ্রোহের বার্ষিকী উপলক্ষে তাইওয়ানের জাতীয় দিবস পালন করা হয়। ওই বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে চীনের শেষ রাজবংশের পতন ঘটে। পরে প্রতিষ্ঠিত হয় চীন প্রজাতন্ত্র। ১৯৪৯ সালে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্টদের সঙ্গে গৃহযুদ্ধে পরাজিত হয়ে চীন প্রজাতন্ত্রের সরকার তাইওয়ানে চলে যায়। একই বছর কমিউনিস্টরা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। এখনো তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক নাম চীন প্রজাতন্ত্র।

শীতল যুদ্ধের সময় তাইওয়ানের জাতীয় দিবসের আয়োজন মূলত সামরিক শক্তি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে হতো। সে সময়ের ভাষণে চীনের মূল ভূখণ্ড পুনর্দখলের কথাও বলা হতো। তবে সময়ের সঙ্গে আয়োজনের ধরন বদলেছে। এখন তাইওয়ানের সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের পরিচিতি বাড়ানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন তাইপে ১০১-এ আতশবাজির প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ মডেলের পোস্টাল ভোটিংয়ের প্রতি আগ্রহী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ মডেলের পোস্টাল ভোটিংয়ের প্রতি আগ্রহী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী এবং দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের আওতায় এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বাংলাদেশে সম্পূর্ণরূপে তৈরি প্রযুক্তিভিত্তিক ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম’ বিশ্বের কাছে একটি নতুন উদ্ভাবন হিসেবে সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।

ইসির কর্মকর্তাদের মতে, অন্য কোনো দেশ যদি এ প্রযুক্তি গ্রহণ করে, তাহলে কারিগরি ত্রুটি-বিচ্যুতির টেকসই সমাধান সহজ হবে। এতে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং প্রযুক্তিটির গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।

ইসির ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান মন্তব্য করেন, ‘পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে এক অনন্য উদ্ভাবন। পুরোপুরি বাংলাদেশে তৈরি এই ব্যবস্থার বৈশ্বিক গুরুত্ব অনেক। নেপালের প্রতিনিধিদল স্বউদ্যোগে এসেছে এবং তারা এ বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক। শুধু নেপাল নয়, গত সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কা সফরকালেও আমরা তাদের আগ্রহ দেখেছি। দেশের তৈরি এমন একটি প্রযুক্তি বিদেশে সমাদৃত হওয়া প্রতিটি বাংলাদেশির জন্য গর্বের।’

সালীম আহমাদ খান আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার আলোকে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশনের একটি বড় সম্পদ, যা ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।’

নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজিব সুব্বা বাংলাদেশে অভিজ্ঞতা নিতে এসে বলেন, ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এই মডেল অত্যন্ত সফল। বাংলাদেশ ও নেপালের মতো দেশ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ থেকে কারিগরি সহায়তা পেলে আমরা সম্মানিত বোধ করব।

ড. রাজিব সুব্বা নেপালের আগামী প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ভোটিং চালু করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক নাগরিক প্রবাসে থেকে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখেন। নেপালের প্রেক্ষাপটও একই রকম। তাই দেশের বাইরে থাকা নাগরিকদের ভোটদান নিশ্চিত করতে আমরা ‘বাংলাদেশ মডেল’ গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আগে এই প্রযুক্তি পরীক্ষা করেছে বলে নেপাল ভুলগুলো এড়িয়ে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিতে পারবে।

নেপালি শ্রমিকদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করতে ভোটার শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার কথা জানান তিনি। এছাড়া ডাকযোগে কাগজপত্র আদান-প্রদানে বিলম্বের ঝুঁকি, কাঠমান্ডুতে পৌঁছাতে সময়ের অনিশ্চয়তা এবং সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকির বিষয়টিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।

ড. রাজিব সুব্বা সফরের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশে আসার মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিভিত্তিক পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া সরাসরি দেখা ও জানা। বাংলাদেশ দলের সঙ্গে এটি আমাদের তৃতীয় দফা আলোচনা। আমরা পরবর্তী দেড় বছরের মধ্যে যেকোনো একটি প্রাদেশিক নির্বাচনে এ ব্যবস্থা চালু করতে চাই।’

তবে, বাংলাদেশের মডেলটি হুবহু গ্রহণ করা হবে কিনা, তা গবেষণার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের মডেলটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে এটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে। সবচেয়ে বড় দিক হলো, এই প্রযুক্তির সফটওয়্যার, কোড ও নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিজের হাতে থাকে। প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হয় না, যা অন্যান্য ব্যবস্থার চেয়ে আলাদা।’

ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের কারিগরি সহায়তা ও অভিজ্ঞতা নিতে নেপাল নির্বাচন কমিশনের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অন্য চারজন নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ-এর নেতৃত্বে ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নেপালের প্রতিনিধিদল পোস্টাল ভোটিংয়ের অপারেশনাল ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. জানকী কুমারী তুলাধর, সচিব কৃষ্ণ প্রসাদ কাপরী, সিনিয়র কম্পিউটার অফিসার অনুপ নৌপানে, ডেপুটি অ্যাটর্নি কমলা কাফলে এবং ইউএনডিপির প্রতিনিধি প্রভাত কুমার।

