ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য ব্যালন ডি’অরও ছাড়তে রাজি কেইন


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য ব্যালন ডি’অরও ছাড়তে রাজি কেইন

বায়ার্ন মিউনিখের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তিনি ব্যালন ডি’অর ট্রফির পরিবর্তে একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পদক নিতে প্রস্তুত আছেন।

এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড, যিনি ৩৩ বছর বয়সী, সম্প্রতি কিলিয়ান এমবাপে ও লামিনে ইয়ামালকে পেছনে ফেলে ২০০১ সালের পর প্রথম ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অর জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন। তবে, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচের আগে তিনি জানিয়েছেন, ইউরোপের শ্রেষ্ঠ ক্লাব প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতা এখন তার প্রধান লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেছেন, “দলীয় শিরোপার জন্যই আমরা ফুটবল খেলি। আমাদের খেলায় দলীয় দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত সপ্তাহের ব্যালন ডি’অর আমার জীবন ও ক্যারিয়ারের সেরা অনুভূতিগুলোর একটি ছিল। কিন্তু দলের সঙ্গে ট্রফি জয়ের মুহূর্ত, ক্লাবের সঙ্গে উদযাপন, বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা হবে অসাধারণ এক অনুভূতি।”

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাওয়ার পরও রিয়ালের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধ রাখল চীন

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ব্যালন ডি’অরের মধ্যে একটি বেছে নিতে হলে কোনটি বেছে নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বলেন, “আমি চ্যাম্পিয়ন্স লিগই বেছে নেব। তবে আমার সামনে দুটিই জেতার সুযোগ রয়েছে, দেখা যাক কী হয়। ব্যালন ডি’অর অবশ্যই বিশেষ কিছু, এটি আমাকে আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। কিন্তু আপনি বড় বড় ফাইনাল খেলতে চান, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে চান এবং সতীর্থদের সঙ্গে সেই আবেগ ভাগ করে নিতে চান।”

ব্যালন ডি’অর জয়ের মাধ্যমে কেইন ইংল্যান্ডের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেছেন। এর আগে মাইকেল ওয়েন, স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস, স্যার ববি চার্লটন ও কেভিন কিগান এই পুরস্কার জিতেছিলেন।

গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৭৩ গোল করা কেইন জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন ছিল তার জন্য “রোলারকোস্টারের মতো।”

তিনি উল্লেখ করেন, “এটি আমার জন্য যেমন বড় অর্জন, ক্লাবের জন্যও তেমন। নিঃসন্দেহে এটি আমার জীবনের অন্যতম সেরা অনুভূতি। তবে এর মধ্যে কিছু কঠিন সময়ও এসেছে এবং নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এসব আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে।”

আরও পড়ুন: ফুটবলাররা বিশ্বকাপে রানার্স আপ হওয়ায় পেলেন বড় পুরস্কার

নতুন চুক্তির খুব কাছাকাছি

কেইন জানিয়েছেন, বায়ার্নের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তিনি চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।

২০২৩ সালের আগস্টে টটেনহ্যাম থেকে ১০ কোটি ইউরো (৮৬.৪ মিলিয়ন পাউন্ড) ট্রান্সফার ফিতে বায়ার্নে যোগ দেওয়া এই স্ট্রাইকার বলেন, “বড় বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যে সমঝোতা হয়েছে এবং আমরা সন্তুষ্ট। তবে প্রতিটি চুক্তিরই কিছু ছোটখাটো বিষয় থাকে, যেগুলো আইনজীবীদের চূড়ান্ত করতে হয়।

সব মিলিয়ে আমি বলব, বিষয়টি সপ্তাহের নয়, বরং কয়েক দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। আজও আলোচনার অগ্রগতি ভালো হয়েছে বলে শুনেছি। আশা করি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কিছু একটা চূড়ান্ত হবে।”

আরও পড়ুন: এশিয়া কাপ খেলতে ওমানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ল যুবারা

কোচ কম্পানির অনুপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

এদিকে, বায়ার্নের প্রস্তুতিতে ছায়া ফেলেছে প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কম্পানির অনুপস্থিতি। গত ২৩ অক্টোবর রিজার্ভ দলের একটি অনুশীলন সেশনের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পাঁচ দিন পর হাসপাতাল ছাড়লেও এখনও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তিনি।

বর্তমানে সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাঙ্কস প্রথম দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

কেইন বলেন, “আমরা অবশ্যই কোচকে মিস করছি। তবে সবারই নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ আছে এবং মৌসুমের এখনও অনেক পথ বাকি। আমরা পরিস্থিতি ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছি।

আরও পড়ুন: হলান্ড ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়তে পারেন, সম্ভাব্য গন্তব্য রিয়াল মাদ্রিদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চন্দন সূত্রধর রাজের স্মরণে বেরোবিতে ছাত্র ফেডারেশনের মোমবাতি প্রজ্বালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


চন্দন সূত্রধর রাজের স্মরণে বেরোবিতে ছাত্র ফেডারেশনের মোমবাতি প্রজ্বালন

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন সূত্রধর রাজের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে সংগঠনটি।

চন্দনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে মোমবাতি প্রজ্বালন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ সময় জুলাই আন্দোলনে তাঁর সাহসী ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর আত্মত্যাগের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বেরোবি শাখার নেতাকর্মীরা চন্দন সূত্রধর রাজকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানান। পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে এর নিন্দা জানান তাঁরা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়।

এ সময় বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বেরোবি শাখার আহ্বায়ক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হয়েও বিনা চিকিৎসা ও অবহেলায় তাঁর মৃত্যুবরণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। আমরা চন্দনের আত্মত্যাগের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি করছি। একই সঙ্গে তাঁর চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রশাসনিক উদাসীনতা থাকলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’

সংগঠনটির নেতাকর্মীরা বলেন, জুলাই আন্দোলনে চন্দন সূত্রধর রাজের সাহসী ভূমিকা ও আত্মত্যাগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তাঁরা।

কর্মসূচি শেষে চন্দন সূত্রধর রাজের আত্মার শান্তি কামনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বেরোবি শাখার নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ দিন পরেও নিখোঁজ স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার বিজলীর সন্ধান মেলেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


৮ দিন পরেও নিখোঁজ স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার বিজলীর সন্ধান মেলেনি

দিনাজপুরের হিলিতে স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজের আট দিন অতিক্রম হলেও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার বিজলীর সন্ধান এখনও মেলেনি। গত ২৬ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তার মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, হিলির চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা সামিয়া আক্তার বিজলী প্রতিদিনের মতো ২৬ অক্টোবর সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর হাকিমপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু নিখোঁজের আট দিন পেরিয়ে গেলেও মেয়ের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তাদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে।

সামিয়ার নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্বজনরা তার সন্ধান পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, কেউ তার সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানা কিংবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, ‘সামিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


নেপালে হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১

নেপালের মাউন্ট এভারেস্ট অঞ্চলে অবতরণের সময় দুটি হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং নিউজিল্যান্ডের একজন নাগরিক আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সোলুখুম্বু জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা কামান সিং থাপা মাগার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মাউন্ট এভারেস্টের বেস ক্যাম্প এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। আহত নিউজিল্যান্ডের নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ভিডিওতে দেখা যায়, অবতরণের ঠিক আগে হেলিকপ্টার দুটির পাখা বা রোটর একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

দুর্ঘটনার ফলে হেলিকপ্টার দুটি বরফে ঢাকা মাটিতে আছড়ে পড়ে। এ দুটি হেলিকপ্টার ফিশটেইল এয়ার ও ডাইনেস্টি এয়ার নামের দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের। ফিশটেইল এয়ার এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের হেলিকপ্টারটি এভারেস্ট অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা যাত্রীদের নিয়ে যাচ্ছিল এবং অবতরণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ফিশটেইল এয়ারের এক কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারে থাকা ভারতীয় ও নিউজিল্যান্ডের নাগরিক দুজনই পর্যটক ছিলেন। অন্যদিকে, ডাইনেস্টি এয়ারের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের হেলিকপ্টারটিতে শুধুমাত্র পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল। নেপালে ট্রেকিংয়ের ব্যস্ত মৌসুমে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে হেলিকপ্টারে করে পর্যটক, হাইকার ও পর্বতারোহীদের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়।

নেপালে পর্যটক ও পর্বতারোহীদের পরিবহনের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতেও ছোট হেলিকপ্টার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। তবে দেশটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার কারণে সেখানে হেলিকপ্টার চালানো বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে আটটি নেপালে অবস্থিত। এ কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার বিদেশি পর্বতারোহী ও ট্রেকার দেশটিতে ভিড় করেন। নেপাল ও প্রতিবেশী ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে হেলিকপ্টার চালানো বেশ কঠিন। বিশেষ করে বেশি উচ্চতায় বাতাসের ঘনত্ব কম থাকায় হেলিকপ্টার উড্ডয়ন ও অবতরণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়।

