ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান শুরু করছে জাপান


মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান শুরু করছে জাপান

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : সৌরজগতের উৎপত্তি এবং পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভবের রহস্য উন্মোচনের উদ্দেশ্যে মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার একটি ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে জাপান। আশা করা হচ্ছে, এটি হবে মঙ্গল অঞ্চলে গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসার প্রথম অভিযান।

মনুষ্যবিহীন ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ (এমএমএক্স) অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মহাকাশ সংস্থাগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। এটি ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানুষের অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)’র সূত্রে টোকিও থেকে এএফপি জানিয়েছে, এমএমএক্স মহাকাশযান বহনকারী এইচ-৩ রকেটটি মঙ্গলবার জাপানের তানেগাশিমা মহাকাশকেন্দ্র থেকে স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪১ মিনিটে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী, এটি হবে সোমবার রাত ৭টা ৪১ মিনিট।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ হয়নি: মার্কো রুবিও

মহাকাশযানটি প্রায় এক বছর পর মঙ্গলের কাছে পৌঁছাবে। সেখানে এটি মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ তিন বছর প্রদক্ষিণ করবে। এরপর উপগ্রহটির পৃষ্ঠে অবতরণ করে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করবে।

‘আইডেফিক্স’ নামের একটি রোভার ফোবোসের পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে, যাতে নিরাপদে অবতরণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা যায়। ফরাসি কমিকসের জনপ্রিয় চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের নাম অনুসারে রোভারটির নামকরণ করা হয়েছে।

এমএমএক্স প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ইয়াসুহিরো কাওয়াকাতসু এএফপিকে বলেন, ‘ফোবোস থেকে নমুনা সংগ্রহ অবশ্যই বিশ্বে প্রথম। তবে এর অর্থ হলো, মঙ্গল ব্যবস্থায় গিয়ে আবার ফিরে আসারও এটিই প্রথম অভিযান।’

জাক্সা জানায়, এ অভিযানে ফোবোসকে ‘প্রাকৃতিক মহাকাশ স্টেশন’ হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে। মঙ্গলে যাওয়া ও ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলো নির্ধারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মানুষবাহী মঙ্গল অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ১০ মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল বিজেপি সরকার

মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসও পর্যবেক্ষণ করবে। তবে সেখানে অবতরণ না করে নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

জাক্সার আশা, এ অভিযান মঙ্গল ও এর দুই উপগ্রহ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে নতুন তথ্য প্রদান করবে। সৌরজগতের জন্মের রহস্য বোঝার জন্য এ তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলের উপগ্রহগুলোর উৎপত্তি নিয়ে একটি তত্ত্ব হলো ‘বিশাল সংঘর্ষ অনুমান’। এ তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো মহাজাগতিক বস্তু মঙ্গলের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার পর উপগ্রহ দুটি সৃষ্টি হয়।

অন্য একটি তত্ত্ব হলো ‘মহাকর্ষীয় আকর্ষণে বন্দি হওয়ার অনুমান’। এতে বলা হয়, উপগ্রহ দুটি মূলত গ্রহাণু, যেগুলো মঙ্গলের মহাকর্ষীয় আকর্ষণে আটকা পড়ে।

আরও পড়ুন: রুশ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ট্রাম্পের ‘ভালো সিদ্ধান্তের’ ইঙ্গিত

কোন তত্ত্বটি সঠিক, তা নির্ধারণ করা গেলে পাথুরে গ্রহগুলোতে প্রাণের উপযোগী পরিবেশ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে বলে জাক্সা জানিয়েছে। সূর্যের সবচেয়ে কাছের চারটি পাথুরে গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গল।

আইডেফিক্স প্রকল্পে যুক্ত ফরাসি জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী প্যাট্রিক মিশেল বলেন, ‘এমএমএক্স সৌরজগতের বাইরের অঞ্চল থেকে ভেতরের পাথুরে গ্রহাঞ্চলে পানি, উদ্বায়ী পদার্থ ও জৈব যৌগ পৌঁছানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করবে। এসব প্রক্রিয়া গ্রহগুলোকে প্রাণের উপযোগী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।’

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ফোবোস ও ডেইমোস যদি সত্যিই এসব প্রাচীন সরবরাহব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হয়, তাহলে এগুলোতে প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে—অথবা আরও নির্ভুলভাবে বললে, পাথুরে গ্রহে প্রাণের উদ্ভবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর পরিবহন সম্পর্কে—সূত্র থাকতে পারে।’

এমএমএক্স অভিযানটি ফ্রান্সের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পেস স্টাডিজ (সিএনইএস), জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টার (ডিএলআর), যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ) এবং প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বার্সেলোনার উপকণ্ঠে বন্যায় নারীর মৃত্যু, স্পেনে আরও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

জাক্সার বিজ্ঞানীরা জানান, মহাকাশযানের অবতরণ-উপযোগী পা তৈরি করা ছিল প্রকল্পের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ ফোবোসে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ অত্যন্ত দুর্বল।

২০২৪ সালে জাপানের মনুষ্যবিহীন ‘স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন’ (স্লিম) চাঁদে অবতরণের পর কাত হয়ে পড়েছিল। তবে ওই ‘মুন স্নাইপার’ মহাকাশযানটি তথ্য পাঠাতে সক্ষম হয় এবং চাঁদের দুই সপ্তাহব্যাপী কয়েকটি রাতও টিকে ছিল।

মহাকাশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে জাপানের। জাক্সার মনুষ্যবিহীন ‘হায়াবুসা-২’ মহাকাশযান ২০২০ সালে পৃথিবী থেকে কয়েকশ কোটি কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহাণু থেকে সংগ্রহ করা ৫ দশমিক ৪ গ্রাম পাথর ও ধুলিকণা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

তবে আগের গ্রহাণু অভিযানের সঙ্গে এমএমএক্সের বড় পার্থক্য হলো, এবার মঙ্গলের অত্যন্ত কাছাকাছি গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরতে হবে। এ ক্ষেত্রে মঙ্গলের প্রবল মহাকর্ষীয় আকর্ষণ অতিক্রম করে ফিরে আসা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে এএফপিকে জানান কাওয়াকাতসু।

আরও পড়ুন: উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে মুসলিম বিদ্বেষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

তিনি বলেন, ‘আমরা যাকে মহাকর্ষীয় কূপ বলি, তার গভীরে প্রবেশ করা কঠিন।’

ফোবোস মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় কক্ষপথে ঘোরে।

মঙ্গলের নমুনা সংগ্রহে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের প্রতিযোগিতা

মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে পাথর ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মহাকাশ সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে।

আরও পড়ুন: চীনের রপ্তানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এআই পণ্যের চাহিদার প্রভাব

নাসার ‘পারসিভিয়ারেন্স’ রোভার ২০২১ সাল থেকে মঙ্গলে অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছে। তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন কংগ্রেসের ভোটের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কার্যত এ নমুনা ফেরত আনার অভিযান বাতিল করে দেয়।

অন্যদিকে, চীন জানিয়েছে, তাদের ‘তিয়ানওয়েন-৩’ মহাকাশযান ২০২৮ সালের দিকে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩১ সালের মধ্যে মঙ্গলের নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে দেশটি। সে ক্ষেত্রে এমএমএক্সের নমুনা ফেরত আসার আগেই চীন এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারে।

জাক্সার বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস থেকে সংগ্রহ করা বালু ও পাথরের নমুনা গ্রহটির পৃষ্ঠ থেকে সংগৃহীত নমুনার তুলনায় আরও বৈচিত্র্যময় তথ্য দিতে পারে। বিশেষ করে কোনো মহাজাগতিক বস্তুর সঙ্গে মঙ্গলের সংঘর্ষের ফলে ফোবোস সৃষ্টি হয়ে থাকলে, এ নমুনাগুলো সৌরজগতের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তিগত সাফল্যে আবারও আলোচনায় ইলন মাস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


প্রযুক্তিগত সাফল্যে আবারও আলোচনায় ইলন মাস্ক

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : শূন্যে ডিগবাজি খাওয়া স্পোর্টস কারের মতো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে আবারও সংবাদ শিরোনামে এসেছেন ইলন মাস্ক। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলয়ে ফিরে আসার এবং তাঁর গভীর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি আগের বছরগুলোর মতো আর নিঃশর্ত প্রশংসা পাচ্ছেন না।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিষয়ক অধ্যাপক অ্যান্ড্রু সেলেপাক মন্তব্য করেন, ‘১৯৫০-এর দশক থেকে মহাকাশ ভ্রমণ ও উড়ন্ত গাড়ি নিয়ে আমাদের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তিনি সেগুলোই বাস্তবে করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘অথচ আমরা তাঁকে সেই মনোযোগ দিচ্ছি না, সেই বিস্ময় প্রকাশ করছি না, যা সম্ভবত তাঁর প্রাপ্য।’

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মাস্ককে যেন সবখানেই দেখা যাচ্ছে।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর, তাঁর প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের বিশাল স্টারশিপ রকেট প্রথমবারের মতো কক্ষপথে পৌঁছে ২৬টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করে। পরে রকেটটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে। মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার মাস্কের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু এই রকেটের জন্য ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

ভূরাজনীতিতেও মাস্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, তাদের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে।

এমনকি একসময় টুইটার নামে পরিচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিও নতুন করে জনপ্রিয়তা ফিরে পাচ্ছে। মাস্কের মালিকানাধীন এক্স এখন সিলিকন ভ্যালির অভ্যন্তরীণ মহলে বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনার প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

তবে ধারাবাহিক সাফল্য সত্ত্বেও ডানপন্থি রাজনীতির প্রতি মাস্কের নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকার তাঁর ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে মাস্কের করাতযন্ত্র হাতে নাড়ানোর দৃশ্যের চেয়ে এ পরিবর্তনের প্রতীকী ছবি আর নেই। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই তাঁকে যন্ত্রটি উপহার দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর দিকে সরকারি দক্ষতাবিষয়ক দপ্তরের (ডিওজিই) প্রধান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় ব্যাপকভাবে কমানোর উদ্যোগের প্রতীক হয়ে উঠেছিল ওই করাত।

ডিওজিইর মাধ্যমে মাস্কের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থায় ছড়িয়ে পড়েন। তাঁদের উদ্যোগে ব্যাপক ব্যয়সংকোচন কার্যক্রম চালানো হয়, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) কার্যত ভেঙে পড়ে এবং সামগ্রিকভাবে কয়েক লাখ কর্মসংস্থান হারানোর পেছনেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখে।

‘জাতীয় সম্পদ’

সরকারি ব্যয় কমানোর ওই আক্রমণাত্মক ভাবমূর্তির প্রতিফলন দেখা যায় এক্সে মাস্কের পোস্টগুলোতেও। সেখানে তাঁর কঠোর অভিবাসনবিরোধী অবস্থান ও ডানপন্থি ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পাশাপাশি রকেট উৎক্ষেপণ এবং টেসলার রোবোট্যাক্সি নিয়ে পোস্টও থাকে।

২০২৫ সালের মে মাসে ডিওজিই থেকে সরে যাওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের সম্পর্কের নাটকীয় অবনতি ঘটে। তবে এখন তিনি আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুসম্পর্ক ফিরে পেয়েছেন।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প মাস্কের হাতে দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান পদক তুলে দেন। এ সময় তাঁকে ‘জাতীয় সম্পদ’ এবং ‘আমাদের সময়ের টমাস এডিসন’ বলে অভিহিত করেন প্রেসিডেন্ট।

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান দলের রাজনৈতিক প্রচারে অন্তত ২৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় করেছেন মাস্ক। নির্বাচনে ট্রাম্পের দলকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে ১৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার ব্যয় করা হচ্ছে মাস্কের নিজ রাজ্য টেক্সাসে বড় ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারে। সেখানে জনমত জরিপে রিপাবলিকান প্রার্থী পিছিয়ে রয়েছেন।

বামঘেঁষা ভাষ্যকারদের কাছে মাস্ক এখন মানবকল্যাণে নিয়োজিত প্রযুক্তিপ্রতিভা হিসেবে নয়, বরং ট্রাম্প ও প্রযুক্তি খাতের ধনকুবেরদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে ক্রমেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠছেন।

অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যালেক্স গিবনির নির্মিত ‘মাস্ক’ নামের চার ঘণ্টার একটি প্রামাণ্যচিত্রে এ বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত ছবিটিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া এ ধনকুবেরের জীবন ও কর্মজীবন তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটিতে গুরুত্বপূর্ণভাবে উপস্থিত মাস্কের প্রথম স্ত্রী জাস্টিন মাস্ক পডকাস্টার কারা সুইশারকে বলেন, ‘একসময় আমি তাঁকে এমন একজন হিসেবে বর্ণনা করেছিলাম, যিনি পাহাড়ের কিনারা থেকে লাফিয়ে পড়ে নিচে নামতে নামতেই প্যারাস্যুট আবিষ্কার করতে পারেন। আমার মনে হয়, বিশৃঙ্খলার মধ্যেই তিনি নিজের শক্তি খুঁজে পান।’

তবে তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব সময়ই ধরে নিই, তাঁর আপাত উন্মাদনার পেছনে কোনো না কোনো পরিকল্পনা রয়েছে।’ তাঁর মতে, মাস্কের অনেক আলোচিত কর্মকাণ্ড আসলে দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার কৌশল কিংবা চোখের ধাঁধা হতে পারে।

ওয়াশিংটনের সঙ্গে মাস্কের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য হতে পারে।

মার্কিন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর মাস্কের মতো এতটা নির্ভরশীল উদ্যোক্তা খুব কমই আছেন।

জুনে ইতিহাসের বৃহত্তম প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া স্পেসএক্স নাসা ও পেন্টাগনের সঙ্গে চুক্তি থেকে প্রতিবছর শত শত কোটি ডলার আয় করে। অন্যদিকে, টেসলার রোবোট্যাক্সি প্রকল্পের সাফল্য নির্ভর করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কত দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সড়কে চালকবিহীন গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেয়, তার ওপর।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, রিপাবলিকানদের নির্বাচনী প্রচারে মাস্কের কোটি কোটি ডলার ব্যয়কে রাজনৈতিক মতাদর্শের পরিবর্তনের চেয়ে বিনিয়োগ হিসেবেই বেশি দেখা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, সুবিধা পাবেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, সুবিধা পাবেন যারা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা শহরে প্রথমবার বাড়ি কিনতে ইচ্ছুকদের জন্য ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এই সুবিধাটি নগর কর্তৃপক্ষের দুটি আলাদা কর্মসূচির আওতায় পাওয়া যাবে। তবে, সকলেই এই অর্থ পাবেন না। সহায়তার পরিমাণ নির্ভর করবে পারিবারিক আয়, বাড়ির অবস্থান এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণের ওপর।

টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের দুটি কর্মসূচি হলো ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ এবং ‘কমিউনিটি রিডেভেলপমেন্ট এরিয়া’ বা সিআরএ ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি। প্রথম কর্মসূচির আওতায় যোগ্য ক্রেতারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার সহায়তা পেতে পারেন। অন্যদিকে, নির্ধারিত পুনর্গঠন এলাকার মধ্যে বাড়ি কিনলে দ্বিতীয় কর্মসূচির আওতায় আরও ৫০ হাজার ডলার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। উভয় কর্মসূচির শর্ত পূরণ হলে মোট সহায়তা ১ লাখ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত নগর কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এমন একজন ক্রেতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যিনি দুটি কর্মসূচির সহায়তা মিলিয়ে মোট ১ লাখ ডলার পেয়েছেন। ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেতে হলে বাড়িটি অবশ্যই টাম্পা নগরসীমার মধ্যে হতে হবে। পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং বাড়ির ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি হওয়া যাবে না। এছাড়া, অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। বাড়ি কেনার চুক্তি করার আগেই কর্মসূচির নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।

অন্যদিকে, সিআরএ কর্মসূচির জন্য বাড়িটি টাম্পার নির্ধারিত কমিউনিটি পুনর্গঠন এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত হতে হবে। শুধু নির্দিষ্ট ডাক-সংকেত বা জিপ কোডের আওতায় পড়লেই হবে না; বাড়িটির প্রকৃত অবস্থান সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রেও পারিবারিক আয়, ক্রেতার যোগ্যতা, নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ এবং অনুমোদিত ঋণের ধরনসহ বিভিন্ন শর্ত রয়েছে।

নগর কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্ধারিত এলাকার মধ্যম পারিবারিক আয়ের তুলনায় আবেদনকারীর আয়ের স্তর বিবেচনা করে সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। তবে, এই আয়সীমা পূরণ করলেই সহায়তা নিশ্চিত নয়। কর্মসূচির অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।

এই অর্থকে সরাসরি নগদ অনুদান হিসেবে ধরা উচিত নয়। সাধারণত শূন্য সুদের বিলম্বিত পরিশোধযোগ্য ঋণের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত মেনে বাড়িটিকে নিজের প্রধান বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করলে ২০ বছর পর ঋণ মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।

তবে, বাড়ি বিক্রি, মালিকানা পরিবর্তন কিংবা বসবাসের শর্ত ভঙ্গ করলে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে ঋণের চুক্তি ও মওকুফের শর্ত ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।

প্রথমবার বাড়ি কিনতে গিয়ে যারা প্রাথমিক অর্থের জোগান দিতে সমস্যায় পড়েন, তাদের জন্য টাম্পার এই কর্মসূচি সহায়ক হতে পারে। তবে, সহায়তার পরিমাণ, তহবিলের প্রাপ্যতা ও আবেদনের নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।

অতএব, আবেদন করার আগে টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও তহবিলের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকাশ রাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ঘোষণা, সিইসি অপসারণের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


