বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৮ এম
তালেবান সরকারের দাবি, আফগানিস্তানে ঐতিহ্যবাহী ও কৃত্রিম—দুই ধরনের মাদক পাচার হচ্ছে সীমান্ত পেরিয়ে। পাকিস্তানকে মাদক পাচার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে প্রবেশ করা অধিকাংশ মাদক পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে আসে। এ ধরনের পাচার প্রতিরোধে পাকিস্তানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল মতিন কানি সংবাদমাধ্যমকে জানান, পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে আফগানিস্তানে ঐতিহ্যবাহী ও কৃত্রিম—উভয় ধরনের মাদক প্রবেশ করছে। তিনি দাবি করেন, মাদক পাচার প্রতিরোধে তালেবান বাহিনী তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে।
কানি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যাতে দেশটি আফগানিস্তানসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মাদক পাচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
তালেবান মুখপাত্রের দাবি, আফগানিস্তানে মাদক উৎপাদনের জন্য পোস্ত চাষ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। মাদকবিরোধী লড়াইয়ে তালেবান প্রশাসন নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেলুচিস্তানে পোস্ত চাষ বাড়ার খবর
তালেবানের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে পোস্ত চাষ বৃদ্ধির খবর পাওয়া যাচ্ছে।
প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানে তালেবানের পোস্ত চাষ নিষিদ্ধ করার পর বেলুচিস্তানের কয়েকটি এলাকা পোস্ত চাষের সম্প্রসারিত কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
তবে তালেবান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের সর্বশেষ বক্তব্যের বিষয়ে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন কমেছে ৯৫ শতাংশ।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বের অবৈধ আফিমের প্রায় ৮০ শতাংশ উৎপাদন করত আফগানিস্তান। তবে তালেবান সরকার পোস্ত চাষ নিষিদ্ধ করার পর দেশটিতে আফিম উৎপাদন ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে পোস্ত চাষের জমির পরিমাণ ২০২২ সালের প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার হেক্টর থেকে কমে ২০২৫ সালে ১০ হাজার ২০০ হেক্টরে দাঁড়ায়।
একই সময়ে আফিমের উৎপাদন ৬ হাজার ২০০ টন থেকে কমে প্রায় ২৯৬ টনে নেমে আসে।
তবে জাতিসংঘ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে মজুত থাকা আফিমের মজুত ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।
সূত্র: আফগানিস্তান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বায়ুদূষণের কারণে পাকিস্তানের মানুষের গড় আয়ু আনুমানিক ৩ দশমিক ৯ বছর কমছে। প্রতিবছর দেশটিতে দূষিত বায়ুর প্রভাবে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। এই তথ্যটি পাকিস্তান এয়ার কোয়ালিটি ইনিশিয়েটিভের (পিএকিউআই) একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে যে, বায়ুদূষণের কারণে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ দশমিক ৫ শতাংশের সমান। দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে থাকলে লাহোরের বাসিন্দাদের গড় আয়ু সাত বছর পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
‘আনভেইলিং পাকিস্তানস এয়ার পলিউশন : আ ন্যাশনাল ল্যান্ডস্কেপ রিপোর্ট অন হেলথ রিস্কস, সোর্সেস অ্যান্ড সলিউশনস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেশের বায়ুদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন খাতের দূষণকারী পদার্থের নির্গমন সংক্রান্ত সমন্বিত জাতীয় হিসাবের পাশাপাশি একাধিক শহরের বায়ুমান বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
লাহোর, করাচি, ইসলামাবাদ-রাওয়ালপিন্ডি ও পেশোয়ারের বায়ুদূষণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এসব শহরে দূষণের প্রধান উৎস চিহ্নিত করার পাশাপাশি নির্গমন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সম্ভাব্য পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে।
প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে যুক্ত পিএকিউআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, মাটিতে স্থাপিত পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের বায়ুমানের তথ্য, স্যাটেলাইটের উপাত্ত এবং স্থানীয় কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে। এই বিশ্লেষণে জ্বালানি ব্যবহার, যানবাহনের ধরন, শিল্পকারখানার তথ্য এবং বিভিন্ন খাত থেকে নির্গত দূষণকারী পদার্থের হিসাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্লেষণে সূক্ষ্ম বস্তুকণা পিএম২.৫, কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাই-অক্সাইডের নির্গমন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
লাহোরে দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাহোরে বছরে পিএম২.৫-এর গড় ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ১১০ মাইক্রোগ্রামের বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বার্ষিক নির্দেশক মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম। অর্থাৎ, লাহোরের বাতাসে এই দূষণকারী কণার মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশক সীমার ২২ গুণেরও বেশি।
