মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৭ পি.এম
রাজধানীর নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার অভিযোগে কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াত এমপি একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিবৃতিটি পাঠান।
বিবৃতিতে আব্দুল গফুর উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ঢাকার মাটিকাটা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং তাকে কেন্দ্র করে ‘আমার দেশ’সহ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, "প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে এবং আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পৃক্ত করে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"
তিনি আরও জানান, "প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছে, মিজানুর রহমানকে আমার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। প্রকৃত সত্য হলো, ঢাকায় মাটিকাটায় আমার নিজস্ব কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই। আমি সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করি। অথচ প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে বিতর্কিত ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।"
জামায়াত এমপি বলেন, "আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, মিজানুর রহমানের সঙ্গে সংঘটিত বিষয়টি তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। একইভাবে, মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃত ঘটনা সম্পূর্ণরূপে একটি ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে। মিজানুর রহমানের সঙ্গে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’র দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে মিজানুর রহমানের পাওনা টাকা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ছিল এবং তিনি আইনানুগভাবে তা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকা পরিশোধ না করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মিজানুর রহমান আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।"
আব্দুল গফুর বলেন, "উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম বাধ্য হয়ে মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। তবে অবশিষ্ট পাওনা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম পাল্টা একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। প্রকৃত বিষয় হলো সম্প্রতি সংঘটিত ভাঙচুর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে আমার জানামতে মিজানুর রহমানের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং নেই। বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে একটি সাজানো ঘটনা ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন বলে আমি মনে করি।"
তিনি আরও বলেন, "এখানে আরও একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাই—মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি ঘটনাকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা মূলত রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের একটি অপকৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।"
এ সংসদ সদস্য বলেন, "আমি মনে করি, একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে রাজনৈতিক রং দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা এবং একই সঙ্গে আমাকে এ ঘটনায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের অপপ্রচার শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং জনগণের কাছে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করারও সুযোগ তৈরি করে। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, রাজনৈতিকভাবে আমাকে ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং প্রকৃত বিষয় আড়াল করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে বলে আমি মনে করি। আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি-কোনো পক্ষের দেওয়া একতরফা, অসম্পূর্ণ বা যাচাই-বাছাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ না করে ঘটনার প্রকৃত সত্য অনুসন্ধান করুন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন। একই সঙ্গে ‘আমার দেশ’সহ যেসব গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেসব সংবাদ দ্রুত সংশোধন করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্বও চলে গেছে, তবে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেকেই এখনো অবস্থান করছে, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা ফ্যাসিবাদীদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। ফ্যাসিবাদ চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোকই বাংলাদেশে বসে আছে।"
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, "কোনো অবস্থাতেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী যারা গোপনে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় ব্যস্ত, তাদের প্রশাসনের দায়িত্ব নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় আনা, বিচারের সম্মুখীন করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তিনি বলেন, "বহু লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেকের জীবনের আত্মাহুতি, অনেকে শহীদ হয়েছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদ পতনের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়ার লক্ষ্য, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সূচনা করতে পেরেছি।"
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, "আমরা মাঝে মাঝে তার কিছু আলামত দেখছি। জনজীবন অস্থিতিশীল করা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য মাঝে মাঝে ভোরবেলায়ও কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিল, কখনো কখনো পটকা ফাটানো এবং বোমা ফাটানোর মতো ঘটনা সারাদেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে।"
তিনি বলেন, "আমরা জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই ব্যাপারে জনগণের পক্ষে সজাগ আছি। গণতন্ত্র ব্যাহত হবে-এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।"
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "সরকার নিশ্চয়ই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সক্রিয় অবস্থান নেবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ একটি বাক্স থেকে তায়িফা সুলতানা (৩) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় শিশুটির ফুফু নার্গিস সুলতানাকে (৪৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু তায়িফা সুলতানা ওই এলাকার ইলিয়াস খানের মেয়ে। সে সোমবার সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরও সন্ধান না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইলিয়াস খানের বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নার্গিস সুলতানা শিশু তায়িফাকে তার কক্ষে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে নার্গিসের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাক্সের ভেতর থেকে তায়িফার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।
নিহত শিশুটির পরিবারের একজন সদস্য জানান, স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর নার্গিস সুলতানা তার ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। আপন ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় পরিবারের সবাই স্তম্ভিত। তারা ধারণা করছেন, ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে নার্গিস হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলছেন না।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নার্গিস সুলতানার কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানকার একটি বাক্স থেকে শিশু তায়িফার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ কিবরিয়ার ছেলে সজীব হাসান গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ৩টার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সজীব তার বাবার সঙ্গে কাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় মাদ্রাসার গেইট পর্যন্ত যায়। সেখানে বাবাকে বলে, “আপনি চলে যান, আমি মাদ্রাসায় ঢুকছি।” এরপর তার বাবা বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু পরে মাদ্রাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সজীব সেদিন মাদ্রাসায় প্রবেশ করেনি।
এরপর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।
কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী যদি সজীব হাসানকে কোথাও দেখে থাকেন, তার সন্ধান পেয়ে থাকেন কিংবা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের মোবাইল নম্বরগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
📞 ০১৩০৭১১৩৯৮২
📞 ০১৭৬৩৩০০০০১
📞 ০১৩৩৪৫৭২৪২০
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী মোছা.মনোয়ারা বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠালী ভালুকাপাড়া এলাকার শুক্কুর আলী, রফিক ও ফুজলু মিয়ার সঙ্গে মনোয়ারা বেগমের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তার স্বামীর পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা নিয়ে সমস্যা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি,চলাচলের জন্য রাস্তা দেওয়ার কথা থাকলেও অভিযুক্তরা সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়ে পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে বের হওয়া ও চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম।
তবে অভিযুক্ত অভিযোগের বিষয়ে মোঃ শুক্কুর আলী বলেন,আমি আলাউদ্দিন ভাইদের কাছ থেকে জমি কিনেছি। আমার জানামতে,আলাউদ্দিনের সঙ্গে জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। জমি নিয়ে বিরোধ আছে,তবে সেটা ভাইয়ে ভাইয়ে।আমি এতটুকুই জানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