প্রকাশ রাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ঘোষণা, সিইসি অপসারণের দাবি

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আটক করার ঘটনা ও তিরঙ্গা মিছিলে বিধিনিষেধ আরোপের জন্য বলিউড অভিনেতা এবং অধিকারকর্মী প্রকাশ রাজ সমালোচনা করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ না করা পর্যন্ত তিনি দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন। এছাড়া, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছেন প্রকাশ রাজ।

সম্প্রতি, ভারতের তিরুবনন্তপুরমের মানবীয়ম বীথিতে (কেরালা) জ্ঞানেশ কুমার ও এসআইআরের বিরুদ্ধে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন। সভার শুরুতে মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি না থাকার কারণে পুলিশ আয়োজকদের বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর সভা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রকাশ রাজ বলেন, "আন্দোলন দমনের চেষ্টা সত্ত্বেও দেশের তরুণরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।" তিনি মহাত্মা গান্ধী, বিআর আম্বেদকর ও ভগৎ সিংয়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "আমাদের শরীরে গান্ধীর রক্ত আছে, আম্বেদকরের রক্ত আছে, ভগৎ সিংয়ের রক্ত আছে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব, সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করব।"

প্রকাশ রাজ আরও বলেন, "আপনাদের স্বৈরাচারী আচরণ করেও পার পেয়ে যাওয়ার ধারণা আমরা ভুল প্রমাণ করব।" তিনি প্রতিবাদে বাধা দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করেন, "জ্ঞানেশ কুমার, আপনারা আমাদের থামাচ্ছেন কেন? আপনারা আমাদের বাধা দিচ্ছেন কেন? বেআইনিভাবে আটক করছেন কেন? এ থেকেই বোঝা যায়, কোথাও কিছু একটা ভুল হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "ভয়টা স্পষ্ট। আমি মোদিজিকে প্রশ্ন করছি— আপনার 'ঘরে ঘরে তিরঙ্গা' স্লোগানের কী হলো? আপনিই তো এই স্লোগান শুরু করেছিলেন। এখন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল করতে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও তরুণদের গ্রেফতার করছেন কেন?"

প্রতিবাদকারীরা নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন উল্লেখ করে প্রকাশ রাজ বলেন, "এটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার। দেশজুড়ে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের অবস্থান প্রশংসনীয়, তবে সতর্কতার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের অবস্থান প্রশংসনীয়, তবে সতর্কতার আহ্বান

মাদকবিরোধী

মুক্তিযুদ্ধের মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। বিএনপি নেতা রাশেদ খান নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তিনি ইশরাকের মাদকবিরোধী অবস্থানকে প্রশংসনীয় মনে করেন, তবে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

রোববার

(১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন।

পোস্টে

তিনি উল্লেখ করেন, ইশরাক হোসেন হলেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতা। রাজপথে সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি সারাদেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রভাব ফেলেছেন।

মন জয় করার মধ্য

দিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রীর আসনে

গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে গভীরভাবে ধারণ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার অবস্থান সবসময় দৃঢ় দেখা গেছে।

উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিবাদ করতে

খান বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের শক্তিশালী অবস্থান প্রশংসনীয়। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের সময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন।

রাশেদ

আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার জন্য

রাশেদ

খান আশা প্রকাশ করছেন,

ইশরাক এ সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে

গ্রহণ করবেন এবং ভবিষ্যতে নিজেকে

তিনি আরও বলেন, ইশরাককে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

মাদকসেবীদের

আচরণ ও নিরাপত্তাঝুঁকির প্রসঙ্গ

তুলে রাশেদ খান বলেন, মাদকাসক্ত

ব্যক্তিরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি,

এছাড়া, পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চিনতে না পারা মাদকসেবীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। মাদকের ঘোরে তারা অনেক কিছু করতে সক্ষম হন।

তারা যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে

বিএনপির

এই নেতা মনে করেন,

জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক হোসেনের উচিত আরও সচেতন হওয়া এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। এতে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

থেকে নিজ এলাকায় জনগণকে

সঙ্গে নিয়ে মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক

সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব

ইশরাকের

বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান

তিনি বলেন, সমালোচনার প্রেক্ষিতে ইশরাক স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

যেতে না পারেন, সে

দেশে

মাদকের বিস্তার এবং পুলিশ-প্রশাসনের

কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে

রাশেদ খান বলেন, মাদকবিরোধী

অভিযানে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধ গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%