এমন দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে দীর্ঘদিন থাকলে লাহোরের মানুষের গড় আয়ু সাত বছর পর্যন্ত কমতে পারে বলে প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে।
শীতকালে তাপমাত্রার উল্টাবিন্যাসের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এ সময় বায়ুমণ্ডলে দূষিত কণার ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ কমে যায়। ফলে দূষিত বায়ু ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি জমা থাকে।
লাহোরে পিএম২.৫ নির্গমনের সবচেয়ে বড় উৎস পরিবহন খাত। মোট নির্গমনের ৩৫ শতাংশ আসে এ খাত থেকে। এরপর রয়েছে শিল্পকারখানা, যেখান থেকে আসে ২৮ শতাংশ, এবং ইটভাটা, যার অবদান ১৭ শতাংশ। শীতকালীন আবহাওয়া এসব উৎসের দূষণজনিত প্রভাব আরও বাড়িয়ে দেয়।
করাচিতে শিল্পকারখানা প্রধান উৎস
করাচিতে বায়ুদূষণের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরটির মোট দূষণকারী পদার্থের নির্গমনের ৪৯ শতাংশের জন্য দায়ী শিল্পকারখানা।
পাকিস্তানের বিভিন্ন বড় শহরে দূষণের উৎস আলাদা হলেও এর স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যাপক। প্রতিবেদনটিতে দূষণ কমাতে খাতভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তানভীর হাওলাদার (২৫) নামে এক ইতালি প্রবাসী মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানভীর হাওলাদার সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের ঝিকরহাটি গ্রামের দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে। বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর তাঁর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তানভীর। পথে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তানভীর। নতুন জীবনের স্বপ্ন নিয়ে শুরু করা সংসার তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংরেজি ভাষার প্রতি ভীতি দূর করতে বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত সাত দিনব্যাপী স্পোকেন ইংলিশ শর্ট কোর্সের দ্বিতীয় ব্যাচ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও বই বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৯টায় নগরীর কলেজ রোডে মাকসুদা-জহির ফাউন্ডেশন পরিচালিত জালীলুল কুরআন হাফেজী মাদ্রাসায় এ উপলক্ষে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি ও দৈনিক বর্তমান’র ব্যুরো চিফ মো. মামুন-অর-রশিদ। সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক জহুরুল আলম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. মো. মাজহারুল রেজওয়ান রেজা।
কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “আমরা মাদ্রাসার ছাত্র। কিন্তু ইংরেজি ভাষা শেখা এত সহজ, তা এখানে না এলে জানতামই না। মাত্র সাত দিনের কোর্সে আমাদের ইংরেজিভীতি কেটে গেছে। এখন একটু অনুশীলন করলেই প্রাথমিক ইংরেজি বলতে ও বুঝতে পারব বলে আশা করছি।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক মো. মামুন-অর-রশিদ বলেন, বর্তমান যুগের চাহিদা পূরণে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাফেজ শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথচলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্পোকেন ইংলিশ শর্ট কোর্সের কোর্স কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ মাওলানা আবদুল্লাহ ইমাম। প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন হাফেজ মাওলানা মো. রায়হান।
অনুষ্ঠানে মাকসুদা-জহির ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন (অর্থোপেডিক) ডা. মো. মাজহারুল রেজওয়ান রেজা ঘোষণা দেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতায় স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে শিগগিরই আরও বেশ কয়েকটি সমসাময়িক বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হবে।
তিনি বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীরা যেন ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে নিজেদের যোগ্যতা বিকাশের সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যেই ফাউন্ডেশন কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদারের নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়। নগরীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ তৎপরতা পরিচালিত হচ্ছে।
মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশের এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল পলাশপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, শুধু কাউনিয়া থানা এলাকাতেই নয়, সমগ্র বরিশাল মহানগরীতে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশের এ তৎপরতার ধারাবাহিকতা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা নির্ভর করবে নিয়মিত নজরদারি, অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