১২:৩৯ পি.এম
মাদকবিরোধী
মুক্তিযুদ্ধের মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। বিএনপি নেতা রাশেদ খান নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তিনি ইশরাকের মাদকবিরোধী অবস্থানকে প্রশংসনীয় মনে করেন, তবে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
রোববার
আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ
(১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে
তিনি উল্লেখ করেন, ইশরাক হোসেন হলেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতা। রাজপথে সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি সারাদেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রভাব ফেলেছেন।
মন জয় করার মধ্য
আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি
দিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রীর আসনে
গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে গভীরভাবে ধারণ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার অবস্থান সবসময় দৃঢ় দেখা গেছে।
উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিবাদ করতে
খান বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের শক্তিশালী অবস্থান প্রশংসনীয়। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের সময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন।
আরও পড়ুন: বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
রাশেদ
আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার জন্য
রাশেদ
খান আশা প্রকাশ করছেন,
আরও পড়ুন: ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সমান অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি সরকারের: শেখ রবিউল আলম
ইশরাক এ সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে
গ্রহণ করবেন এবং ভবিষ্যতে নিজেকে
তিনি আরও বলেন, ইশরাককে আরও সতর্ক থাকতে হবে।
মাদকসেবীদের
আরও পড়ুন: স্বৈরাচারের গুলি দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান: প্রধানমন্ত্রী
আচরণ ও নিরাপত্তাঝুঁকির প্রসঙ্গ
তুলে রাশেদ খান বলেন, মাদকাসক্ত
ব্যক্তিরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি,
এছাড়া, পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চিনতে না পারা মাদকসেবীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। মাদকের ঘোরে তারা অনেক কিছু করতে সক্ষম হন।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে সাবেক দুই মেয়রসহ তিন আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
তারা যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে
বিএনপির
এই নেতা মনে করেন,
জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক হোসেনের উচিত আরও সচেতন হওয়া এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। এতে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
থেকে নিজ এলাকায় জনগণকে
সঙ্গে নিয়ে মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক
সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব
ইশরাকের
বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান
তিনি বলেন, সমালোচনার প্রেক্ষিতে ইশরাক স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
যেতে না পারেন, সে
দেশে
মাদকের বিস্তার এবং পুলিশ-প্রশাসনের
কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে
রাশেদ খান বলেন, মাদকবিরোধী
অভিযানে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধ গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন