বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৩ পি.এম
খুলনা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে খুলনায় ‘জিয়া হল কমপ্লেক্স’ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে খুলনা সিটি করপোরেশন ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ যৌথভাবে সভার আয়োজন করে।
সভায় আলোচনা করা হয় জিয়া হল কমপ্লেক্সে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে এবং উপস্থিত সবার মতামত গ্রহণ করা হয়। মতামতের ভিত্তিতে জিয়া হল কমপ্লেক্সের নকশা প্রণয়ন করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সভায় বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি রয়েছে একটি আধুনিক সিনেপ্লেক্স, আধুনিক লাইব্রেরি এবং টপ ফ্লোরে ফুডকোর্ট রাখার বিষয়ে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশিষ্টজনরা আর্ট এক্সিবিশন আয়োজনের জন্য একটি আর্ট গ্যালারি, নৃত্যকলার জন্য একটি স্পেস এবং ওপেন নাট্যমঞ্চ রাখারও দাবি জানিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য হলো সবকিছুর সম্মিলন ঘটিয়ে একটি নান্দনিক স্থাপনা নির্মাণ করা।
শিববাড়ি মোড়কে নগরীর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নাগরিকদের চাহিদা ও রুচিবোধের সাথে সমন্বয় রেখে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই চত্বরের ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিকল্পনায় রেখে জিয়া হল কমপ্লেক্সের নকশা প্রণয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার মাহফুজ উদ দারাইন, সহযোগী অধ্যাপক এস এম নাজিমউদ্দীন, কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(কেডিএ)-এর প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সাবিরুল আলম, কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে উপস্থিত সবাই জিয়া হল কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীতে নিখোঁজের চারদিন পর চৌধুরী ফুয়াদ হাসান রোহান (২১) নামে এক কলেজছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের একটি মেহগনি বাগানের ভেতরের ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
রাজবাড়ী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রোহান।
নিহত রোহান রাজবাড়ী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. রোকনউদ্দিন চৌধুরীর নাতি।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ রাতে যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোহানের পাশের বাড়ির মেহগনি বাগানের মধ্যে ডোবা থেকে বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর কারণ উদঘাটন করতে পারব বলে আশা করছি।
কলেজছাত্র রোহানের মৃত্যুর ঘটনায় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই করার জন্য আইনজীবী শিশির মনিরকে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
তিনি জামায়াত-শিবিরের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "একদিকে খুনিদের পক্ষে আইনজীবী দাঁড় করানো, অন্যদিকে রাজপথে বিচারের দাবিতে কর্মসূচি পালন করা—তাদের এই চরম দ্বিমুখী রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, "বুধবার শহীদ আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং একই সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে রাজপথে সব সংগঠন নেমেছিল। ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠন কর্মসূচি পালন করেছে। এমনকি ছাত্রশিবির ও এনসিপিও কর্মসূচি পালন করেছে; কিন্তু আমার মৌলিক প্রশ্ন হলো, আবরার ফাহাদের নির্মম খুনিদের আইনজীবী হয়েছিলেন শিশির মনির, যিনি জামায়াতের একজন শীর্ষ পর্যায়ের আইনজীবী। তিনি জামায়াতের মনোনীত এমপি প্রার্থী ছিলেন, দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামে থাকেন এবং আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোতেও তাকে প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরা হয়।"
শিবিরের কর্মসূচির সমালোচনা করতে গিয়ে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, "জামায়াতের আইনজীবী শিশির মনির যখন আবরার ফাহাদের খুনিদের বাঁচানোর লড়াইয়ে নামেন, তখন শিবির কোন নৈতিকতায় ও কোন লজ্জায় রাজপথে বিচার চেয়ে কর্মসূচি পালন করে?" তিনি বলেন, "জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় এই শিশির মনিররা কখনো রাজপথে নামেননি। এমনকি তার ফেসবুকে জুলাইয়ের পক্ষে কোনো পোস্ট ছিল কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে; তার প্রোফাইলটাও লাল করা হয়নি। জামায়াতের আমিরও তার প্রোফাইল লাল করেননি। অথচ আজ তারা জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার বড় বড় দাবি করছে।"
বিএনপির ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, "জামায়াতের আমিররা গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে রাজপথে নেমেছেন—এমন একটি ছবি বা ভিডিও তারা দেখাতে পারবে না; কিন্তু বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আন্দোলনের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সমন্বয়করা।"
রাশেদ খান বলেন, "আবরার ফাহাদের বাবাও সম্প্রতি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, খুনিদের পক্ষে শিশির মনিরের মতো আইনজীবীর দাঁড়ানো অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিবির ছাত্রদলের পরিচয় নিয়ে টিকে ছিল। এখন প্রশ্ন জাগে, আবরারের প্রকৃত খুনিদের মধ্যে নামধারী ছাত্রলীগ পরিচয়ের আড়ালে কি শিবিরের কেউ জড়িত ছিল? তাদের রক্ষা করতেই কি জামায়াত আইনজীবী হিসেবে শিশির মনিরকে মাঠে নামিয়েছিল?"
