বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৬ পি.এম
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, নগরীর ঐতিহাসিক মাদারবাড়ি বালুর মাঠে নির্মিত হবে ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের একটি দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর মাদারবাড়ি বালুর মাঠ পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও নেতাদের উদ্দেশ্যে এই তথ্য তুলে ধরেন।
চসিক মেয়র উল্লেখ করেন, এখানে ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ১০০ ফিট প্রস্থের একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে, যা মোট ১৫ হাজার স্কয়ার ফিটের। এর সঙ্গে একটি রাস্তা এবং হাঁটার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "যাতে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।" বৈধ প্লটধারীদের প্লটের জায়গা অপরিবর্তিত থাকবে এবং মাঠের জায়গা কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, "আমার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ করে দেওয়া হবে।" এই লক্ষ্যে মাদারবাড়ির বালুর মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
মাদক, সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্য দূর করতে মাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, "মাদারবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো খেলার মাঠ নেই, ফলে এখানকার ছেলেরা খেলতে পারছে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি আমরা যুব সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে চাই, তাহলে মাঠের কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি মাঠ করার পরিকল্পনা করেছেন। এই এলাকার সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, "চট্টগ্রামের উন্নয়নে যা প্রয়োজন ইনশাআল্লাহ করে দেবেন।" তিনি আরও বলেন, "যদি এই এলাকায় ফুটসাল বা ছোট পরিসরে খেলার মতো আরো কোনো খালি জায়গা থাকে, আমাদের জানান। আমরা সেটাও করে দেব।"
শাহাদাত হোসেন জানান, ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হালিশহর এইচ ব্লক মাঠ, হালিশহর বহুরূপী মাঠ, ফিরোজশাহ মাঠ, হালিশহর এস ব্লক মাঠ (বি ব্লক সংলগ্ন) এবং হালিশহর বিডিআর মাঠ।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে হালিশহর শিশু পার্ক মাঠ, হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ মাঠ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও বাকলিয়া স্কুল মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডেও নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার টানা ছুটির কারণে মাছের দাম কমেছে। সবজির বাজারেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে মুরগি ও ডিমের দাম আগের মতোই রয়েছে। বিক্রেতাদের মতে, ছুটির সময় ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকায় মাছ ও সবজির দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে শিমের দাম প্রতি কেজি ১৪০-১৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের কেজি দামও ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা গোল বেগুনের দাম ১০০ টাকা কেজি, আর লম্বা বেগুনের দাম ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে লম্বা বেগুনের দাম ছিল ১২০ টাকা। তবে টমেটোর দাম প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকায় ২০ টাকা বেড়ে গেছে।
এছাড়া, ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০, ফুলকপি ৬০, শসা ৭০ থেকে ৮০, গাজর ১০০, কাঁকরোল ও করলা ৮০ টাকা এবং পটল ও ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লাউ পিসের দাম আকারভেদে ৫০-৬০ টাকায় রয়েছে। লেবুর হালি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপের দামও তুলনামূলকভাবে কম, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার সরকারি হেলিপ্যাডের কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আহমেদ জানান, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। ফলে খুচরা বাজারেও ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন।
বাজারে বড় রুই মাছের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, কাতল ৪০০-৪২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা এবং পাবদা ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় অন্যান্য ছোট মাছের দামও তুলনামূলকভাবে কমেছে।
কানাইপুর বাজারে মাছ কিনতে আসা আমেনা বেগম জানান, চার-পাঁচ দিন আগে বড় আকারের রুই মাছের দাম ছিল ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু আজ তিনি একই মাছ ৩৫০ টাকায় কিনেছেন। এছাড়া সবজির বাজারেও বিভিন্ন পণ্যের দাম কম মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
