ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪ সদস্য একই পরিবারের


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪ সদস্য একই পরিবারের

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বৃহস্পতিবার গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছে, এমন তথ্য দিয়েছে ফিলিস্তিনি হাসপাতাল ও নিরাপত্তা সূত্র।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা জানান, উত্তর গাজা উপত্যকার বেইত লাহিয়া প্রজেক্ট এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরাইলি হামলার ফলে আহমাদ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: রোববার রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ১২ বছর ও ৮ বছর।

এদিকে, এএফপি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে যাচাই করে দেখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিসিসিআইর ছয়টি প্রস্তাব চীনে রপ্তানি বাড়াতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


বিসিসিআইর ছয়টি প্রস্তাব চীনে রপ্তানি বাড়াতে

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিআই) চীনের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার জন্য ছয়টি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে।

আজ বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানের কাছে প্রদত্ত প্রস্তাবনায় বিসিসিআই উল্লেখ করেছে যে, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি এখনও এক বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে। এই ব্যবধান কমানোর জন্য চীনে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও প্রচারণা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্রে অন্তত ২০টি স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, চীনের প্রধান বাণিজ্য মেলা ও ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে যোগ্য বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়েছে।

কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া মেলায় বাংলাদেশের ১০১টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, বিসিসিআই ভবিষ্যতে রপ্তানি সক্ষমতা, লাইসেন্স, পণ্যের মান ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের পরামর্শ দিয়েছে।

দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য চীনা সহায়তায় ‘বাংলাদেশ-চীন টেকনিক্যাল অ্যান্ড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার অপব্যবহার রোধে তদারকি জোরদার এবং বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকের শাখা স্থাপনে উৎসাহ দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে উদ্বোধন হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


বাকৃবিতে উদ্বোধন হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন

ময়মনসিংহ, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : একটি গাছ কেবল মাটিতে শেকড় ছড়ায় না, বরং মানুষের ভবিষ্যৎ, জীববৈচিত্র্য এবং পৃথিবীর নিরাপদ অস্তিত্বের সঙ্গে শেকড় গড়ে তোলে।

এই উপলব্ধি থেকে ‘সবুজে বাঁচি, সবুজে গড়ি-আগামীর পৃথিবী হোক সবার’ এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার, বাকৃবি ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এই বিভাগীয় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বৃক্ষরোপণকে শুধুমাত্র একটি দিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে দেখা উচিত নয়।

একটি গাছ লাগানোর পর সেটিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে একত্রে কাজ করতে হবে।

গাছ লাগানো মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তোলা। বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সফলতা নির্ভর করে কতোটি চারা রোপণ করা হলো, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, কতগুলো গাছ দীর্ঘকাল টিকে থাকে এবং পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এজন্য পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের সংকট মোকাবিলায় এখনই কার্যকর সামাজিক উদ্যোগের প্রয়োজন।

নতুন করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপিত গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রকৃতি মানুষের সম্পত্তি নয়, বরং মানুষ প্রকৃতির অংশ। তাই প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানে নিজেদের জীবনকেও রক্ষা করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং সামাজিক সচেতনতার সমন্বয় অপরিহার্য। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ পরিবেশকে সবুজ করার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সবুজ পৃথিবী নামে একটি সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সহিদ মাহমুদ।

এ সময় বাকৃবির সহযোগী অধ্যাপক ড. শারমিন আক্তার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. জহিরুল আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ রিজিয়নের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনমন্ত্রী বলেছেন, ডিজিটাল ও এআই-সহায়ক সহিংসতা প্রতিরোধে প্রয়োজন কার্যকর আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


আইনমন্ত্রী বলেছেন, ডিজিটাল ও এআই-সহায়ক সহিংসতা প্রতিরোধে প্রয়োজন কার্যকর আইন

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, ডিজিটাল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-সহায়ক সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য একটি কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা অপরিহার্য।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ঢাকা ডায়ালগ : এন্ডিং ডিজিটাল এন্ড এআই ফ্যাসিলিটেড ভায়লেন্স এগেনেস্ট ওমেন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এই মন্তব্য করেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যমান আইনগুলোর পর্যালোচনা করার পাশাপাশি নতুন আইন ও বিধান প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতকে সরকার গুরুত্ব দেবে।

তিনি জানান, সাইবার বুলিং, সাইবার হয়রানি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য দেশে বিভিন্ন আইন বিদ্যমান। তবে এআই-এর দ্রুত উন্নয়ন নতুন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এসব ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন দেশের আইন ও অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের বিষয়েও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত থাকায় এ ধরনের আইন প্রণয়নে ব্যাপক পরামর্শ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন এবং ডকুমেন্টেশন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাল্যবিবাহ, জোরপূর্বক বিবাহসহ বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে সহায়তা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি আইনি সহায়তা ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ও এআই-সহায়ক সহিংসতা মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে যেকোনো ইতিবাচক ও কার্যকর সুপারিশ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম-সহ অন্যান্য অতিথিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যমন্ত্রীর তাগিদ, গড়ার জন্য প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি বিনিয়োগ টানতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


বাণিজ্যমন্ত্রীর তাগিদ, গড়ার জন্য প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি বিনিয়োগ টানতে

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনীয় ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এই উদ্যোগকে অপরিহার্য মনে করেন।

মন্ত্রী বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নে নীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, সরবরাহ ব্যয় কমানো, কাস্টমস ব্যবস্থার অটোমেশন এবং ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়াকে সহজ করার ওপর জোর দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার হংকংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের আয়োজনে ‘বাংলাদেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তথ্যপ্রযুক্তির কারণে একজন বিনিয়োগকারী এখন বিশ্বের যেকোনো দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজেই যাচাই করতে সক্ষম। এর ফলে, বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক পরিবেশ, নীতি ও সক্ষমতার তুলনীয় মান তৈরি করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন, ২০২৯ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা ধরে রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া, আরও প্রায় ১৩টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শিগগিরই শুরু হবে। এলডিসি উত্তরণের আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছে বাংলাদেশ। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বর্তমান বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিনিয়োগ পরিবেশের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বাংলাদেশের উচ্চ সরবরাহ ব্যয়ের কথা তুলে ধরেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশে সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ১০ শতাংশ। পরিবহন, উৎপাদন এবং আমদানি-রফতানি ব্যয় কমিয়ে এই ব্যবধান কমানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

মন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অপারেটরদের সম্পৃক্ততা এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এসব অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন ও বন্দর ব্যবস্থাপনার ব্যয় কমবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরিতে নীতির ধারাবাহিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত, তাই কোনো নীতি প্রণয়নের পর অল্প সময়ের মধ্যে তা পরিবর্তন করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। নীতিতে পরিবর্তন প্রয়োজন হলে তা নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর করা উচিত, যাতে বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান।

সেমিনারে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বাংলাদেশ ও ভারত করে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এ খাতে আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়িক পরিবেশের দুর্বলতা কাটিয়ে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিষয়টি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এজন্য অবকাঠামো, নীতি, কাস্টমস ও ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক সংস্কার করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%