বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৪৩ পি.এম
কাতার পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মিসরের এল আলামেইনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জসিম আল থানি এই কথা জানান।
তিনি এ সময় বলেন, সংঘাতে জড়িত কোনো পক্ষই যেন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে অন্য পক্ষকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ বা চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই যুদ্ধের পরিণতি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যান্য অংশের জন্যও গুরুতর হয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন, পরিস্থিতি যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে যেকোনো ধরনের হুমকি ও নৌ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার ঘটনাকে আমরা নিন্দা জানাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর, বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানান অলি আহমদ।
তিনি এই সময় বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করি।’
অলি আহমদ আরও বলেন, ‘দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় আমরা উভয়ে একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সুতরাং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে আমাদের বিশ্বাস ও অঙ্গীকার অভিন্ন।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে অলি আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দীর্ঘদিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন থেকেছে। ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে বিকল্প নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি জাতীয় সংসদ ও জনগণের সামনে বিবেচিত হওয়ার সুযোগ ছিল না। ৩৫ বছর পর এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অন্তত সেই সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে এসেছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের সমর্থনে প্রার্থী হয়েছিলেন কর্নেল ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম (অব.)। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর অলি আহামদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ভোট প্রদানে বিরত থাকেন ছয় সংসদ সদস্য।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মোছা. নার্গিস খাতুনের নামে সাত ধাপে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৬২৬ টাকা তোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৬ টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা দেওয়া হয়নি।
সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের পর তিনিই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ব্যয় করেছেন। রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়-সংক্রান্ত নথির বরাতে সমকাল এসব তথ্য জানিয়েছে।
নথি অনুযায়ী, নার্গিস খাতুনের নামে রাকসু গেমস আয়োজনের জন্য দুই ধাপে ১২ লাখ ৭২ হাজার ৩৪০ টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত মে মাসে আয়োজিত আরেকটি ইভেন্টের দুই ধাপে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৮৬ টাকা নেওয়া হলেও এর হিসাব জমা দেওয়া হয়নি।
গত মাসে শুরু হওয়া রাকসু গেমসের ছয়টি ইভেন্ট অবশ্য এখনো চলমান।
বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে ক্রীড়া সম্পাদক মোছা. নার্গিস খাতুন বলেন, ‘বিল তৈরি আছে। যে কোনো সময় জমা দিয়ে দেব।’
এদিকে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়-সংক্রান্ত একটি নথি থেকে জানা গেছে, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে রাকসুর তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি।
সমকালের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের নামেও সাত ধাপে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা তোলা হয়েছে। এর মধ্যে তিন ধাপের ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ব্যয়ের ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার সময় বুথ স্থাপন, রাকসু সদস্যদের বাজেট এবং দাপ্তরিক খরচ বাবদ এসব অর্থ নেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে আম্মার বলেন, ভর্তি পরীক্ষার ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা না থাকায় বিল সমন্বয়ে সমস্যা হয়েছে। পাশাপাশি একজন সদস্য হিসাব না দেওয়ায় সম্মিলিত বাজেটের হিসাব জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদের নামে ছয় ধাপে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা তোলা হলেও ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকার হিসাব জমা হয়নি।
এ বিষয়ে জাহিদ জানান, বিল-ভাউচার দ্রুত জমা দেওয়া ভালো। তবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এবং অডিটের আগে হিসাব জমা দিলেও হবে। এর আগেই তিনি ভাউচার জমা দেবেন বলে জানান।
সমকালের তথ্য অনুযায়ী, বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক ইমরান লস্কর ছয় ধাপে ৮ লাখ ৪২ হাজার ৭৬৫ টাকা তুলেছেন। এর মধ্যে একটিতে ঘাটতিসহ দুই ধাপে খরচের ভাউচার জমা দিয়েছেন। সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হোসেন জোহার নামে তিন ধাপে সাত লাখ ৯৫ হাজার টাকা নেওয়া হলেও একটি কর্মসূচির চার লাখ ৬৫ হাজার টাকার হিসাব দেওয়া হয়নি। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিএম নাজমুল সাকিবের নামে তিন ধাপে তিন লাখ ৯৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মুজাহিদ ইসলামের নামে তিন ধাপে এক লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৮ টাকার মধ্যে এক ধাপের এক লাখ টাকার ভাউচার জমা হয়নি। মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সায়িদা হাফসার নেওয়া দুই ধাপের এক লাখ ৮৮ হাজার ২৭৬ টাকার মধ্যে মে মাসে আয়োজিত নারী উদ্যোক্তা মেলা বাবদ এক লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার কোনো হিসাব জমা পড়েনি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তোফা দুই ধাপে মোট ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে জুলাইয়ে নেপালে শিক্ষাবিষয়ক একটি সেমিনারে অংশগ্রহণ বাবদ ৩৭ হাজার ৫00 টাকার হিসাব জমা দেননি।
গত জুলাই মাসে পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের একটি সেমিনারের জন্য নেওয়া ৮২ হাজার টাকার ভাউচার দেওয়া হয়নি। রাকসুর এজিএস এসএম সালমান সাব্বির ৫ মার্চ দাপ্তরিক খরচ বাবদ ৬০ হাজার টাকা নেন। এর আগে কম্পিউটার প্রিন্টার কেনার জন্য অন্য এক নেতার নেওয়া এক লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকার হিসাবও জমা হয়নি।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমান বলেন, কোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচার জমা দেওয়া উচিত। কিছু বিল-ভাউচার এখনো জমা না পড়ায় সংশ্লিষ্টদের নিয়ম মেনে তা জমা দিতে বলা হয়েছে।
রাকসুর তহবিলের ব্যয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনও প্রশ্ন তুলেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, রাকসুর তহবিলের অর্থ শিক্ষার্থীদের চাঁদা থেকে আসে। তাই এ অর্থ রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতुल বলেন, এসব ব্যয়ের বিষয়ে তদন্ত হওয়া দরকার এবং কেউ দোষী হলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়ার বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকা জরুরি।
রাকসুর তহবিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অর্থ ব্যয় করলে অবশ্যই বিল-ভাউচার জমা দিতে হবে। রাকসুকেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রতিটি সভায় হিসাবের স্বচ্ছতা বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিনি বলেছেন, "প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।"
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক এমন মন্তব্য করেন গত বৃহস্পতিবার দুপুরে, কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে গিয়ে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথাগুলো বলেন।
নুরুল হক উল্লেখ করেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তিনি বলেছেন, "বিষয়টি নিয়ে এখন নির্বাচিত সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই উগ্রবাদী সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।"
নুরুল হক আরও বলেন, জামায়াত সুযোগ পেলে আ.লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল।"
তিনি যুক্ত করেন যে, ওই ইতিহাস ও কর্মকাণ্ডের বিচারে জামায়াত-শিবিরকেও নিষিদ্ধ করা দরকার। নাহলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে এবং বৈশ্বিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি অভিযোগ করেন, অতীতে মজলুমের ভূমিকায় থাকলেও বিগত কয়েক মাসে জামায়াত-শিবির জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা দেশে ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে রগকাটা, দখলদারিত্ব ও তাণ্ডবের পুরোনো ইতিহাস ফিরিয়ে আনছে।
এছাড়া নুরুল হক বলেন, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা দখলের চেষ্টায় জামায়াত বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
তিনি ওয়াজ ও জুমার খুতবায় বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য মাওলানা আমির হামজারের সমালোচনা করে বলেন, "এই ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমর্থনে জামায়াতের বিবৃতি তাদের নৈতিক অধঃপতনকে স্পষ্ট করে।" তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহারের সমালোচনা করেন এবং দলটির নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর নিউমার্কেট থানা এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার মধ্যে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দ মোনালিসা ইসলামের তিনদিনের রিমান্ড রাজধানী ঢাকার একটি আদালত মঞ্জুর করেছেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ১২ আগস্ট এই মামলায় মোনালিসা ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। পরদিন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে এই শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় আসামিদের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান।
এ ঘটনায় আব্দুল ওয়াদুদ এর শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যার মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ঢাকার ইস্কাটন রোডের একটি বাড়ি থেকে মোনালিসা ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