বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০১ পি.এম
ভারতের বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক জোট 'ইন্ডিয়া' একটি জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হালনাগাদের 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (এসআইআর) কার্যক্রম পরিচালনার সময় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে চরম হট্টগোল চলছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ, নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা এবং রাজধানী দিল্লিতে মহাসমাবেশের মতো একটি যৌথ রণকৌশল ঘোষণা করা হয়েছে। বিরোধী নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশন ও এসআইআর-এর বিরুদ্ধে “আইনি ও রাজনৈতিক” উভয়ভাবেই লড়াই করতে হবে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনারদের আমৃত্যু আইনি সুরক্ষাদানকারী ২০২৩ সালের নিয়োগ আইনকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নির্বাচন কমিশনকে "পুতুলের" মতো ব্যবহার করছেন।
বিরোধী দলগুলোর ঘোষিত ছয় দফা কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে: ২ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে "গণতন্ত্র রক্ষা" পদযাত্রা, ৬ অক্টোবর বিরোধী সংসদ সদস্যদের (এমপি) নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ, ১ নভেম্বর দিল্লিতে প্রধান সমাবেশসহ মোট পাঁচটি মহাসমাবেশ এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এসআইআর ও নির্বাচন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন।
বুধবারের বৈঠকে ১৯টি দলের ৩৩ জন শীর্ষ নেতা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কপিল সিব্বল উপস্থিত ছিলেন। খাড়গে ছাড়াও কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা ব্যানার্জি, আরজেডির তেজস্বী যাদব, সিপিআইএমের এম এ বেবি, সিপিআইএমএলের দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, এনসিপির ওমর আবদুল্লাহ, পিডিপির মেহবুবা মুফতি এতে যোগ দেন। শিবসেনার (ইউবিটি) উদ্ধব ঠাকরে এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।
বৈঠক শেষে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, মোদী ও শাহ যে ভারতের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন— তা দেশের মানুষের কাছে পৌছে দিতে বিরোধী দল সফল হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের মধ্যে এক ধরনের নতুন প্রতিরোধের অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে যা ঘটছে তা ভুল এবং তা বন্ধ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, "ইন্ডিয়া জোটের সব নেতার ব্যক্তিগত অঙ্গীকার হলো— যারা ভারতীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে তাদের শাস্তি সুনিশ্চিত করা। তারা যত জ্যেষ্ঠ বা প্রভাবশালীই হোক না কেন, ভারতীয় গণতন্ত্র যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে বড়।"
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগসংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটির বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টে যৌথ আবেদন জানাবেন। এছাড়া ইভিএম-এর বদলে পেপার ব্যালটে ভোটগ্রহণের দাবিতে সব দল একমত পোষণ করে।
বৈঠকে সিপিআইএম নেতা এম এ বেবিসহ বাম নেতারা বলেন, এই লড়াই স্পষ্টভাবেই আরএসএস-এর বিরুদ্ধে হতে হবে এবং দলীয় গণ্ডির বাইরে গিয়ে সুশীল সমাজকেও যুক্ত করা দরকার। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, নতুন সরকার গঠনের পরও বিজেপির গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা থামেনি। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় তারা ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে তাঁর সূচনা বক্তব্যে বলেন, আগামী নির্বাচনগুলোতে এসআইআর-পূর্ব ভোটার তালিকা ব্যবহার করতে হবে। কোনো বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়ার আগে উপযুক্ত নোটিশ ও আপিলের সুযোগ দিতে হবে এবং এমন একটি নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে হবে যা পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার আস্থা অর্জন করতে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, বিশ্ববাজারে তেলের অস্বাভাবিক দাম কমানোর লক্ষ্যে এবং নিজেদের সংকট মোকাবেলার জন্য জরুরি মজুদ থেকে ডিজেল বাজারে ছাড়ার জন্য জার্মানি ও ফ্রান্সের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন হুমকি দিয়েছে যে, যদি এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল ইউরোপে রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ওয়াশিংটনের আলোচনার সঙ্গে জড়িত তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইউরোপকে জরুরি মজুদ থেকে অন্তত ১২ কোটি ব্যারেল ডিজেল বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রুশ জ্বালানির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের ডিজেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ইউরোপ বর্তমানে জ্বালানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে নতুন দ্বিধায় ফেলেছে।
এদিকে, উদ্ভূত জ্বালানি সংকট এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে জরুরি আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপ। ইউরোপীয় কমিশন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি ফোনালাপে অংশগ্রহণ করেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ইমানুয়েল ম্যাখোঁর বরাতে জানিয়েছে, জ্বালানির বৈশ্বিক প্রাপ্যতা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে জি-৭ জোটের নেতাদের নিয়ে একটি জরুরি ভিডিও সম্মেলন আহ্বান করবেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনাবাহিনী প্রধানের নিয়মিত দরবার।
