০৩:২৫ পি.এম
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে কথিত মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার সাত আসামির সবাই বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। তাদের মধ্যে, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার মূল হোতা সহ দুই আসামি।
স্বীকারোক্তি দেয়া দুই আসামি হলেন: মামলার প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবির ও মো. তাহসীন ইসলাম। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলমের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি মো. তাহসীন ইসলাম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে মূল হোতা শাহ আমানত সাবিরের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছিল। জবানবন্দি শেষে দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এই মামলায় গ্রেফতার সাত আসামির মধ্যে দুজন অপরাধ স্বীকার করেছেন। রিমান্ড শেষে মামলার বাকি পাঁচ আসামি মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান ও মো. বায়োজিতকে আদালতে হাজির করা হলে, আদালত তাদেরও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: ফ্রান্সের দাঙ্গা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রকাশ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামের একটি ব্যানারে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে প্রথমে ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে, তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয় মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতানকে।
এ ঘটনায়, যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সত্যতা মেলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটির গভীর তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন