০৬:৩৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রধান সমস্যা হলো ইরানের, যে ওয়াশিংটনের ‘পরিবর্তনশীল ও পরস্পরবিরোধী অবস্থা’ রয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এমন সমস্যা থাকলেও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বাঘাই বলেন, ‘এই প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার প্রধান সমস্যা হলো, আপনাকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন, লক্ষ্য বদলানো, ভিন্ন ভিন্ন বিবৃতি এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার পরস্পরবিরোধী মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয়, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য করে তোলে।’
আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
তিনি আরো বলেন, ‘বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে, কিন্তু মূল বিষয় হলো আমেরিকানদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, তাদের ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। যার মধ্যে আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।’
‘একই সাথে, যখন তারা আমাদের আটকে রাখা সম্পদ নিয়ে আলোচনা করছে, তখন তারা আমাদের কোনো ছাড়ের ব্যাপারে কিছু জানায়নি,’ বাঘাই বলেছেন।
ইরান অনেক দিন থেকেই বিদেশি ব্যাংকে জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের সম্পদ মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মত হতে হবে বলে দাবি করছে।
এদিকে, সিএনএন রোববার জানিয়েছে যে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের চিন্তাভাবনা নিয়ে পরিচিত একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য ইরানি সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা করছে।
আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের
মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা এবং জব্দকৃত সম্পদের বিষয়ে বলতে গেলে, তাদের কেবল ইরানি সম্পদগুলো মুক্ত করে ইরানিদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।’
বাঘাই আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক এবং এর পুরো কারণ হলো এই অঞ্চলের প্রতি এবং মূলত যুদ্ধবিরতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া মনোভাব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন