ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গাপূজার মূল দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রাষ্ট্রপতি


দুর্গাপূজার মূল দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দুর্গাপূজার মূল দর্শন হচ্ছে অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং সেগুলোকে পরাজিত করা।

তিনি রোববার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে পরাজিত করেছে। রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান, ১৯৭১ সালে এটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল এবং পরে ১৯৭৩ সালে এই মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়। ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলার সময় যারা এই অপকর্ম করেছে, তাদের হাতেই এটি ঘটেছিল।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিক শিক্ষকরা সরকারকে উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য দূর করতে দুই মাসের সময় দিলেন

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটিকে পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার করা হয়। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য। রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন: মায়ের মৃত্যুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ছেলের মৃত্যু, একসঙ্গে জানাজা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪, পুলিশের জিম্মায় গাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


কাউখালীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪, পুলিশের জিম্মায় গাড়ি

পিরোজপুরের কাউখালীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে কাউখালীর বেকুটিয়া সেতুর ওপারে উত্তর শিয়ালকাঠী নতুন বাজার ব্যাপারী বাড়ীর সামনের এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন,অটোরিকশাচালক আলমগীর হোসেন (৫০), এবং দুই যাত্রী রিফাত হোসেন (২২) ও স্মৃতি (১৮)। তারা সবাই কাউখালী উপজেলার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে, একই দিনে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পিরোজপুর সদরের বাসিন্দা সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহও আহত হন। এ বিষয়ে আহত সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ জানান, বেপরোয়া অটোরিকশার কারণে প্রতিদিন সাধারণ যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই, নেই কোনো লাইসেন্স।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন-এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান,
"দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে বর্তমানে থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সরকার আগের স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


বিএনপি সরকার আগের স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘এতদিন বলতাম, আমরা সরকারকে সহযোগিতা করব; আজ থেকে ঘোষণা দিচ্ছি, ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব। এই সরকার আমাদের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ; বিরোধী দলের সহযোগিতা নেওয়ার মতো যোগ্যতা তাদের নেই।’

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, ‘আমরা বিএনপি সরকারের পতন চাইনি, চেয়েছিলাম তাদের সফলতা। কারণ তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা। সম্প্রতি লোডশেডিংয়ে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, আমরা সংসদে নোটিশ দিয়ে আলোচনা করে প্রস্তাব দিয়েছিলাম- এই সংকট নিরসনে আমরা ভূমিকা রাখতে চাই। আমাদেরকেও এ দেশের মানুষ ম্যান্ডেট দিয়ে এখানে পাঠিয়েছে। আমরা সংসদীয় কমিটি গঠনের কথা বলিনি, আমরা বলেছিলাম- আমাদের একটি টেকনিক্যাল এক্সপার্ট টিম আছে, সেই টিমকে সরকারের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু তারা সাহস করে তা কবুল করেনি। কীভাবে করবে? এর আগে যেসব দুর্নীতি করা হয়েছে, তা তো ফাঁস হয়ে যাবে! এর মধ্য দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে—তারা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বললেও প্রকৃতপক্ষে তাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ নয়; সবার আগে তারা নিজে, তাদের পরিবার, সন্তান, ভাগ্নে, ভাতিজা, শ্বশুর ও স্ত্রী।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট দুপুরের আগ পর্যন্ত বিএনপি আমাদের মতোই একটি মজলুম দল ছিল। কিন্তু এর পর থেকেই বিএনপি রাতারাতি তাদের অতীত ভুলে গেছে। তারা জুলাই সনদের কিছু কিছু বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করলেও গণভোটের ব্যাপারে কোনো ভিন্নমত প্রকাশ করেনি। তবে একটি জায়গায় ভিন্নতা ছিল—আমরা চেয়েছিলাম গণভোটটি আগেই হোক। তারা তা চায়নি; তারা জোর করে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট করার দাবি জানায়। সে অনুযায়ী একই দিনে গণভোট ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয় যে, একই দিনে দুটি শপথ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু আমরা দুটিরই শপথ নিলেও বিএনপি নিয়েছে মাত্র একটির।’

