মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩১ পি.এম
রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর ধারাবাহিক অভিযানে সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এবং নীলফামারীর ডিমলা সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় গোল কাঠ এবং ২ হাজার ৩৯০ কেজি চুইঝালসহ মোট ২০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি। তবে টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পণ্য ফেলে পালিয়ে যায়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কালিগঞ্জ বিওপির একটি টহল দল নায়েব সুবেদার মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ৭৯৪/৬-এস থেকে প্রায় এক হাজার গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঝাড়সিংহেশ্বর কাঁচা রাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
টহল দলের গতিবিধি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ভারতীয় গোল কাঠ ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাঠগুলো উদ্ধার করে।
এরপর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কুচলিবাড়ী বিওপির টহল দল সুবেদার মো. সলেমান আলীর নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ৮০২/১৭-আর থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জুম্মারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময়ও বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা বিপুল পরিমাণ পণ্য ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ২ হাজার ৩৯০ কেজি ভারতীয় চুইঝাল উদ্ধার করা হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, এসব চুইঝালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।
দুই অভিযানে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় গোল কাঠ এবং চুইঝালের মোট সিজার মূল্য ২০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ এফ এম জুলকার নাঈন পৃথক অভিযানে এসব ভারতীয় পণ্য উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার করা পণ্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের পাঁচটি পদের মধ্যে চারটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে অফিসের স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। জরিপের কাজে একমাত্র কর্মকর্তা বাইরে গেলে প্রায় সময়ই অফিস তালাবদ্ধ রাখতে হয়।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, জুনিয়র পরিসংখ্যান অফিসার ও চেইনম্যানসহ মোট চারটি পদ শূন্য রয়েছে। বর্তমানে মাত্র একজন ‘পরিসংখ্যান তদন্তকারী’ হিসেবে কর্মরত মোঃ আসাদুজ্জামানই পুরো অফিসের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দাপ্তরিক কাজ এবং পরিচ্ছন্নতা সব দায়িত্বই একা সামলাতে হচ্ছে তাঁকে।
মাঠপর্যায়ের জরিপ ও দাপ্তরিক কাজের জন্য কর্মকর্তা বাইরে গেলে অফিস বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ফলে সেবা নিতে এসে বারবার ঘুরে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ফিরোজ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরি কাজে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে। বাধ্য হয়ে সেবা না নিয়েই বাড়িতে ফিরে আসতে হয়েছে। প্রায় সময়ই এই অফিসটি তালাবদ্ধ থাকে বলে শুনছি।
এ বিষয়ে বর্তমানে একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিসংখ্যান তদন্তকারী) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, চরম জনবল সংকট রয়েছে। পুরো অফিসের সব দায়িত্ব একাই পালন করতে হচ্ছে। দাপ্তরিক কাজ ছাড়াও জরিপের কাজে আমাকে প্রায়ই উপজেলার বিভিন্ন স্থান ও জেলায় যেতে হয়। অফিসে কোনো অফিস সহকারী বা এমএলএসএস না থাকায় আমি বাইরে গেলে বাধ্য হয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে যেতে হয়। অন্তত একজন পিয়ন বা এমএলএস থাকলেও অফিসটা খোলা রাখা যেত।
জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, কাউখালী উপজেলা অফিসের জনবল সংকটের কথা আমরা অবগত আছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোজপুরি সিনেমার অভিনেতা এবং গায়ক মনোজ তিওয়ারীর কন্যা রীতি তিওয়ারী। এই পরিচয়টি তার জন্য প্রধান ছিল। তবে ‘বিগ বস ২০’-এ অংশগ্রহণের পর, নিজের কথাবার্তা, আচরণ এবং ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি আলোচনায় আসেন। ২৫ বছর বয়সী রীতির পরিচয় এখন আর শুধুমাত্র ‘মনোজ তিওয়ারীর মেয়ে’ নয়। বিতর্কের কারণে তিনি বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছেন, যদিও তা ইতিবাচক নয়।
