মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
১১:২৫ পি.এম
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়িতে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিশ্বশান্তি, মানবজাতির কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) সকাল থেকে টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন টাঙ্গাইল জেলা ব্রাহ্মণ সংসদসহ টাঙ্গাইল জেলার সকল উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল শ্রেণি-পেশার ভক্তবৃন্দের সমন্বয়ে একটি বিশাল র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এরপর শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ, চন্ডীপাঠ, ধর্মীয় আলোচনা ও গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। গীতা যজ্ঞে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা, সকল ধর্মের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সবার মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা কমিটিসহ টাঙ্গাইল জেলার প্রতিটি উপজেলার সভাপতি, সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও সকল ভক্তবৃন্দের মাঝে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য (বিপ্র শিরোমণী)।
গীতা যজ্ঞানুষ্ঠানে প্রার্থনারত অবস্থায় বিভিন্ন বক্তা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার মূল শিক্ষা হলো মানবকল্যাণ, ন্যায়, সত্য ও শান্তির পথে চলা। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হিংসা, সংঘাত ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে আমরা শান্তি চাই। এই পরিস্থিতিতে সকলের মানবিকতায় ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সেইসাথে সকল জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলকেই একতাবদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে হবে। বক্তারা বিশেষ প্রার্থনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল মানুষের সম অধিকার ও তাদের নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রের বিশেষ সুদৃষ্টি কামনা করেন।
তারা আরও বলেন, গীতা যজ্ঞানুষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু ধর্মীয় আচার পালন নয়, বরং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত, সনাতন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ, সংবাদ কর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন।
শেষে আবারও দেশ, জাতি ও বিশ্ববাসীর শান্তি, সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি এবং সকলের কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান শেষ হয় এবং ভক্তবৃন্দদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, বিগত সরকার দেশ থেকে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। সংকটের সময়ে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ম্যাজিক ফেস্টিভ্যাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।
মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের একজন মন্ত্রী বিদেশে ৩৫৬টি বাড়ি করেছেন। আরেকজন একাই দুই লাখ কোটি টাকা লুট করেছেন। বিদ্যুৎ খাতে লক্ষাধিক কোটি টাকা লুট করে তাদের আবার ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। অনাড়ম্বর জীবনযাপন করে তিনি সবার জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমাদের অনর্থক সমালোচনা বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।
সম্মিলিত যাদুশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনহাজুর রহমান যুবরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জি. নুর আজিজুর রহমান এবং ম্যাজিক আইকন আলী রাজ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দিনদিন বেড়েই চলেছে। নিয়োগের ক্ষেত্রেও বাড়ছে এর ব্যবহার। বৃহস্পতিবার ভারতের ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষতার ওপর বাড়তি দিতে গিয়ে ৮৬ শতাংশ নিয়োগদাতা নিয়োগের ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার করছেন।
ডেলয়েড ইন্ডিয়ার ক্যাম্পাস ওয়ার্কফোর্স ট্রেন্ডস ২০২৬ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ক্যাম্পাস নিয়োগের চিত্র আরো কৌশলগত ও দক্ষতাভিত্তিক হয়ে উঠেছে। এতে ৮৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এআই বা এজেন্টিক এআই তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে।
ডেলয়েড ইন্ডিয়ার ক্যাম্পাস ওয়ার্কফোর্স ট্রেন্ডস ২০২৬ প্রতিবেদনটি বিভিন্ন খাতের ২৫৭ টি প্রতিষ্ঠান এবং ৫০৫ টি ক্যাম্পাসের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিভাবান কর্মী নিয়োগের প্রতিযোগিতার মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো ক্যাম্পাস নিয়োগের বাজেট বাড়াচ্ছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরো ব্যাপকভাবে এআইয়ের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ইন্টার্নশিপ থেকে চাকরিতে নিয়োগের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল এবং গবেষণায় দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ক্যারিয়ার শুরুর পর্যায়ের কর্মীদের নিয়োগ বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে সুবিধা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলো বাজেট ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচলিত নিয়োগ প্রথা থেকে বেরিয়ে আরও কাঠামোবদ্ধ, দক্ষতাভিত্তিক বাছাই এবং সঠিক মূল্যায়নের দিকে এগিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার চার শতাধিক বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বর্ণিল ‘ঢাকা শোভাযাত্রা’ আয়োজন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়ক।