তিনি আরো বলেন, ‘অতীতে ঐতিহ্য ছিল—একই দিনে একদিকে বিরোধী দল দাঁড়াবে, অন্যদিকে সরকারি দল দাঁড়াবে এবং শপথ অনুষ্ঠান একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু তারা এবার চালাকি করে আলাদা শপথের কথা বলল। অর্থাৎ গোড়া থেকেই জাতির বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেল। এরপর তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আর শপথ নেননি। এভাবে তারা জাতির সঙ্গে ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করে, যার ধারা এখনো অব্যাহত আছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন তারা কায়দা করে ইনিয়ে-বিনিয়ে বিভিন্ন পোষা লোকের মাধ্যমে প্রশ্ন উত্থাপন করছেন—এত আগে কেন বিরোধী দল আন্দোলনে? আমরা তো আন্দোলন চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম, জাতি ভোট দিয়ে একটি সরকার গঠন করেছে পাঁচ বছর চালানোর জন্য এবং আরেকটি ভোট দিয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের জন্য। এই দুটি ভোটের মূল্যায়ন যদি বিএনপি করত, তবে আমাদের এক সেকেন্ডের জন্যও সংসদের বাইরে আপাতত আন্দোলন করার প্রয়োজন হতো না। তারাই তো আমাদেরকে আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েছে। তারা ইতোমধ্যে বহু জায়গায় তাদের ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘প্রত্যেকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে তারা হাত দিয়েছে। ছাত্ররা মেধার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে নেমে এসেছিল। কিন্তু একটির পর একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার পর এখন পিএসসির (সরকারি কর্ম কমিশন) ওপর হাত পড়েছে। একজন মন্ত্রী পিএসসি সদস্যদের ডেকে নিয়ে চায়ের টেবিলে পদত্যাগের কথা বলে বলছেন—‘বুঝেনই তো, এখন তো রাজনৈতিক সরকার; সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী চলতে হবে।’ পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। কোনো মন্ত্রীর এটি পারিবারিক ব্যবসা নয় এবং পিএসসির কোনো মেম্বারকে এভাবে কথা বলার কোনো অধিকার মন্ত্রীর নেই। তার মানে, সরকারি চাকরির আসল জায়গাটি এখন তারা পুরোপুরি দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে পূর্ণ করতে চায়। এজন্য মাঝেমধ্যে তারা বলেও ফেলছেন—‘এই জিনিস বা ওই জিনিস শুধুমাত্র বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের জন্য; ওই এলাকায় কোনো কাজ করা যাবে না, যে এলাকার মানুষ আমাদের ভোট দেয়নি বা দেবে না।’ এখানে চিফ হুইপের কথা বলেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। এর আগে তো বর্তমান প্রেসিডেন্ট রংপুরে গিয়ে একই কথা বলে এসেছেন। আবু সাঈদের এলাকায় গিয়ে বলে আসলেন—‘ভোট দেবেন জামায়াতকে, জাতীয় পার্টিকে; আর উন্নয়ন চাইবেন বিএনপির কাছে? এটা কি বিএনপির বাবার তহবিলের টাকা দিয়ে উন্নয়ন হবে?’ না, তা হবে না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "রাষ্ট্রের রাজকোষে আজ জন্ম নেওয়া শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ—সব পেশা ও শ্রেণীর মানুষের অবদান আছে। কেউ সরাসরি, কেউ পরোক্ষভাবে ট্যাক্স দেয়। গরিবের টাকা আলাদা করে রাখা হয় না, সবই এক জায়গায় জমা হয়। সুতরাং এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া শুধু অশালীনতা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধ। অথচ অনেকে অবলীলায় এই অপরাধ করে চলেছেন।"

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, অথচ বিরোধী দলের একজন এমপিকেও তা দেওয়া হয়নি। এই বৈষম্যের জন্যই কি এতগুলো তাজা প্রাণ গেল? এটার জন্যই কি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল? চব্বিশ ছিল আমূল পরিবর্তনের জন্য। ওই বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচনা করে নতুন রাজনীতির সূচনা হবে—জনগণ সেটাই আশা করেছিল। কিন্তু দেশটাকে আবার সেই পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, শেষ পর্যন্ত মহিষের ওপরও ট্যাক্স বসানো হচ্ছে; মহিষের ঘাস খাওয়ার জন্যও চাঁদা না দিলে তাকে মেরে ফেলা হচ্ছে। কোথায় গিয়ে নেমেছে এরা!’

