ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ: রেড ক্রস


নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ: রেড ক্রস

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৭৯ জন নিহত এবং ৯৭৭ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। শুক্রবার দেশটির দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এতে দুই দেশের হিসাবে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৪ জনে। দুই দেশের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

বন্যায় অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জরুরি সহায়তার প্রয়োজনের মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট ফেডারেশন (আইএফআরসি)।

বুধবার হিমালয়ের নেপালের লাংটাং ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় একটি বিশাল হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ে। এতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা, পাথর ও বরফ নেমে এসে নদী ও উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। এতে একের পর এক গ্রাম, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: সংস্কৃতিও যখন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার: শি চিনপিংয়ের সাংস্কৃতিক তত্ত্বের প্রভাব

আইএফআরসি জানিয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক এলাকায় এখনও পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। বন্যার পানির তোড়ে সড়ক ও সেতু ধ্বংস হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম মূলত হেলিকপ্টারনির্ভর হয়ে পড়েছে। সংস্থাটির নেপাল প্রতিনিধি ডেভিড ফিশার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ শুরু হলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বন্যার পর উদ্ধার অভিযানও বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সীমান্তের কাছে ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি হওয়া একটি হ্রদ উপচে পড়ায় ত্রিশুলি নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করে। এতে উদ্ধারকর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নেপালের বিদুর শহরসহ বেশ কিছু এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র ভয়াবহ। বহু বাড়িঘর কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

জাতিসংঘের নেপাল সমন্বয়কারী লিলা পিটার্স ইয়াহিয়া জানিয়েছেন, বন্যায় ৪০টির বেশি সেতু ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৪০ কিলোমিটারের বেশি সড়ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

আরও পড়ুন: নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে ককরোচ পার্টির সমর্থন

এদিকে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ নেপালে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে নেপাল সরকার জানিয়েছে, আপাতত তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে এবং বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়া এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নেপালের মতো পাহাড়ি অঞ্চলগুলো আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে পড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর এখনও থামেনি মৃত্যুর মিছিল। দুর্যোগকবলিত এলাকার নদীতে ভেসে যাওয়া মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে অনেক দূরের জেলাগুলোতেও। এতে একদিকে যেমন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে মর্গগুলোতে জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে। মরদেহ সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবারের প্রবল বন্যায় রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বহু মানুষ মারা যান। কিন্তু পানির তীব্র স্রোতে তাদের অনেকের মরদেহ ভেসে চলে যায় ভাটির দিকে। পরে চিতওয়ান, তানাহুন, নাওয়ালপারাসি ও অন্যান্য জেলায় মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।

এর মধ্যে একটি মরদেহ রাসুয়া থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দূরের লুম্বিনি প্রদেশেও পাওয়া গেছে। নেপালের সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তরপ্রদেশ ও বিহারেও মূল দুর্যোগকেন্দ্র থেকে ১০০ মাইলের বেশি দূরে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় কয়েকটি জেলার হাসপাতাল ও মর্গে দেখা দিয়েছে তীব্র জায়গা সংকট। নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপারাসির মর্গগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় কিছু মরদেহ পার্শ্ববর্তী জেলার মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

চিতওয়ানেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে সাধারণত ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা সম্ভব। কিন্তু মরদেহের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখার সক্ষমতা নিয়ে একটি অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চিতওয়ান এলাকায় ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীর থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে। এরপরও সেখানে নতুন করে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে।

প্রিয়জন নিখোঁজ থাকার খবর পেয়ে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখন চিতওয়ান ও আশপাশের এলাকায় ছুটে আসছেন। অনেকে হাসপাতাল ও মর্গে ঘুরে স্বজনদের খোঁজ করছেন। মরদেহ শনাক্ত করা এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে নেপালজুড়ে নিখোঁজ ও জীবিতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত ৫ হাজার সদস্য কাজ করছেন। হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন উপায়ে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