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নগর ভবনে গিয়ে শেষ হয়। ঢাকার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা, ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি, খাবার, পুরোনো বাহন ও নগরজীবনের নানা অনুষঙ্গ শোভাযাত্রায় বড় পরিসরে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, লালকুঠি, তারা মসজিদ, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির এবং ঐতিহ্যবাহী ঢাকা গেটের প্রতিকৃতি।
শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঢাকার পত্তন ও বিকাশের সঙ্গে সম্পৃক্ত ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের রূপায়ণ। রানি ভিক্টোরিয়া, নবাব খাজা আহসানউল্লাহ, লীলা রাগ (রায়), নিকোলাস পোগোজ, জিন্নাবাই ও পরিবিবির মতো ঐতিহাসিক চরিত্রের আদলে সাজা অংশগ্রহণকারীরা নগরীর অতীতকে যেন জীবন্ত করে তোলেন।
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিও ছিল আয়োজনের অংশ। বাকরখানি, নান্না বিরিয়ানি ও বিউটি লাচ্ছির প্রতিকৃতির পাশাপাশি পুরোনো যাতায়াত ব্যবস্থার স্মৃতিবাহী স্টিমার, ঘোড়ার গাড়ি ও পালকির প্রদর্শনী পথচারী ও দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে।
শোভাযাত্রা শেষে নগর ভবনে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, ঢাকার প্রতি নাগরিকদের ভালোবাসা, মমত্ববোধ ও দায়িত্বশীলতা জাগিয়ে তুলতেই এই আয়োজন। ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নগরবাসীর পাশাপাশি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে মাসব্যাপী ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। নগরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য ডিএসসিসির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।
রাস্তার দুই পাশে নানা বয়সী মানুষের ভিড় এবং বর্ণিল পোশাকে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণী ও শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় পুরান ঢাকার এক প্রাণবন্ত উৎসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যালিফোর্নিয়ায় সম্ভাব্য নির্বাচন জালিয়াতি প্রতিরোধে শুরু হওয়া অভিযানের অংশ হিসেবে ডারউইন জোনাথন রিভেরা ফ্লোরেস (৩০) নামের হন্ডুরাসের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এজেন্টরা। আইসিই (ICE)-বিরোধী এক বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আগেই পরিচিতি পাওয়া এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মার্কিন নাগরিক হিসেবে মিথ্যা দাবি করে ভোটার নিবন্ধন ফরম পূরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেসের শীর্ষ ফেডারেল প্রসিকিউটর বিল এসাইলি জানান, শুক্রবার সকালে ভেনচুরার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে থেকে রিভেরা ফ্লোরেসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে অনাগরিকদের পক্ষে সহজেই ভোটার হওয়া এবং ডাকযোগে ব্যালট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ঠিক কতজন অনাগরিক ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত আছেন, তা বলা কঠিন।
যুক্তরাষ্ট্রে আইনত স্থায়ী বাসিন্দা হলেও নাগরিকত্ব না থাকা রিভেরা ফ্লোরেসকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে সম্ভাব্য নির্বাচন জালিয়াতির একাধিক মামলা তদন্ত করছে ফেডারেল এজেন্টরা।
এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে ক্যামারিলোতে আইসিই-বিরোধী এক বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ফেডারেল ভবনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে রিভেরাকে এক বছরের প্রবেশনে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে এপ্রিলে এক ফেডারেল এজেন্টকে অপমানজনক টেক্সট মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
তদন্তে নেমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উইসকনসিনের ঠিকানায় "ডারউইন রিভেরা" নামে একটি অনলাইন ভোটার নিবন্ধনের রেকর্ড এবং তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি আবেদনপত্র উদ্ধার করে।
ওই ফর্মে তিনি মার্কিন নাগরিক হিসেবে নিজেকে দাবি করেন এবং পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করেন। তবে তার নাগরিকত্ব চাওয়া বা পাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোনো নির্বাচনে ভোটও দেননি।
ফেডারেল প্রসিকিউটর বিল এসাইলির মতে, ক্যালিফোর্নিয়ার শিথিল ভোটার নিবন্ধন আইন এ ধরনের জালিয়াতিকে উৎসাহিত করে। অঙ্গরাজ্যটি ফেডারেল সরকারের সাথে ভোটার তালিকা শেয়ার না করায় নিবন্ধিত ব্যক্তিরা সত্যিই মার্কিন নাগরিক কি না, তা যাচাই করা কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব হয় না। তবে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে হলে প্রত্যেককে শপথের অধীনে নিশ্চিত করতে হয় যে তিনি মার্কিন নাগরিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