বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:০১ পি.এম
ভারতের তথ্য ও দর্শক পরিমাপকারী প্রতিষ্ঠান নিলসেন তাদের কার্যক্রমকে বৈশ্বিক উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দেশটিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মী সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি, যা তাদের বৈশ্বিক কর্মী সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত কেন্দ্রটি নিলসেনের সবচেয়ে বড় কর্মকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
নিলসেনের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা অনিল গোয়েল মানিকন্ট্রোলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক উদ্ভাবন কার্যক্রমের প্রায় ৭৫ শতাংশই ভারত থেকে পরিচালিত হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের তথ্য বিশ্লেষণ স্বয়ংক্রিয় করা, খেলাধুলায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা পর্যবেক্ষণ এবং বিচ্ছিন্ন ও বহুমাধ্যমনির্ভর পরিবেশে দর্শক পরিমাপের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হচ্ছে।
গোয়েল বলেন, ‘আমরা ভারতে আমাদের কার্যক্রমকে কখনোই শুধু বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্র (জিসিসি) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করিনি। শুরু থেকেই এটিকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য ছিল।’
ভারতে প্রচলিত জিসিসিতে কর্মীরা সাধারণত বিদেশে অবস্থিত সহকর্মীদের অধীনে কাজ করেন। কিন্তু নিলসেনের ভারতে থাকা দলগুলো নিজেদের পণ্য উন্নয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বৈশ্বিক গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে। রাজস্বের দিক থেকে ভারত এখনও নিলসেনের ছোট বাজার হলেও এটি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাময় শীর্ষ ১০টি বাজারের মধ্যে ভারত একটি।
বিজ্ঞাপন যাচাই ও ব্র্যান্ডের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ডাবলভেরিফাই যুক্ত হওয়ার পর ভারতে নিলসেনের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গোয়েলের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মীবাহিনী দেশে উদ্ভাবন সম্প্রসারণের আরও সুযোগ তৈরি করছে।
বিজ্ঞাপন বিশ্লেষণে এআইয়ের প্রভাব
নিলসেনের বিজ্ঞাপন বিশ্লেষণ কার্যক্রমে এআইয়ের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ৩০ থেকে ৪০টি বড় বাজারে টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র, সাময়িকী এবং আউটডোর মিডিয়ার বিজ্ঞাপনের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে।
আগে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির পাশাপাশি কর্মীদের হাতে কাজ করতে হতো। প্রযুক্তি যেসব সমস্যা সমাধান করতে পারত না, সেগুলো সামলাতে এক হাজারের বেশি কর্মী নিয়োজিত ছিলেন।
গোয়েলের ভাষ্য অনুযায়ী, এআই ও বৃহৎ ভাষা মডেল ব্যবহারের ফলে যন্ত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন কাজের হার ৮০-৯০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৭-৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন হাতে কাজ করার জন্য কয়েক শ কর্মীই যথেষ্ট।
এ পরিবর্তনের ফলে ছোট বিজ্ঞাপনদাতা ও অপেক্ষাকৃত কম প্রচারমাধ্যমকেও নিলসেনের পরিমাপের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে। গোয়েল বলেন, ‘আমার ব্যবস্থাগুলো যদি আরও বেশি কাজ সামলাতে পারে, তাহলে আমি ছোট ও কম প্রচলিত প্রচারমাধ্যমগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারব।’
খেলাধুলার অনুষ্ঠানেও ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা শনাক্ত করতে এআই ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি। বেঙ্গালুরুতে নিলসেনের উদ্ভাবন দিবসে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জার্সিতে কোনো ব্র্যান্ডের উপস্থিতি শনাক্ত করতে আগে ভিডিওর প্রতিটি ফ্রেম ধরে পরীক্ষা করতে হতো। এআইয়ের সাহায্যে সেই কাজ এখন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞাপনদাতারা যাতে খেলা চলাকালেই নিজেদের ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বুঝতে পারেন, সে জন্য ব্যবস্থাটিকে তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার কাজ চলছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে একই দর্শক শনাক্ত
