সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মক্ষমতা, উৎপাদন কার্যকারিতা এবং কারিগরি তথ্য বিশ্লেষণকে আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত করার উদ্দেশ্যে কারিগরি ও অর্থনৈতিক সূচকসমূহ গণনা ব্যবস্থা বিষয়ক একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার রোসেনেরগোঅ্যাটমের বাংলাদেশ শাখার পরিচালক সিনিয়াকভ ভাদিম ভ্লাদিমিরোভিচ। সভাপতিত্ব করেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাছান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চিফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো. ইয়ামিন আলী।
সভাপতির বক্তব্যে ড. জাহেদুল হাছান উল্লেখ করেন, আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মক্ষমতা ও উৎপাদন কার্যকারিতা বিভিন্ন কারিগরি, পরিচালনাগত ও অর্থনৈতিক সূচকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি বলেন, "বিভিন্ন সিস্টেম, ইকুইপমেন্ট ও অপারেশনাল প্যারামিটারের পরিবর্তন বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইউনিটের সামগ্রিক কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "কারিগরি ও অর্থনৈতিক সূচকসমূহ গণনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে অপারেশনাল প্যারামিটার এবং সিস্টেম ও ইকুইপমেন্টের পরিবর্তন বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইউনিটের কর্মক্ষমতায় কি প্রভাব ফেলছে, তা তথ্যভিত্তিক ভাবে মূল্যায়ন করা যাবে।"
ড. মো. জাহেদুল হাছান আরও বলেন, "একটি উৎপাদন ইউনিটের বিভিন্ন সিস্টেম ও প্যারামিটারের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই কোনো একটি সিস্টেম বা প্যারামিটারের পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবস্থা ও সামগ্রিক উৎপাদন কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিটের কর্মক্ষমতা, অপারেশনাল অবস্থা এবং কারিগরি ও অর্থনৈতিক সূচকের মধ্যকার সম্পর্ক বিশ্লেষণে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন করবেন।
এ দক্ষতা ভবিষ্যতে তথ্য বিশ্লেষণ, উৎপাদন কার্যকারিতা মূল্যায়ন, প্রতিবেদন প্রণয়ন ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে। প্রধান অতিথি সিনিয়াকভ ভাদিম ভ্লাদিমিরোভিচ প্রশিক্ষণার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন এবং তা কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট দিমিত্রি কজলভ, ডেপুটি চিফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ গোলাম শাহিনুর ইসলাম, ডেপুটি ডিরেক্টর মুশফিকা আহমেদ, ডেপুটি চিফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ ওয়াজিহুর রহমান, ডেপুটি চিফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ মিজানুর রহমান, চিফ ইঞ্জিনিয়ার ইরতিয়াজ মাহমুদ এবং ব্যবস্থাপক মোঃ সোলায়মানসহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রোডাকশন অ্যান্ড টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (পিটিডি) প্রধান রাজু আহম্মেদ।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ প্রশিক্ষণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণ, কারিগরি তথ্য বিশ্লেষণ ও উৎপাদন কার্যকারিতা মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরে প্রধান অতিথি ও সভাপতি আনুষ্ঠানিকভাবে কারিগরি ও অর্থনৈতিক সূচকসমূহ গণনা ব্যবস্থা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ (সুজানগর ও বেড়া উপজেলা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, এবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সুজানগরের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব। গত রোববার ১০টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে তাকে মনোনীত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে তিনি রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছয় দফা দলীয় মনোনয়ন লাভ করেছেন এবং দুই দফা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি, তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদেও রয়েছেন, যা তার সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ। বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ওই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় নির্বাচনী এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইছে।
বিশেষ করে, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিয়ে গঠিত ওই কমিটির সভাপতির পদ অলংকৃত করায়, দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। এলাকার জনগণ আশা করছেন, সংসদ সদস্য এবং একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ওই কমিটির সভাপতি হিসেবে তার মনোনয়ন নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো ত্বরান্বিত করবে। সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, গুরুত্বপূর্ণ ওই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব-কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের জন্য নির্বাচনী এলাকার জনগণের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেওয়ানবাগকে ঘিরে অতীতে বিভিন্ন আলেম-উলামা ও পীর-মাশায়েখের পক্ষ থেকে প্রকাশিত কঠোর সমালোচনা ও ধর্মীয় আপত্তির প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি মাহফিলে কয়েকজন সুফিপন্থি হিসেবে পরিচিত পীর-মাশায়েখের উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাইজভান্ডার ও খান্দুরা দরবার শরীফের পীর সৈয়দ জুবায়ের কামালসহ কয়েকজন পীর-মাশায়েখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন। সেখানে তাদের আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, কোলাকুলি এবং একই স্থানে বসে খাবার গ্রহণ করতেও দেখা যায়।
জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে পীর-মাশায়েখ ও সুফিদের নিয়ে আয়োজিত মীলাদুন্নবীর মাহফিলের ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে প্রশ্ন উঠছে, দেওয়ানবাগকে ঘিরে অতীতে বিভিন্ন আলেম-উলামা ও পীর-মাশায়েখের পক্ষ থেকে যখন নানা ধরনের ধর্মীয় আপত্তি ও সমালোচনা করা হয়েছে, তখন সুফিপন্থি হিসেবে পরিচিত এসব ব্যক্তিরা কী উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত হলেন?
