সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম দুই ভিত্তি কাউখালী কেজি ইউনিয়ন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও কাউখালী এসবি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এখন তীব্র শিক্ষক সংকটে জর্জরিত। সরকারি ঘোষণার প্রায় চার দশক পার হতে চললেও প্রতিষ্ঠান দুটি কখনোই পূর্ণাঙ্গ শিক্ষক কাঠামো পায়নি। বর্তমানে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন শিক্ষক-কর্মচারী সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, যার ফলে সাধারণ পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।প্রতিষ্ঠান দুটিতে মোট ৩৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে ২২টি পদই খালি। প্রায় ৯০০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১১ জন শিক্ষক। এছাড়া কর্মচারীদের ১০টি পদের বিপরীতে অধিকাংশ পদই খালি পড়ে আছে। পাঠদানের এই বেহাল দশায় অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে এবং সচ্ছল পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে শহরের দিকে পাড়ি জমাচ্ছে।শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান রক্ষায় অভিভাবক সমাজে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অভিভাবক এনামুল হক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশের সরকারি স্কুলগুলোতে কম-বেশি শিক্ষক সংকট থাকলেও কাউখালীর এই দুটি স্কুলের সংকট সবচেয়ে ভয়াবহ। এভাবে চলতে থাকলে কাউখালীর পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই শূন্যতায় ভেসে যাবে।অন্য এক শিক্ষার্থী অভিভাবক সানজিদা রেশমা ক্ষোভের সাথে জানান, শিক্ষকদের খালি পদগুলো অতি দ্রুত পূরণ করা না হলে সন্তানদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেবে কে? কাউখালী এসবি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৪৫৬ জন ছাত্রী থাকলেও ১৭টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ ১১টি পদই দীর্ঘদিন ধরে খালি। কর্মচারীদের ৪টি পদের সবকটিই শূন্য। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আকতার হোসেন হাওলাদার জানান, শিক্ষক না থাকায় বর্তমানে দুইজন অতিথি শিক্ষক দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে পাঠদান চালু রাখা হয়েছে।কাউখালী কেজি ইউনিয়ন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩৫ জন ছাত্রের এই বিদ্যাপীঠে ১৭ জন শিক্ষকের পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাপ্তরিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিজন হালদার বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান শিক্ষক সংকটের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টিতে পাঠদান দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন সংকট স্বীকার করে আশ্বাস দিয়েছেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই শিক্ষক সংকট দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি আশ্বাসের খাতা বন্ধ করে অবিলম্বে যেন শূন্য পদে শিক্ষক পদায়ন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হেলেনা জেরিন খান এমপির সঙ্গে শিবচর উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিবচর উপজেলা পরিষদের ময়নাকাটা সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফাতেমা মেহজাবিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামানসহ উপজেলার সকল দপ্তরের প্রধানরা।