কখনো সহপ্রতিযোগীর সঙ্গে তর্কে জড়ানো, কখনো বিতর্কিত মন্তব্য করা, আবার কখনো নিজের আর্থিক সমস্যার কথা শেয়ার করা— এসব বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন রীতি তিওয়ারী।
রীতির জন্ম ২০০১ সালের ২৩ জুন। তিনি মুম্বাইয়ের জমনাবাই নরসি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই গান শেখার পাশাপাশি গিটার বাজানোও তার শখ।
গান ছাড়াও, ব্যবসার ক্ষেত্রেও যুক্ত রয়েছেন রীতি তিওয়ারী। তিনি একটি ক্রীড়াসামগ্রী সংস্থার মালিক। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, গান এবং অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে।
রীতির সাম্প্রতিক কথাবার্তায় তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। ‘বিগ বস’-এর ঘরে তিনি জানিয়েছেন, বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময় তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। সেই সময় বাবার ফোন আসলে তার সঙ্গে কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ত। বছরে একবার বাবার সঙ্গে দেখা হতো বলেও তিনি দাবি করেন।
রীতি তিওয়ারী বলেন, মাসে ‘মাত্র’ ২০-২৫ হাজার টাকা হাতখরচ পেতেন তিনি। এই টাকা দিয়ে তার জীবনযাপন করা বেশ কঠিন ছিল। কখনো দিনে দুবার মাত্র ১০ টাকার বড়া খেয়ে কাটাতে হয়েছে তাকে। এমনকি প্রয়োজন হলে গাড়িতে ‘মাত্র’ ৫০০ টাকার তেল ভরাতেন বলেও জানান তিনি।
নিজের ক্যারিয়ার গঠনের সময় বাবার কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য না পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন মনোজকন্যা। রীতি বলেন, তার বাবা তাকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন— নিজের প্রতিভা থাকলে নিজের যোগ্যতায় ক্যারিয়ার তৈরি করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাবার পরিচয় তাকে সামাজিক সম্মান দিয়েছে, তবে বাবার অর্থ বা সুযোগ-সুবিধা তিনি তার ক্যারিয়ার তৈরিতে ব্যবহার করেননি।
অন্যদিকে, রীতির হাতখরচ সংক্রান্ত বক্তব্যের পর নতুন করে বিতর্ক শুরু করেন পাঞ্জাবি গায়ক একম বাওয়া। তিনি নিজেকে রীতির মায়ের সাবেক সঙ্গী হিসেবে পরিচয় দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি রীতির মা রানি তিওয়ারীর সঙ্গে একই বাড়িতে ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয় এবং ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেই দাম্পত্য বজায় ছিল বলে জানান একম বাওয়া।
একম বাওয়া আরও জানান, রীতির কাছে চার-পাঁচ লাখ টাকার ব্যাগ রয়েছে, দামি গাড়ি, মুম্বাইয়ে সম্পত্তি রয়েছে এবং একটি ক্রীড়াসামগ্রী সংস্থার কথাও বলেন তিনি। তবে এই দাবি মেনে নেননি রীতির টিম সদস্যরা। পাল্টা জবাব দিতে তারা আইনি পথে হাঁটছেন বলে জানা গেছে।
‘বিগ বস’-এর ঘরে রীতির আচরণ নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। কাজী তৌকীরের সঙ্গে তর্কের সময় ব্যক্তিগত মন্তব্য, কটু ভাষা এবং পরে বাবার নাম করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কাজীর সঙ্গে বিবাদের কারণে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে রীতির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
শেষ পর্যন্ত ‘উইকঅ্যান্ড কা ওয়ার’-এ রীতিকে সরাসরি বকুনি দেন সালমান খান। তিনি রীতির ভাষা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রীতির বিরুদ্ধে কাজী ও উদিতি সিংকে নিয়ে করা ব্যক্তিগত মন্তব্যের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। এমনকি মনোজ তিওয়ারীর কন্যা হিসেবে বাবার সম্মানের কথাও মনে করিয়ে দেন সালমান খান। সালমান স্পষ্টভাবে বলেন যে, কাজী তৌকীরকে হিংসে করেন রীতি।
বিতর্ক শুধু কথাবার্তা বা আচরণে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ঘরের মধ্যে রীতি তিওয়ারীর গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে নানা মশকরা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা। জানা গেছে, ৩৭ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী খুব শিগগিরই সাতপাকে বাঁধা পড়তে যাচ্ছেন। তবে পাত্র অভিনয় জগতের কেউ নন, তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা, যার নাম সিদ্ধার্থ। মিমি চক্রবর্তী নিজের নতুন জীবন শুরুর বিষয়টি নিয়ে রহস্য জিইয়ে রেখেছেন।