জামায়াত আমির বলেন, ‘তারা বলছে—বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা না করে এত আগেই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, নানা কথা বলছে। কিছু সুশীল ও বুদ্ধিজীবীও একই কথা বলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু গত সাত মাসের মধ্যে রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে জবাই করা হয়েছে। আগের স্বৈরাচার যে পথে হেঁটেছিল, বর্তমান সরকারও হুবহু সেই পথেই হাঁটছে। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী দল কি আঙুল চুষে বসে থাকবে? না! শত ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপির পর জনগণ আমাদেরকে যে কয়টি আসন দিয়েছে, সেই আসনের ৮৯ জন এমপি সারা দেশের ১৮ কোটি মানুষের পাহারাদার হিসেবে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি—বিএনপি বদলে গেলেও আমরা আমাদের দেওয়া কথা পরিবর্তন করব না। জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় ইনশাআল্লাহ আমরা আদায় করেই ছাড়ব। ইনিয়ে-বিনিয়ে আমাদের বহু প্রলোভন দেখানো হয়েছে; আমরা সেগুলোর দিকে ফিরেও তাকাইনি, ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছি। কেউ তার ইচ্ছামতো জাতির সঙ্গে প্রতারণা করলেও বিরোধী দল ইনশাআল্লাহ হিমালয় পর্বতের মতো অটল থেকে নিজ লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে।’

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো সিন্ডিকেটের হাতে প্রিয় বাংলাদেশকে সঁপে দেব না। সেই দিন শেষ! যুবসমাজ জেগে উঠেছে; পূর্ণ মুক্তি না আসা পর্যন্ত তারা শান্ত হবে না। আর আমরা যুবকদের পাশে থেকে তাদের চেয়েও শক্তিশালী শক্তি হয়ে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ গত ২৪ ঘন্টায় ২ হাজার ১১১টি মামলা করেছে।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৯টি বাস, ২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি ও ১৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১০টি বাস, ৯টি ট্রাক, ৯টি সিএনজি ও ৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০৮টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৫টি বাস, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৫৮টি সিএনজি ও ১৮২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩১৪টি মামলা দায়ের হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৩টি বাস, ২৮টি ট্রাক, ১৯টি কাভার্ডভ্যান, ৫৭টি সিএনজি ও ৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩১০টি মামলা হয়েছে।

অপরদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৬টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৫২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩২টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৫টি বাস, ১০টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ২৮টি সিএনজি ও ১১১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৯টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ৫১টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৬টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৬১টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ৩৯টি কাভার্ডভ্যান, ৮৪টি সিএনজি ও ১৫৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫৮৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানের সময় ৫২২টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪০১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করে।

ডিএমপি’র বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: পূর্বধলায় মানববন্ধন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


সাংবাদিক আলিফ হত্যা: পূর্বধলায় মানববন্ধন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পূর্বধলায় মানববন্ধন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকেরা। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ‘পূর্বধলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ’-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রকাশ্যে একজন সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকেরা যেন কোনো ধরনের হুমকি বা সহিংসতার শিকার না হন, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো পরিকল্পনাকারী বা সহযোগী থাকলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মাটি ও মানুষের জেলা প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম, পূর্বধলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক মো. ছাইদুল ইসলাম, লেখক ও কলামিস্ট জাকির আহমদ খান কামাল, দৈনিক ইকরা প্রতিদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুজ্জামান শফিক, দৈনিক সংলাপের জেলা প্রতিনিধি নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, দৈনিক কালবেলার উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, আলোকিত বাংলাদেশের উপজেলা প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম, দৈনিক বাংলাবাজারের উপজেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, দৈনিক জবাবদিহির উপজেলা প্রতিনিধি সাগর আহমেদ জর্জ, তালাশ বিডির জেলা প্রতিনিধি মো. এম আর উজ্জ্বল ও ফটোসাংবাদিক শাহজাহান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন আজকের জনকথার ময়মনসিংহ ব্যুরোপ্রধান হারাধন সূত্রধর, জেলা প্রতিনিধি আকরাম হোসেন রতন, দৈনিক ইকরা প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার আল-আমীন শেখ, শাশ্বত বাংলার উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুর রশিদ, দৈনিক আলোকিত ময়মনসিংহের বিশেষ প্রতিনিধি মজিবুর রহমান ও ফটোসাংবাদিক মনো মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা।

স্মারকলিপিতে সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া নিহত সাংবাদিকের পরিবারের নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা প্রদান এবং সারা দেশে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সাংবাদিকেরা স্মারকলিপিটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%