বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ এম
নামাজ ইসলাম ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইমানের পর নামাজকে সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ আমল হিসেবে গণ্য করা হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য।
হাদিসের আলোকে, নামাজ মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সকল প্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে দূরে রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যে যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ সাল, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিচে উপস্থাপন করা হলো-
ফজর- ভোর ৪:৩৭ মিনিট
জোহর- দুপুর ১১:৫২ মিনিট
আসর- দুপুর ৪:০৭ মিনিট
মাগরিব- সন্ধ্যা ৫:৫০ মিনিট
এশা- রাত ৭:০৪ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এ বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন। উদ্বোধনী দিনে পাইলট পর্যায়ে ১ লাখ ৪৭ জন কৃষক কৃষক কার্ডের উপকরণ প্রণোদনা পাচ্ছেন।
আজ (বুধবার) ফেনী জেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যক্তিবর্গের সম্মানী’ প্রদান অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী আরও জানান, কৃষক কার্ডের প্রাক-পাইলট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পাইলট পর্যায়ে এ বছর ৪৩ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হয়। প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষক কার্ডের আওতায় আসছেন। এর মধ্যে আগামীকাল (০১ অক্টোবর ২০২৬) ১ লাখ ৪৭ জন কৃষি উপকরণ বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড (প্রিন্টেড) কপি পাবেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামীকালের অনুষ্ঠানে দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকবে, বাকি ৬৪ উপজেলাও যুক্ত থাকবে।
মন্ত্রী আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪৩ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড ও উপকরণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সহায়তা প্রদান এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও সহজে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক এবং অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছেন।
এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য রোড টু আনাতোলিয়া: ক্লাইমেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড এনডিসি ৩.০’ শীর্ষক প্রাক-কপ৩১ আন্তর্জাতিক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক কাঠামো সনদের আওতায় অনুষ্ঠেয় কপ৩১-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এবং ইউনেস্কো চেয়ার অন এডুকেশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, গ্রিন স্কিলস অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশনস যৌথভাবে এ ওয়েবিনারটি আয়োজন করে।
তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে বায়ুদূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার উৎসাহিত করা, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটির ব্যবহার কমানো, পাহাড় ও টিলা কাটা রোধ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের কার্যকর প্রয়োগে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর এবং সৌর ও বায়ুশক্তিসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবায়নযোগ্য ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তরের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইফুম পারভেজ বলেন, সরকার পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও যুগোপযোগী করার পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়নের উৎস বহুমুখীকরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও অন্যান্য সম্ভাব্য উৎস থেকে অর্থায়ন সংগ্রহের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, বৃক্ষরোপণ, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের কার্যক্রম সরকারের পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময় এবং কার্যকর অংশীদারত্ব জোরদার করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার এবং কপ৩১-এর আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে বাস্তবায়নভিত্তিক ফলাফল অর্জনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান সামান্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে দেশটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও লবণাক্ততাসহ বিভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, এনডিসি ৩.০-এর অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবসম্মত ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তর এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সংগ্রহে প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সক্ষমতা আরও জোরদার করতে হবে।
আলোচনায় এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নে জলবায়ু অর্থায়নের নতুন ও বহুমুখী উৎস কাজে লাগানো, বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প প্রস্তুত, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থায়ন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক, প্যারিস চুক্তির অনুচ্ছেদ ৬-এর আওতায় সহযোগিতামূলক ব্যবস্থা এবং বেসরকারি পুঁজি কাজে লাগিয়ে জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি অর্থায়নের সমন্বয়ে মিশ্র অর্থায়নের সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
কপ৩১ সম্মেলন সামনে রেখে ক্লাইমেট ইমপ্লিমেন্টেশন ব্রিজসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাঠামোর মাধ্যমে এনডিসি ও জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তর এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সংগ্রহে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, ওয়েবিনারটির আলোচনা ও সুপারিশ আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বাড়ানো, এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়ন এবং কপ৩১-এ বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণের প্রস্তুতি জোরদারে সহায়ক হবে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল মুনীরের সঞ্চালনায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. লিওনার্দো এ. এ. তেগুহ সাম্বোদো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ড. মারিয়া নেইরা, সিকিউ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ওলাভ মুরলিংক, ইস্তাম্বুল আয়দিন ইউনিভার্সিটির ড. এলিফ কায়া, তুরস্কের ওএমইউডির মহাসচিব উমাই ইলমাজ এবং ক্লাইমেট হাব ইন্টারন্যাশনাল, উগান্ডার কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ক্লিনটন মাওয়ান্ডা প্রমুখ ওয়েবিনারে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরেণ্য রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি আজ ৮১তম জন্মদিন পালন করছেন। তিনি ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, তিনি একজন প্রথিতযশা ভূ-বিজ্ঞানী, গবেষক, লেখক এবং কলামিষ্ট হিসাবেও পরিচিত।
ড. মোশাররফের রাজনৈতিক ও কর্মজীবনে অর্জনের সংখ্যা অসংখ্য। তিন মেয়াদে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। দাউদকান্দি পৌরসভা ও নতুন উপজেলা তিতাস প্রতিষ্ঠা, ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২টি ডিগ্রী কলেজ, ৩টি হাইস্কুল, ১টি দাখিল মাদরাসা, ১টি নূরানী মাদরাসা এবং এতিমখানা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ওই এলাকার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য তিনি প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, প্রচুরসংখ্যক গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণ, দাউদকান্দিতে বিশাল পৌরভবন নির্মাণ, শহীদনগরে ট্রমা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, নবগঠিত মেঘনা উপজেলা বাস্তবায়ন এবং দাউদকান্দি সদরে ২০ শয্যার হাসপাতালসহ আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। ড. মোশাররফ ৩ সহস্রাধিক শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯৭৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষক অধ্যাপক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি’র রাজনীতিতে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তিনি কুমিল্লা- ১ ও ২ আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্প মেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার হটানোর এক দফা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার প্রতিটি আন্দোলনে বীরোচিত ভূমিকা রেখেছেন। ড. মোশাররফ বিভিন্ন সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলায় ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ৫ বছর কারাভোগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালার, নবুয়তি ধারার আন্দোলনের দিক নির্দেশক এবং ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)-এর ৩৯ তম ওফাত বার্ষিকী আজ পালিত হচ্ছে। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তিনি ইন্তিকাল করেন।
ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের উদ্যোগে মরহুম মওলানার স্মরণে আগামীকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে তৃতীয় তলায় আব্দুস সালাম হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মওলানার শতাধিক মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো পরিবার ও পারিবারিক জীবন, ইসলামে অর্থনীতি, ইসলামে জিহাদ, সুন্নাত ও বিদআত, আল কুরআনের আলোকে উন্নত জীবনের আদর্শ, আল কুরআনে শিরক ও তাওহীদ, আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার, হাদীস সংকলনের ইতিহাস, ইসলামে হালাল হারামের বিধান, যাকাত বিধান, আহকামুল কুরআন।
মরহুমের বর্নাঢ্য জীবনী : ১৯১৮ সালে ইংরেজী ২ মার্চ পিরোজপুরের কাউখালিস্থ শিয়ালকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৮ সালে শর্ষিণা আলীয়া মাদরাসা হতে আলিম পাস করেন।
১৯৪০ সালে কোলকাতা আলীয়া মাদরাসা থেকে ফাযিল পাশ করেন। ১৯৪২ সালে উক্ত মাদরাসা হতে প্রথম শ্রেণিতে টাইটেল পাশ করেন।
১৯৪৩-৪৫ সালে কোলকাতা মাদরাসায় কুরআন ও হাদীস সম্পর্কে গবেষণার কাজ সম্পাদন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