শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৩ পি.এম
পটুয়াখালীর বাউফলে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার পাশাপাশি এক ব্যবসায়ীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ফরিদ গাজী নামক স্থানীয় বিএনপি নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তাকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (৫৩) বাউফল সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস এলাকার বাসিন্দা এবং গৌরাঙ্গ চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে। তিনি ঢাকায় আবাসন (ল্যান্ড) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলের পক্ষে প্রচারণামূলক পোস্টার ও ফেস্টুন এলাকায় লাগানো হয়। এর পরপরই ফরিদ গাজী তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফরিদ গাজী মোবাইল ফোনে তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার হুমকি দেন। ফোনালাপে ওই বিএনপি নেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আপনাকে জীবন্ত পুড়াইয়া মারমু।’
ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল জানান, এই হুমকির পর থেকে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফরিদ গাজী বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
তবে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ এ বিষয়ে জানান, ফরিদ গাজীর নাম মূল আহ্বায়ক কমিটির তালিকায় ছিল না। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে উপজেলা কমিটিতে নতুন করে যাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাদের মধ্যে তিনি সদস্য পদ পান। বিষয়টি জেলা কমিটিকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটনের সঙ্গে বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত ফরিদ গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শুক্রবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় দৈনিক আলোর পরশ-এর সম্পাদক মাওলানা মো. আজিজুর রহমান সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা ও মানোন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) কার্যকর ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সাতক্ষীরার কলারোয়া সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে স্থানীয় আছির উদ্দিন শায়েদা মিলনায়তনে ‘সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভিডিও এডিটিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।
মাওলানা মো. আজিজুর রহমান মন্তব্য করেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, "দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি প্রযুক্তির সঠিক, কার্যকর ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।"
দৈনিক নয়া দিগন্তের কলারোয়া সংবাদদাতা আসাদুজ্জামান ফারুকীর সভাপতিত্বে এবং দৈনিক আগামীর সময়-এর কলারোয়া সংবাদদাতা প্রভাষক আব্দুল আলিমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া সাংবাদিক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা মো. কামারুজ্জামান।
কর্মশালায় সংবাদ অনুসন্ধান, তথ্য যাচাই, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত কনটেন্ট তৈরি এবং মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহার করে ভিডিও সম্পাদনার বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল তুলে ধরা হয়।
দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি মো. আবু সাঈদ বিশ্বাস প্রশিক্ষণ দেন। তিনি সংবাদ অনুসন্ধান, ওয়েব এবং AI-এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন। আরটিভির কলারোয়া প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মোবাইল ও কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুত সংবাদ তৈরি এবং ভিডিও এডিটিংয়ের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন।
এছাড়া ‘সাংবাদিকতায় টুকিটাকি’ বিষয়ে বক্তব্য দেন দৈনিক মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম। সাংবাদিকতার নীতি ও মৌলিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন পিএইচডি গবেষক প্রভাষক তবিবুর রহমান।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় স্থানীয় সংবাদকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে আধুনিক প্রযুক্তি ও AI ব্যবহারের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তৈরি এবং মোবাইল ও কম্পিউটারে ভিডিও সম্পাদনার বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মো. আবু তাহের (৬৫) কে ৪১ বছর একই মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন শেষে ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিদায় জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রিয় এই মুয়াজ্জিনকে সম্মাননা জানানোর পর সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে বসিয়ে পুরো এলাকা ঘুরিয়ে বিদায় দেন মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা রংপুর নগরীর গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আবু তাহেরের বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের পরিচিত মানুষটির বিদায়ে অনেকের চোখে পানি দেখা যায়।
জানা গেছে, আবু তাহের ৪১ বছর ধরে গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজান দেওয়ার পাশাপাশি মসজিদের বিভিন্ন দায়িত্বও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন তিনি। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তার কণ্ঠের আজান শুনেই নামাজের জন্য মসজিদে ছুটে আসতেন এলাকার মানুষ।
বিদায়ী সংবর্ধনা শেষে তাকে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে বসানো হয়। পরে মুসল্লি ও এলাকাবাসী ঘোড়ার গাড়ির সঙ্গে থেকে গুপ্তপাড়া এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। ব্যতিক্রমী এ বিদায়যাত্রা দেখতে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগের সৃষ্টি হয়।
মসজিদের সেক্রেটারি মমতাজ জাহির আহমেদ বলেন, "চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আবু তাহের অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মুয়াজ্জিনকে বিদায় দিতে গিয়ে তাদের কষ্ট হচ্ছে।" তার বাকি জীবনের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন তিনি।
মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন, "প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি এই মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন। এর দীর্ঘ একটি সময় আবু তাহেরকে পাশে পেয়েছেন। অসংখ্য নামাজ, আজান ও স্মৃতির সঙ্গে তিনি জড়িয়ে আছেন।" তাকে বিদায় দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
আবু তাহেরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে বর্তমানে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছেন হাফেজ মো. মেরাজুল ইসলাম (২০)। তিনি বলেন, "আবু তাহের চাচা যেভাবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিয়েছেন, তা তার জন্য অনুপ্রেরণার।" তিনিও একদিন একইভাবে সম্মানের সঙ্গে মসজিদ থেকে বিদায় নিতে চান।
এদিকে দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালন ও অসুস্থতার কারণে আবু তাহেরের পাশে দাঁড়িয়েছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয় তাকে।
বিদায়ী মুয়াজ্জিন আবু তাহের বলেন, "৪১ বছর এই মসজিদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মসজিদ ও এখানকার মানুষ তার জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে।" বিদায়ের সময় সবাই যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আয়োজকরা জানান, ৪১ বছরের দীর্ঘ দায়িত্বের সমাপ্তিকে স্মরণীয় করে রাখতেই ঘোড়ার গাড়িতে করে তাকে বিদায় জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাদের কাছে এটি শুধু একজন মুয়াজ্জিনের বিদায় নয়, বরং দীর্ঘদিন মানুষের ধর্মীয় জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকা একজন প্রবীণের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান জানানোর আয়োজন।
দীর্ঘ ৪১ বছর যে কণ্ঠে গুপ্তপাড়ার মানুষ নামাজের আহ্বান শুনেছেন, সেই কণ্ঠের নিয়মিত আজান এখন আর শোনা যাবে না। তবে ব্যতিক্রমী এই বিদায় আয়োজনের মধ্য দিয়ে আবু তাহেরের দীর্ঘ দায়িত্ব পালনের স্মৃতি স্থানীয় মানুষের মনে আরও গভীর হয়ে রইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খানের সঙ্গে দুপুরের খাবারের একটি মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। এই সময় তিনি ইকবালের বিখ্যাত কাচ্চি বিরিয়ানির স্বাদের প্রশংসা করেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘তাহসান খানের সঙ্গে দুপুরের খাবার, আর প্লেটে ইকবালের বিখ্যাত কাচ্চি বিরিয়ানি। সেই স্বাদ!’
পোস্টটিতে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জনপ্রিয় খাবারের প্রতি তার আগ্রহ ও অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূতের এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হ্যারি কেইন ফুটবলে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন। বায়ার্ন মিউনিখের এই ইংলিশ স্ট্রাইকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এবারের ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছেন। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি লিওনেল মেসির বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতাও তার ক্যারিয়ারের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ইংল্যান্ড অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। পরে মেসির অ্যাসিস্টে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।
সেই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কেইন মার্কাকে বলেন, "স্পষ্টতই সেদিনটি আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। ওভাবে বাদ পড়ার মুহূর্তটি ছিল কষ্টের। কিন্তু মেসির প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা। আমি তাকে একজন ফুটবলার হিসেবে বেড়ে উঠতে দেখেছি।"
মেসির ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কেইনের ভাষায়, "আমি মনে করি, মেসি এক কথায় অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। যারা তাকে চেনেন, তারা আমাকে বলেছেন, সে একজন চমৎকার ব্যক্তিও। তার বিপক্ষে মাত্র দুইবার খেলেছি, কিন্তু আমার কাছে তাকে খুবই বিনয়ী একজন মানুষ মনে হয়েছে। সে সবসময় নিজের চেয়ে দলকে এগিয়ে রাখে।"
আর্জেন্টিনার সাফল্যের পেছনে মেসির এই মানসিকতাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন কেইন। তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, আর্জেন্টিনা যে সাফল্য অর্জন করেছে, এটিও তার অন্যতম কারণ।"
হারের পর মেসিকে অভিনন্দন জানানোর কথাও স্মরণ করেছেন কেইন। তিনি বলেন, "ওই দিনের কথা মনে আছে। আমি তাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম এবং ফাইনালের জন্য শুভকামনা জানিয়েছিলাম। বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত আমাদের ভাগ্যে ছিল না।"
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতাও তুলে ধরেন কেইন। তার মতে, "এটাই বিশ্বকাপের প্রকৃতি। বড় মঞ্চে সেরা খেলোয়াড়রা মুখোমুখি হবে এবং অবশ্যই এক পক্ষকে সবসময় হারতে হবে।"
পরাজয়ের পরও প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে জানান ইংলিশ অধিনায়ক। কেইন বলেন, "সেদিন এবং হারের পরেও আমি মাথা উঁচু করে রাখার এবং প্রতিপক্ষ দলকে সম্মান দেখানোর চেষ্টা করেছিলাম। আমার মনে হয়, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, বিশেষ করে মেসির প্রতি কারণ ফুটবলে বহু বছর ধরে তিনি যা দিয়ে এসেছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