ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কর্মসূচি শেষে নিজ গ্রামে রোগীর সেবায় মন্ত্রী জাহিদ হোসেন


কর্মসূচি শেষে নিজ গ্রামে রোগীর সেবায় মন্ত্রী জাহিদ হোসেন

সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দিনভর চরম ব্যস্ততার মাঝেও মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন নিজ এলাকার অসহায় ও অসুস্থ মানুষের সেবায় সময় দিচ্ছেন। তিনি ছুটির দিনেও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে নিজ বাড়িতে অবস্থান করে রোগীদের প্রত্যক্ষ চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন।

শুক্রবার ও শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নানা সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার পরেও তিনি নিয়মিত সময় বের করে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। একজন পূর্ণ মন্ত্রীর এমন ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রী জাহিদ হোসেন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করার মধ্যেও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা তাঁর এই মানবিক আচরণে চরম সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, "মন্ত্রী মহোদয় এত দায়িত্ব ও ব্যস্ততার মধ্যেও গ্রামের মানুষের কথা ভুলে যাননি। অসুস্থ রোগীদের পাশে তাঁর এভাবে দাঁড়ানো অনন্য মানবিকতার পরিচয় বহন করে।" হাকিমপুর এলাকার বাসিন্দা সোহাগ মিয়া বলেন, "এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে তাঁকে এভাবে কাছে পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়।"

চিকিৎসাসেবা প্রদান ও নিজের মানবিক ভূমিকা প্রসঙ্গে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, "বিএনপি সরকার সাধারণ জনগণের সরকার। দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি প্রথমত একজন পেশাদার চিকিৎসক। তাই সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির পর যতটুকু সময় পাই, আমার এলাকার অসুস্থ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি।"

তিনি আরও বলেন, "জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সেবা করা আমার পরম দায়িত্ব। সরকারের চিকিৎসাসেবা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেন প্রয়োজনের সময় সময়মতো সঠিক চিকিৎসাসেবা পায়, সেটিই আমার মূল প্রত্যাশা।"

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মন্ত্রীর এই ভালোবাসা ও সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক রপ্তানি থেকে কৌশলগত অংশীদারত্বে যেতে চায় বাংলাদেশ-সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


শ্রমিক রপ্তানি থেকে কৌশলগত অংশীদারত্বে যেতে চায় বাংলাদেশ-সৌদি আরব

শ্রমিক পাঠানো ও রেমিট্যান্সনির্ভর সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ ও ব্যাবসায়িক অংশীদারি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এই উদ্দেশ্যে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যৌথ বিনিয়োগ তহবিল গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি, জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টিও ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ। সৌদি যুবরাজের আমন্ত্রণে শিগগিরই দেশটি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ‘কর্মশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারি : বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এসব তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং ফরেন সার্ভিস একাডেমি যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক কেবল প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, ইতিহাস, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কয়েক দশকে এই সম্পর্ক আরো বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশের লাখ লাখ কর্মী সৌদি আরবের অর্থনীতি ও সমাজে অবদান রাখছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি, তাদের অর্জিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাও বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এখন গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সম্পর্ক আরো গভীর করা উচিত কি না, সেই প্রশ্নের চেয়ে এখন বড় বিষয় হলো—এটিকে কত দূর এগিয়ে নেওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক পাঠানো ও রেমিট্যান্সের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর সম্ভাবনা আরো বিস্তৃত। তাই শ্রমিকনির্ভর সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে।

বিনিয়োগ তহবিল গঠনে আলোচনা

সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, অর্থনীতির বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটি। অন্যদিকে, বাংলাদেশও অর্থনৈতিক রূপান্তরের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। ফলে দুই দেশের স্বার্থের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরব সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, বন্দর, সরবরাহব্যবস্থা, কৃষি, মৎস্য, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক আলোচনায় এসব খাতকে সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোতে যৌথ বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করতে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

বিনিয়োগ আকর্ষণে আস্থার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বানুমানযোগ্য ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বাধা কমানো, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে।

তিনি আরো বলেন, বহু বছর পর বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট দিয়েছে। তবে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য শুধু পুঁজি আনা নয়; এমন উৎপাদনশীল বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, প্রযুক্তি হস্তান্তরে সহায়তা করবে এবং দেশের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াবে।

দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর গুরুত্ব

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের সুনাম রয়েছে উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ভবিষ্যতে এই বাজারে আরো উন্নত ও বিশেষায়িত দক্ষতার প্রয়োজন হবে। নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, আতিথেয়তা, প্রকৌশল, সরবরাহব্যবস্থা, ডিজিটাল সেবা ও উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত এবং সনদপ্রাপ্ত পেশাজীবীদের চাহিদা বাড়বে।

তাহলে শুধু প্রাথমিক পর্যায়ের শ্রমিক পাঠানোর পরিবর্তে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য দুই দেশের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার সনদ সৌদি আরবের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে কর্মী, নিয়োগকর্তা ও উভয় দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে।