নিলসেনের মূল ব্যবসা দর্শক পরিমাপেও এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। দর্শকেরা এখন প্রচলিত টেলিভিশন, ইন্টারনেট-সংযুক্ত টিভি, স্ট্রিমিং সেবা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গেমিং ও মোবাইলের মধ্যে নিয়মিত যাতায়াত করেন। ফলে একই ব্যক্তিকে একাধিক মাধ্যমে গণনা করা হচ্ছে কি না, তা নির্ধারণ করা বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ সমস্যা সমাধানে নিলসেন নিজস্ব পরিচয় শনাক্তকরণ কাঠামো তৈরি করছে। গোয়েল জানান, এতে মেশিন লার্নিং মডেলের পাশাপাশি ডিভাইস আইডি, আইপি ঠিকানা ও ইমেইল ঠিকানার মতো বিভিন্ন তথ্য ব্যবহার করে বিভিন্ন মাধ্যমে একই ব্যক্তি কনটেন্ট দেখছেন কি না, তা শনাক্ত করা হয়।
গোয়েলের তথ্য অনুযায়ী, নিলসেনের টেলিভিশন দর্শক পরিমাপ প্যানেলে এক লাখের বেশি পরিবার রয়েছে। কম্পিউটার ও মোবাইল পরিমাপের জন্য রয়েছে ১০ লাখের বেশি প্যানেল। পাশাপাশি নিজস্ব ও তৃতীয় পক্ষের সূত্র থেকে ৭ কোটির বেশি পরিবারের তথ্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
এ ছাড়া মানুষ এআই প্ল্যাটফর্মে কত সময় ব্যয় করছেন এবং এসব প্রযুক্তি তাদের ভোক্তা-সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলছে, তা নিয়েও গবেষণা করছে নিলসেন। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি ও ক্লডের মতো প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি এআই এজেন্ট মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখতে শুরু করায় গণমাধ্যম ব্যবহারের প্রচলিত পরিমাপপদ্ধতিও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।
গোয়েল বলেন, এআইয়ের তৈরি উত্তরে কোন ব্র্যান্ডের সুপারিশ কীভাবে আসছে, তা প্রভাবিত করার পরিবর্তে এসব প্ল্যাটফর্মে মানুষের সময় ব্যয় ও মনোযোগের অংশ পরিমাপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে নিলসেন। বিষয়টি এখনো বিকাশের পর্যায়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন তিন সাংবাদিক। তাঁদের অভিযোগ, পরিচয় দিয়ে তথ্য জানতে চাইলে প্রয়োজনীয় তথ্য না দিয়ে উল্টো তাঁদের ভিডিও করেন মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে যান দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি তাহের শেখ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি মারুফ হাসান এবং দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম।সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা ভূমি কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পরিচয় ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে তাঁদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। তাঁদের দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে গেলেও তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি। বরং কর্মকর্তা তাঁদের ভিডিও করেন।সাংবাদিকরা জানান, সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম ও সেবার পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। এ সময় তাঁদের সঙ্গে এমন আচরণের কারণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি কার্যালয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা ও সৌজন্যপূর্ণ আচরণ প্রত্যাশা করেন।এদিকে, বুধবার দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ছিল না এবং আইপিএস বন্ধ দেখা যায়। এ সময় দাপ্তরিক কার্যক্রম চলতে দেখা যায়নি। তবে কার্যালয়ে জেনারেটর থাকার বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে আসে। পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে একজন সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় সেবাগ্রহীতাদের সেবা পেতে কোনো ভোগান্তি হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ছাড়া কার্যালয়ের অনার বোর্ডটি সিঁড়ির নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান সাংবাদিকরা। তাঁদের মতে, সরকারি দপ্তরের সেবার মান, দাপ্তরিক কার্যক্রম ও জনসাধারণের ভোগান্তি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ।
মেরুরচর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী শফিকুল ইসলাম সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।বকশিগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি)