বাতাসের ঘনত্ব কম হলে হেলিকপ্টারের পাখা বা রোটর পর্যাপ্ত বাতাস নিচের দিকে ঠেলে দিতে পারে না। ফলে হেলিকপ্টারের ওপরে ওঠার ক্ষমতা কমে যায়। একই সঙ্গে ইঞ্জিনে জ্বালানি পোড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সরবরাহও কমে যায়। এতে ইঞ্জিনের শক্তি হ্রাস পায়।

এর মাত্র কয়েক দিন আগে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের বদ্রিনাথ থেকে উড্ডয়নের পরপরই একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে পাইলটসহ ছয়জন নিহত হন। বদ্রিনাথও একটি উঁচু পার্বত্য এলাকা। সেখানে বাতাসের ঘনত্ব কম থাকায় হেলিকপ্টার পরিচালনা করা বেশ কঠিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হার্ভার্ডে ভর্তির স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে প্রাণ গেল পাকিস্তানি তরুণীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


হার্ভার্ডে ভর্তির স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে প্রাণ গেল পাকিস্তানি তরুণীর

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখতেন পাকিস্তানের ২৪ বছর বয়সী তরুণী লাইবা ইজাজ। মেয়ের সেই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য জমি ও পরিবারের গয়না বিক্রি করেছিলেন তার বাবা রানা মুহাম্মদ ইজাজ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তি তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ রুপি হাতিয়ে নেন। পরে ভুয়া কাগজপত্রের বিষয়টি প্রকাশিত হলে লাইবা ভেঙে পড়েন। গত ৯ অক্টোবর ইসলামাবাদে তার বাড়ির কাছে থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে তার পরিবার এই ধারণা মানতে অস্বীকৃতি জানায়। তাদের অভিযোগ, ওই প্রতারকই লাইবাকে হত্যা করেছে।

লাইবা পদার্থবিজ্ঞানে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছিলেন। ইসলামাবাদের সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ইসলামাবাদ থেকে তার পড়াশোনা শেষ হয়েছিল। হার্ভার্ডে পড়ার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তিনি মুহাম্মদ নোমান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন। যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে নোমান লাইবা ও তার পরিবারের কাছ থেকে কয়েক ধাপে অর্থ গ্রহণ করেন। পরে পরিবার জানতে পারে, ভর্তির জন্য দেখানো কাগজপত্র সবই ভুয়া।

লাইবার মৃত্যুর দুই দিন পর নোমানকে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ২০ অক্টোবর পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নোমানকে ছাড়িয়ে নিতে তার সহযোগীরা গুলি চালায়। ২১ অক্টোবর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি লাইবার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় নোমানের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়ে পাঁচ মিলিয়ন রুপির বেশি অর্থ পরিবারের হাতে তুলে দেন তিনি, যা প্রায় ১৮ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে ওই অর্থ লাইবার বাবা-মায়ের ক্ষতি পূরণ করতে সক্ষম হয়নি। তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেয়ের জীবন, যা আর ফিরে পাওয়ার নয়।

হার্ভার্ডে পড়ার স্বপ্ন

ইসলামাবাদের জি-১০ এলাকার একটি দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দোকান ‘রানা মালিক সেন্টার’। দোকানের ওপরের ফ্ল্যাটে তিন দশকের বেশি সময় ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন রানা মুহাম্মদ ইজাজ।

অক্টোবরের শেষ দিকে দোকানের বাইরে বসে আল-জাজিরার সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে জানান, প্রতিদিন সকালে বাবার জন্য চা বানিয়ে দিতেন লাইবা। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আবারও চা করে দিতেন। ঘুমানোর আগে বাবার কাঁধও মালিশ করতেন।

ইজাজ বলেন, ‘এখন সে নেই। এসব কথা খুব মনে পড়ে।’

ইজাজ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তার স্ত্রী দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। তবে তাদের চারটি মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তাদের একজন বৃত্তি নিয়ে চীনে গিয়ে ম্যান্ডারিন ভাষা শিখছেন। লাইবাও বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বর্ণপদক পাওয়ার দিন বোনদের সামনে আনন্দে নেচে ও লাফিয়ে উঠেছিলেন তিনি।

বাবার ভাষায়, লাইবা পরে ইসলামাবাদের একটি স্কুলে বিজ্ঞান পড়াতেন। পাশাপাশি দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে পড়াতেন। সৌদি আরবে উচ্চশিক্ষার জন্য তাঁকে বৃত্তি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু লাইবা যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে চেয়েছিলেন।

এ জন্য বাবার কাছে বিদেশে পড়াশোনার খরচ চান তিনি। ইজাজের স্মৃতিতে, মেয়ে তাঁকে বলেছিলেন, ‘আমি নিজেই সব কাজ করেছি, টিউশনিও করাই। তুমি কি আমার জন্য এটুকু করতে পারবে না?’