কারও কারও প্রশ্ন, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সামাজিক সম্পর্কের অংশ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো মতাদর্শিক বা সাংগঠনিক যোগাযোগ?
আবার কেউ কেউ জানতে চাইছেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে তারা কি দেওয়ানবাগের কোনো কার্যক্রম বা মতাদর্শের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন?
সবচেয়ে বেশি আলোচনা দেখা যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা দরবার শরীফের পীর সৈয়দ জুবায়ের কামালের উপস্থিতি নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে তার ধর্মীয় ও মতাদর্শিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এমনকি কেউ কেউ তার সুন্নিপন্থি অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে এসব বক্তব্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো দাবি বা মন্তব্যকে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। একইভাবে, কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া, কুশল বিনিময় কিংবা একই সঙ্গে খাবার গ্রহণের দৃশ্য থেকেই একজন ব্যক্তির আকিদা, মতাদর্শ বা ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সমীচীন নয়।
সৈয়দ জুবায়ের কামালসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত পীর-মাশায়েখরা কোন উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানের আয়োজকদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কী এবং দেওয়ানবাগের বিভিন্ন মতাদর্শিক অবস্থানের বিষয়ে তাদের নিজস্ব অবস্থান কী-এসব প্রশ্নের উত্তর মিললেই বিতর্কের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।
একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে ধর্মীয় অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল। এটি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর কোনো মতাদর্শিক কিংবা সাংগঠনিক যোগাযোগ এখন সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহরে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের কাছে ১০ বোতল এস্কাফ সিরাপ ছিল। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন, জগতলা পূর্বপাড়ার মৃত কুরান সরকারের ছেলে মো. শাহ আলম সরকার (৬০) এবং অপরজন হলেন, জগতলা কাজীপাড়ার মৃত দিলবর আলীর ছেলে মো. ফজলুল হক (৩৯)।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, জগতলা গ্রামের মুছা মোল্লার বাড়ির সামনে দুই ব্যক্তি নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়। এ সময় শাহ আলমের কাছে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১০০ মিলিলিটার করে পাঁচ বোতল এস্কাফ সিরাপ এবং ফজলুল হকের শপিং ব্যাগ থেকে একই পরিমাণের আরও পাঁচ বোতল উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাটমোহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন বিরোধীদলীয় নেতার জন্য
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের জন্য দোয়া করেছেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দোয়া করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা আমার জন্য এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে মোনাজাত করেছেন। তাই আমিও দোয়া করছি।’
এরপর তিনি ডা. শফিকুর রহমানের জন্য দোয়া করতে গিয়ে বলেন, ‘রব্বুল আলামিন আমাদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে শ্বেত-শুভ্র বুজুর্গানে দ্বীন। তার হায়াতে তাইয়্যেবা দান করুন। সবরে জামিল দান করুন।’
এর আগে, ৩ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘এসআরবি বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন ডা. শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেন।
সে সময় মোনাজাতের ভঙ্গিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘হে রাব্বুল আলামিন, তুমি উনার দিলটাকে অনেক বড় করে দাও। আল্লাহ তায়ালা, জাতির স্বার্থেই বড় করে দিন।’
এদিকে, বিরোধীদলীয় নেতার দোয়ার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিজ আসনে বসে ‘আমিন’ বলতে এবং পরে মুখে হাত বুলাতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