ইসির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ১৫ লাখ ২৮ হাজার ১৩১ জন অনুমোদিত ভোটারের মধ্যে ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন ভোট দিয়েছেন (৮০.১১ শতাংশ)। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯২টি ভোট (৭৬.২৮ শতাংশ), যার মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭টি (৭০.২৫ শতাংশ)।

এর মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো ৪ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৬টি ব্যালটের মধ্যে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ২০৫টি রিটার্নিং কর্মকর্তা গ্রহণ করেন। অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) অবস্থানরত ভোটারদের কাছ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮৮টি ভোট গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল আরও ৭ ফিলিস্তিনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল আরও ৭ ফিলিস্তিনির

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী অন্তর্ভুক্ত আছেন। হামলার ফলে ১২ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার গাজা সিটির বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-সুদানিয়া, রাফাহর উত্তর-পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এবং খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালায়। এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গাজা সিটির বিভিন্ন এলাকায় ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। খবরটি আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে, গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমে আল-তাওয়াম এলাকার মিসরীয় ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়া একটি তাঁবুতে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় আহত মোহাম্মদ রাজাব ওয়ারশ আগা পরে মারা যান।

এদিকে, গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ইসরাইলি বিমান হামলায় এক নারী ও এক শিশু নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর আগে, ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উত্তরাঞ্চলীয় মাঠ হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শহরটির দক্ষিণাঞ্চলের তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলে আরও দুজন নিহত হন। আহত হন তিনজন, যাদের একজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক চিকিৎসক।

গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আমের প্রজেক্ট এলাকায় একটি তাঁবুতে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে প্রাণ হারিয়েছেন আহলাম মুবারক (৩০) নামের এক ফিলিস্তিনি নারী। আল-শিফা হাসপাতালের এক চিকিৎসক তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় তার স্বামী ও দুই সন্তান আহত হয়েছেন। স্বামীর অবস্থা গুরুতর।

এ ছাড়া, প্রায় এক সপ্তাহ আগে গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় আহত আহমেদ খামিস আবু নাজা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

গাজা সিটির উপকূলীয় এলাকায় ফিলিস্তিনি নৌযান ও উপকূল লক্ষ্য করে ইসরাইলি নৌবাহিনী গুলি এবং গোলাবর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। একইভাবে উত্তর-পশ্চিম গাজার আল-সুদানিয়া এলাকাতেও গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

দক্ষিণ গাজার রাফাহর উত্তর-পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে সাতজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর অবস্থান করা এলাকাগুলোতে আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন, বানি সুহেইলা গোলচত্বরের কাছে ইসরাইলি সেনাদের ছোড়া ধোঁয়া বোমা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের কয়েকটি তাঁবুতে আগুন ধরে যায়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত সম্মত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরাইলি হামলায় এক হাজার ৪৬৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ হাজার ১৬১ জন।

২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকায় স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে ইসরাইল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইলে হামলার পেছনে এই অবরোধকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ফিলিস্তিনি ও জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার। এসব পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়েছে, উপত্যকাটির প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা এখনো ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। পাশাপাশি, গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে মামলা চলছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধবিরতির কাঠামো ও আঞ্চলিক শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর অগ্রগতিতে পৌঁছায়নি। নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের শর্ত নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা কার্যত অচল হয়ে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় প্রতিদিনই ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে শিশুর সামনে মাকে গলাকেটে হত্যা, রোহিঙ্গা অভিযুক্ত গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


কক্সবাজারে শিশুর সামনে মাকে গলাকেটে হত্যা, রোহিঙ্গা অভিযুক্ত গ্রেফতার

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে কুলসুমা আক্তার (২২) হত্যার ঘটনায় মামলার সাতদিন পরে অভিযুক্ত মো. ইরফানকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে উখিয়ার কুতুপালং মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এপিবিএনের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ইরফান কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এর মৃত লেদু হোসেন ও জরিনা খাতুনের ছেলে।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সদর মডেল থানার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ইরফান ও কুলসুমা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুই বছরের একটি শিশুসহ ওই কক্ষে উঠেছিলেন। হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মমতাজ বেগম শিশুর কান্নার শব্দ শুনে কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় ওয়াশরুমে কুলসুমার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ইরফানকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে ১ অক্টোবর ইরফানকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। গোপন তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কুলসুমা কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পূর্ব চান্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আলমের মেয়ে। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ঈদগাঁও চাক্কার দোকান এলাকার হারুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন কুলসুমা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওই মামলার শুনানির তারিখ থাকায় তিনি ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরে আসেন।

স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, স্বামীর সঙ্গে বিরোধের পর ইরফানের সঙ্গে কুলসুমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে অন্য এক যুবকের সঙ্গে কুলসুমার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ ছিলেন ইরফান। ঘটনার দিন হোটেলে দুজনের মধ্যে মোবাইল ফোনে আসা একটি কল নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় বলেও সূত্রটির দাবি। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরফানকে আদালতে তোলার পর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যার কারণ জানার চেষ্টা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%