এ ছাড়া শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাহাদাত হোসেন খান, সদস্য সচিব সোহেল রানা, মাদারীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জামিনুর রহমান মিঠুসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪০ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছেন নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) এবং টাস্কফোর্সের সদস্যরা।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে শহরের বষাইল এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মূর্তি দুটি উদ্ধার করা হয়।
তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর ভারপ্রাপ্ত অ্যাডজুডেন্ট বিজিডিও-২৬৬ এডি মো. দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল গঠন করা হয়। এই টহলদলে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক কান্ত বর্মন এবং পুলিশের এসআই মো. হারুনও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অভিযানে ২৮ কেজি ১৫০ গ্রাম ও ১২ কেজি ১৫০ গ্রাম ওজনের দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উক্ত মূর্তিগুলোর মোট ওজন ৪০ কেজি ৩০০ গ্রাম।
নওগাঁ ব্যাটালিয়নের এডি মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, উদ্ধারকৃত মূর্তি দুটি বর্তমানে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের কোয়ার্টার গার্ডের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাকশন বা হরর সিনেমার বাইরে, দর্শকদের জন্য থ্রিলের অভিজ্ঞতা দিতে পারে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বা মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার। এই ধরনের সিনেমার মূল শক্তি হলো মানুষের মনে জটিলতার জাল খুলে ফেলা। এটি দর্শককে এমন পরিস্থিতিতে নিয়ে আসে যেখানে প্রশ্ন ওঠে—কাকে আসলে বিশ্বাস করা যায়? বিপদ কি বাইরের, নাকি সবটাই নায়কের মনে তৈরি করা একটি খেলা? মানুষের মন নিয়ে খেলা এবং দক্ষ গল্প বলার কারণে এই সিনেমাগুলো দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
দুর্দান্ত গল্প, অসাধারণ অভিনয় এবং অবাক করা টুইস্টের জন্য সিনেমাপ্রেমীদের জন্য উপস্থাপন করা হলো ১০টি সেরা মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারের তালিকা।
গন গার্ল : বিয়ে, মিডিয়া ও চরম বিষাক্ত সম্পর্কের ফাঁদ
অ্যামি নামের এক নারী তার পঞ্চম বিবাহবার্ষিকীতে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। তার স্বামী নিকের ওপর পড়ে সন্দেহের আঙুল। মিডিয়া দ্রুত এই ঘটনাকে রিয়্যালিটি শোতে পরিণত করে এবং নিকের সামান্যতম ভুল আচরণ বা এক চিলতে হাসিকে বিকৃত করে তাকে খুনি বানিয়ে ফেলে। কিন্তু গল্পের মাঝপথে আসল সত্য উদঘাটিত হয়—এটি নিখোঁজ হওয়ার গল্প নয়, বরং এক ঠাণ্ডা মাথার প্রতিশোধের ফাঁদ। ভালোবাসার পরিবর্তে, একে অপরকে গভীরভাবে ঘৃণা করা এবং সমাজের সামনে নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখার জন্য দুই মানুষ কিভাবে এক বিষাক্ত সম্পর্কের জালে আটকে থাকে, সেটিই এই সিনেমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গেট আউট : দৈনন্দিন সামাজিকতার ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফাঁদ
বান্ধবী রোজের অভিজাত পরিবারে বেড়াতে গিয়ে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ক্রিস এক অস্বস্তিকর পরিবেশের মুখোমুখি হয়। চায়ের কাপে চামচের টুংটাং শব্দ, মানুষের রহস্যময় হাসি কিংবা অদ্ভুত আচরণ—বাস্তব জীবনের এই সাধারণ মুহূর্তগুলোকে গল্পে ভয়ংকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সম্মোহন ও মানসিক ফাঁদ থেকে বেঁচে বের হওয়ার এই লড়াই আধুনিক থ্রিলারের অন্যতম সেরা ছবি।
দ্য গিফট : যখন ভদ্রতাই হয়ে ওঠে মানসিক কারাগার
সাধারণ একটি সামাজিক অস্বস্তি দিয়ে গল্পের শুরু। নতুন জীবন শুরু করা সাইমন ও রবিন দম্পতির জীবনে হঠাৎ আগমন ঘটে সাইমনের হাইস্কুল বন্ধু গর্ডোর। অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অতীত যখন সামনে আসে, তখন সাইমনের বিষাক্ত রূপ বেরিয়ে পড়ে। গর্ডোর অদ্ভুত প্রতিশোধ সাইমনকে কোনো সমাধান দেয় না, বরং এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে তাকে সবচেয়ে বড় মানসিক শাস্তি দেয়।
এনিমি : চেহারার হুবহু মিল ও পরিচয়ের সংকট
অ্যাডাম নামের এক ভীতু ও অন্তর্মুখী শিক্ষক হঠাৎ সিনেমায় নিজের হুবহু এক প্রতিরূপকে দেখতে পান, যার নাম অ্যান্টনি। বাহ্যিকভাবে এক হলেও ব্যক্তিত্বে তারা সম্পূর্ণ বিপরীত। দুজনের জীবনের এই মুখোমুখি সংঘর্ষে বাস্তবতা ও রূপকের সীমানা মুছে যায়। পরিচয় ও নিজের ভেতরের গোপন রূপকে মেনে নেওয়ার এই গল্প যেন এক অদ্ভুত দুঃস্বপ্নের মতো।
দ্য ইনভিজিবল ম্যান : বিষাক্ত সম্পর্ক ও অদৃশ্য আতঙ্কের গল্প
পুরোনো অদৃশ্য-মানুষের ধারণাকে আধুনিক নির্যাতনের গল্পে রূপ দিয়েছেন পরিচালক লি হোয়ানেল। অত্যাচারী সঙ্গীর ঘর থেকে পালিয়ে আসার পরও সিসিলিয়ার জীবন থেকে ভয় কাটে না। খালি ঘর, নীরবতা আর দরজার কোণগুলো প্রতিটি মুহূর্তে মনে করিয়ে দেয়—অদৃশ্য কেউ তার প্রতিটি পদক্ষেপে নজর রাখছে। এটি কোনো সায়েন্স ফিকশন নয়, বরং বিষাক্ত সম্পর্কে আটকে থাকা মানুষের এক বাস্তব মনস্তাত্ত্বিক ভয়।
নকটার্নাল অ্যানিম্যালস : পাণ্ডুলিপির আড়ালে লুকানো তীব্র প্রতিশোধ
প্রাক্তন স্বামী এডওয়ার্ডের কাছ থেকে একটি পাণ্ডুলিপি পায় সুসান। বইটির পাতা খুলতেই সে প্রবেশ করে টেক্সাসের হাইওয়েতে ঘটে যাওয়া এক নির্মম ও নারকীয় গল্পের ভেতর। সুসানের বিলাসবহুল কিন্তু একঘেয়ে জীবনের পাশে উপন্যাসটির প্রতিটি পৃষ্ঠা হয়ে ওঠে অনুঘটক, স্বীকারোক্তি ও শাস্তির দলিল। কোনো ধরনের সশরীরে উপস্থিতি ছাড়াই কেবল অনুপস্থিতির মাধ্যমে জয়ী হওয়ার এক চরম শীতল প্রতিশোধের গল্প এটি।
শাটার আইল্যান্ড : সত্য ও অপরাধবোধের চরম দ্বন্দ্বে বেঁচে থাকা
মানসিক রোগীদের আশ্রমে নিখোঁজ এক রোগীর সন্ধানে যান তদন্তকারী টেডি ড্যানিয়েলস। তবে পুরো তদন্তের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক করুণ বাস্তব। মূলত নিজের অতীত ও অপরাধবোধ থেকে বাঁচতেই টেডি এই তদন্তের জাল বুনেছিলেন। গল্পের শেষে সত্যকে গ্রহণ করার পরও অপরাধবোধ নিয়ে না বেঁচে নিজেকে হারিয়ে ফেলার সিদ্ধান্তটি দর্শককে স্তব্ধ করে দেয়।
দ্য হ্যান্ডমেইডেন : ছলনা আর অভিনয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা
ধনী লেডি হিদেকোকে প্রতারণা করে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তার পরিচারিকা হয়ে আসে সুক-হি। কিন্তু গল্প এগোতেই জানা যায়—আপনি যা দেখছেন, তার পুরোটাই মিথ্যা। প্রতিটি চরিত্রই মনে করে তারা অন্যকে ব্যবহার করছে, অথচ শেষ পর্যন্ত নারীরাই নিজেদের অভিনয়কে মুক্তিতে রূপান্তরিত করে। পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে নিজেদের জীবনের রচয়িতা হয়ে ওঠার এক নিখুঁত মনস্তাত্ত্বিক খেলা এটি।
প্রিজনার্স : সন্তানের খোঁজে একজন বাবার দানবে রূপান্তর
মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর একজন বাবা (কেলার) কতটা চরম সীমায় যেতে পারেন, তাই নিয়ে এই ছবি। ভালোবাসা, ভয় ও ধর্মের দোহাই দিয়ে কেলার এক সন্দেহভাজন যুবককে ধরে নিজেই অত্যাচার শুরু করে। কিন্তু সন্তানের জীবনের জন্য ব্যাকুল এই বাবা শেষ পর্যন্ত নিজেই এক দানবে পরিণত হয়। অন্যদিকে একজন তদন্ত কর্মকর্তার সত্যের পেছনে ছোটা—সব মিলিয়ে এটি অভিভাবকত্বের এক চরম হতাশার গল্প।
ব্ল্যাক সোয়ান : নিখুঁত হওয়ার অদম্য বাসনা ও নিজেকে ধ্বংস করা
শৈল্পিক নিখুঁত ভাব কীভাবে শারীরিক ও মানসিক আতঙ্কে রূপ নেয়, তা ফুটে উঠেছে বালরিনা নিনার চরিত্রে। ‘সোয়ান কুইন’ হওয়ার অদম্য চাপ, মায়ের শাসন আর প্রতিদ্বন্দ্বীর ভীতি নিনার ভেতরের বাস্তবের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেয়। নিখুঁত হওয়ার সংজ্ঞায় নিজেকে সঁপে দিতে গিয়ে ধীরে ধীরে উন্মাদনার অতলে তলিয়ে যাওয়ার এক অপূর্ব চিত্রায়ন এই সিনেমা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফারহান আলী ওয়াহিদ স্বপ্নের ছোঁয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। বাংলাদেশ দলে প্রথমবারের মতো ডাক পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এই উইঙ্গার। আসিয়ান কাপে অভিষেকের জন্য তিনি রোমাঞ্চিত।
ইন্দোনেশিয়ায় টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়ার আগে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন ফারহান। তিনি জানান, দেশ ও জাতির প্রতিনিধিত্ব করা একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। উইঙ্গার বলেন, “এটা দারুণ ছিল। নিজের দেশ, নিজের জাতি এবং নিজের ব্যাকগ্রাউন্ডকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য খুবই রোমাঞ্চকর। সমর্থকদের কাছ থেকেও প্রচুর সমর্থন পাচ্ছি। শুরু করার জন্য আমি সত্যিই মুখিয়ে আছি।”
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। তিনি অনূর্ধ্ব-১২ পর্যায়ে চেলসি থেকে ফুলহামের একাডেমিতে যোগ দেন। ফুলহামের বয়সভিত্তিক দলের পর তিনি অনূর্ধ্ব-২১ দলেও খেলেছেন। গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ-২ তে ৬ গোল করার পাশাপাশি ৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন। বর্তমানে তিনি পঞ্চম স্তরের ক্লাব বোরহামউডের হয়ে ধারে খেলছেন।
ফারহান বাংলাদেশ দলে সুযোগ পেয়েছেন তার দাদা-নানার পরিচয় সূত্রে। তবে তার বাবা-মার জন্মও ইংল্যান্ডে। শেকড়ের টানে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। এই ভালোবাসায় নিজেও অভিভূত। ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার বলেন, “এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। যেভাবে সমর্থন পাচ্ছি, তা অসাধারণ, অবাস্তব বলে মনে হয়। শুরুতেই এ ধরনের সমর্থন পাওয়া আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করতে উৎসাহিত করে।”
বাংলাদেশের আসিয়ান কাপে অভিযান আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে। প্রতিপক্ষ মালেশিয়ার বিপক্ষে ফারহানের অভিষেক হতে পারে। অভিষেক হোক বা না হোক, দলের জয়ের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী। ফারহান বলেন, “ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত। আশা করি, আমরা সেখানে গিয়ে জয়লাভ করতে পারবো।”
আসিয়ান কাপে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হচ্ছে সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