তবে দুর্যোগের পর নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শুক্রবার উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে দুটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলোর পানি উপচে পড়লে আবারও পাহাড়ি ঢল নেমে নতুন বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া রাসুয়ার উঁচু এলাকায় অবস্থিত ত্রিশূলী বাজারে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও অব্যাহত বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫৪৭ ও ৫৭৯- দুটি আলাদা হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। দুর্যোগের পর উদ্ধার ও শনাক্তকাজ চলতে থাকায় মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরিবর্তিত হচ্ছে।

সূত্র কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৯ নেতা-কর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


নেত্রকোনায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৯ নেতা-কর্মী আটক

নেত্রকোনায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৯ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার কেন্দুয়া ও পূর্বধলা উপজেলায় মিছিলের প্রস্তুতি ও ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে আজ ভোরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, কেন্দুয়া উপজেলায় ছাত্রলীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে আটক করা হয়। ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে কেন্দুয়া ও নেত্রকোনা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী ইটখলা সংলগ্ন কেন্দুয়া-নেত্রকোনা মহাসড়কের পাকা সড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রাকিব রায়হান (৪২), রবিন মিয়া (২৭), বিপ্লব হাসান (২৭), বাবু মিয়া (২৯) ও মাহমুদুল হাসান (২০)।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

অন্যদিকে পূর্বধলা উপজেলায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ৬টার দিকে উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের পাবই এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে শ্যামগঞ্জ-জারিয়া সড়কে কয়েকজন ব্যক্তি মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলযোগে বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্র ও পূর্বধলা থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩ জনকে আটক করে। পরবর্তী তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সদস্য মারুফ হোসেন মুন্নাসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী রয়েছেন।

পুলিশের অভিযোগ, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, যানবাহন ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই ঝটিকা মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।

এ ঘটনায় পূর্বধলা থানার এসআই মোহাম্মদ তাইজুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঝটিকা মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যায় প্রাণহানি ঘটনায় বাকৃবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও নীরবতা পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


নেপালে বন্যায় প্রাণহানি ঘটনায় বাকৃবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও নীরবতা পালন

নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য শোক ও সংহতি জানাতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মোমবাতি প্রজ্বালন এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের পাশে আমতলায় এই কর্মসূচির আয়োজন করে বাকৃবির ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেপালি শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির শুরুতে নেপালের সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়। এরপর নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম, সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে নেপালি শিক্ষার্থীরা নিজেদের দেশের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে মানবিক ও আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানান।

এসময় ভেটেরিনারি অনুষদের নেপালী শিক্ষার্থী জারুরি পাচাই বলেন, "আজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে দাঁড়িয়েছি। আমার জন্মভূমি নেপালে সম্প্রতি ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। আমরা অগণিত মানুষকে হারিয়েছি। বহু পরিবার এখন আশ্রয়হীন, অসহায় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। নিহতদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যারা বেঁচে আছেন, তাদের এখন বেঁচে থাকার মৌলিক লড়াই করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় শুধু সহানুভূতি প্রকাশ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বাস্তব সহায়তা। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এসে অনুদান বা সহায়তা তহবিল গঠনে অংশ নিলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে তা ভূমিকা রাখতে পারে।"

আরেক নেপালি শিক্ষার্থী অ্যাঞ্জেল গুরুঙ বলেন, "নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা অবগত এবং এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত। বাংলাদেশে অবস্থান করায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব না হলেও বিভিন্নভাবে তাদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার এবং সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।" এ সময় নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

ভেটেরিনারি অনুষদের অন্য এক নেপালি শিক্ষার্থী দিবাকাস কাফলে বলেন, "একজন নেপালি শিক্ষার্থী হিসেবে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। নেপালিদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানাতে এ আয়োজন করায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।" একই সঙ্গে নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক অধ্যপক ড. এম. আরিফুল ইসলাম বলেন, "নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অসংখ্য মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানানো হচ্ছে।" নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার, আহত, নিখোঁজ ও ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের গভীর সহমর্মিতা রয়েছে। গভীর শোকের এই সময়ে বাকৃবি পরিবার নেপালের সরকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের নেপালি শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি আমাদের সংহতি রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণও নেপালের এই কঠিন সময়ে দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে এবং ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমসহ সম্ভাব্য সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে।

বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় আমরা গভীরভাবে সমব্যথী। আমাদের কোনো শিক্ষার্থীর পরিবার সরাসরি এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে প্রচারিত একটি পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুলিয়ারচরের সাহাজ উদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


ফেসবুকে প্রচারিত একটি পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুলিয়ারচরের সাহাজ উদ্দিন

 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচারিত একটি পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের দ্বাড়িয়াকান্দি নয়াবাড়ী গ্রামের মৃত হিম্মত আলীর ছেলে সাহাজ উদ্দিন (৫০)।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকালে তাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ২৮ আগস্ট শুক্রবার সকালে Md Nazmul Hasan নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে https://www.facebook.com/share/p/1G5nzfkaZa/ লিংক এর মাধ্যমে "দ্বাড়িয়াকান্দিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে জমিতে হামলা: জসিম উদ্দিন ও নাছিমা বেগমের মাথায় কোপ ও হাত ভঙ্গ, নেপথ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা, মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ" শিরোনাম উল্লেখ করে যে লিখাটি পোস্ট করা হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সাংবাদিক না হয়েও উক্ত পোস্টে মো. নাজমুল হাসান নিজেকে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে একটি সংবাদ উপস্থাপন করে আমাদের বিরুদ্ধে যেসব কথা লিখেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
সংবাদে মো. নাজমুল হাসান উল্লেখ করেছেন- বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালত কর্তৃক জারি করা ১৪৪ ধারা অমান্য করেছি, যাহা আদৌও সত্য নয়।
প্রকৃতপক্ষে আমার দখলীয় নিজস্ব জায়গায় গত ২৩ আগস্ট রোববার সকাল থেকে সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) নির্মাণ কাজ শুরু করি। এর পর দিন ২৪ আগস্ট দুপুরের দিকে কুলিয়ারচর থানার এএসআই আব্দুল লতিফ (নি.) উক্ত জায়গার উপর ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি নোটিশ জারি করেন। তাৎক্ষণিক আদালতের নিষেধাজ্ঞা মান্য করে আমারা দেওয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেই। এখন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রয়েছে।

মো. নাজমুল হাসান তার সংবাদে আরো উল্লেখ করেন, স্থানীয় কতিপয় নেতার মদদে এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছি। হামলার একপর্যায়ে আমরা নাকি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জসিম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী নাছিমা বেগমের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছি এবং উভয়ের হাত ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছি।

কুলিয়ারচর থানায় আমার বড় ভাই মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে তানভীরের দায়ের করা অভিযোগপত্রে এমন কোন অভিযোগ করা হয়নি এবং কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাংবাদিকদের তোলা ছবি ও ভিডিওতে শুধু আহত নাসিমা আক্তার ছাড়া সংবাদে উল্লেখিত জসিম উদ্দিনের মাথায় কোপ কিংবা হাত ভাঙা, নাছিমা বেগমের হাত ভাঙ্গা আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। এমন কি অন্য দুই জনের শরীরেও রক্তাক্ত আঘাতের কোন চিহ্ন নেই।

গত ২৩ আগস্ট রোববার দেশীয় মারাত্বক অস্ত্রাদী নিয়ে আমার বড় ভাই জসিম উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে আমরা কোন হামলা করিনি। বরং ওই সময় আমাদের নিজস্ব দখলীয় সম্পত্তিতে আমরা সীমানা প্রচীর (দেওয়াল) নির্মাণ করা অবস্থায় বিকাল ৪ টার দিকে আমার ভাবী মোছা. নাছিমা বেগম ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে আমাদের জায়গা থেকে বেশ কয়েকটি বাঁশ কেটে ক্ষতি করতে থাকে। এসময় আমি বাধা নিষেধ দিলে ভাবী কোড়াল দিয়ে আমাকে কোপ মারতে আসলে আমি কোড়ালটি ধরে ফেলি। কোড়াল নিয়ে আমাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কোড়ালের ঘারার আঘাতে ভাবীর মাথা ফেটে যায়। অন্যদেরকে কেউ কোন মারধর করিনি। এই জায়গা নিয়ে একাধিকবার এলাকায় সালিশ দরবার হয়েছে। শেষ সালিশে সালিশানরা সীমানা বন্টন করে খুটি গেড়ে দিয়ে গেছে। আমরা উক্ত সীমানার খুটি মেনে আমার জায়গায় দেয়াল নির্মাণ কাজ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার ভাই জসিম উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সালিশ দরবার না মেনে উল্টো আমাদেরকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা করে আসছে। গত ২৪ আগস্ট সোমবার কুলিয়ারচর থানার এএসআই মো. আব্দুল লতিফ বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে আমাদের জায়গার উপর ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি নোটিশ জারি করার সাথে সাথে আমরা উক্ত জায়গায় দেওয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেই। এখনও আমাদের কাজ বন্ধ রয়েছে। এখানে ১৪৪/১৪৫ ধারা ভঙ্গ করা হয়নি।