দরবারে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সকলকে তাদের কর্তব্য পালনের সময় পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সেনাসদর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দরবারে সেনা প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সার্বিক অগ্রযাত্রায় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং শক্তিশালী এল নিনোর সম্মিলিত প্রভাবে আগামী কয়েক মাসে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্যসংকটের মুখে পড়তে পারে।
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সংঘাতগুলো ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো এ সংকটে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৈশ্বিক দক্ষিণের অর্থনীতিতে ‘ধ্বংসাত্মক প্রভাব’ ফেলেছে। একই সময়ে জ্বালানি, খাদ্য, সার ও অর্থ—সব ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানিসংকটের সঙ্গে খাদ্য ও সারের সংকট যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে ওঠে। যুদ্ধের সময় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বাজারে অর্থ সরিয়ে নেওয়ায় বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো আর্থিক চাপেও পড়ে।
জয়শঙ্করের এই সতর্কবার্তার মধ্যেই চলতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে, যা জুলাইয়ের পর সবচেয়ে বড় মাসিক বৃদ্ধি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে না, বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন চলতি মাসের শুরুতে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রিয়াদ এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। তবে পরে পাইপলাইনটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হয়েছে।
রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা ও দেশটির ডিজেল রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপে ডিজেলের বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। একই সময়ে, রাশিয়া ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্মিলিত ডিজেল রপ্তানি গত বছরের তুলনায় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে।
খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বাড়ছে। জয়শঙ্কর বলেন, আজ আমরা এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশ নিজেদের পণ্য বাইরে পাঠাতে পারছে না। বিশেষ করে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল থেকে শস্য রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম ও অন্যান্য শস্য সরবরাহকারী অঞ্চল থেকে খাদ্যশস্যের জোগান কমে যেতে পারে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর অঞ্চলটির শস্য রপ্তানি বারবার ব্যাহত হয়েছে।
সারের সরবরাহ নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সার উৎপাদনকারী কয়েকটি দেশ মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ায় অবস্থিত। চলমান সংঘাতের কারণে এসব অঞ্চলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হলে কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এছাড়া, শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতার সঙ্গে সম্পর্কিত এই প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা বিশ্বজুড়ে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। জয়শঙ্করের ভাষায়, এবারের ‘সুপার এল নিনো’র সঙ্গে মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়ন যুক্ত হয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণেও এবারের এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর আশঙ্কা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোতে ক্ষতির মাত্রা তুলনামূলক বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জয়শঙ্কর বলেন, কোনো দেশের সিদ্ধান্ত শুধু তার নিজের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে না; বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সরবরাহব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ে। তাই নীতিনির্ধারকদের অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য পরিণতিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
উন্নয়নশীল দেশগুলো কিভাবে এই মন্দা ও সংকট কাটিয়ে উঠবে, তা নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘কিছু দেশের পক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের মতো যারা কৌশলগতভাবে স্বায়ত্তশাসিত, তারা চাই আরও অনেক দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের ৩য় ব্যাচের নবীন চিকিৎসকদের বরণ উপলক্ষে এবং রোটেটরি ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির জন্য একটি পরিচিতিমূলক কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর ২০২৬) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, চাঁদপুরের কনফারেন্স রুমে রেনাটা পিএলসির (জঊঘঅঞঅ চখঈ) সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজনটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্য একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম. মাহাবুবুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ আহমেদ কাজল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. হারুন অর রশিদ, সাবেক ড্যাব সভাপতি ডা. জাহাঙ্গীর খান, প্রফেসর ডা. সালেহ আহমেদ, ইন্টার্ন কোঅর্ডিনেটর ডা. নূরে আলম মজুমদার এবং সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাসানুর রহমান।
বক্তারা নবীন ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং তাদের পেশাগত জীবনের প্রথম পদক্ষেপে রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীলভাবে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়। এ সময় চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন চিকিৎসকবৃন্দ, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং রেনাটা পিএলসির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