জবাবে বাবা বলেছিলেন, ‘আমার আদরের মেয়ে, আমি করব।’

ইজাজ বলেন, ‘এরপর থেকেই আমরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করি।’

পরে নোমানের সঙ্গে পরিচয় হয় তাদের। হার্ভার্ডে পড়ার স্বপ্ন আরও বড় হতে থাকে। কিন্তু তখন পরিবার জানত না, সেই স্বপ্নের ভিত্তি ছিল ফাঁকা প্রতিশ্রুতি ও মিথ্যা।

‘পরিচয়পত্রটি আসল মনে হয়েছিল’

চলতি বছর ইসলামাবাদের প্রধান ব্যবসায়িক এলাকা ব্লু এরিয়ার একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় নোমানের সঙ্গে লাইবার পরিচয় ঘটে। সেখানে তার কাজের সময় ছিল রাতের দিকে। সহকর্মীদের বেশিরভাগই পুরুষ ছিলেন। মেয়ের কর্মপরিবেশ নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন বাবা ইজাজ। তিনি লাইবাকে চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন। পরে লাইবা কাজটি ছেড়ে দেন।

এরপর নোমান তাদের দোকানে দুধ ও দই কিনতে আসতে শুরু করেন। একদিন তিনি লাইবার সৌদি আরবে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চান। ইজাজ তাঁকে বলেন, তাঁরা সৌদি আরব নয়, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান।

নোমান দাবি করেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টে চাকরি করেন। নিজের একটি চাকরির পরিচয়পত্রও দেখান। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারী হওয়ায় তার কোনো লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই।

ইজাজ বলেন, ‘পরিচয়পত্রটি আমার কাছেও আসল মনে হয়েছিল। পাশের লোকজনকেও দেখিয়েছিলাম।’

এরপর নোমান লাইবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়ায় সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। বাবা ও মেয়ে তার প্রস্তাবে রাজি হন। ইজাজের ভাষায়, ‘এটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল।’

ইজাজের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি বাবদ প্রথমে নোমানকে ২২ লাখ রুপি দেওয়া হয়। পরে নোমান জানান, হার্ভার্ডে আবেদনের জন্য ৭২ লাখ রুপি আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে। ওই অর্থ তার ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নিতে হবে এবং ডলারে রূপান্তর করতে হবে বলেও জানান তিনি।

মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে নিজের একটি জমি বিক্রি করেন ইজাজ। পরিবারের গয়নাও বিক্রি করেন। তিনি বলেন, ‘মেয়েকে সাহায্য করার জন্য আমার একটি জমি বিক্রি করেছি। পরিবারের গয়নাও বিক্রি করেছি, যাতে চাওয়া ৭২ লাখ রুপি জোগাড় করতে পারি।’

আল-জাজিরাকে দেওয়া নথিপত্রে দেখা যায়, লাইবার আবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কিছু কাগজপত্র ছিল। এর মধ্যে হার্ভার্ডের ভর্তির প্রস্তাব ও বৃত্তির চিঠি, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনসংক্রান্ত একটি ফরম, নিউইয়র্কে বসবাসকারী এক আত্মীয়ের স্পনসরশিপের হলফনামা, লাইবার ছবি সংবলিত দূতাবাসের একটি নথি এবং বোস্টনে যাওয়ার বিজনেস ক্লাসের বিমানের টিকিট ছিল।

ইজাজের ভাষ্য, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নোমান তাদের হাতে সর্বশেষ নথির ফাইলটি তুলে দেন। এতে লাইবার নামে একটি ব্যাংক হিসাবের বিবরণী এবং ১২ অক্টোবরের ভিসা সাক্ষাৎকারের তারিখও ছিল।

অক্টোবরের শুরুর দিকে মেয়ের ভিসা সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিতে সহায়তা করার জন্য ইজাজ নোমানকে ফোন করেন। নোমান জানান, তিনি কোয়েটায় আছেন। পরদিন ফিরে আসবেন।

কিন্তু নোমানের কথাবার্তায় সন্দেহ হয় পরিবারের। তারা নথিপত্রগুলো একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে নিয়ে যান। সেখানে জানতে পারেন, বোস্টনে যাওয়ার বিমানের টিকিটটি ভুয়া। পরে পরিবারের এক আইনজীবী প্রতিবেশী পুরো ফাইলটি পরীক্ষা করে জানান, কোনো নথিই আসল নয়। ইজাজ বলেন, ৬ অক্টোবর তারা প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এ ঘটনায় পুরো পরিবার ভেঙে পড়ে। ইজাজ মেয়েকে সান্ত্বনা দিয়ে বলতেন, ‘যা হওয়ার হয়ে গেছে।’ কিন্তু লাইবা তখনো আশা ছাড়েননি। তার বাবা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ ও হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ হয়তো তার হয়ে প্রকৃত আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে—এমন আশায় ছিলেন মেয়ে।

