ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঙ্গামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


রাঙ্গামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আজ জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভাটি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রশাসক মো. ইমরানুল হক ভুইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী, বরকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ, বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. জুবায়ের, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, শাইনিং হিল এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মো. আলীসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।

সভায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী নির্দেশনা দিয়ে বলেন, যে কোনা দুর্যোগ ঠেকাতে সকল প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য জেলা-উপজেলায় যেসব ঝুঁকিপুর্ণ এলাকা রয়েছে, সেসব এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণকে সচেতন করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ

তিনি আরও বলেন, ১২ ঘন্টা টানা বর্ষণ শুরু হলে জনগণ যাতে ঝুঁকিপুর্ণ এলাকা থেকে সরে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সভায় জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে অন্যান্য উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ট্রিয়লে বন্দুক হামলা: পুলিশ সহ নিহত তিনজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৫ পি.এম


মন্ট্রিয়লে বন্দুক হামলা: পুলিশ সহ নিহত তিনজন

কানাডার মন্ট্রিয়ল শহরে একটি সশস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন তিনজন, যার মধ্যে রয়েছে এক পুলিশ সদস্য। এই ঘটনা স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কোট-দে-নিস এলাকায় ঘটে, যা শহরের একটি জনবহুল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

নিহতদের মধ্যে রয়েছে একজন পুলিশ কর্মকর্তা, একজন সাধারণ নাগরিক এবং হামলাকারী নিজেই। হামলার ঘটনায় এক নারী পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হলেও বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত, তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার খবর পেতে ঘটনাস্থলে পৌছানোর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গোলাগুলির সম্মুখীন হয়। হামলাকারী একটি ভবনের ভেতর থেকে লম্বা অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালাচ্ছিল। পরে পুলিশের পাল্টা অভিযানে হামলাকারী নিহত হয়। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী হামলাটি ওই ব্যক্তির দ্বারা একাই পরিচালিত হয়েছে।

মন্ট্রিয়ল পুলিশের প্রধান ফাদি দাঘের এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনাটিকে 'একটি ট্র্যাজেডি' এবং 'দুঃস্বপ্ন' হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, নিহত পুলিশ সদস্যের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি এবং হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই।

কোট-দে-নিস এলাকায় ইহুদি সম্প্রদায়ের অবস্থান বেশি। ওই এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কোশের বাজার এবং বিভিন্ন রেস্তোরাঁ রয়েছে। হামলার পর সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশ দ্রুত চারপাশ ঘিরে নিয়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা অনুযায়ী, হঠাৎ গুলির আওয়াজে চারদিকে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়ে যায়। একাধিক ব্যক্তি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দোকান ও রেস্তোরাঁতে ঢুকে পড়ে। পুলিশ অনেককে মাটিতে শুয়ে থাকতে নির্দেশ দেয়।

হামলার পেছনের কারণ সম্পর্কে তদন্ত চলছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের কিছু অংশ ধারণা করছে হামলাকারীর সাথে তথাকথিত ‘ইনসেল’ মতাদর্শের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে পুলিশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।

এদিকে, ঘটনাটি ইহুদিবিরোধী হামলা কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে পুলিশ প্রধান ফাদি দাঘের সকলকে গুজব থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে জানান, “তদন্তে এখনো কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের প্রমাণ মেলেনি।”

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘটনার পর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং এ ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে বিকেলের দিকে নিরাপত্তা বলয় ধীরে ধীরে শিথিল করা হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে হামলার উদ্দেশ্য, হামলকারী এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য সূত্র- বিবিসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ মাসে হামলা মুক্ত একটি দিন পেয়েছে লেবানন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


৪ মাসে হামলা মুক্ত একটি দিন পেয়েছে লেবানন

 

চলতি বছরের মার্চ মাসে লেবাননে শুরু হয় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত। দফায় দফায় যুদ্ধবিরতির কথা শোনা গেলেও হামলা কিন্তু বন্ধ হয়নি।

এই লাগাতার হামলার ফলে প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানি ঘটছে সেখানকার মানুষের। তবে গত রবিবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে চার মাস ধরে চলমান এই হামলা পাল্টা হামলার মধ্যে। সেদিন জাতিসংঘ জানিয়েছে, দু’পক্ষের মাঝে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি।

সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রবিবার ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা প্রথমবারের মতো কোনো বিমান হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ শনাক্ত করেনি।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানান, গত রবিবার ছিল এমন একটি দিন, যেটা সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথম দিনের মতো দক্ষিণ লেবাননে কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ শনাক্ত হয়নি শান্তিরক্ষীদের দ্বারা। একইসঙ্গে কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা প্রতিহত করার ঘটনাও তারা পর্যবেক্ষণ করেনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার সকাল পর্যন্তও এই ধরনের সামরিক কার্যক্রমের অনুপস্থিতি অব্যাহত ছিল।’

