বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৬ পি.এম
পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে মদিনা থেকে ঢাকায় ফিরে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে সাময়িক বিলম্বের ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এছাড়া, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-৩৩৮ ঢাকায় অবতরণ করে। ফ্লাইটটির সম্মানিত ওমরাহ যাত্রীদের জন্য জমজমের পানি সরবরাহে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব ঘটে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, কন্টেইনার অফলোডিং এবং পরিচালনাগত গাফিলতির কারণে ব্যাগেজ বেল্টে সময়মতো জমজমের পানি পৌঁছাতে বিলম্ব হয়েছে। সেবার মান এবং কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মন্ত্রীর নির্দেশে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যাগেজ ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম প্রধান এবং ফ্লাইট সুপারভাইজার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনাটি নজরে আসার পর, ওমরাহ যাত্রীদের সাময়িক দুর্ভোগ কমাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব সংরক্ষিত মজুদ থেকে দ্রুত জমজমের পানি বিতরণের ব্যবস্থা করে। পরে অপর কন্টেইনারটি দ্রুত শনাক্ত করে সেটির জমজমের পানিও সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সম্মানিত যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন ও সর্বোচ্চ মানের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর অভ্যন্তরীণ তদারকি আরো জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের কল্যাণ ও সেবার মান উন্নত করার উদ্দেশ্যে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নতুন কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কার্যালয়ের মাধ্যমে সোসাইটির কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে। পাশাপাশি, বাসিন্দাদের বিভিন্ন প্রয়োজন, অভিযোগ ও সেবাসংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সহযোগিতা প্রদান করা সম্ভব হবে।
সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, বাসযোগ্য ও কল্যাণমুখী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সুন্দর কমিউনিটি গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। নতুন কার্যালয় সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোসাইটির সেবা কার্যক্রমকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘আমরা এখানে আমাদের নতুন অফিস চালু করেছি। বসুন্ধরার বাসিন্দাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে আমরা অ্যাম্বুল্যান্স সেবা চালু করেছি। অল্প খরচে এই সেবা দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া বাসায় বাসায় জরুরি ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অনেক সময় অনেক বাসিন্দার ওষুধ সংগ্রহে সমস্যা হয়। তারা জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করলে আমরা দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেব। আগামী সপ্তাহ থেকে বাসিন্দারা এসব সেবা পাবেন।’
সোসাইটির মহাসচিব ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ এহসান রেজা বলেন, ‘বসুন্ধরার বাসিন্দাদের কল্যাণ এবং সেবার মান আরো উন্নত করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নতুন অফিসের উদ্বোধন করলাম। এই অফিসের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। এখান থেকে বাসিন্দাদের সেবা ও অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি জানান, ‘বাসিন্দাদের একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। আমাদের বিশ্বাস, আমরা যদি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করি, তাহলে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। আজকের এই অফিস আমাদের সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।’
শেখ এহসান রেজা বলেন, ‘আমাদের অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস, ২৪ ঘণ্টা জরুরি ওষুধ ডেলিভারি সার্ভিস এবং ইউটিলিটি সার্ভিসের আওতায় প্লাম্বিং ও ইলেকট্রিশিয়ান সেবা দেওয়া হবে। আমরা একটি কল সেন্টারও খুলেছি। ভবিষ্যতে সব সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যাব, যাতে সবাই অনলাইনের মাধ্যমে সেবা নিতে পারেন।’
অনুষ্ঠানে সোসাইটির নির্বাহী সহসভাপতি কাজী দিদার আহম্মেদ, অর্থ সম্পাদক ইমরুল হাসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন কার্যালয় ও চালু করা বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের অভিযোগের দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের জনপ্রিয় দৈনিক ‘মৌমাছির কণ্ঠ’ পত্রিকার কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টিম জার্নালিস্টের সদস্য মুন্সি কাশেম।
বুধবার ৩০সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা ৭টায় কুলাউড়াস্থ টিম জার্নালিস্টের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুন্সি কাশেমের হাতে দৈনিক ‘মৌমাছির কণ্ঠ’ পত্রিকার পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক আজকের জনবাণী কুলাউড়া প্রতিনিধি আহমেদ আক্তার রানা, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দৈনিক ভোরের পাতা কুলাউড়া প্রতিনিধি রুবেল বখস পাভেল।
পরিচয়পত্র তুলে দেন টিম জার্নালিস্টের উপদেষ্টা ও দৈনিক দিনকালের কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি মো. মোক্তাদির হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক গণকণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মিসবা উল রায়হান, দৈনিক আমাদের পত্রিকার কুলাউড়া প্রতিনিধি সামসু উদ্দিন বাবু, দৈনিক জনতা'র কুলাউড়া প্রতিনিধি কামরুজ্জামান জুয়েল, দৈনিক জনবাণী'র কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি জামাল হোসেন তারেক, দৈনিক বাংঙলার জাগরণের কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম, আরটিভির কুলাউড়া সংবাদদাতা আব্দুল জব্বার বাহার, নাগরিক টেলিভিশনের কুলাউড়া প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান মাহি, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা মাল্টিমিডিয়ার সিলেট ব্যুরো প্রধান মনোয়ার আলম মিনার, দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠের কুলাউড়া প্রতিনিধি রেজাউল ইসলাম শাফি, দৈনিক ভোরের চেতনার কুলাউড়া প্রতিনিধি তাহমিদুর রহমান, বিডি লাইন-২৪-এর পরিচালক আবরার শাহরিয়ার, প্রিয় বরমচালের সহ-পরিচালক মাহিদসহ আরও অনেকে।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় মুন্সি কাশেমকে টিম জার্নালিস্ট পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
সাংবাদিকতা ও সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাঁর দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ ও স্থানীয় মানুষের নানা বিষয় বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।
এ সময় মুন্সি কাশেম তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে দৈনিক ‘মৌমাছির কণ্ঠ’ পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান টিম জার্নালিস্টের সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসারে অভাব-অনটন চলছিল। নিয়মিত কাজও ছিল না। এর মধ্যে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন নাছিম মিয়া (২৯)। একপর্যায়ে নিজ বসতঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নাছিম মিয়া ব্রাহ্মণ জাটিগ্রাম গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ওরফে খোকা মিয়ার ছেলে। তিনি টাইলস মিস্ত্রির কাজ করতেন। স্ত্রী ও চার বছর বয়সী এক ছেলেকে নিয়ে তাঁর সংসার ছিল।
পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে হাতে কাজ না থাকায় আর্থিক সংকটে ছিলেন নাছিম। সংসারের খরচ চালাতে গিয়ে চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নিজ কক্ষে চলে যান তিনি।
কিছু সময় পর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার বলেন, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে অভাব-অনটন ও পারিবারিক কলহের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