সংবাদে তানভীর আহমেদ ও আউলিয়া বেগমসহ একই পরিবারের ৪ জন মারাত্মক রক্তাক্ত আহত হয়েছেন এমন কথা উল্লেখ করে আরো লিখা হয় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জসিম উদ্দিনের মাথায় কোপ দিয়ে ও পিটিয়ে তাঁর হাত ভেঙে দেওয়া হয়। তাঁর স্ত্রী মোছা. নাছিমা বেগমকেও কুপিয়ে মাথা ফাটানো হয় এবং পিটিয়ে তাঁর হাত ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া তানভীর আহমেদ ও নাছিমা বেগমের বোন আউলিয়া বেগমকেও পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। কুলিয়ারচর থানায় ও সাংবাদিকদের নিকট দেওয়া অভিযোগের সাথে এ লিখার কোন মিল নেই। এ লিখার আগে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদেও এসব কথা উল্লেখ নেই।
সমাজে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে আমাদের প্রতিপক্ষ গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার সকালে Md Nazmul Hasan নামক ফেসবুক আইডি থেকে https://www.facebook.com/share/p/1G5nzfkaZa/ লিংক এর মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে এ সংবাদটি পোস্ট করে আমাদের মানহানি করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচারিত এ পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর সাথে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করায় এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবী করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, গত ২৩ আগস্ট রোববার সকালে সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) নির্মাণ কাজ শুরু করার পর দুপুরে আমার বড় ভাই জসিম উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমদ বাদী হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ফৌ: কা: বি: আইনের ১৪৪/১৪৫ ধারায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কিশোরগঞ্জে একটি মোকদ্দমা দাখিল করে। যাহার সি আর মোকাদ্দমা নং- ১০৮১/২৬। উক্ত মোকাদমা দাখিলের পর বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে স্মারক নং- ২৮৩৯/২০২৬, তারিখ-২৩/০৮/২০২৬ ইং মূলে দ্বাড়িয়াকান্দি মৌজার খতিয়ান নং- সিএস- ৫৪৩ ও আর.এস- ৩৯৪, দাগ নং- সিএস- ৪০৭, আর.এস-১২৫৫, শ্রেণি- কান্দা, ১০ শতাংশ বিরোধীয় ভূমিতে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষদ্বয়ের মধ্যে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪/১৪৫ ধারার বিধান মোতাবেক ২৪ আগস্ট সোমবার দুপুরের দিকে কুলিয়ারচর থানার কর্তব্যরত এএসআই মো. আব্দুল লতিফ (নি.) আমাদের উভয় পক্ষের মধ্যে একটি নোটিশ জারী করেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয় বিরোধীয় ভূমিতে কেউ যদি জোর পূর্বক প্রবেশ করে শান্তি ভঙ্গের চেষ্টা করে তাহলে সেই পক্ষ আইনে আমলে আসিতে বাধ্য থাকিবেন। নোটিশ জারির পর থেকে বিরোধীয় ভূমিতে দেয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়। এখনো কাজ বন্ধ রয়েছে। আমাদেরকে আইনের চোখে অপরাধী বানাতেই এসব মিথ্যা প্রচার চালানো হয়েছে। ছবিতে আহত মোছা. নাছিমা বেগমসহ চার জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%