একই বাজারের মাছ বিক্রেতা হোসনেয়ারা জানান, পূজার ছুটিতে অনেকেই গ্রামে চলে গেছেন। এর ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। যদিও মাছের সরবরাহ বেশি, কিন্ত ক্রেতার অভাবে দাম কিছুটা কমেছে। তিনি জানান, গতকাল মাছের দাম আরও কম ছিল। তবে মাছের বাজার সবসময় ওঠানামা করে।
এদিকে, মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মুরগির দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০, সোনালি মুরগির দাম ৩১০-৩২০ এবং লেয়ার মুরগির দাম ৩৫০-৩৬০ টাকা রয়েছে।
ফরিদপুর টেপাখোলা বাজারের বিক্রেতা আরমান জানান, পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
ডিমের দামও ক্রেতাদের জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা আবু জাফর জানান, ডিমের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে এবং পরিস্থিতি দেখে আপাতত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক উত্তরাঞ্চলের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রকল্পের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন হবে। এর ফলে প্লট বরাদ্দ নেয়া শিল্প উদ্যোক্তারা শিল্প স্থাপন শুরু করার সুযোগ পাবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে মুখ্যসচিব এ মন্তব্য করেন।
মুখ্যসচিব আরও বলেন, "নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিসিক শিল্পপার্ক মাঠে সভা করতে এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, থমকে থাকা এই প্রকল্পটি দ্রুত শেষ করা হবে।" তিনি জানান, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিক চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট চত্বরে শহীদ শামসুদ্দিন গেট-২ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তির ২৫ বছর পরও বলিউডের রোমান্টিক সিনেমা ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ দর্শকদের ভালোবাসা পাচ্ছে। ছবিতে আর মাধবান ও দিয়া মির্জার জুটি এখনও দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। সিনেমাটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইনস্টাগ্রামে ভিডিও পোস্ট করে স্মৃতিচারণা করেছেন দুই অভিনেতাই। দীর্ঘ সময় পরও তাদের জুটির প্রতি দর্শকদের ভালোবাসা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মাধবান ও দিয়া।
মাধবান তার ভিডিওতে জানান, ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দর্শক এখনো তাকে ও দিয়া মির্জাকে জুটি হিসেবে পছন্দ করেন। বিষয়টি তার কাছে ভীষণ ভালো লাগার। এত বছর ধরে ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ভক্তদের ধন্যবাদও জানান অভিনেতা।
অন্যদিকে, দিয়া শুটিংয়ের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেখানে নিজের কণ্ঠে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তুলে ধরেছেন ছবিটির শুটিংয়ের দিনগুলো, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, হাসি, ক্লান্তি আর গানের স্মৃতি।
ভিডিওর ভয়েসওভারে দিয়া বলেন, ‘দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ, হাসি, ক্লান্তি—তবু কোনোভাবে আমার স্মৃতিতে সবকিছু এখন জাদুর মতো মনে হয়। আর গানগুলো! ২৫ বছর পরও সেগুলো আমাকে সব জায়গায় খুঁজে নেয়।’
এরপর অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘আমার একটা অংশ সব সময় সেই মেয়েটাই হয়ে থাকবে, যে বৃষ্টিতে নাচত, ভালোবাসায় বিশ্বাস করত। ২৫ বছর পরও আপনারা তাকে নিজেদের হৃদয়ে ধরে রেখেছেন। আর আমিও আপনাদের আমার হৃদয়ে ধরে রাখব।’
দিয়ার এই আবেগঘন বার্তায় উঠে এসেছে সিনেমাটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতি এবং দর্শকদের সঙ্গে তৈরি হওয়া দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক। ছবিটির গান ও রোমান্টিক আবহ যে এত বছর পরও দর্শকের মনে জায়গা করে আছে, তার কথায় সেই অনুভূতিই প্রকাশ পেয়েছে।
২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয়েছিল দিয়া মির্জার। তখন তার বয়স ছিল ১৯ বছর। এর এক বছর আগে, ২০০০ সালে ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল’ খেতাব জিতেছিলেন তিনি। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আর মাধবান।
মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এটি। বিশেষ করে মাধবান ও দিয়া মির্জার রসায়ন ছবিটিকে রোমান্টিক সিনেমাপ্রেমীদের কাছে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ের কথা জানালেন দিয়া। সিনেমাটির ২৫ বছর পূর্তিতে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন দিয়া। তার অভিনীত সিনেমাগুলো বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা না করায় একসময় নতুন ছবিতে কাজের সুযোগ হারিয়েছিলেন তিনি।
দিয়া বলেন, ‘আমার সিনেমাগুলো যখন বক্স অফিসে ভালো করছিল না, তখন সত্যি বলতে আমাকে ফিচার ফিল্ম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন তরুণ ও স্বপ্ন দেখা অভিনেতার জন্য এটি বড় ধরনের মানসিক ধাক্কা হতে পারে।’
২০০৪-০৫ সালের দিকে তারকাখ্যাতির পেছনে ছোটা বন্ধ করে দেন দিয়া। এরপর বাণিজ্যিক সাফল্যের চেয়ে অর্থবহ গল্প ও নিজের বিশ্বাসের সঙ্গে মেলে—এমন কাজকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। তার ভাষায়, ‘আমি বস্তুগত অর্জনের চেয়ে অর্থপূর্ণ কাজকে গুরুত্ব দিয়েছি।’
নিজের সুযোগ নিজেই তৈরি করেন দিয়া
কাজের সুযোগের জন্য অপেক্ষা না করে নিজের পছন্দের গল্প নিয়ে কাজ করতে ২৪ বছর বয়সেই চলচ্চিত্র প্রযোজনায় যুক্ত হন দিয়া। তার প্রযোজিত সিনেমার মধ্যে রয়েছে ২০১১ সালের ‘লাভ ব্রেকআপস জিন্দেগি’ এবং বিদ্যা বালান অভিনীত ২০১৪ সালের ‘ববি জাসুস’।
নিজের অবস্থান তৈরি করার বিষয়ে দিয়া বলেন, ‘যদি আমাকে টেবিলে জায়গা দেওয়া না হয়, তাহলে আমি নিজের টেবিল তৈরি করব।’
২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাঞ্জু’ সিনেমায় মান্যতা দত্তের চরিত্রে অভিনয় এবং ২০১৯ সালের ওয়েব সিরিজ ‘কাফির’-এ কাইনাজ আখতারের ভূমিকাকে ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখেন তিনি। বিশেষ করে ‘কাফির’ তার অভিনয়জীবনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে।
চরিত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে পর্দায় কতক্ষণ দেখা যাবে কিংবা তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন কি না—এসবের চেয়ে চরিত্রের গভীরতাকে গুরুত্ব দেন দিয়া। তার কথায়, ‘আমি কখনো চরিত্রের দৈর্ঘ্যকে গুরুত্ব দিইনি। সব সময় চরিত্রের গভীরতাকে গুরুত্ব দিয়েছি।’
ভারতীয় সিনেমায় নারীর উপস্থাপনা নিয়েও কথা বলেছেন দিয়া। তার মতে, গত এক দশকে পিতৃতন্ত্র ও নারীবিদ্বেষ নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে অনুভব সিনহার ‘থাপ্পড়’ সিনেমার উদাহরণ টানেন তিনি। ছবিটিতে সংবেদনশীলভাবে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলে মনে করেন অভিনেত্রী।
নতুনদের উদ্দেশে দিয়া বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের ব্যর্থতা দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় না। তার ভাষায়, ‘কাজ করার নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই। আপনি কত দিন কাজ করতে চান, তা আপনিই ঠিক করবেন।’
ক্যারিয়ারে টিকে থাকতে নিয়মিত শেখা, সততা ও কাজের প্রতি অঙ্গীকারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন দিয়া মির্জা।
মুক্তির আড়াই দশক পরও ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবং মাধবন-দিয়ার জুটির প্রতি ভালোবাসা যেন সিনেমাটির দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তারই প্রমাণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের কৌশলগত তাইজপ্রদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারপন্থী বাহিনী এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভয়াবহ লড়াইয়ের কারণে গত আগস্ট মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
সরকারি সামরিক সূত্র জানায়, হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে শত শত বিমান ও স্থল হামলা পরিচালিত হয়েছে। সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মজিদ আল-নাজিলি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক অভিযানে হুথির বহু সদস্য হতাহত হয়েছেন এবং তাদের বেশ কিছু যুদ্ধট্যাংক ও অস্ত্রাগার ধ্বংস করা হয়েছে। বিশেষ করে তাইজের পশ্চিমাঞ্চলীয় জাবাল হান পাহাড়ি এলাকা এবং ধুবাব ও আল-মাসরাখ জেলাগুলোতে তীব্র লড়াই চলছে।
এদিকে, জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (OCHA) জানিয়েছে, আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই নতুন সংঘাতের ফলে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই সংঘাতের কেন্দ্রস্থল তাইজে আশ্রয় নিয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) নিশ্চিত করেছে যে, এই সংঘাতে ২৫১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৫৪ শতাংশই শিশু।
সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, নিহতদের প্রায় অর্ধেকই অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গত আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো। তবে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হিসেবে মানুষ খাবার ও নগদ অর্থের পাশাপাশি বাসস্থানের (Shelter) সংকটের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধের তীব্রতার কারণে ইয়েমেনে বর্তমানে আড়াই মিলিয়নেরও বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক সামুদ্রিক অবরোধ এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে এই নতুন সংঘাত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