শেষ সকাল

৯ অক্টোবর শুক্রবারের নামাজের জন্য দোকান বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইজাজ। সে সময় লাইবা তাঁকে জানান, নোমান একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের এলাকার মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন।

ইজাজ মেয়েকে বলেছিলেন, ‘লাইবা, মা আমার, সে আসবে না। তার বার্তা শোনার কোনো প্রয়োজন নেই।’ মেয়েকে ঘরের ভেতরে থাকতে বলেন তিনি। স্ত্রীকেও বিষয়টি খেয়াল রাখতে বলেন।

কিন্তু ফিরে এসে স্ত্রী ইজাজকে জানান, নোমানের বার্তা পাওয়ার পর মায়ের আপত্তি সত্ত্বেও লাইবা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন।

ইজাজ বলেন, ‘এ কথা শোনার পর মনে হয়েছিল, আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে।’

এরপর লাইবার খোঁজে তার জামাতা জায়েদ বিন আফজাল ও ছোট এক ভাইকে পাঠান ইজাজ। এ সময় লাইবার এক বোন একটি অ্যাপের সাহায্যে তার মোবাইলফোনের অবস্থান শনাক্ত করতে তাদের সহায়তা করেন। অ্যাপটির মাধ্যমে ফোনটির অবস্থান বাড়ির কাছাকাছি একটি এলাকায় পাওয়া যায়।

লাইবা বাড়ি ছাড়ার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তার লাশ খুঁজে পান তারা। জায়েদ পুলিশ জরুরি নম্বরে ফোন করেন। এরপর শ্বশুরকে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। ফোনে লাইবার মৃত্যুর কথা জানাতে চাননি তিনি। তাই শ্বশুরকে বলেন, লাইবা জেদ করছেন এবং বাড়ি ফিরতে চাইছেন না।

তবে ইজাজের মনে তখনই অজানা আশঙ্কা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

বিদেশে পড়তে যেতে আগ্রহী পাকিস্তানি শিক্ষার্থী বাড়ছে।

লাইবা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আগ্রহী পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান একটি অংশের প্রতিনিধি। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনের ‘ওপেন ডোরস’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৩ হাজারের বেশি পাকিস্তানি শিক্ষার্থী ভর্তি ছিলেন। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এ সংখ্যা ৭৫ শতাংশ বেশি।

পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) জানিয়েছে, নোমান নিবন্ধিত ভিসা এজেন্ট ছিলেন না। বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন অল পাকিস্তান অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেন এডুকেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন কনসালট্যান্টসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারি কোনো ব্যবস্থা নেই।

লাহোরের শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কলেজওয়ার্কসের সহপ্রতিষ্ঠাতা নুশমিয়া সুকেরা আল-জাজিরাকে বলেন, শিক্ষা পরামর্শকদের নিবন্ধন বা কার্যক্রম তদারকির জন্য কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা আছে বলে তিনি জানেন না।

তিনি বলেন, ‘কোনো শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।’

নোমানের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন

লাইবার মৃত্যুর এক দিন পর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নোমানকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পুলিশ ও এফআইএ পৃথক দুটি মামলা করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর নোমানকে নিয়ে তদন্তের কাজে তথ্য-প্রমাণ উদ্ধারে যাওয়ার সময় দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার ব্যক্তি গুলি চালান। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নোমানকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া। তবে গুলিতে নোমানও আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নোমানের মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও ইজাজের কাছে এটি কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার পাওয়ার মতো ঘটনা। মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তির পরিণতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে যা ঘটেছে, তা ঠিকই হয়েছে।’

নোমানের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এদিকে আল-জাজিরাকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লাইবার মৃত্যুর তদন্ত এখনো চলছে। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে আত্মহত্যার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ভিডিও ফুটেজে লাইবাকে হাতে মোবাইলফোন নিয়ে একা বাড়ি থেকে বের হতে দেখা গেছে। বাকি ফরেনসিক প্রতিবেদন পেতে সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে।

তবে লাইবার পরিবার আত্মহত্যার ধারণা মেনে নিতে পারছে না। জায়েদ বলেন, লাইবাকে খুঁজে পাওয়ার পর তাদের মনে হয়েছে, তিনি নিজে এমন কিছু করতে পারেন না।

ইজাজের বক্তব্য আরও স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘সে নিজে মারা যায়নি। নোমানই তাকে হত্যা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%