প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে সহযোগিতা

প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়কে দুই দেশের অংশীদারত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সৌদি আরব প্রযুক্তি ও নতুন শিল্প খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের রয়েছে তরুণ ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল কর্মশক্তি। এই দুই সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

তার মতে, দুই দেশের মধ্যে শুধু পণ্য ও শ্রমিক বিনিময় নয়, জ্ঞান, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও উদ্ভাবনেরও আদান-প্রদান বাড়াতে হবে।

যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত। দুই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান পরস্পরের পরিপূরক হতে পারে। বন্দর, নৌপরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা, বিমান চলাচল ও পণ্য সরবরাহের শৃঙ্খলে সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের বন্দর ও সরবরাহব্যবস্থায় বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ এই সম্ভাবনার ব্যাপ্তি তুলে ধরছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব ক্ষেত্রে কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা অগ্রাধিকার

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষাকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, শ্রমিক নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সৌদি আরবের সহযোগিতাকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশি কর্মীদের শুধু শ্রমের উৎস হিসেবে নয়, উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের বেসরকারি খাত, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেও দুই দেশের স্বার্থের মিল বাড়ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের অগ্রগতি শুধু কর্মী বা বাণিজ্যের পরিমাণ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। বরং মূল্য সংযোজনের ভিত্তিতে এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে। বেশি কর্মী পাঠানোর সঙ্গে দক্ষতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণের সঙ্গে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির সঙ্গে প্রযুক্তির বিস্তার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বও শক্তিশালী করতে হবে।

প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক বাংলাদেশ

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শক্তিশালী অংশীদারত্ব রয়েছে। প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এবং দুই দেশের স্বার্থের মিল থাকলে বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখবে। মুসলিম দেশগুলোর সেবা এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিগগিরই সৌদি আরব সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের রাজনৈতিক সম্পর্ক আরো উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের যুবরাজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তিনি শিগগিরই কোনো এক সময়ে সৌদি আরব সফরে যেতে পারেন।

একইভাবে সৌদি যুবরাজেরও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যুবরাজের সুবিধাজনক সময়ে তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে বিস্তৃত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্ভরশীলতার পরিবর্তে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আর কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না কিংবা সহায়তার ওপর নির্ভর করে এগোতে চায় না। বরং বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায় দেশটি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চায়, যে দেশ বিশ্বের কাছে সাহায্য চাওয়ার পরিবর্তে বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসা করবে।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আস্থার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে এখন দূরদর্শী পরিকল্পনা, বিনিয়োগ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে আরো শক্তিশালী করতে হবে। শ্রমিকনির্ভর সম্পর্ক থেকে মানবসম্পদ, রেমিট্যান্স থেকে বিনিয়োগ এবং প্রচলিত সহযোগিতা থেকে উদ্ভাবননির্ভর অংশীদারত্বে যেতে হবে। দুই দেশের সম্পর্ককে আরো গভীর ও বিশেষ ভ্রাতৃত্বপূর্ণ অংশীদারত্বে রূপ দিতে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার সেগুনবাগিচায় গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে আটক হলেন রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আয়াস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


ঢাকার সেগুনবাগিচায় গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে আটক হলেন রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আয়াস

ঢাকার সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব এ এন এম আয়াস।

শনিবার (১০ অক্টোবর) শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুপুরের সময় শাহবাগ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

আব্দুল খালেক জানান, শিল্পকলার সামনে থেকে আয়াস নামে একজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

এর আগে, ৫ অক্টোবর রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এরপর ফুটপাতের দেওয়ালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি আঁকা হয়।

পরে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ফুটপাতে নতুন ডাস্টবিন স্থাপন, পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বেঞ্চ নির্মাণ এবং সীমানা প্রাচীর সংস্কার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনপুরা পোস্ট অফিসের নতুন ভবন নির্মাণ ৫ বছরেও শেষ হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


মনপুরা পোস্ট অফিসের নতুন ভবন নির্মাণ ৫ বছরেও শেষ হয়নি

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায়, বছরের পর বছর ধরে ভাড়া নেওয়া জরাজীর্ণ আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে একমাত্র প্রধান পোস্ট অফিসের কার্যক্রম। নিজস্ব ভবন না থাকায় সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এ ঘরে সীমিত পরিসরে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এই কারণে ডাক বিভাগের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর সুযোগ না থাকায় পোস্ট অফিসটির কার্যক্রম এখনো অনেকটা সনাতন পদ্ধতিতে চলছে।

অন্যদিকে, জরাজীর্ণ ভবনে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও বিভিন্ন পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। পোস্ট অফিসটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. আবু তাহের জানিয়েছেন, রাতে একই ঘরের একাংশে তাঁদের থাকতে হয়।