জামায়াতের নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, "আমি জামায়াতকে বলব, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থেই আবরার ফাহাদের চেতনাকে ধারণ করেন, তবে খুনিদের আইনি সহায়তা দেওয়া শিশির মনিরকে দলে রাখতে পারেন না। তাকে অবিলম্বে জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে হবে। যে ব্যক্তি আবরারের খুনিদের পক্ষে দাঁড়ায়, সে জামায়াত করতে পারে না, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও তার জায়গা হওয়া উচিত নয়। তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা জামায়াত-শিবিরের নৈতিক দায়িত্ব ছিল; কিন্তু তারা তা না করে তাকে মনোনয়ন দিয়ে পুরস্কৃত করেছে।"
ছাত্রনেতা সাদিক কায়েমের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, "ডাকসুর ভিপি দাবিদার সাদিক কায়েম আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে কর্মসূচির আয়োজন করছেন। জামায়াত-শিবির ঐতিহাসিকভাবেই এমন দ্বিমুখী রাজনীতি করে আসছে। বাংলাদেশে আবরার হত্যাকারীদের রক্ষাকারী শিশির মনিরদের পুনর্বাসিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মো. আজাদ (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হাজিরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটেছে।
বাজারের সিসিটিভি ক্যামেরায় অপহরণের পুরো দৃশ্য ধরা পড়েছে।
অপহৃত মো. আজাদ চর ফলকন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল হক মাস্টারের ছেলে। তিনি হাজিরহাট দক্ষিণ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কনফেকশনারির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও অপহৃতের পরিবার জানায়, সকাল ৮টার দিকে দোকানের মালিকানা দাবি করা স্থানীয় মনিরের নেতৃত্বে ৩-৪ জন যুবক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাজারের দক্ষিণ মাথায় ওতপেতে থাকে। আজাদ বাড়ি থেকে এসে দোকানের সামনে পৌঁছামাত্র তাকে জোরপূর্বক টেনে হিঁচড়ে সিএনজিতে তুলে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক আজাদকে জোর করে সিএনজির মেঝেতে চেপে ধরে এলাকা ত্যাগ করছে।
ঘটনার পরপরই অটোরিকশার পেছনে লেখা নম্বরে যোগাযোগ করা হলে গাড়ির প্রকৃত মালিক গিয়াস উদ্দিন জানান, চুঙ্গার গোড়া এলাকার সায়েদুল হকের ছেলে ফারুক নামে এক চালক গত দুই বছর ধরে গাড়িটি ভাড়ায় চালাচ্ছেন। তবে অপহরণের ঘটনার পর থেকেই চালক ফারুকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।
অপহৃত আজাদের চাচা মো. আনোয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দোকানের মালিকানা নিয়ে মনিরের কোনো বিরোধ থাকলে তা থাকতে পারে মূল মালিকের সঙ্গে। আমার ভাতিজা সেখানে শুধুই একজন নিরীহ ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী। সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তাকে প্রকাশ্যে দোকান থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। আমরা অবিলম্বে আজাদকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি।"
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কমলনগর থানার এসআই মো. ফারুক জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অপহৃতকে উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে পুলিশ। সিএনজি মালিক, চালক ফারুক ও মূল অভিযুক্ত মনিরের বাড়িতে ইতোমধ্যে তল্লাশি চালানো হয়েছে। অপহৃত ব্যবসায়ীকে দ্রুত উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর নগরীর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট তদন্তকারী সংস্থার কাছে পৌঁছেছে। ওই বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা রক্তের দাগ ও অন্যান্য আলামতের সঙ্গে গ্রেফতার দুজনের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের জন্য গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের রক্তের নমুনা এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর জিন্নাত আলী গত ২৯ সেপ্টেম্বর সেগুলো ঢাকায় সিআইডির প্রধান কার্যালয়ের ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠান।
সেখানে নিখুঁত রাসায়নিক ও ডিএনএ পরীক্ষার পর তৈরি করা চূড়ান্ত রিপোর্টটি বৃহস্পতিবার রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের কাছে এসে পৌঁছেছে।
গত ২০ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাতে রংপুর নগরীর কামালকাছনা দাসপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫৫), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের (১১) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই ঘটনায় ২৩ আগস্ট ভোরে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে মামলাটির বিস্তারিত তদন্ত রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশ পরিচালনা করছে।
একই পরিবারের চার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার এই ঘটনায় দেশ-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আইন বিষয়ক সম্পাদক সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়া ভট্টাচার্য এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন।
ডিবি পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি ও খুনের কারণ নিয়ে শুরু থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। তবে এই ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে আসামিদের সরাসরি উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা অকাট্যভাবে নিশ্চিত হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের ডিএনএর মিল পাওয়ায় মামলায় অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ যুক্ত হলো। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কারও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ কিংবা সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