আসমা উল হুসনা বলেন,তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম চীনে দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন। তাঁর অনুপস্থিতির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিসি প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চীনে অবস্থান করবেন। এই সময়কালে তিনি 'সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মাউন্টেন সায়েন্স (আইসিএমএস ২০২৬)’ এবং ‘কাউন্সিল মিটিং অব দ্য এশিয়ান জিওগ্রাফিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-২০২৬’ এ অংশগ্রহণ করবেন। ভ্রমণের জন্য সরকারি আদেশে তাঁকে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভিসির ছুটির সময় প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম তাঁর নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর রুটিন দায়িত্বও পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের নম্বর নাইন পজিশনে কে খেলবেন, তা নিয়ে কোচ টমাস ডুলির মধ্যে দুশ্চিন্তা ছিল। তবে সেই অনিশ্চয়তা এখন দূর হচ্ছে।
বাংলাদেশ সাফের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ফরোয়ার্ড রোনান সুলিভানকে পাচ্ছে। গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই তরুণ এবার জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছেন। টুর্নামেন্টে তার খেলার ব্যাপারে প্রথমে শঙ্কা থাকলেও আজ (১৫ অক্টোবর) কোচ টমাস ডুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে একজন স্বীকৃত স্ট্রাইকারের অভাব অনুভব করছে। রোনানের অন্তর্ভুক্তি সেই ঘাটতি কিছুটা পূরণ করবে বলে আশা করছে দল। ডুলি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘রোনানকে সাফে পাওয়া যাবে এটা নিশ্চিত। তবে ডেকলানকে (রোনানের যমজ ভাই) পাওয়া যাবে না। ওকে পরের কোনো আসরে দেখা যাবে।’
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ফাহাদ করিমও রোনানের খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজকেই আমাকে সে (রোনান) কনফার্ম করেছে যে, ইনশাআল্লাহ আসতে পারবে। ১৮ অক্টোবর খেলোয়াড় তালিকা নিবন্ধনের শেষ দিন। আমরা তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করব।’
গত এপ্রিলে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ফাইনালে ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতে দল।
পুরো টুর্নামেন্টে রোনান নজর কেড়েছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ফ্রি কিক ও হেড থেকে দুটি গোল করে বাংলাদেশকে জেতান। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই ফরোয়ার্ড।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল অংশ নিতে না পারায় এবার খেলছে ৬ দল।
‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। ‘বি’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজার সময় ইসলামী ছাত্রশিবির বিজেপি-আরএসএসের এজেন্ডা মাফিক কাজ করছে, এমন মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে আব্দুল কাদের উল্লেখ করেন, শিবিরের কার্যক্রম হোক বুঝে বা না বুঝে, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার সময়ে তারা বিজেপি-আরএসএসের এজেন্ডা অনুসরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, গত সোমবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা মন্দির প্রাঙ্গণে গরুর মাংস রান্না করে এবং রান্নার কাজে মন্দিরের পরিত্যক্ত ইট ব্যবহার করে। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্যাম্পাসে সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দূরদর্শী। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের একটি হীন প্রচেষ্টা সবসময় থাকে। ভারতে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সেই প্রচেষ্টা আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তাদের দেশীয় এজেন্ট এবং পতিত স্বৈরাচার এমন উৎসব ও সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বর্তমানে নড়বড়ে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে শিবির গরু খাওয়ার জন্য যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে।
শেষে তিনি লেখেন, যেখানে মন্দিরের সামনে গরু রান্না এবং মন্দিরের ইট ব্যবহারের মতো জঘন্য কাজের পর অনুতপ্ত থাকার কথা, পূজার সময়ে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সহযোগিতা করার কথা, সেখানে শিবির উল্টো লঙ্কাকাণ্ড সৃষ্টি করেছে। শিবিরকে এমন ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, না থাকলে বিরত রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