রুপালি পর্দায় অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বিনোদন দুনিয়ার বাইরে গিয়ে নৌবাহিনীর কর্মকর্তার সঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর নতুন অধ্যায় শুরু—এমন গুঞ্জনে টালিপাড়াসহ বিনোদন জগতে জোর আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে, খুব শিগগিরই অভিনেত্রী এই বিশেষ খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করবেন।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের দুর্গাপূজার পরেই আইনিভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন মিমি চক্রবর্তী। এরপর আগামী নভেম্বরে রেজিস্ট্রি এবং ডিসেম্বরে বসবে তাদের বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এমনকি পরিবার-পরিজন ও ঘনিষ্ঠদের মধ্যে বিয়ের আমন্ত্রণপত্র বিতরণের কাজও শুরু হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, বর্তমানে অভিনেত্রী ব্যস্ত রয়েছেন নিজের নতুন সিনেমা ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’-এর প্রচারে। সম্প্রতি সিনেমাটির গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে সেখানেই তার বিয়ের প্রসঙ্গ ওঠে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মিমির বিয়ের খাবারের তালিকা নিয়ে রসিকতায় মেতে ওঠেন ছবির নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি।
এ বিষয়ে মিমি চক্রবর্তীর প্রশ্ন ছিল—‘আমার বিয়ে নিয়ে কথা কেন হচ্ছে?’ জবাবে নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি বলেন, তিনি মিমির বিয়ে নিয়ে নয়, মূলত বিয়ের খাবারের পদ নিয়েই কথা বলছেন।
মিমির বিয়ের খবর কিংবা পাত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক সৃজিত বলেন, ‘লোকে বলছে কার সঙ্গে বিয়ে হবে, কিন্তু আমার চিন্তা অন্যখানে। আমি ভাবছি—বিয়ের মেন্যুতে ফিশ ওরলি থাকবে কিনা। তিনি বলেন, আমার কিন্তু মেন্যু নিয়েই চিন্তা। ফিশ ফ্রাই যদি হয়, তবে ফিশ ওরলি থাকবে কিনা। মাটন হলে সেটি কি ভুনা হবে, নাকি কষা—এসব ভাবছি।’
সৃজিতের এমন মন্তব্য শুনে কিছুটা অবাক হয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি তো নিরামিষাশী মানুষ।’ অভিনেত্রীর মুখে নিরামিষের কথা শুনে অবাক হয়ে সৃজিত বললেন, ‘তোর বিয়েতে আমিষের কোনো আয়োজন থাকবে না? তুই বল, গণমাধ্যমের সামনে তুই বল তোর বিয়ের মেন্যুতে আমিষ থাকবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার সম্প্রতি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে তিনি নিজের অতীত সম্পর্ক, বিচ্ছেদ এবং সাবেক স্বামী শরীফুল রাজকে নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
সাক্ষাৎকারে পরীমনি উল্লেখ করেন যে, রাজকে বিয়ে করা কিংবা জীবনের অন্য কোনো সিদ্ধান্তকে তিনি ভুল হিসেবে মনে করেন না। তার কাছে জীবনের প্রতিটি ঘটনা একটি আলাদা অভিজ্ঞতা। তবে, সম্পর্কের বিচ্ছেদের পদ্ধতি নিয়ে তার কিছু আক্ষেপ রয়েছে।
তিনি বলেন, রাজের আগে যেসব সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছিল, সেসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় ছিল। বিচ্ছেদের পরেও যেন কোথাও দেখা হলে অস্বস্তি তৈরি না হয়, সেই ভাবনা থেকেই তারা সম্পর্কের ইতি টেনেছিলেন। কিন্তু শরীফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই ভিন্ন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, যার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার কথা ছিল, সেই সাবেক স্বামীর কাছ থেকেই তিনি সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছেন। তার মতে, তাদের বিচ্ছেদ আরও সুন্দর ও সম্মানজনকভাবে হতে পারত।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে শরীফুল রাজ ও পরীমনি বিয়ে করেন। ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ছেলে শাহীম মোহাম্মদ পুণ্যকে তিনি নিজের কাছে রেখেছেন। পরবর্তীতে সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম নামে একটি কন্যাশিশুকেও দত্তক নেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