এই পরিস্থিতিকে স্বাগত জানিয়ে দুজারিক বলেন, ‘আমরা সংঘাতের এই হ্রাসকে স্বাগত জানাই এবং সেখানে থাকা মানুষের স্বার্থে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউএনআইএফআইএল) এখনো তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক স্থল তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে সাঁজোয়া যান চলাচল, প্রকৌশল কার্যক্রম এবং বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক কার্যক্রম।

এছাড়া, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে লেবাননের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাও এখনও দেখা যাচ্ছে, যদিও এর মাত্রা আগের তুলনায় কমে এসেছে বলে তিনি জানান।

দুজারিকের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ইউএনআইএফআইএল ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক বিমান হামলা এবং মোট ৪৫১টি গোলাগুলির ঘটনা শনাক্ত করেছিল। একই সময়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কিত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেটের গতিপথও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা কমে আসার লক্ষণ দেখা গেলেও স্থল পর্যায়ে উত্তেজনা সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত হয়নি এবং পরিস্থিতি এখনো সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত করছে ইরানকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত করছে ইরানকে

দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতায় পৌঁছেছে। সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা চলাকালীন পর এই অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তেহরান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, টানা ১৮ ঘণ্টার আলোচনার পর ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।

গালিবাফ বলেন, এই চুক্তির আওতায় শুধু অবরুদ্ধ অর্থই অবমুক্ত করা হচ্ছে না, সেই সঙ্গে ইরানের জ্বালানি তেল ও পেট্রোরাসায়নিক খাতের ওপর আরোপিত কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের তেল ও পেট্রোরাসায়নিক পণ্য বিক্রির জন্য বিশেষ অনুমতি পাবে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিদর্শকদের ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পুনরায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তেহরান সম্মত হওয়ায় এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান ও কাতার। দুই দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার পর উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়।

তবে অবমুক্ত অর্থের ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, এই অর্থের একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যয় করা উচিত।

কিন্তু এ দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবমুক্ত হওয়া অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিজস্ব বিষয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কিনতে ইরানকে কোনোভাবেই বাধ্য করা যাবে না। দেশের অর্থনৈতিক প্রয়োজন ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় তেহরান নিজেই এই অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে এখনো অনেক জটিলতা রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান ইস্যুতে মার্কিন জনগণের অসন্তোষে চাপের মধ্যে ট্রাম্পের রাজনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


ইরান ইস্যুতে মার্কিন জনগণের অসন্তোষে চাপের মধ্যে ট্রাম্পের রাজনীতি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার উদ্যোগ নিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্ট নয় দেশটির বেশিরভাগ মানুষ।

নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন নাগরিকরা যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান, তবে তারা মনে করছেন এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় কোনো সাফল্য বয়ে আনেনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করে যুদ্ধ শেষের পথে এগোলেও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে এটি কোনো বিজয় নয়। বরং অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘ সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ ও ইউগভের জরিপে দেখা গেছে, ৭৮ শতাংশ মার্কিনি চান যুদ্ধ এখনই বন্ধ হোক। অন্যদিকে মাত্র ২২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ইরান আরও ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।

তবে সমঝোতাটি মূল্যায়ন করতে গিয়ে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। মাত্র ২২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো। ৩৭ শতাংশের মতে, এটি বরং ইরানের জন্য বেশি সুবিধাজনক। বাকি ৪১ শতাংশ মনে করেন, দুই পক্ষই প্রায় সমান সুবিধা পেয়েছে।

জরিপে আরও দেখা গেছে, ৬৯ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, এই সমঝোতা চূড়ান্ত হলেও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না। এমনকি রিপাবলিকানদের মধ্যেও প্রায় অর্ধেক মানুষ একই মত দিয়েছেন।

যুদ্ধের ফলাফল নিয়েও হতাশ মার্কিন নাগরিকরা। ৪৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, কৌশলগত দিক থেকে যুদ্ধ সফল হয়নি। আর ৫৭ শতাংশের মত, এই যুদ্ধ সমস্যার সমাধানের চেয়ে নতুন সমস্যা তৈরি করেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে আসছে, যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়েছে এবং পরমাণু কর্মসূচিতে বড় আঘাত এসেছে। তবে জরিপে মাত্র ৩৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন, যুদ্ধের পর ইরান আগের চেয়ে দুর্বল হয়েছে। ৬৩ শতাংশের মতে, ইরান আগের মতোই শক্তিশালী আছে অথবা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়েও মার্কিনদের উদ্বেগ রয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথ বন্ধ হওয়ার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় চাপ তৈরি হয়। অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিস্থিতির প্রভাব আগে থেকে বুঝতে পারেনি।

জরিপে ৬৪ শতাংশ মানুষ বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে প্রভাব পড়েছে, তা ট্রাম্প প্রশাসনের ধারণার চেয়েও বেশি ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন জনগণ এখন মূলত দীর্ঘ যুদ্ধ থেকে মুক্তি চায়। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন আগে জানিয়েছিল, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে। কিন্তু সংঘাত প্রায় চার মাস ধরে চলায় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

জরিপে আরও উঠে এসেছে, দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিনি মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন নিজেদের সব লক্ষ্য পূরণ করেছে বলে নয়, বরং সংঘাত শেষ করতেই এই সমঝোতায় গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%