তিনি আরও জানান, স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় তাঁদের উদ্বেগ বেড়ে যায়। এসএসসি, এইচএসসি, সমমান ও ডিগ্রি পরীক্ষার উত্তরপত্র এ টিনশেডের ঘরেই রাখতে হয়। এ সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপত্রের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২০০২ সালে নদীভাঙনের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে পোস্ট অফিসের তিনতলা ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। এরপর থেকে পোস্ট অফিসটি আর স্থায়ী ভবনে ফিরতে পারেনি। বর্তমানে স্থানীয় রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়ায় নেওয়া একটি আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে এর কার্যক্রম।

দীর্ঘদিনের এ সংকট নিরসনে ২০২১ সালে পোস্ট অফিসের জন্য দেড়তলা পাকা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। ফলে নতুন ভবনে কার্যক্রম স্থানান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রত্যাশীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাওয়ার হাউস-সংলগ্ন ছোট একটি জরাজীর্ণ আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম। ভেতরে রয়েছে দুটি কাঠের টেবিল, দুটি ভাঙাচোরা আলমারি, চারটি চেয়ার এবং ডাক বিভাগের কিছু কাগজপত্র। ঘরটির সামনের অংশে দাপ্তরিক কাজ করা হয়, আর পেছনের অংশে রাত কাটান কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পোস্টমাস্টার, পোস্টম্যান ও প্যাকারম্যানকে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই সরকারি চিঠিপত্র গ্রহণ, বাছাই ও বিতরণের কাজ করতে দেখা গেছে। বর্তমানে চিঠিপত্র আদান-প্রদান ও সীমিত পরিসরে মানি অর্ডার-সংক্রান্ত কার্যক্রম ছাড়া অন্যান্য সেবা বন্ধ রয়েছে। ভবন ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি রয়েছে লোকবলসংকট। এতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

ডাক বিভাগের আওতায় চিঠি, পার্সেল, মানি অর্ডার ও ইলেকট্রনিক মানি অর্ডারসহ বিভিন্ন সেবা থাকলেও মনপুরা পোস্ট অফিসে এসব সেবার বেশির ভাগই পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের।

তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় চিঠি ও পার্সেল পাঠাতে তাঁরা বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসের ওপর নির্ভর করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডের ঘর হওয়ায় অনেকে পোস্ট অফিসে পার্সেল পাঠাতেও আগ্রহী নন। অন্যদিকে, মানি অর্ডারের খরচ বেশি মনে হওয়ায় আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ও বিকাশের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে মনপুরা পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. আবু তাহের জানান, ‘স্থায়ী পাকা ভবন না থাকায় আমরা কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছি না। এ ছাড়া লোকবলসংকটও রয়েছে। নতুন ভবনের নির্মাণকাজ চলমান। সেখানে আইসিটি কর্নার থাকবে। ভবনটি চালু হলে আধুনিক ও ডিজিটাল সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, ডাক বিভাগের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মনপুরা পোস্ট অফিসের স্থায়ী ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করা গেলে দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি ডাকসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনার নবীনবরণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৪ শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


বরগুনার নবীনবরণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৪ শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ

বরগুনার আমতলী মহিষকাটা ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার কারণে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একজন নেতা এবং চার শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে তাদের আমতলী থানায় সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আমতলী উপজেলার মহিষকাটা ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজে একাদশ ও স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকির। প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষ হওয়ার পর পেছন থেকে কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর শুক্রবার দুপুরে কলেজের সামনে থেকে গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন, কুকুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল আলম এবং উপজেলা যুবদল নেতা ফরহাদ ফকিরসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল কাজী ও নবীন শিক্ষার্থী সুজাকে ধরে আমতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান। এরপর জুমার নামাজ শেষে চুনাখালী মসজিদের সামনে থেকে শিক্ষার্থী মো. আসিফ এবং মো. তামিম নামের আরও দুজনকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধরে নিয়ে যান বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান।

সাইফুল কাজীর বাবা মো. মাহবুব কাজী বলেন, ‘আমার ছেলেকে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মহিষকাটা থেকে তুলে নিয়ে আমতলী বিএনপির পার্টি অফিসে রেখে রাতে থানায় সোপর্দ করেছে।’

ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকারিয়া বলেন, ‘নবীনবরণ অনুষ্ঠানে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার কারণে বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, মাহবুব আলম এবং জালাল ফকিরের ছেলে ফরহাদ ফকিরের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা সাইফুল কাজী ও সুজা নামের দুই ছাত্রকে ধরে নিয়ে গেছেন। রাতে তাদের থানায় হস্তান্তর করছে বলে শুনেছি।’

আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকির বলেন, “দলের নেতাকর্মীরা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, তারা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, কাদের ইন্ধনে তারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে—তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ধরে আনা শিক্ষার্থীরা ওই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে রাতেই পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।”

ওই ঘটনায় আমতলী থানায় বিএনপির পক্ষ থেকে ৩২ জনকে এজাহার নামীয় এবং ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ (শনিবার) আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%